শিরোনাম:
ঢাকা, সোমবার, ৩ আগস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩

Daily Pokkhokal
বুধবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৫
প্রথম পাতা » অপরাধ | বিনোদন » শিল্পের গলায় শিকল, ন্যায়বিচার কি এখনো চরিত্রভিত্তিক নির্বাচিত হয়?
প্রথম পাতা » অপরাধ | বিনোদন » শিল্পের গলায় শিকল, ন্যায়বিচার কি এখনো চরিত্রভিত্তিক নির্বাচিত হয়?
৬১১ বার পঠিত
বুধবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৫
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

শিল্পের গলায় শিকল, ন্যায়বিচার কি এখনো চরিত্রভিত্তিক নির্বাচিত হয়?

---

পক্ষকাল সংবাদ :

বাংলাদেশ আজ এমন এক সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে, যেখানে শিল্পচর্চা আর মতপ্রকাশ যেন ক্রমেই অপরাধে রূপ নিচ্ছে—তবে তা নির্ভর করছে শিল্পীর নাম, পরিচয় এবং সংশ্লিষ্টতার ওপর। একদিকে, গ্রাম বাংলার বাউল, সুফি, লোকশিল্পীরা হেনস্তার শিকার হচ্ছেন; অন্যদিকে টেলিভিশন ও মঞ্চের বহু শিল্পী হয়রানি ও হয়রানিমূলক মামলায় জর্জরিত হচ্ছেন। অথচ একই সাংস্কৃতিক জগতের আরেকাংশে অদ্ভুত এক ‘নিরবতা’ ও ‘রক্ষা-কবচ’ কাজ করছে—এ প্রশ্ন আজ শুধু সাধারণ নাগরিকের নয়, ন্যায়বিচার প্রত্যাশী প্রতিটি সচেতন মানুষের।


সম্প্রতি একাধিক নাট্যব্যক্তিত্ব, গায়ক ও অভিনেতার বিরুদ্ধে মিথ্যা, অতিরঞ্জিত, রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলার অভিযোগ উঠেছে। বাউলদের মাজারে হামলা হয়েছে, পুঁথি-পাঠকে বলা হয়েছে ‘ধর্মবিরোধী’, সংস্কৃতিচর্চাকে ঘোষণা করা হয়েছে ‘বিকৃত বুদ্ধিজীবীদের কর্ম’। অথচ বেগম ফজিলাতুন্নেছার মতো ঐতিহাসিক চরিত্রে অভিনয়ের দায়ে যারা গর্ব ভরে মিডিয়ায় প্রচার করেন, তারা যখন স্বৈরতান্ত্রিক সরকারের উপদেষ্টার সহধর্মিণী হন, তখন কি আইন নিজেই চোখ বেঁধে ফেলে?


প্রশ্ন জাগে, আইনের চোখ কি আজও অন্ধ? নাকি তা এখন পরিচয়, পদের ভিত্তিতে বেছে দেখে? বিচার কি আর ন্যায়বিচার থাকে, যখন একাংশকে বেছে বেছে হয়রানির শিকার হতে হয় এবং অপরাংশকে বরাদ্দ থাকে সুবিধা ও প্রশ্রয়?

আমরা কোনও নির্দিষ্ট শিল্পী বা ব্যক্তির প্রতি বিদ্বেষ পোষণ করছি না। বরং প্রশ্ন তুলছি—শিল্প কি আজও স্বাধীন? নাকি সেটা এখন দলীয় পরিচয়ের ছাতার নিচে বসে সুর বাঁধে, দৃশ্য নির্মাণ করে, আর সেই অনুযায়ী বিচার নির্ধারিত হয়?


