শিরোনাম:
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৮ আগস্ট ২০২২, ৩ ভাদ্র ১৪২৯

Daily Pokkhokal
বৃহস্পতিবার, ৬ ফেব্রুয়ারী ২০২০
প্রথম পাতা » অপরাধ | ব্রেকিং নিউজ | শিক্ষা ও ক্যারিয়ার » জাবি উপাচার্যের অপসারণের দাবিতে নতুন কর্মসূচি
প্রথম পাতা » অপরাধ | ব্রেকিং নিউজ | শিক্ষা ও ক্যারিয়ার » জাবি উপাচার্যের অপসারণের দাবিতে নতুন কর্মসূচি
১৭৪ বার পঠিত
বৃহস্পতিবার, ৬ ফেব্রুয়ারী ২০২০
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

জাবি উপাচার্যের অপসারণের দাবিতে নতুন কর্মসূচি

---

পক্ষকাল সংবাদ-

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়দুর্নীতির অভিযোগে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) উপাচার্য অধ্যাপক ফারজানা ইসলামের অপসারণের দাবিতে আবারও আন্দোলনে নামার ঘোষণা দিয়েছেন ‘দুর্নীতির বিরুদ্ধে জাহাঙ্গীরনগর’ মঞ্চের আন্দোলনরত শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।

বুধবার (৫ ফেব্রুয়ারি) বিকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ও মানবিক অনুষদ ভবনের শিক্ষক লাউঞ্জে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেন তারা।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ‘দুর্নীতির বিরুদ্ধে জাহঙ্গীরনগর’ মঞ্চের সংগঠক ও বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন জাবি শাখার সভাপতি মিখা পিরেগু।

এসময় আন্দোলনকারী শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা উপাচার্যকে শিগগিরই অপসারণের দাবি করেন এবং নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করেন।

ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ ফেব্রুয়ারি থেকে ৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত গণসংযোগ, ৬ ফেব্রুয়ারি বিক্ষোভ মিছিল, ১০ ফেব্রুয়ারি ভিসির অপসারণের দাবিতে ঝাড়ু মিছিল এবং ১২ ফেব্রুয়ারি  একই দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ করা হবে।

এসময় উপস্থিত ছিলেন— নৃবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক সাঈদ ফেরদৌস, পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক জামাল উদ্দিন রুনু, বাংলা বিভাগের অধ্যাপক তারেক রেজা, সাধারণ ছাত্র অধিকার পরিষদের আহ্বায়ক শাকিল উজ জামান, বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি নজির আমিন চৌধুরি জয়, জাহাঙ্গীরনগর সাংস্কৃতিক জোটের সাবেক সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম পাপ্পু, সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্ট জাবি শাখার সভাপতি (মার্ক্সবাদী) মাহাথির মুহাম্মদ প্রমুখ।

প্রসঙ্গত, দুর্নীতির অভিযোগে উপাচার্য অধ্যাপক ফারজানা ইসলামের অপসারণ দাবিতে কয়েকমাস ধরে চলা ধারাবাহিক আন্দোলনের এক পর্যায়ে গত বছরের ৪ নভেম্বর সন্ধ্যায় তার বাসভবন ঘেরাও করেন আন্দোলনকারীরা। পরদিন ৫ নভেম্বর আন্দোলনরত শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা চালান শাখা ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা। পরে সেদিনই এক জরুরি সিন্ডিকেট সভায় অনির্দিষ্টকালের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা করা হয়। একমাস বন্ধ থাকার পর গত ৫ ডিসেম্বর বিশ্ববিদ্যালয় খুলে দেওয়া হয়। এরপর থেকে  আন্দোলন চলমান রয়েছে।



আর্কাইভ

পাঠকের মন্তব্য

(মতামতের জন্যে সম্পাদক দায়ী নয়।)