শিরোনাম:
ঢাকা, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩

Daily Pokkhokal
শনিবার, ১০ জানুয়ারী ২০২৬
প্রথম পাতা » অপরাধ | অর্থনীতি » দুর্নীতির যুবরাজ খ্যাত বিএডিসি ডিডি দীপক কি আইনের উর্ধ্বে
প্রথম পাতা » অপরাধ | অর্থনীতি » দুর্নীতির যুবরাজ খ্যাত বিএডিসি ডিডি দীপক কি আইনের উর্ধ্বে
৩৩৯ বার পঠিত
শনিবার, ১০ জানুয়ারী ২০২৬
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

দুর্নীতির যুবরাজ খ্যাত বিএডিসি ডিডি দীপক কি আইনের উর্ধ্বে

---

এম এ মাইকেলঃ

বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএডিসি) দেশের কৃষিখাতের উন্নয়নের সাথে অঙ্গাঅঙ্গিক ভাবে জড়িত। কিন্তু কিছু অসাধু কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের কারনে দুর্নীতির কবলে বিএডিসি। বিভিন্ন অনুসন্ধানে এমন চিএ এখন সবার সামনে উন্মুক্ত। এইবার বেরিয়ে আসলো বান্দরবান খাগড়াছড়ি রাঙ্গামাটি তিন পার্বত্য জেলার দায়িত্বপ্রাপ্ত দুর্নীতির যুবরাজ খ্যাত ডিডি দীপক কুমার দাস’র নজিরবিহীন অনিয়ম দুর্নীতি ও দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত নামে বেনামে বিপুল সম্পদ গড়ে তোলার অভিযোগ।অভিযোগের সূত্র ধরে অনুসন্ধানে গিয়ে পাওয়া দুর্নীতির যুবরাজ ডিডি দীপক কুমার দাস’র অনিয়ম দুর্নীতি ও দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত সম্পদের ফিরিস্তির চুম্বক অংশের প্রথম পর্ব কৃষি মন্ত্রণালয়’র দায়িত্বপ্রাপ্ত উপদেষ্টা,বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএডিসি চেয়ারম্যান) দুর্নীতি দমন কমিশন ও পাঠকদের মাঝে তুলে ধরা হলো।

ব্যক্তি জীবনে ডিডি দীপক কুমার দাস,স্ত্রী দীপ্ত রানী দাস,এক ছেলে ও এক মেয়ের জনক,গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রাম জেলার মিরসরাই উপজেলায়। ডিডি দীপক কুমার দাস’র অনিয়ম দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত সম্পদের আংশিক ফিরিস্তি,চট্টগ্রাম শহরে কয়েক কোটি টাকা মূল্যের আলিশান ফ্লাট,ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য রয়েছে করলা এক্স মডেলের গাড়ি,ব্যক্তিগত গাড়িটি নিবন্ধন করা ড্রাইভার হামিম ওরফে ভাগিনা হামিম’র নামে,স্বর্ণ ব্যবসায় শতকরা ৭% লভ্যাংশ হারে বিপুল পরিমাণ অর্থ লগ্নী,বান্দরবানের বালাঘাটায় প্রিয়তমা স্ত্রী দীপ্তি দাসের নামে ছয়(৬)একর এর টিলা,বান্দরবান জেলা ট্রাক মালিক সমিতির সভাপতি বাদশা মিয়ার মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে কুড়িটি(২০) ট্রাক।এমনকি নামে বেনামে বিভিন্ন ব্যাংকে বিপুল পরিমাণ অর্থ ছাড়াও তিন পার্বত্য জেলা এবং চট্টগ্রাম শহর ও মিরসরাই এলাকায় রয়েছে অঢেল সম্পদ। অনুসন্ধানে জানা যায় দীপক কুমার দাস দীর্ঘ কুড়ি বছর ধরে পার্বত্য জেলাগুলোতে চাকরি করার সুবাদে সরকারের কাড়ি কাড়ি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার জন্য গড়ে তুলেছেন অনিয়ম দুর্নীতির বিশাল সিন্ডিকেট সাম্রাজ্য,তিন পার্বত্য জেলার বিএডিসির সকল অনিয়ম দুর্নীতির অধিপতি হলেন দুর্নীতির যুবরাজ খ্যাত ডিডি দীপক কুমার দাস।

