আগামী সংসদ নির্বাচন ঘিরে সরগরম রাজনৈতিক অঙ্গন
![]()
পক্ষকাল সংবাদ ঃ
আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে সরগরম হয়ে উঠেছে রাজনৈতিক অঙ্গন। ইতোমধ্যে বিভিন্ন সভা সমাবেশে অঙ্গীকারনামা তুলে ধরেছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও বিএনপি চেয়ারপারসন। দু’টি দলের নীতি নির্ধারকরা বলছেন, ভেতরে ভেতরে ইতোমধ্যেই শুরু হয়েছে মনোনয়ন প্রক্রিয়াও। তবে নির্বাচনী পদ্ধতি নিয়ে দ্বিমত পোষণ করলেও দুটি দলই শঙ্কায় আছে, দলীয় অন্তঃকোন্দল নিয়ে।
বর্তমান সরকারের ৫ বছর মেয়াদ অনুযায়ী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের বাকি এখনো দেড় বছরেরও বেশী। তবে ইতিমধ্যেই দেশের সব মহলে শুরু হয়েছে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে নানা জল্পনা কল্পনা। তাই ভিতরে ভিতরে প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছে দেশের প্রধান দুই রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগ ও বিএনপিও।
নির্বাচনে মনোনয়ন দেয়ার ক্ষেত্রে বিএনপি আন্দোলন সংগ্রামে সক্রিয় নেতাদের গুরুত্ব দিলেও আওয়ামী লীগের চোখ সংসদ সদস্যদের বিগত বছরগুলোর আমলনামার দিকে।
ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘গ্রহণযোগ্য প্রার্থী আমা চাচ্ছি কোথাও কোথাও হয়তো এর একটু ঘাটতি আছে। প্রত্যেকের কাজের একটা তালিকা নেতৃর কাছে আছে। জনগণের কাছে যে প্রার্থী গ্রহণযোগ্য তাকে আমরা মনোনয়ন দেবো।’
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ‘আমরা জনগণের কাছে গ্রহণযোগ্য ব্যক্তিদের মনোনয়ন দেবো।’
আওয়ামী লীগ মনে করছে, কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের ঐক্যবদ্ধতা দলকে বিএনপি থেকে এগিয়ে রাখলেও আগামী নির্বাচনে তাদের ডোবাতে পারে বিশৃঙ্খল তৃণমূল। আর বিএনপির দাবি, তৃণমূলে বিভক্তি থাকলেও তাদের প্রধান শক্তি জনগণই।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ‘আমাদের জনগণের প্রতি অনেক বেশি আস্থা। তাই আমরা চাচ্ছি নিরপেক্ষ সুষ্ঠু একটা নির্বাচন হোক।’
ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আমাদের সব নেতা কর্মী ঐক্যবদ্ধ। তৃণমূলের নেতা কর্মীদের একটু খাই খাই আছে। যেখানে যা সমস্যা আছে তা প্রতিহত করা হবে।’
নির্বাচনী ব্যবস্থা নিয়েও মুখোমুখি অবস্থানে রয়েছে প্রধান দুই দল।
তবে শেষ পর্যন্ত যে পদ্ধতিতেই দ্বাদশ সংসদ নির্বাচন হোক না কেন, তাতে যে প্রধান দুই দলই অংশগ্রহণ করতে যাচ্ছে, তাদের কথায় স্পষ্ট।





ডিজিটাল কুরুক্ষেত্রে বাংলাদেশের রাজনীতি: অ্যালগরিদম, মনস্তত্ত্ব ও বাস্তবতার সংঘর্ষ
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে অসম বাণিজ্যচুক্তি বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ
“চুক্তির আড়ালে কার খেলা? জনগণের অধিকার নাকি বিদেশি করপোরেটের মুনাফা?”
ব্রিটিশ রাজনীতিতে বড় পরিবর্তনের আভাস, দ্বিদলীয় ব্যবস্থার অবসান হওয়ার ইঙ্গিত
ভোটের নয়, বিদেশি ছায়ার সরকার: বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব আজ কার হাতে?
দুই বাংলার রাজনীতির অদ্ভুত সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে কি বার্তা দিচ্ছে
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলাদেশে (পূর্ব বাংলায়) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কেবল সাহিত্যিকই নন, তিনি সুসংহত সাংস্কৃতিক রাজনৈতিক হাতিয়ারও বটে
নেতৃত্ব সংকট দূর করতে শীঘ্রই জাতীয়তাবাদী মৎস্যজীবী দল পুনর্গঠন
ভারত থেকে অনুপ্রবেশ ঠেকাতে বেনাপোল সীমান্তে সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি
জামায়াত ১/১১-তে কোনো প্রতিবাদ করেনি: গয়েশ্বর চন্দ্র রায়