বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬
প্রথম পাতা » রাজনীতি » ভোটের নয়, বিদেশি ছায়ার সরকার: বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব আজ কার হাতে?
ভোটের নয়, বিদেশি ছায়ার সরকার: বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব আজ কার হাতে?
সত্য বচন তিতা বচন:
![]()
বাংলাদেশ স্বাধীন হইছিল মানুষের রক্তে। এই দেশের মাটি স্বাধীন হইছিল বুকের রক্ত ঢেলে, কারো দয়া বা বিদেশি করুণায় না। এই দেশের মানুষ যুদ্ধ করছে নিজের সিদ্ধান্ত নিজেরা নেবে বলে, নিজের ভোটে সরকার বানাবে বলে, নিজের পতাকার মর্যাদা রক্ষা করবে বলে। কিন্তু আজ তুই চারপাশে তাকিয়ে দেখ—এই দেশটা কি সত্যিই জনগণের ইচ্ছায় চলছে, নাকি পর্দার আড়ালে বিদেশি শক্তির ইশারায় চালিত হচ্ছে?
সভ্য দেশে ক্ষমতা পরিবর্তন হয় ভোটে। জনগণ যাকে চায় সে আসে, যাকে চায় না সে বিদায় নেয়। এটাই গণতন্ত্র। কিন্তু বাংলাদেশে আজ যে রাজনীতি চলছে, সেখানে জনগণের ভোটের চেয়ে বিদেশিদের সন্তুষ্টি যেন বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে গেছে। জনগণের চোখের সামনে একদল রাজনীতিবিদ ক্ষমতার জন্য এমনভাবে মাথা নত করছে, যেন এই দেশের মানুষ না, বিদেশিরাই তাদের আসল মালিক।
আজ বাংলাদেশের মানুষ একটা প্রশ্ন করতেই পারে—এই সংসদ কি সত্যিই জনগণের সংসদ? যারা আজ রাষ্ট্রক্ষমতায় বসে আছে, তারা কি জনগণের প্রতিনিধি, নাকি গোপন সমঝোতার মাধ্যমে ক্ষমতায় বসানো প্রতিনিধি?
নির্বাচনের আগে যে গোপন চুক্তির কথা সামনে আসছে, যে বিদেশি সমঝোতার অভিযোগ মানুষ শুনছে, সেটা কোনো ছোট বিষয় না। জনগণ দেখছে—নির্বাচনের আগেই বিদেশি শক্তির সাথে দরকষাকষি হয়েছে, সমঝোতা হয়েছে, ক্ষমতার হিসাব-নিকাশ হয়েছে। আর সবচেয়ে লজ্জার বিষয় হলো, এই নিয়ে সংসদে কার্যকর কোনো প্রতিবাদ নেই। সরকারি দল চুপ, বিরোধী দল চুপ। যেন সবাই কোনো এক অদৃশ্য সুতোয় বাঁধা।
একজন-দুজন ছাড়া কেউ সাহস করে প্রশ্নও তুলতে পারছে না—কেন? কিসের ভয়? কার স্বার্থ রক্ষা করা হচ্ছে?
তুই যদি নিজের দেশের সার্বভৌমত্বের প্রশ্নেও চুপ থাকিস, তাহলে তুই জনগণের প্রতিনিধি কিসের?
বাংলাদেশের ইতিহাসে বহু খারাপ শাসক এসেছে, স্বৈরাচার এসেছে, অন্যায় হয়েছে। কিন্তু এমন সময় খুব কম এসেছে, যখন দেশের মানুষ এত স্পষ্টভাবে অনুভব করছে—রাষ্ট্রের স্বাধীন সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা ধীরে ধীরে বাইরের শক্তির হাতে চলে যাচ্ছে। এই অনুভূতি ভয়ংকর। কারণ একটা রাষ্ট্র যখন নিজের সিদ্ধান্ত নিজে নিতে পারে না, তখন সেই রাষ্ট্রের পতাকা থাকলেও তার আত্মা আর স্বাধীন থাকে না।
আজ দেশের মানুষ দেখছে—ক্ষমতার জন্য সবকিছু বিক্রি করে দেওয়ার প্রতিযোগিতা চলছে। জনগণের ভোট? সেটা শুধু নাটক। গণতন্ত্র? সেটা শুধু মুখের কথা। আসল খেলা হচ্ছে পর্দার আড়ালে। কারা খুশি হবে, কারা সমর্থন দেবে, কোন দূতাবাস সন্তুষ্ট থাকবে—এই হিসাবেই যেন রাষ্ট্র পরিচালিত হচ্ছে।
কিন্তু মনে রাখতে হবে, বাংলাদেশ কোনো করুণার রাষ্ট্র না। এই দেশ কারো উপনিবেশ না। এই দেশের মানুষ মাথা নত করতে শেখে নাই।
যারা ক্ষমতার জন্য দেশের মর্যাদা বিক্রি করে, ইতিহাস তাদের কখনো সম্মান দেয় না। যারা বিদেশি সমর্থনের বিনিময়ে জনগণের অধিকার দুর্বল করে, তারা হয়তো কিছুদিন ক্ষমতায় থাকে, কিন্তু জনগণের হৃদয়ে তারা চিরকাল ঘৃণিত হয়।
আজ দেশের মানুষকে জাগতে হবে। কারণ নীরব জাতি সবচেয়ে দ্রুত দাসে পরিণত হয়। তুই যদি প্রশ্ন না করিস, তাহলে তোর ভবিষ্যৎ অন্য কেউ ঠিক করবে। তুই যদি নিজের ভোটের মর্যাদা রক্ষা না করিস, তাহলে একদিন দেখবি তোর দেশ আছে, পতাকা আছে, কিন্তু সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার আর তোর হাতে নাই।
আজ প্রশ্ন একটাই—বাংলাদেশ কি জনগণের ভোটে চলবে, নাকি গোপন সমঝোতায়?
