বুধবার, ২১ মে ২০২৫
প্রথম পাতা » রাজনীতি » অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টাদের অহংকার: পিপীলিকার পাখা গজায় মরিবার তরে
অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টাদের অহংকার: পিপীলিকার পাখা গজায় মরিবার তরে
রিক্সাচালকের বয়ান পড়ে লেখা ঃ
শফিকুল ইসলাম কাজল ঃ
বাংলা প্রবাদ “পিপীলিকার পাখা গজায় মরিবার তরে” অর্থাৎ পিঁপড়ার ডানা গজায় মৃত্যুর জন্য, একটি গভীর তাৎপর্য বহন করে। এই প্রবাদটি সেইসব পরিস্থিতিকে নির্দেশ করে যেখানে অতিরিক্ত অহংকার ও ক্ষমতার অপব্যবহার অবশেষে ধ্বংসের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টাদের আচরণ এই প্রবাদের বাস্তব উদাহরণ হয়ে উঠেছে।
অহংকার ও ক্ষমতার অপব্যবহার
অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টারা, যাদের মূল দায়িত্ব ছিল একটি সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজন, তারা এখন নিজেদের ক্ষমতার অপব্যবহার করছেন। তাদের আচরণে স্পষ্ট যে, তারা জনগণের ইচ্ছা ও স্বার্থকে উপেক্ষা করে নিজেদের স্বার্থসিদ্ধিতে ব্যস্ত। এই অহংকার ও ক্ষমতার অপব্যবহার অবশেষে তাদের পতনের কারণ হয়ে দাঁড়াবে, যেমনটি প্রবাদে বলা হয়েছে।
জনগণের প্রত্যাশা ও বাস্তবতা
বাংলাদেশের জনগণ একটি স্থিতিশীল ও গণতান্ত্রিক সরকার প্রত্যাশা করে। তবে, বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে এই প্রত্যাশা পূরণ হয়নি। উপদেষ্টাদের অহংকার ও ক্ষমতার অপব্যবহার জনগণের মধ্যে হতাশা ও ক্ষোভ সৃষ্টি করেছে। এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে, জনগণের আন্দোলন ও প্রতিরোধ অনিবার্য হয়ে উঠবে।
“পিপীলিকার পাখা গজায় মরিবার তরে” প্রবাদটি বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টাদের আচরণের যথার্থ প্রতিফলন। তাদের অহংকার ও ক্ষমতার অপব্যবহার অবশেষে তাদের পতনের কারণ হবে। জনগণের ইচ্ছা ও স্বার্থকে উপেক্ষা করে কোনো সরকার টিকে থাকতে পারে না। অতএব, উপদেষ্টাদের উচিত অহংকার ত্যাগ করে জনগণের ইচ্ছা ও স্বার্থকে প্রাধান্য দেওয়া, অন্যথায় তাদের পতন অনিবার্য।




ডিজিটাল কুরুক্ষেত্রে বাংলাদেশের রাজনীতি: অ্যালগরিদম, মনস্তত্ত্ব ও বাস্তবতার সংঘর্ষ
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে অসম বাণিজ্যচুক্তি বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ
“চুক্তির আড়ালে কার খেলা? জনগণের অধিকার নাকি বিদেশি করপোরেটের মুনাফা?”
ব্রিটিশ রাজনীতিতে বড় পরিবর্তনের আভাস, দ্বিদলীয় ব্যবস্থার অবসান হওয়ার ইঙ্গিত
ভোটের নয়, বিদেশি ছায়ার সরকার: বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব আজ কার হাতে?
দুই বাংলার রাজনীতির অদ্ভুত সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে কি বার্তা দিচ্ছে
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলাদেশে (পূর্ব বাংলায়) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কেবল সাহিত্যিকই নন, তিনি সুসংহত সাংস্কৃতিক রাজনৈতিক হাতিয়ারও বটে
নেতৃত্ব সংকট দূর করতে শীঘ্রই জাতীয়তাবাদী মৎস্যজীবী দল পুনর্গঠন
ভারত থেকে অনুপ্রবেশ ঠেকাতে বেনাপোল সীমান্তে সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি
জামায়াত ১/১১-তে কোনো প্রতিবাদ করেনি: গয়েশ্বর চন্দ্র রায়