শিরোনাম:
ঢাকা, সোমবার, ৬ জুলাই ২০২৬, ২২ আষাঢ় ১৪৩৩

Daily Pokkhokal
মঙ্গলবার, ১ জুলাই ২০২৫
প্রথম পাতা » ব্রেকিং নিউজ » সংঘাত জঙ্গল এলাকায় দারিদ্র্যের উত্থান ‘এক বিলিয়ন মানুষকে ক্ষুধার্ত করে তোলে’
প্রথম পাতা » ব্রেকিং নিউজ » সংঘাত জঙ্গল এলাকায় দারিদ্র্যের উত্থান ‘এক বিলিয়ন মানুষকে ক্ষুধার্ত করে তোলে’
২৪২ বার পঠিত
মঙ্গলবার, ১ জুলাই ২০২৫
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

সংঘাত জঙ্গল এলাকায় দারিদ্র্যের উত্থান ‘এক বিলিয়ন মানুষকে ক্ষুধার্ত করে তোলে’

ফিলিপ ইনম্যান, ফ্রাইডে ২৭ জুন ২০২৫

---

আন্তর্জাতিক ডেস্ক ঃ বিশ্বব্যাংকের প্রথম এক মূল্যায়নে বলা হয়েছে, ২০২০ সালের মহামারী পরবর্তী প্রথম পর্যালোচনায় ৩৯টি যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশে চরম দারিদ্র্য এত দ্রুত বাড়ছে যে এক বিলিয়ন মানুষের খাদ্যাভাবে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
চরম দারিদ্র্যের প্রকোপ  ৩৯টি সংঘাতপ্রবণ দেশে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি আটকে গিয়েছে, ফলে ওই দেশগুলোর এক বিলিয়ন নাগরিকের আয় হ্রাস পেয়েছে এবং খাদ্যাভাবে রয়েছে। বেশিরভাগ সংঘাত আফ্রিকার, তবে রাশিয়া-ইউক্রেন ও ইসরায়েল-গাজা যুদ্ধে ভুগা দেশগুলোর বাইরেও সমস্যা ছড়িয়ে আছে।  বিশ্বব্যাংক বলেছে, দুর্বল প্রতিষ্ঠান ও নিরাপত্তাহীনতার কারণে এসব দেশগুলো “দীর্ঘস্থায়ী, শক্তিশালী অর্থনৈতিক উন্নয়ন” ঘাটতি অনুভব করছে।
মহামারী পরবর্তী অর্থনৈতিক ভাটা  ২০২০ সাল থেকে সংঘাতপ্রবণ দেশগুলোর মাথাপিছু জাতীয় আয় বছরে গড়ে ১.৮% হ্রাস পাচ্ছে। অন্য উন্নয়নশীল দেশে একই সময়ে প্রবৃদ্ধি হয়েছে গড়ে ২.৯%। এর ফলে জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা আরও দূরবর্তী হয়ে উঠেছে।
খাদ্যাভাগ্রস্ত মানুষের সংখ্যা  “এই বছর ৪২১ মিলিয়ন মানুষ দৈনন্দিন ৩ ডলারের নিচে জীবিকা নির্বাহ করছে-বাকি বিশ্বের চেয়ে অনেক বেশি।”  এই সংখ্যাটি ২০৩০ সালের মধ্যে বৃদ্ধি পেয়ে ৪৩৫ মিলিয়ন, দুনিয়ার চরম দারিদ্র্যের প্রায় ৬০% ব্যক্তি ছাড়িয়ে যাবে, বলে World Bank রিপোর্টে উল্লেখ।
সংঘাতের মানবিক মূল্য-মৃত্যুর হার  ২০০০-২০০৪ সালের মধ্যে যুদ্ধবিধ্বস্ত এলাকায় বার্ষিক মৃত্যুর গড় ছিল ৫০,০০০; ২০০৫-২০০৮ এ আরও কম। ২০১৪ সালে তা বেড়ে হয়েছে ১৫০,০০০ এর ওপরে। মহামারী পরবর্তীতে গড় বছরিক মৃত্যুহার দাঁড়িয়েছে ২০০,০০০-২০২২ সালে ছুঁয়েছে ৩০০,০০০।
বিশ্লেষক মন্তব্য ইন্দেরমিত গিল (বিশ্বব্যাংক গ্রুপের প্রধান অর্থনীতিবিদ): “গত তিন বছর সর্বাধিক মনোযোগ পাচ্ছে ইউক্রেন ও মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত; অথচ সংঘাত ও অস্থিতিশীলতায় ভুগছে বিশ্বের ৭০% এরও বেশি মানুষ-প্রধানত আফ্রিকান দেশগুলোতে। untreated, these conditions become chronic.”  বর্তমানে ওই ৩৯টি দেশ থেকে ২১টি দেশে একটুও বিরতি নেই-যুদ্ধ ও সংঘাত চলছে অব্যাহতভাবে।
দাতা সহায়তা সংকট  ইউকে ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রসহ বহু প্রধান দাতা দেশে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সহায়তা কমিয়েছে। বিশ্বব্যাংক পশ্চিমা সরকারগুলোকে আহ্বান জানাচ্ছে-যুদ্ধে ভাঙচুর হওয়া দেশগুলোর পুনর্গঠন ও প্রতিষ্ঠান মজবুত করতে সাহায্য বাড়াতে।
উল্লেখ্য রিপোর্টের তথ্য অনুযায়ী, যদি অবিলম্বে আন্তর্জাতিক সহায়তা না বাড়ে, এসব এলাকার চরম দারিদ্র্য ও খাদ্যসঙ্কট ক্রমেই ঘনীভূত হবে।