অনুসন্ধানে আরো যায় ডিডি দীপক কুমার দাস পার্বত্য জেলাগুলোর নার্সারি প্রকল্পের বরাদ্দকৃত টাকা সূচতুরতার সাথে আত্মসাৎ করার কাজে সিদ্ধহস্ত।পার্বত্য জেলাগুলোর কৃষকদের মাঝে কাজুবাদামের চারা বিনামূল্যে বিতরণের কথা থাকলেও ফটোসেশন’র জন্য অতি অল্প সংখ্যক কৃষকের মাঝে যৎসামান্য কিছু চারা বিতরণ করে বাকি সবগুলো কাজুবাদামের চারা স্থানীয় নার্সারি মালিকদের কাছে বিক্রি করে কাড়ি কাড়ি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ করেন স্থানীয় কৃষকরা। ডিডি দীপক কুমার দাসের বিরুদ্ধে আরো অভিযোগ নারিকেলের চারা উৎপাদন প্রকল্পে চারা নষ্ট দেখিয়ে পুরো প্রকল্পের টাকাই আত্মসাৎ করেছেন বলে বিএডিসি বান্দরবান রাঙ্গামাটি খাগড়াছড়ি সূত্র জানায়। এছাড়াও খাগড়াছড়ি জেলার নার্সারি প্রকল্প (এসি প্রকল্প) সরকারি ১৫ একর জায়গা প্রতি মাসে দুই (২) লক্ষ টাকায় লিজ দিয়ে পুরো টাকা নিজের ব্যক্তিগত কোষাগার সমৃদ্ধ করে আসছেন দীর্ঘ বছর থেকে যাহা সাগর চুরির শামিল।অনুসন্ধানে আরো জানা যায় বিগত আওয়ামী লীগের শেষ সময়ে দুর্নীতির যুবরাজ খ্যাত ডিডি দীপক কুমার দাস কে অন্যত্র বদলি করার পর বিএডিসি তৎকালীন পরিচালক ( ৫ ই আগস্ট-০২৪ পরবর্তী সময় অনিয়ম দুর্নীতির দায়ে চাকরিচ্যুত) মোস্তাফিজ রহমান কে মোটা অংকের উৎকোচ দিয়ে বদলির অডার বাতিল করেন বলে বিএডিসি একাধিক সূত্র জানায়।বিএডিসি অন্য একটি সূত্র জানার থেকে জানা যায় রাঙ্গামাটি পার্বত্য চট্টগ্রাম খাগড়াছড়ি জেলা গুলোতে প্রধান কার্যালয় থেকে তদন্ত আসার পর দুর্নীতির যুবরাজ খ্যত দীপক কুমার দাস তদন্ত কর্মকর্তাদের বিভিন্ন মনোরঞ্জনের মাধ্যমে তদন্ত প্রতিবেদন নিজের পক্ষে ভাগিয়ে নেওয়ার কাজে সিদ্ধহস্ত যাহা ৫ ই আগস্ট-০২৪ পরবর্তী সময়ও তিনি করে যাচ্ছেন দক্ষতার সাথে। বিএডিসি পার্বত্য অঞ্চলের এক সূত্র জানায় দুর্নীতির যুবরাজ খ্যাত ডিডি দীপক কুমার দাস তিন পার্বত্য জেলায় নিজের অতীতের ন্যায় নিজের অনিয়ম দুর্নীতির সাম্রাজ্য টিকিয়ে রাখার জন্য বর্তমানে চট্টগ্রাম জোন’র এক উপ-পরিচালকের সান্নিধ্য পাওয়ার জন্য ব্যতিব্যস্ত রয়েছেন। এছাড়াও দীপক সরকারি জ্বালানি ব্যবহার করে তার নামে বরাদ্দকৃত গাড়ি গুলো তার পরিবারের সদস্যরা ব্যবহার করছেন বলে একাধিক সূত্র জানায়।

