মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬
প্রথম পাতা » অপরাধ | অর্থনীতি » বিআইডব্লিউটিএ বঙ্গবন্ধু পরিষদ সভাপতি দুর্নীতিবাজ ছাইদুর’র জিয়া পরিষদ সভাপতির পদ পেতে লবিংয়ে ব্যস্ত!
বিআইডব্লিউটিএ বঙ্গবন্ধু পরিষদ সভাপতি দুর্নীতিবাজ ছাইদুর’র জিয়া পরিষদ সভাপতির পদ পেতে লবিংয়ে ব্যস্ত!
প্রবাসী সাংবাদিক এ. রাজীব:
![]()
বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষ বিআইডব্লিউটিএ বঙ্গবন্ধু পরিষদ সভাপতি ও বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক নৌ পরিবহন প্রতিমন্ত্রী দুর্নীতিবাজ খালিদ মাহমুদ চৌধুরীর ঘনিষ্ঠ সহচর ও বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষ বিআইডব্লিউটিএ অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী(পুর) ড্রেজিং বিভাগ ছাইদুর রহমান এর নজিরবিহীন অনিয়ম দুর্নীতির বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এ নতুন করে বিআইডব্লিউটিএ কর্মকর্তা’র অভিযোগ দেওয়ায় পর থেকে নিজের অতীতের অনিয়ম দুর্নীতি ধামাচাপা দেওয়ার জন্য বিআইডব্লিউটিএ জিয়া পরিষদের সভাপতি হওয়ার জন্য লবিং চালিয়ে যাচ্ছেন বলে বিআইডব্লিউটিএ সূত্র জানায়। সুত্র আরো জানায় সুচতুর ছাইদুর রহমান বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বিআইডব্লিউটিএ বঙ্গবন্ধু পরিষদ এর সভাপতি হওয়ার আগে উক্ত কমিটির সহ-সভাপতি ছিলেন পরবর্তীতে সভাপতি চাকরি থেকে অবসরে যাওয়ার পর ছাইদুর রহমান তৎকালীন নৌ পরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরীর ক্ষমতা বলে নিজেকে বঙ্গবন্ধু পরিষদ বিআইডব্লিউটিএ শাখার স্বঘোষিত সভাপতি বনে যান। বঙ্গবন্ধু পরিষদের সভাপতি হওয়ার পর থেকেই ক্ষমতার দাপটে নিজের অনিয়ম দুর্নীতির মাত্রা আরো তীব্র থেকে তীব্রতর করতে সক্ষম হন। এখন প্রশ্ন জাগে বিআইডব্লিউটিএ এর মধ্যে কি জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির পেশাজীবী সংগঠনের মধ্যে কেউই নেই বিআইডব্লিউটিএ তে জিয়া পরিষদের সভাপতি হওয়ার জন্য? মহা দুর্নীতিবাজ বঙ্গবন্ধু পরিষদ সভাপতি ছাইদুর রহমান জার্সি বদল করে জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির পেশাজীবী সংগঠন জিয়া পরিষদের সভাপতি হওয়ার জন্য লবিং চালিয়ে যাওয়ার বিষয় নিয়ে খোদ বিআইডব্লিউটিএ বিএনপির ঘরনার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিআইডব্লিউটিএ কর্মরত জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির ঘরনার বেশ কয়েকজন কর্মকর্তা-কর্মচারীরা দুর্নীতিবাজ ও বঙ্গবন্ধু পরিষদের সভাপতি ছাইদুর রহমান এর মতো ব্যক্তিকে যেন আওয়ামী লীগে জার্সি বদল করে জাতীয়তাবাদী চেতনার জার্সি গায়ে দিয়ে জিয়া পরিষদের সভাপতি পদ পেতে যারা যারা জড়িত থাকবে তাদের প্রত্যেকের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান’র হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
