বুধবার, ৬ মে ২০২৬
প্রথম পাতা » অর্থনীতি | বিশ্ব সংবাদ » রোমানিয়ায় অনাস্থা ভোটে সরকারের পতন, অর্থনীতি ও রাজনীতিতে অনিশ্চয়তা বাড়ছে
রোমানিয়ায় অনাস্থা ভোটে সরকারের পতন, অর্থনীতি ও রাজনীতিতে অনিশ্চয়তা বাড়ছে
বিশ্ব সংবাদ:
ইউরোপীয় ইউনিয়নপন্থী জোট সরকারের পতনের মধ্য দিয়ে নতুন করে রাজনৈতিক অস্থিরতায় পড়েছে রোমানিয়া। মঙ্গলবার পার্লামেন্টে প্রধানমন্ত্রী ইলি বোলোজান-এর বিরুদ্ধে আনা অনাস্থা প্রস্তাব বিপুল ভোটে পাস হওয়ায় মাত্র ১০ মাসের মাথায় ভেঙে যায় সরকার।
দীর্ঘ বিতর্ক শেষে অনুষ্ঠিত ভোটে অনাস্থা প্রস্তাবের পক্ষে ২৮১ জন আইনপ্রণেতা ভোট দেন, বিপক্ষে ছিল মাত্র চার ভোট। এই ফলাফল দেশটির সাম্প্রতিক রাজনৈতিক বিভাজনের গভীরতাকেই সামনে নিয়ে এসেছে।
অনাস্থা প্রস্তাবটি উত্থাপন করে বামপন্থী সোশ্যাল ডেমোক্র্যাটিক পার্টি (পিএসডি) এবং কট্টর ডানপন্থী অ্যালায়েন্স ফর দ্য ইউনিটি অব রোমানিয়ান্স (এইউআর)। এর আগে এপ্রিলের শেষ দিকে পিএসডি জোট থেকে সমর্থন প্রত্যাহার করে নিলে সরকারের সংখ্যাগরিষ্ঠতা ভেঙে পড়ে।
ভোটাভুটিতে বোলোজানের দল ন্যাশনাল লিবারেল পার্টি (পিএনএল), জোটসঙ্গী ‘সেভ রোমানিয়া ইউনিয়ন’ এবং হাঙ্গেরীয় সংখ্যালঘু দল ইউডিএমআর ভোটদান থেকে বিরত থাকে—যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তোলে।
অর্থনৈতিক উদ্বেগ বাড়ছে
রাজনৈতিক এই অস্থিরতার সরাসরি প্রভাব পড়েছে অর্থনীতিতে। ভোটের আগেই ইউরোর বিপরীতে দেশটির মুদ্রা ‘লেউ’ রেকর্ড পরিমাণে অবমূল্যায়িত হয়। বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে—ইইউকে দেওয়া বাজেট ঘাটতি কমানোর প্রতিশ্রুতি আদৌ বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে কি না।
বিশ্লেষকরা বলছেন, সরকারের কৃচ্ছ্রসাধন নীতির কারণে সাধারণ জনগণ ও প্রভাবশালী গোষ্ঠীর মধ্যে অসন্তোষ বাড়ছিল, যা শেষ পর্যন্ত রাজনৈতিক সংকটে রূপ নেয়।
রাজনৈতিক সমীকরণে টানাপোড়েন
ক্ষমতায় আসার পর জোট সরকারের মূল লক্ষ্য ছিল কট্টর ডানপন্থীদের উত্থান ঠেকানো। কিন্তু পিএসডির সমর্থন ছাড়া সেই জোট ধরে রাখা সম্ভব হয়নি। একই সঙ্গে ডানপন্থী শক্তির জনপ্রিয়তা বৃদ্ধিও পিএসডিকে চাপের মুখে ফেলে।
যদিও জনমত জরিপে বোলোজান এখনো জোটের সবচেয়ে জনপ্রিয় নেতা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছেন।
অনাস্থা ভোটকে “নিন্দনীয় ও কৃত্রিম” আখ্যা দিয়ে বোলোজান বলেন, “দেশের স্বার্থে কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে। কিন্তু এখন প্রশ্ন—আগামীকাল থেকে রোমানিয়া কীভাবে চলবে? কোনও সুস্পষ্ট পরিকল্পনা কি আছে?”
সামনে কী?
বর্তমানে দায়িত্ব রয়েছে প্রেসিডেন্ট নিকুসোর দান-এর ওপর। তিনি নতুন প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ দেবেন এবং সম্ভাব্যভাবে দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা শুরু করবেন। ধারণা করা হচ্ছে, একটি টেকনোক্র্যাট সরকার বা নতুন নেতৃত্বে ইইউপন্থী জোট পুনর্গঠনের চেষ্টা হতে পারে।
পিএসডি ইতোমধ্যে ইঙ্গিত দিয়েছে—প্রধানমন্ত্রী পরিবর্তন করা হলে তারা আবার জোটে ফিরতে পারে। তবে পিএনএল এখনো সেই সম্ভাবনা নাকচ করেছে, যদিও দলটির ভেতরে সমঝোতার পক্ষে কিছু মতামত রয়েছে।
পিএসডি নেতা সোরিন গ্রিনডানু বলেন, “অনাস্থা ভোটের পরও রাজনৈতিক প্রক্রিয়া থেমে থাকে না। আমরা চাই স্থিতিশীলতা ফিরুক।”
সসর্বশেষ ![]()
রোমানিয়ার এই রাজনৈতিক পরিবর্তন শুধু অভ্যন্তরীণ নয়, পুরো ইউরোপীয় ইউনিয়ন অঞ্চলের অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার ওপরও প্রভাব ফেলতে পারে। এখন নজর থাকবে—নতুন নেতৃত্ব কত দ্রুত স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে পারে এবং অর্থনৈতিক আস্থা পুনর্গঠন করতে সক্ষম হয় কি




চাকরির নয় বছরে কোটিপতি রাজউকের ইমারত পরিদর্শক মনিরুজ্জামান
সাব-রেজিস্টার মাইকেলের হাজার কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ
রেল খেকো ‘ম্যাক্স’ গ্রুপের একচেটিয়া আধিপত্য রুখবে কে
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর’র সেকেন্ড ডিজি খ্যাত বদলি ও ঘুষ বাণিজ্যের গডফাদার মাসুম বিল্লাহ কি আইনের উর্ধ্বে
ঋণ জালিয়াতি, বিদেশি নাগরিকত্ব ও অফশোর সম্পদ: নতুন চাপে বসুন্ধরা গ্রুপ
“দুদকের দৃষ্টি আকর্ষণ”" সওজের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান প্রকৌশলী মনির হোসেন পাঠান’র সম্পদের পাহাড়
ও: কাদের লিটন সিন্ডিকেট সদস্য সওজ অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মনিরুজ্জামান
গুলিস্তান ট্রেড সেন্টারে দুর্নীতির উৎসব নীরব ভূমিকায় ঢা:দ:সিটি কর্পোরেশন
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে অসম বাণিজ্যচুক্তি বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