বিশ্বে সবচেয়ে সুখী মানুষের বাস ফিজিতে
![]()
পক্ষকাল ডেস্কগ্যালাপের বছর শেষের জরিপ বলছে বিশ্বে সুখী মানুষের সংখ্যা গত বছরের তুলনায় শতকরা দশভাগ বেড়েছে।
আর ২০১৪-র জরিপে বিশ্বের সবচেয়ে সুখী দেশ হল ফিজি।বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় আন্তর্জাতিক জরিপ সংস্থা গ্যালাপ ৬৫টি দেশে ৬৪ হাজার লোকের কাছে তাদের প্রশ্ন রেখেছিল।
বিশ্বজুড়ে শতকরা ৭০ ভাগ মানুষ বলেছে তারা তাদের জীবন নিয়ে সুখী। তবে এদের মধ্যে মাত্র ৪২ শতাংশ মনে করে তাদের দেশে অর্থনীতি আগামী বছরে উন্নতির মুখ দেখবে।
পৃথিবীর সবচেয়ে সুখী দেশ ফিজি। সেখানে শতকরা ৯৩ ভাগ মানুষ নিজেদের সুখী মনে করেন।
আর সবচেয়ে অসুখী ইরাকের মানুষ।
আর গোটা এলাকার হিসাবে সবচেয়ে সুখী হল আফ্রিকার মানুষ- তারপরেই এশিয়া। আফ্রিকার ৮৩ শতাংশ মানুষ সুখী আর এশিয়ায় এই হার ৭৭ শতাংশ।
সবচেয়ে অসুখী মানুষের বাস পশ্চিম ইউরোপে। এই জরিপে দেখা যাচ্ছে পশ্চিম ইউরোপে মাত্র ১১ শতাংশ মানুষ নিজেদের সুখী মনে করেন।
বিশ্বের বিভিন্ন দেশে যাদের ওপর জরিপ চালানো হয়েছে তাদের প্রায় অর্ধেক বলেছে ২০১৫ সাল তাদের মতে ২০১৪-র থেকে ভাল যাবে।
এদের মধ্যেও ২০১৫ নিয়ে সবচেয়ে আশাবাদী আফ্রিকা - আর তারপরে এশিয়ার মানুষ আর সবচেয়ে কম আশার কথা শোনা গেছে পশ্চিম ইউরোপে।
দেশ হিসাবে ২০১৫ নিয়ে সবচেয়ে আশাবাদ ছিল নাইজেরিয়ায় আর সবচেয়ে হতাশার কথা বলেছেন লেবাননের মানুষ।
নিজের দেশের জন্য লড়াই করতে রাজি কোন্ দেশ- এ প্রশ্নের উত্তরে প্রতি পাঁচজনের মধ্যে তিনজনই বলেছে নিজের দেশের জন্য লড়াই করতে তারা প্রস্তুত।
তবে এক্ষেত্রে সবচেয়ে এগিয়ে মধ্য প্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকার দেশগুলো আর তাদের পেছনেই আছে এশিয়া।
বি বি সি





ইরান যুদ্ধে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির “দেউলিয়াত্ব” উন্মোচিত পাকিস্তানের সহায়তা কামনা খলিলুর’র
২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার আপিল রায়: বিচার, রাজনীতি ও গণতন্ত্রের সন্ধিক্ষণে
মতামত | নির্বাচনকালীন সরকার নিয়ে অধ্যাপক নজরুলের বক্তব্য: প্রশ্নবিদ্ধ আত্মবিশ্বাস না গণতান্ত্রিক দায়?
সম্পাদকীয়: ছায়া-শাসনের ছায়ায় বাংলাদেশ-নির্বাচনের সময়সূচি, পরিসংখ্যান ও ভবিষ্যতের প্রশ্ন
বাংলাদেশ কোন পথে-অন্তর্বর্তী সরকার, না পরিকল্পিত ক্ষমতা দখল?
“আমি শফিকুল ইসলাম কাজল-এই বাংলাদেশ আমি চাইনি”
অস্ত্র হ্যান্ডেল আর ইতিহাসের সুবিধাবাদ: পাটওয়ারীর অর্ধসত্য ও জবাবদিহির ফাঁকি
সম্পাদকীয়: বিদেশি অপারেটর-দক্ষতার পিছনে কোন স্বার্থ লুকানো?
বাংলাদেশের রাজনৈতিক গতিপথ: ঘরে ঘরে সংঘাত, সেনা শাসন নাকি নতুন গণতান্ত্রিক বিন্যাস?