দুদক অভিযোগ সূত্রে জানা যায় বিআইডব্লিউটিএ বাংলাদেশ সরকারের একটি সায়াত্ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠান। এই প্রতিষ্ঠানে দীর্ঘদিন ধরে কতিপয় কর্মকর্তা মিলে একটি শক্তিশালী দুর্নীতির সিন্ডিকেট গড়ে তুলছে। বিগত আওয়ামীলীগ সরকারের আমলে সরকারের দায়িত্বপ্রাপ্ত তৎকালীন নৌপরিবহন মন্ত্রীকে ম্যানেজ করে লুটপাট চালাতো সিন্ডিকেটটি। এই সিন্ডিকেটের মূল হোতা
অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী (পুর), ড্রেজিং বিভাগ ছাইদুর রহমান ও তার সিন্ডিকেট দুর্নীতিপরায়ণ কর্মকর্তাগণ পরস্পর যোগসাযোশে একের পর এক কয়েক হাজার কোটি টাকার প্রকল্প হাতে নিয়েছেন। ঘুরে ফিরে এরা এবং এদের গৃহপালিত কর্মকর্তাদেরকে প্রকল্প পরিচালক বানিয়ে কাজ না করেই হাজার হাজার কোটি টাকা লুটপাট করে নিয়েছে।
সাবেক নৌপরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খান এবং খালিদ মাহমুদ চৌধুরীকে নির্দিষ্ট অংশের লভ্যাংশ দিয়ে তারা এমন প্রকল্প নিয়েছে। আওয়ামীলীগের সাবেক এই দুই মন্ত্রী শুধু বিআইডব্লিউটিএ থেকেই প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকা পকেটে ঢুকিয়েছেন। প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হলেও অবৈধভাবে প্রকল্পের মেয়াদ এবং টাকার পরিমাণ বাড়িয়েছে ইচ্ছামতো। বিআইডব্লিউটিএ’র প্রকল্প যেন এদের টাকার কুমির হওয়ার প্রকল্প।
এই সিন্ডিকেটের অন্যতম সদস্য সাবেক নৌ পরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরীর আস্থাভাজন অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী (পুর) ছাইদুর রহমান’র কুকীর্তির ফিরিস্তি:
বিআইডব্লিউটিএ’র তিনটি ড্রেজার সংগ্রহ প্রকল্প, দশ ড্রেজার ক্রয় ও সংগ্রহ প্রকল্প, ৩৫ ড্রেজার ও আনুসঙ্গিক জলযান ক্রয় ও সংগ্রহ প্রকল্প প্রায় ১২,০০০ কোটি টাকার উচ্চমূল্যের চুক্তি ইউরোপ আমেরিকার সাথে করা হলেও ড্রেজার /পাইপ/ইঞ্জিন/স্পেয়ার পার্টস গুলোয় কম মূল্যে এবং অত্যন্ত নিম্নমানের দেশীয় প্রযুক্তিতে, দেশীয় ডক ইয়ার্ড হতে অত্যন্ত সুপরিকল্পিতভাবে কৌশলে সংগ্রহ করা হয়েছে। এই প্রকল্প হতে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের সাথে যোগসাজসে হাজার কোটি টাকা এলসি খুলে দুর্নীতির মাধ্যমে বিদেশে পাচার করছে। এই বিশাল অংকের দুর্নীতির টাকার একটা অংশ ছাড়া সংস্থার ড্রেজারগুলো পরিচালনা ও মেরামত খাত থেকে ড্রেজার বেইসের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রকৌশলীরা ২০১৪ সাল থেকে ২০২৪ সালের ৫ ই আগস্ট পর্যন্ত ১০ বছরে অন্তত ১০০ কোটি টাকা লোপাট করেছে যার ২০ শতাংশ পেয়েছেন বিআইডব্লিউটিএ দুর্নীতির সিন্ডিকেটের বড় কর্তারা।
ড্রেজার ক্রয়ের টেন্ডারে আমেরিকা-নেদারল্যান্ডসের সাথে দেশীয় ব্যবসায়ী জয়েন্ট ভেঞ্চার চুক্তি করে পরবর্তীতে পিএসআই করে জোড়াতালি/ গোঁজামিলের রিপোর্ট তৈরী করে দেশীয় অত্যন্ত নিম্নমানের ড্রেজার সংগ্রহ করে।
ছাইদুর রহমানের ফিরিস্তি:
ড্রেজিং শাখার অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী ছাইদুর রহমান। ছাইদুর রহমান প্রকাশ্যে ঘুষ লেনদেন এবং ক্ষমতার অপব্যবহারসহ সব ধরনের অনিয়ম-দুর্নীতির সাথে সম্পৃক্ত আছেন। শুধু তাই নয়, এই সংঘবদ্ধ চক্র বিভিন্ন প্রকল্পের শত শত কোটি টাকা আত্নসাৎ করে নিজেদের নামে-বেনামে বাড়ি-ফ্ল্যাট, মার্কেট, গাড়ির শো-রুমসহ প্রচুর ধন সম্পদের মালিক হয়েছেন। প্রত্যেকেই বিআইডব্লিউটিএ’তে টাকার মেশিন হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছেন। তাদের প্রত্যেকের বিরুদ্ধে দুদকের অনুসন্ধান চলমান। কিন্তু দুদক তাদের সম্পদবিবরণী এবং বিভিন্ন অনিয়ম-দুর্নীতির মাধ্যমে জ্ঞাত আয়ের সঠিক হিসাব না পাওয়ায় অনুসন্ধানের গতি ঢিলেঢালাভাবে চলছে। অভিযুক্তরা দুদকের অনুসন্ধানী টিমকে চ্যালেঞ্জ এবং বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়ে মামলা থেকে রক্ষা পেতে বিভিন্ন তদবিরে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন। আবার তারা এটাও বলছেন যে, দুদকের অনুসন্ধানী টিমকে তাদের সম্পদের হিসাব বিবরণী জমা দিয়েছেন। কিন্তু দুদক অনুসন্ধান শেষ করতে গড়িমসি করছে।
ভোগাই ও কংস নদ খননের নামে টাকা আত্নসাতের অনুসন্ধান এবং রেকর্ডপত্র স্থগিত করার জন্য জোর চেষ্টা চালিয়েছেন ছাইদুর। এজন্য তিনি দুদকের অনুসন্ধানী টিমকে ম্যানেজ করার জন্য নানাভাবে পায়তারা করছেন। সূত্রমতে, বিআইডব্লিউটিএ’র ড্রেজিং বিভাগের দায়িত্বে থাকা অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী ছাইদুর রহমান বিআইডব্লিউটিএ’র ১৩৪ কোটি টাকা আত্নসাতের মাস্টারমাইন্ড ছিলেন। অজ্ঞাত কারণে দুদকের অনুসন্ধান কার্যক্রম থেমে আছে। একের পর এক তদন্ত কর্মকর্তা বদল করা হচ্ছে। দুদক শেষ পর্যন্ত তার বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নিবে না এবং অভিযোগ থেকে অব্যহতি পাবেন- এই আত্নবিশ্বাসে বিআইডব্লিউটিএ’র অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী ছাইদুর রহমান বেপরোয়া হয়ে উঠছেন। তিনি একক আধিপত্য বিস্তার করেছেন ড্রেজিং বিভাগে।
ছাইদুর রহমানের ঈশারায় চলছে ড্রেজিং বিভাগের সব টেন্ডার বাণিজ্য। তার সিন্ডিকেট এতোই শক্তিশালী যে, সেখানে নির্ধারিত ঠিকাদার ছাড়া অন্য ঠিকাদার কাজ পাওয়ার সুযোগ নেই। ২০২০ সালে অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী ছাইদুর রহমান, তার স্ত্রী শামিমা আক্তার এর সম্পদ বিবরণী চাওয়া হয়। চার বছরেও তাদের হিসেব বিবরণীর কাজ শেষ হয়নি। দুদকের দায়ের করা মামলা থেকে বাঁচতে ২০১৭ সালে তার জীবিত বাবাকে মৃত দাবি করেন। তিনি জীবিত পিতাকে মৃত দেখিয়ে উত্তরাধিকার সূত্রে বাবার সম্পদের মালিক দাবি করে ছিলেন। তার এই মিথ্যা অপকৌশল এবং জঘন্য অপরাধ শুধু নিজে ভালো থাকার জন্য বেছে নিয়েছিলেন। জানা যায়, কুড়িগ্রাম জেলার বেনগাছা উপজেলার মুক্তারপুর গ্রামে ১৯৭৩ সালে ১০ জুন ছাইদুর রহমান একটি মধ্যবিত্ত পরিবারে জন্ম গ্রহণ করেন। বর্তমানে তিনি রাজধানীর ৫৫/৫৬ সিদ্ধেশ্বরীর ৪/এ আমিনাবাদ হাউজিং এ নিজের কেনা ফ্ল্যাটে বসবাস করেন। খিলগাঁওয়ের ২৫/বি, এম ডব্লিউ মানামা হাইটস’র ৮ম তলায় ১৮০০ বর্গফুটের একটি অত্যাধুনিক ফ্ল্যাটও রয়েছে ছাইদুর রহমানের। কুড়িগ্রাম শহরেও ৫০ কোটি টাকা খরচ করে রড-সিমেন্টের একটি বড় দোকান করেছেন ছাইদুর রহমান। দোকানটি পরিচালনা করেন ছাইদুর রহমানের ভাই আব্দুল আলীম। এছাড়া ছাইদুর রহমানের আরেক ভাই এস এম তৌফিকুর রহমানের নামে গর্বোরদোলা, বড়পুলের পাড়, কাঁঠালবাড়ী, কুড়িগ্রামে মেসার্স এম.টি আর ব্রিকস নামে আধুনিক ইটের ভাটা তৈরি করেছেন।