এই দেশের মানুষ কি স্বাধীন নাগরিক হিসেবে বাঁচবে, নাকি বিদেশি স্বার্থের পরীক্ষাগারে পরিণত হবে?
আজ যারা ক্ষমতায় বসে আছে, তারা যদি সত্যিই জনগণের প্রতিনিধি হয়, তাহলে জনগণের সামনে সব সত্য প্রকাশ করুক। বিদেশি শক্তির সাথে কী চুক্তি হয়েছে, কী সমঝোতা হয়েছে, কার স্বার্থে হয়েছে—সব খুলে বলুক। নইলে জনগণ ধরে নেবে, নীরবতার আড়ালে বড় ধরনের বিশ্বাসঘাতকতা লুকিয়ে আছে।
আমরা কাউকে গালি দিতে চাই না। কিন্তু সত্য কথাও চেপে রাখা যায় না। ইতিহাসের আদালতে সেইসব শাসকদের নাম কখনো সম্মানের সাথে উচ্চারিত হয় না, যারা ক্ষমতার জন্য দেশের আত্মমর্যাদা বন্ধক রাখে।
জনগণই একদিন বিচার করবে—কারা দেশের পক্ষে ছিল, আর কারা ক্ষমতার লোভে জাতির বিশ্বাস বিক্রি করেছে।
কারণ বাংলাদেশ কোনো বিদেশি প্রকল্প না। বাংলাদেশ শহীদের রক্তে গড়া এক স্বাধীন রাষ্ট্র। এই দেশের ভবিষ্যৎ ঠিক করবে বাংলাদেশের মানুষ—কোনো গোপন চুক্তি না, কোনো বিদেশি নির্দেশ না, কোনো অন্ধ সমঝোতা না।
বাংলাদেশ মাথা নত করার জন্য জন্ম নেয় নাই। বাংলাদেশ জন্ম নিয়েছে মাথা উঁচু করে দাঁড়ানোর জন্য।




দুই বাংলার রাজনীতির অদ্ভুত সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে কি বার্তা দিচ্ছে
খেলাপি হওয়ায় ফল স্থগিত দুই নেতা এমপির ভূমিকায় আসলাম চৌধুরী ও সরোয়ার আলমগীর
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলাদেশে (পূর্ব বাংলায়) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কেবল সাহিত্যিকই নন, তিনি সুসংহত সাংস্কৃতিক রাজনৈতিক হাতিয়ারও বটে
প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ”" গণপূর্ত অধিদপ্তরে জালিয়াতি ও বদলি বাণিজ্য সিন্ডিকেট’র গডফাদার খালেকুজ্জামান কি আইনের উর্ধ্বে
বিআইডব্লিউটিএ বঙ্গবন্ধু পরিষদ সভাপতি দুর্নীতিবাজ ছাইদুর’র জিয়া পরিষদ সভাপতির পদ পেতে লবিংয়ে ব্যস্ত!
“”প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ”" গণপূর্ত’র দুর্নীতির সিন্ডিকেট সাম্রাজ্য ৫০ কোটি টাকার লেনদেন’র অভিযোগে তোলপাড়
নেতৃত্ব সংকট দূর করতে শীঘ্রই জাতীয়তাবাদী মৎস্যজীবী দল পুনর্গঠন
ভারত থেকে অনুপ্রবেশ ঠেকাতে বেনাপোল সীমান্তে সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি
রোমানিয়ায় অনাস্থা ভোটে সরকারের পতন, অর্থনীতি ও রাজনীতিতে অনিশ্চয়তা বাড়ছে