অবিলম্বে হকারদের পুনর্বাসনের কার্যক্রম শুরু করুন
পক্ষকাল প্রতিবেদক :
হকার উচ্ছেদের প্রতিবাদে গত ১৮ ফেব্রুয়ারি সকাল ১১টায় বাংলাদেশ হকার্স ইউনিয়ন জাতীয় প্রেসক্লাবের সম্মূখে সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিলের আয়োজন করে। সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ হকার্স ইউনিয়নের সভাপতি জনাব আব্দুল হাসিম কবির। সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রখ্যাত শ্রমিক নেতা মুক্তিযোদ্ধা মনজুরুল আহসান খান।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মনজুরুল আহসান খান বলেন, নির্বাচনের রেশ কাটতে না কাটতেই হকারদের পেটে লাথি মারা শুরু হয়েছে। তিনি বলেন গত নির্বাচনের প্রতিশ্রুতি ছিল সরকার প্রতি ঘরে ঘরে একজনকে চাকুরির ব্যবস্থা করবে। সেই প্রতিশ্রুতি পূরণ না করে বরং যারা নিজেরা নিজেদের কর্মসংস্থান করে নিয়েছে, তাদেরকে উচ্ছেদের মধ্য দিয়ে গরিব হকারদের সর্বশান্ত করার চেষ্টা করছে। তিনি আরো বলেন প্রধানমন্ত্রী আমাকে বলেছিলেন, পুনর্বাসন ছাড়া তিনি হকার উচ্ছেদ করবেন না। আমি আশা করব তিনি তাঁর প্রতিশ্রুতি রক্ষা করবেন এবং অবিলম্বে হকারদের ফুটপাতে বসার ব্যবস্থা করবেন।
সমাবেশে বাংলাদেশ হকার্স ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দ বলেন, আমরা প্রায় ১ যুগ ধরে হকারদের পুনর্বাসনের জন্য ১০ দফা দাবির সংগ্রাম করে যাচ্ছি। সংগ্রামের এক পর্যায়ে সিটি কর্পোরেশন আমাদের সাথে পরামর্শ করে, কিভাবে হকারদের সমস্যা সমাধান করা যায়। আমরা হকারদের সমস্যা সমাধানের জন্য কতকগুলো প্রস্তবানা হাজির করি। যতক্ষণ হকারদের স্থায়ীভাবে পুনর্বাসন করা যাচ্ছে না, ততক্ষণ ফুটপাতের ১/৩ অংশ জায়গা হকারদের জন্য বরাদ্দ দেওয়া হোক এবং তাদেরকে সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে একটি করে আইডি কার্ড দেওয়া হোক। আর শহরে যানজট নিরসনের জন্য প্রাইভেট কারগুলো চলাচলের জন্য জোড়-বিজোড় পদ্ধিত চালু করা হোক। বড় বড় মার্কেটগুলো যাতে বিল্ডিং কোড মেনে চলে তার জন্য কঠোরভাবে আইন প্রয়োগ করা হোক। বেশির ভাগ মার্কেটগুলোতে গাড়ি পার্কিং-এর কোনো ব্যবস্থা নেই। গাড়িগুলো যত্রতত্র এলোমেলোভাবে রাস্তার উপর রাখার কারণে ভয়াবহ যানজটের সৃষ্টি হয়। আমাদের এই প্রস্তাবনা তখন নগর উন্নয়বিদদের প্রসংশা কুড়াতে সক্ষম হয়। হকার্স নেতৃবৃন্দ বলেন, আমরা যতদূর জানি দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের প্রধান স¤পত্তি কর্মকর্তা জনাব কামরুল ইসলামের নেতৃত্বে হকার্স পুনর্বাসনের জন্য একটি প্রকল্পও গ্রহণ করা হয়েছিল। কিন্তু সেই প্রকল্প বাস্তবায়ন না করে হঠাৎ করে হকার উচ্ছেদ করা অত্যন্ত দুঃখ জনক। আমরা সরকারের কাছে দাবি জানাচ্ছি, যতক্ষণ পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা না হবে, ততক্ষণ একটা হকার উচ্ছেদ করা যাবে না।
সমাবেশে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ হকার্স ইউনিয়নের কার্যকরী সভাপতি মুর্শিকুল ইসলাম শিমুল, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ জসিম, সহ-সম্পাদক মোঃ গোলাপ, অর্থ সম্পাদক মোঃ মজিদ, আহম্মদ আলী, বিল্লাল হোসেন, মোঃ শহীদ, মোঃ ফারুখ প্রমুখ।
সমাবেশটি পরিচালনা করেন বাংলাদেশ হকার্স ইউনিয়নের যুগ্ম সম্পাদক হযরত আলী।
সমাবেশ শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল প্রেসক্লাব থেকে শুরু করে মতিঝিল শাপলা চত্বর ঘুরে আরামবাগ, ফকিরাপুল, নয়াপল্টন, বিজয়নগর দিয়ে পুরানা পল্টন মোড়ে এসে শেষ হয়।





প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে দুর্নীতির ডিজিটাল বাদশা বিআইডব্লিউটিএর অতি: প্রধান প্রকৌশলী মজনু মিয়া
“”প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ”" দুর্নীতির ডিজিটাল বাদশা বিআইডব্লিউটিএর অতি: প্রধান প্রকৌশলী মজনু মিয়া
চাকরির নয় বছরে কোটিপতি রাজউকের ইমারত পরিদর্শক মনিরুজ্জামান
সাব-রেজিস্টার মাইকেলের হাজার কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ
রেল খেকো ‘ম্যাক্স’ গ্রুপের একচেটিয়া আধিপত্য রুখবে কে
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর’র সেকেন্ড ডিজি খ্যাত বদলি ও ঘুষ বাণিজ্যের গডফাদার মাসুম বিল্লাহ কি আইনের উর্ধ্বে
ঋণ জালিয়াতি, বিদেশি নাগরিকত্ব ও অফশোর সম্পদ: নতুন চাপে বসুন্ধরা গ্রুপ
“দুদকের দৃষ্টি আকর্ষণ”" সওজের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান প্রকৌশলী মনির হোসেন পাঠান’র সম্পদের পাহাড়
ও: কাদের লিটন সিন্ডিকেট সদস্য সওজ অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মনিরুজ্জামান