উল্লেখ্য,সাবেক নৌ প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরীর অতি প্রিয়ভাজন কর্মকর্তা অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী ছাইদুর রহমান (বঙ্গবন্ধু পরিষদ বিআইডব্লিউটিএর সভাপতি) স্বৈরাচার আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে শেখ হাসিনার চেয়েও বেশি আওয়ামী লীগার হয়ে পড়েছিলেন। আর এর সুবাদে দুই হাতে নজিরবিহীন অনিয়ম দুর্নীতির মাধ্যমে অফুরন্ত টাকা কামিয়েছেন সাইদুর রহমান গংরা। তবে অবাক করা বিষয় জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকার গঠনের পর নড়েচড়ে বসতে শুরু করছে এই সিন্ডিকেটটি এবং রাতারাতি মুজিব বন্দনা জার্সি বদল করে জাতীয়তাবাদী দলের জার্সি গায়ে জড়িয়ে নিজেদের অতীতের অনিয়ম-দূর্নীতি ধামা চাপা দেওয়ার জন্য এখন ভয়ে বিভিন্ন প্রকল্প সরকারের কাছে সমর্পন করে সাধু সাজারও চেষ্টা করছেন।
এমতাবস্থায় বর্তমান সরকারের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করার জন্য উক্ত সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে নিরপেক্ষ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য দাবি জানান বিআইডব্লিউটিএ প্রধান কার্যালয়ে কর্মরত দেশ প্রেমিক সৎ কর্মকর্তা কর্মচারীরা। পরবর্তীতে এই সকল অভিযোগের বিষয়ে বিআইডব্লিউটিই অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী(পুর) ছাইদুর রহমানের ব্যবহৃত (বাংলালিংক) মুঠোফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে মুঠোফোন নম্বরটি বন্ধ পাওয়া যায়।
চলবে,,,,,,




কুমিল্লা হোমনায় ৬০ কেজি গাঁজাসহ প্রাইভেটকার জব্দ, চালক পলাতক
“”প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ”" গণপূর্ত’র দুর্নীতির সিন্ডিকেট সাম্রাজ্য ৫০ কোটি টাকার লেনদেন’র অভিযোগে তোলপাড়
ভারত থেকে অনুপ্রবেশ ঠেকাতে বেনাপোল সীমান্তে সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি
চট্টগ্রামে অ্যাম্বুলেন্সে রোগী নয়, পাওয়া গেল ৪ কোটি টাকার ইয়াবা
দুর্নীতির বাদশা বিএডিসি ডিডি দীপক কুমার কি আইনের উর্ধ্বে
এখনো বহাল তবিয়তে সাবেক নৌ প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ’র আস্থাভাজন দুর্নীতিবাজ ছাইদুর রহমান
রূপগঞ্জে পুলিশের উপর হামলা চালিয়ে হাতকড়াসহ আসামী ছিনতাই ওসিসহ ৬ পুলিশ আহত ৭রাউন্ড ফাঁকা গুলিবর্ষণ গ্রেফতার-১২
চান্দিনায় গৃহবধূ অপহরণ ও সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ, ৪ যুবক আটক
মাত্র ৭ বছরে কোটিপতি রাজউক ইমারত পরিদর্শক নির্মল মালো কি আইনের উর্ধ্বে