শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬
প্রথম পাতা » অপরাধ | জেলার খবর » ভাণ্ডারিয়ায় পরিবার পরিকল্পনা দপ্তরের কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ
ভাণ্ডারিয়ায় পরিবার পরিকল্পনা দপ্তরের কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ
![]()
ভাণ্ডারিয়ায় পরিবার পরিকল্পনা দপ্তরের কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ
৬ মাসেও তদন্ত প্রতিবেদন আলোর মুখ দেখেনি
ভাণ্ডারিয়া (পিরোজপুর) প্রতিনিধি:
পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়া উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা দপ্তরের কর্মকর্তা শিল্পী হালদারের বিরুদ্ধে স্বেচ্ছাচারিতা, অনিয়ম ও দুর্নীতির গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত কমিটি গঠন করা হলেও দীর্ঘ ছয় মাস পেরিয়ে গেলেও এখনো কোনো তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়নি।
অভিযোগে জানা যায়, দপ্তরের কিছু কর্মচারী মাসিক নির্ধারিত অর্থের বিনিময়ে নিয়মিত অফিসে উপস্থিত না থেকেও বেতন-ভাতা ও সরকারি সুযোগ-সুবিধা গ্রহণ করে আসছেন। এদের মধ্যে রয়েছেন ভিটাবাড়ীয়া ইউনিয়নের পরিদর্শক আবদুল মতিন, তেলিখালী ইউনিয়নের পরিদর্শক সোহাগ হাওলাদার এবং একই পরিবারের সদস্য পরিবার কল্যাণ সহকারী শারমিন আক্তার।
এছাড়া পরিবার কল্যাণ সহকারী আলো রানী অবসরে (পিআরএল) যাওয়ার পরও তার লাম্পগ্র্যান্ট পাওনা পরিশোধ না করার অভিযোগও উঠেছে। স্থানীয় সেবা গ্রহীতা ও এলাকাবাসী এসব বিষয়ে দীর্ঘদিন ধরে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ করে আসছেন।
গত ২৫ মার্চ বরিশাল বিভাগীয় পরিচালক মো. আবুল কালাম আজাদ আকস্মিক পরিদর্শনে এসে একাধিক কর্মচারীকে কর্মস্থলে অনুপস্থিত পান বলে জানা যায়। এর আগে একাধিকবার অফিস বন্ধ অবস্থায় পাওয়ার ঘটনাও ঘটে। পরিদর্শনের পর সংশ্লিষ্টদের শোকজ করা হলেও পরবর্তী প্রশাসনিক ব্যবস্থা দৃশ্যমান হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে।
অনুসন্ধানে আরও জানা যায়, ভিটাবাড়ীয়া ইউনিয়নের পরিদর্শক আবদুল মতিন একাধিক মাসে টানা অনুপস্থিত থেকেও হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করেছেন। একইভাবে অন্যান্য কর্মচারীর বিরুদ্ধেও অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে।
তেলিখালী ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র পরিচালনায়ও অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, একই পরিবারের সদস্যদের মাধ্যমে অফিস পরিচালিত হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
এছাড়া অভিযোগ রয়েছে, উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা শিল্পী হালাদার আইভাস++ সিস্টেমের মাধ্যমে বরাদ্দপত্র পাওয়ার আগেই ভ্রমণ ভাতা বাবদ ৫৯ হাজার টাকা উত্তোলন করেন। পাশাপাশি মাঠপর্যায়ের কর্মীদের জন্য বরাদ্দকৃত অর্থ আত্মসাতের অভিযোগও উঠেছে। যদিও তিনি এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
অভিযোগ প্রসঙ্গে শিল্পী হালাদার বলেন, “টাকা উত্তোলনে কোনো জটিলতা নেই। কর্মচারীদের অনুপস্থিতির বিষয়ে অভিযোগ না পেলে ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব নয়।”
অন্যদিকে উপ-পরিচালক তুহিন কান্তি ঘোষ জানান, বরাদ্দের আগেই অর্থ উত্তোলনের বিষয়টি তদন্তে এসেছে। মাঠপর্যায়ের কর্মীদের তদারকির দায়িত্ব উপজেলা কর্মকর্তার। তিনি আরও বলেন, তদন্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এদিকে তদন্ত কমিটি গঠন করা হলেও নির্ধারিত সাত কর্মদিবসের পরিবর্তে ছয় মাস পার হলেও এখনো কোনো চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়নি। এ নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে অসন্তোষ ও প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে।
উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দাবি, নতুন করে উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে এবং প্রতিবেদন পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, অনিয়ম ও দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত কেউই দায়মুক্তি পাবে না।




ও: কাদের লিটন সিন্ডিকেট সদস্য সওজ অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মনিরুজ্জামান
গুলিস্তান ট্রেড সেন্টারে দুর্নীতির উৎসব নীরব ভূমিকায় ঢা:দ:সিটি কর্পোরেশন
অপরাধীদের রাজনৈতিক পরিচয় দেখা হবে না –ডিএমপি কমিশনার
বিআইডব্লিউটিএর সাঈদুর কে ঘিরে নয়া বিতর্ক বঙ্গবন্ধু পরিষদ সভাপতি পদ থেকে থেকে জিয়া পরিষদ
বিচারাধীন মামলা গোপন করে অবৈধ সুপারিশে গণপূর্তের সারওয়ার জাহান বিপ্লব !
শেখর’র ঘনিষ্ঠ সহযোগী সিডিসি জালিয়াতির গডফাদার ক্যাপ: গিয়াস
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের বিরুদ্ধে ১৮ মাসে ২০০ বিলিয়ন ডলার পাচারের অভিযোগ
দুই হাজার কোটি টাকার রাষ্ট্রীয় সম্পদ নামমাত্র মূল্যে বিক্রির নায়ক পরিচালক আরিফ উদ্দীন
রাজশাহীর দুর্গাপুরে শিশু জান্নাতের মরদেহ উদ্ধার, পরিবারের দাবি পরিকল্পিত হত্যা
নকল করতে গিয়ে এক্সপেলড: শিবির সমর্থিত প্যানেলের ঢাবি হল সংসদ সদস্য ফেরদাউস