এ পাতার আরও খবর

চাকরির নয় বছরে কোটিপতি রাজউকের ইমারত পরিদর্শক মনিরুজ্জামান চাকরির নয় বছরে কোটিপতি রাজউকের ইমারত পরিদর্শক মনিরুজ্জামান
সাব-রেজিস্টার মাইকেলের হাজার কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ সাব-রেজিস্টার মাইকেলের হাজার কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ
ডিজি বদলি, কিন্তু বিতর্কের অবসান কোথায়? ডিজি বদলি, কিন্তু বিতর্কের অবসান কোথায়?
দুবাইয়ে সাবেক আই জি পি বেঞ্জির গ্রেপ্তার দুবাইয়ে সাবেক আই জি পি বেঞ্জির গ্রেপ্তার
রেল খেকো ‘ম্যাক্স’ গ্রুপের একচেটিয়া আধিপত্য রুখবে কে রেল খেকো ‘ম্যাক্স’ গ্রুপের একচেটিয়া আধিপত্য রুখবে কে
অনিয়ম-দুর্নীতি চাঁদাবাজি ও বদলি বাণিজ্যের মাধ্যমে শূন্য থেকে শতকোটির মালিক বন কর্মকর্তা নিশাত অনিয়ম-দুর্নীতি চাঁদাবাজি ও বদলি বাণিজ্যের মাধ্যমে শূন্য থেকে শতকোটির মালিক বন কর্মকর্তা নিশাত
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর’র সেকেন্ড ডিজি খ্যাত বদলি ও ঘুষ বাণিজ্যের গডফাদার মাসুম বিল্লাহ কি আইনের উর্ধ্বে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর’র সেকেন্ড ডিজি খ্যাত বদলি ও ঘুষ বাণিজ্যের গডফাদার মাসুম বিল্লাহ কি আইনের উর্ধ্বে
ঋণ জালিয়াতি, বিদেশি নাগরিকত্ব ও অফশোর সম্পদ: নতুন চাপে বসুন্ধরা গ্রুপ ঋণ জালিয়াতি, বিদেশি নাগরিকত্ব ও অফশোর সম্পদ: নতুন চাপে বসুন্ধরা গ্রুপ
“দুদকের দৃষ্টি আকর্ষণ” “দুদকের দৃষ্টি আকর্ষণ”" সওজের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান প্রকৌশলী মনির হোসেন পাঠান’র সম্পদের পাহাড়
দুর্নীতির অভিযোগে আলোচনায় সওজের প্রধান প্রকৌশলী মনির হোসেন পাঠান: ভাইয়ের ব্যাংক হিসাবে কোটি টাকার লেনদেন দুর্নীতির অভিযোগে আলোচনায় সওজের প্রধান প্রকৌশলী মনির হোসেন পাঠান: ভাইয়ের ব্যাংক হিসাবে কোটি টাকার লেনদেন

আর্কাইভ

পাঠকের মন্তব্য

(মতামতের জন্যে সম্পাদক দায়ী নয়।)