যদি রাষ্ট্র আজ শিল্পের গলা টিপে ধরতে চায়, তবে সেই রাষ্ট্রকে আর ‘গণতান্ত্রিক’ বলা যায় না। যদি একজন শিল্পী রাজনৈতিক যোগসূত্রের কারণে অপরাধী না হয়ে যান, অথচ অন্য আরেকজন শুধুমাত্র ভিন্নমতের কারণে অপরাধী হয়ে পড়েন—তবে তা নিছক অন্যায় নয়, বরং তা একটি গভীর রাষ্ট্রীয় নীতিগত ব্যর্থতার প্রতিচ্ছবি।


আমরা চাই—

সকল শিল্পীর জন্য সমান আইনি সুরক্ষা,

ভিন্নমতাবলম্বী সংস্কৃতিকর্মীদের বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলার অবসান,

বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও পক্ষপাতহীনতা।


এখন সময় এসেছে প্রশ্ন করার: রাষ্ট্র কি আইন দিয়ে দেশ চালাবে, না ব্যক্তিকেন্দ্রিক প্রভাব-প্রতিপত্তির ছায়ায় আইন চলবে?



এ পাতার আরও খবর

প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে দুর্নীতির ডিজিটাল বাদশা বিআইডব্লিউটিএর অতি: প্রধান প্রকৌশলী মজনু মিয়া প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে দুর্নীতির ডিজিটাল বাদশা বিআইডব্লিউটিএর অতি: প্রধান প্রকৌশলী মজনু মিয়া
প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ বি আই ডব্লুভিইউ-তে দুর্নীতির বাদশ অতিরিক্ত  প্রধান প্রকৌশলী বাদশা মিয়ার কূকৃতি থামাতে হবে প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ বি আই ডব্লুভিইউ-তে দুর্নীতির বাদশ অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী বাদশা মিয়ার কূকৃতি থামাতে হবে
“”প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ” “”প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ”" দুর্নীতির ডিজিটাল বাদশা বিআইডব্লিউটিএর অতি: প্রধান প্রকৌশলী মজনু মিয়া
চাকরির নয় বছরে কোটিপতি রাজউকের ইমারত পরিদর্শক মনিরুজ্জামান চাকরির নয় বছরে কোটিপতি রাজউকের ইমারত পরিদর্শক মনিরুজ্জামান
সাব-রেজিস্টার মাইকেলের হাজার কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ সাব-রেজিস্টার মাইকেলের হাজার কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ
দুবাইয়ে সাবেক আই জি পি বেঞ্জির গ্রেপ্তার দুবাইয়ে সাবেক আই জি পি বেঞ্জির গ্রেপ্তার
রেল খেকো ‘ম্যাক্স’ গ্রুপের একচেটিয়া আধিপত্য রুখবে কে রেল খেকো ‘ম্যাক্স’ গ্রুপের একচেটিয়া আধিপত্য রুখবে কে
অনিয়ম-দুর্নীতি চাঁদাবাজি ও বদলি বাণিজ্যের মাধ্যমে শূন্য থেকে শতকোটির মালিক বন কর্মকর্তা নিশাত অনিয়ম-দুর্নীতি চাঁদাবাজি ও বদলি বাণিজ্যের মাধ্যমে শূন্য থেকে শতকোটির মালিক বন কর্মকর্তা নিশাত
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর’র সেকেন্ড ডিজি খ্যাত বদলি ও ঘুষ বাণিজ্যের গডফাদার মাসুম বিল্লাহ কি আইনের উর্ধ্বে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর’র সেকেন্ড ডিজি খ্যাত বদলি ও ঘুষ বাণিজ্যের গডফাদার মাসুম বিল্লাহ কি আইনের উর্ধ্বে
ঋণ জালিয়াতি, বিদেশি নাগরিকত্ব ও অফশোর সম্পদ: নতুন চাপে বসুন্ধরা গ্রুপ ঋণ জালিয়াতি, বিদেশি নাগরিকত্ব ও অফশোর সম্পদ: নতুন চাপে বসুন্ধরা গ্রুপ

আর্কাইভ

পাঠকের মন্তব্য

(মতামতের জন্যে সম্পাদক দায়ী নয়।)