সম্পাদকীয়
বিচার নয়, প্রতিশোধ নয়-বাংলাদেশের বিচার বিভাগকে স্বাধীন রাখুন প্রকাশকাল: জুলাই ২০২৫
বাংলাদেশ আজ এক ঐতিহাসিক সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে। জুলাই-আগস্ট হত্যাকাণ্ডের বিচার শুধু একটি অপরাধের নিষ্পত্তি নয়-এটি রাষ্ট্রের নৈতিক অবস্থান, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, এবং গণতন্ত্রের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে।
আইন উপদেষ্টার বক্তব্য-”এই সরকারের আমলেই বিচার হবে”-যদিও জনআস্থার বার্তা বহন করে, তবুও এটি বিচার বিভাগের উপর নির্বাহী হস্তক্ষেপের আশঙ্কা সৃষ্টি করে। বিচার বিভাগ যদি রাজনৈতিক সময়সীমা অনুযায়ী পরিচালিত হয়, তাহলে তা মব বিচার-এর রূপ নিতে পারে, যা আন্তর্জাতিকভাবে অগ্রহণযোগ্য।
আমরা অতীতে দেখেছি, রাজনৈতিক নেতারা বিচারাধীন মামলার রায় নিয়ে মন্তব্য করেছেন, যা বিচার বিভাগের নিরপেক্ষতা প্রশ্নবিদ্ধ করেছে। আজকের অন্তর্বর্তী সরকার যদি সত্যিই ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে চায়, তাহলে তাদের উচিত বিচার বিভাগকে সময়, স্বাধীনতা এবং নিরাপত্তা দেওয়া, যাতে বিচারকরা প্রমাণ ও আইনের ভিত্তিতে রায় দিতে পারেন।
আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে বিচারিক গ্রহণযোগ্যতা নির্ভর করে-
সাক্ষ্য-প্রমাণের বিশ্লেষণ
বিচার বিভাগের স্বাধীনতা
রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত পরিবেশ
বাংলাদেশের বিচার বিভাগ যদি এই তিনটি শর্ত পূরণ করতে ব্যর্থ হয়, তাহলে এই বিচার আন্তর্জাতিকভাবে প্রশ্নবিদ্ধ হবে, এবং গণতন্ত্রের ভিত্তি দুর্বল হয়ে পড়বে।
আমরা চাই, বিচার হোক-প্রতিশোধ নয়, প্রচারণা নয়, বরং ন্যায়বিচারের ভিত্তিতে। বিচার বিভাগকে স্বাধীন রাখুন, যাতে ইতিহাসের সামনে আমরা মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারি।





২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার আপিল রায়: বিচার, রাজনীতি ও গণতন্ত্রের সন্ধিক্ষণে
মতামত | নির্বাচনকালীন সরকার নিয়ে অধ্যাপক নজরুলের বক্তব্য: প্রশ্নবিদ্ধ আত্মবিশ্বাস না গণতান্ত্রিক দায়?
সম্পাদকীয়: ছায়া-শাসনের ছায়ায় বাংলাদেশ-নির্বাচনের সময়সূচি, পরিসংখ্যান ও ভবিষ্যতের প্রশ্ন
বাংলাদেশ কোন পথে-অন্তর্বর্তী সরকার, না পরিকল্পিত ক্ষমতা দখল?
“আমি শফিকুল ইসলাম কাজল-এই বাংলাদেশ আমি চাইনি”
অস্ত্র হ্যান্ডেল আর ইতিহাসের সুবিধাবাদ: পাটওয়ারীর অর্ধসত্য ও জবাবদিহির ফাঁকি
সম্পাদকীয়: বিদেশি অপারেটর-দক্ষতার পিছনে কোন স্বার্থ লুকানো?
বাংলাদেশের রাজনৈতিক গতিপথ: ঘরে ঘরে সংঘাত, সেনা শাসন নাকি নতুন গণতান্ত্রিক বিন্যাস?
“বাংলাদেশের যাত্রা কোন পথে-নির্বাচন, অরাজকতা না কি বৈপ্লবিক প্রতারণা?”