পরবর্তীতে নজিরবিহীন অনিয়ম দুর্নীতি ও দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত নামে বেনামে বিপুল সম্পদের বিষয়ে জানতে তিন পার্বত্য জেলার দায়িত্বপ্রাপ্ত ডিডি দীপক কুমার দাস’র ব্যবহৃত মুঠোফোনে একাধিক বার ফোন দিয়ে এবং খুদে বার্তা পাঠানোর হলেও কোন সাড়া পাওয়া যায়নি।

তিন পার্বত্য জেলার দায়িত্বপ্রাপ্ত ডিডি দীপক কুমার দাস’র নজিরবিহীন অনিয়ম দুর্নীতি ও দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত নামে বেনামে বিপুল সম্পদের বিষয়ে দুর্নীতি দমন কমিশন দুদক জনসংযোগ কর্মকর্তা (সহকারী পরিচালক)মো: তানজির আহমেদ প্রতিবেদককে বলেন অভিযোগ পেলে তদন্তের মাধ্যমে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

অনুসন্ধান চলমান,,,,,,,



এ পাতার আরও খবর

“”প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ” “”প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ”" দুর্নীতির ডিজিটাল বাদশা বিআইডব্লিউটিএর অতি: প্রধান প্রকৌশলী মজনু মিয়া
চাকরির নয় বছরে কোটিপতি রাজউকের ইমারত পরিদর্শক মনিরুজ্জামান চাকরির নয় বছরে কোটিপতি রাজউকের ইমারত পরিদর্শক মনিরুজ্জামান
সাব-রেজিস্টার মাইকেলের হাজার কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ সাব-রেজিস্টার মাইকেলের হাজার কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ
দুবাইয়ে সাবেক আই জি পি বেঞ্জির গ্রেপ্তার দুবাইয়ে সাবেক আই জি পি বেঞ্জির গ্রেপ্তার
রেল খেকো ‘ম্যাক্স’ গ্রুপের একচেটিয়া আধিপত্য রুখবে কে রেল খেকো ‘ম্যাক্স’ গ্রুপের একচেটিয়া আধিপত্য রুখবে কে
অনিয়ম-দুর্নীতি চাঁদাবাজি ও বদলি বাণিজ্যের মাধ্যমে শূন্য থেকে শতকোটির মালিক বন কর্মকর্তা নিশাত অনিয়ম-দুর্নীতি চাঁদাবাজি ও বদলি বাণিজ্যের মাধ্যমে শূন্য থেকে শতকোটির মালিক বন কর্মকর্তা নিশাত
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর’র সেকেন্ড ডিজি খ্যাত বদলি ও ঘুষ বাণিজ্যের গডফাদার মাসুম বিল্লাহ কি আইনের উর্ধ্বে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর’র সেকেন্ড ডিজি খ্যাত বদলি ও ঘুষ বাণিজ্যের গডফাদার মাসুম বিল্লাহ কি আইনের উর্ধ্বে
ঋণ জালিয়াতি, বিদেশি নাগরিকত্ব ও অফশোর সম্পদ: নতুন চাপে বসুন্ধরা গ্রুপ ঋণ জালিয়াতি, বিদেশি নাগরিকত্ব ও অফশোর সম্পদ: নতুন চাপে বসুন্ধরা গ্রুপ
“দুদকের দৃষ্টি আকর্ষণ” “দুদকের দৃষ্টি আকর্ষণ”" সওজের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান প্রকৌশলী মনির হোসেন পাঠান’র সম্পদের পাহাড়
দুর্নীতির অভিযোগে আলোচনায় সওজের প্রধান প্রকৌশলী মনির হোসেন পাঠান: ভাইয়ের ব্যাংক হিসাবে কোটি টাকার লেনদেন দুর্নীতির অভিযোগে আলোচনায় সওজের প্রধান প্রকৌশলী মনির হোসেন পাঠান: ভাইয়ের ব্যাংক হিসাবে কোটি টাকার লেনদেন

আর্কাইভ

পাঠকের মন্তব্য

(মতামতের জন্যে সম্পাদক দায়ী নয়।)