মঙ্গলবার, ২০ মে ২০২৫
প্রথম পাতা » » দেশের নিরাপত্তা ও কূটনৈতিক নীতিতে দ্বন্দ্বের ইঙ্গিত ।
দেশের নিরাপত্তা ও কূটনৈতিক নীতিতে দ্বন্দ্বের ইঙ্গিত ।
পক্ষকাল ডেস্ক সংবাদ
![]()
বাংলাদেশের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা (NSA) ড. খলিলুর রহমান এবং সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান-এর মধ্যে সাম্প্রতিক সময়ে মতবিরোধের সূচনা হয়েছে, যা দেশের নিরাপত্তা ও কূটনৈতিক নীতিতে দ্বন্দ্বের ইঙ্গিত দিচ্ছে।
খলিলুর রহমানের নিয়োগ ও বিতর্ক
ড. খলিলুর রহমান, একজন অভিজ্ঞ কূটনীতিক এবং জাতিসংঘের সাবেক কর্মকর্তা, সম্প্রতি জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত হন। তিনি একইসাথে রোহিঙ্গা ইস্যু এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে প্রধান উপদেষ্টার উচ্চ প্রতিনিধি হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন। তবে, তার এই নিয়োগ সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান-এর সাথে পরামর্শ না করেই সম্পন্ন হয়, যা সামরিক বাহিনীর মধ্যে অসন্তোষের সৃষ্টি করেছে।
সেনাবাহিনীর প্রতিক্রিয়া
জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, যিনি দেশের অভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক নিরাপত্তার প্রধান অভিভাবক হিসেবে বিবেচিত, খলিলুর রহমানের নিয়োগে অসন্তুষ্ট। বিশেষ করে, রোহিঙ্গা সংকট মোকাবেলায় খলিলুর রহমানের প্রস্তাবিত ‘মানবিক করিডোর’ পরিকল্পনাকে সেনাবাহিনী সন্দেহের চোখে দেখছে। তারা মনে করে, এই পরিকল্পনার মাধ্যমে মিয়ানমারের আরাকান আর্মিকে অস্ত্র ও লজিস্টিক সহায়তা পৌঁছানো হতে পারে, যা দেশের নিরাপত্তার জন্য হুমকি।
রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট
শেখ হাসিনার সরকারের পতনের পর, নোবেল বিজয়ী মুহাম্মদ ইউনুসের নেতৃত্বে একটি অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়। এই সরকারের অধীনে খলিলুর রহমানের নিয়োগ এবং তার পরবর্তী কর্মকাণ্ড সেনাবাহিনীর সাথে সরকারের সম্পর্ককে জটিল করে তুলেছে। বিশেষ করে, খলিলুর রহমানের মার্কিন নাগরিকত্ব এবং ওয়াশিংটনে তার দীর্ঘ সময় কাটানো নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে, যা তার সিদ্ধান্তগুলিকে বিতর্কিত করে তুলেছে। [1]
ভবিষ্যৎ প্রভাব
এই মতবিরোধ বাংলাদেশের নিরাপত্তা ও কূটনৈতিক নীতিতে বিভাজনের ইঙ্গিত দিচ্ছে। যদি এই দ্বন্দ্ব সমাধান না হয়, তবে তা দেশের অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতা এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্কের উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
সার্বিকভাবে, খলিলুর রহমান এবং জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান-এর মধ্যে চলমান মতবিরোধ বাংলাদেশের নিরাপত্তা ও কূটনৈতিক নীতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড় নির্দেশ করছে, যা ভবিষ্যতে দেশের রাজনৈতিক ও সামরিক নীতিতে প্রভাব ফেলতে পারে




চাকরির নয় বছরে কোটিপতি রাজউকের ইমারত পরিদর্শক মনিরুজ্জামান
সাব-রেজিস্টার মাইকেলের হাজার কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ
ডিজি বদলি, কিন্তু বিতর্কের অবসান কোথায়?
দুবাইয়ে সাবেক আই জি পি বেঞ্জির গ্রেপ্তার
রেল খেকো ‘ম্যাক্স’ গ্রুপের একচেটিয়া আধিপত্য রুখবে কে
অনিয়ম-দুর্নীতি চাঁদাবাজি ও বদলি বাণিজ্যের মাধ্যমে শূন্য থেকে শতকোটির মালিক বন কর্মকর্তা নিশাত
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর’র সেকেন্ড ডিজি খ্যাত বদলি ও ঘুষ বাণিজ্যের গডফাদার মাসুম বিল্লাহ কি আইনের উর্ধ্বে
ঋণ জালিয়াতি, বিদেশি নাগরিকত্ব ও অফশোর সম্পদ: নতুন চাপে বসুন্ধরা গ্রুপ
“দুদকের দৃষ্টি আকর্ষণ”" সওজের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান প্রকৌশলী মনির হোসেন পাঠান’র সম্পদের পাহাড়