শিরোনাম:
ঢাকা, বুধবার, ২০ মে ২০২৬, ৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

Daily Pokkhokal
সোমবার, ১৫ জানুয়ারী ২০১৮
প্রথম পাতা » বিশ্ব সংবাদ | ব্রেকিং নিউজ | রাজনীতি | সম্পাদক বলছি » সৌদি প্রিন্সের ‘রক্তাক্ত তলোয়ার বাহিনী’ কারা?
প্রথম পাতা » বিশ্ব সংবাদ | ব্রেকিং নিউজ | রাজনীতি | সম্পাদক বলছি » সৌদি প্রিন্সের ‘রক্তাক্ত তলোয়ার বাহিনী’ কারা?
৬২১ বার পঠিত
সোমবার, ১৫ জানুয়ারী ২০১৮
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

সৌদি প্রিন্সের ‘রক্তাক্ত তলোয়ার বাহিনী’ কারা?

---পক্ষকাল ডেস্ক ;
সৌদি আরবের বর্তমান প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান একটি বিশেষ ‘এলিট ফোর্স’ গঠন করেছেন। দুর্নীতিবিরোধী অভিযানের নামে রাজ পরিবারের বহু সদস্যসহ অন্যদের গ্রেফতারে এই এলিট ফোর্সকেই কাজে লাগিয়েছেন তিনি। গত সপ্তাহে ১১ প্রিন্সকে গ্রেফতারেও নেতৃত্ব দেয় বিশেষ এই এলিট ফোর্স। এরপর আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে যুবরাজের এ বিশেষ বাহিনী বিশেষ গুরুত্ব পায়।
কাতারভিত্তিক আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা যুবরাজের বিশেষ বাহিনী নিয়ে অনুসন্ধানী সংবাদ প্রকাশ করেছে। সংবাদে বলা হয়েছে, নতুন গঠিত এ বিশেষ বাহিনীর নাম দেয়া হয়েছে ‘আল আজরাব সোয়ার্ড’। যার বাংলা অর্থ- রক্তাক্ত তলোয়ার। যুবরাজের এই ‘রক্তাক্ত তলোয়ার বাহিনী’ মূলত দেশটির সেনা, নৌ ও বিমানবাহিনী এবং রয়্যাল গার্ডেল চৌকস কর্মকর্তা ও সদস্যদের নিয়ে গঠন করা হয়েছে।

দ্বিতীয়বার সৌদি রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠান ইমাম তুর্কি বিন আব্দুল্লাহ আল সৌদের তলোয়ারের নাম অনুসারে এ বাহিনীর নামকরণ করা হয়েছে। ইমাম তুর্কি তার তলোয়ারের নাম রেখেছিলেন ‘রক্তাক্ত তলোয়ার’। ওই তলোয়ারে সৌদি আরবের পতাকা আঁকা রয়েছে। প্রায় ১৫০ বছর আগে তলোয়ারটি বাহরাইনে ছিল। বাদশাহ হামিদ বিন ইশা আল খলিফা ২০১০ সেটি সৌদি বাদশাহ আব্দুল্লাহ বিন আব্দুল আজিজকে উপহার দিয়েছিলেন।

সালমান বিন আব্দুল আজিজ সৌদি আরবের বাদশাহ হওয়ার পর ২০১৫ সালে আল আজরাব সোয়ার্ড ব্রিগেড গঠন করা হয়। তবে এত দিন এই বাহিনী তেমন ভূমিকা রাখেনি। মোহাম্মদ বিন সালমান ক্রাইন প্রিন্স হওয়ার পর এই বাহিনীকে নতুন করে ঢেলে সাজান।

এ বাহিনীতে বর্তমানে সেনাবাহিনীতে আগত সদস্য রয়েছে প্রায় ৫ হাজার। এর মধ্যে বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তার সংখ্যা বেশি। এছাড়া বিমানবাহিনী, নৌবাহিনী ও রয়্যাল গার্ডের সদস্যরা রয়েছে। বাহিনীতে যাদের সংযুক্ত করা হয়েছে তারা মূলত যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের পছন্দের এবং বাছাই করা।

মোহাম্মদ বিন সালমান এ বাহিনী ঢেলে সাজানোর পর নতুন করে আধুনিক সামরিক প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে। এর মধ্যে শারীরিক যুদ্ধকৌশল, প্যারাসুটিং, বিদ্রোহ দমন, স্নাইপিং, কম্ব্যাট সুইমিং ও বিস্ফোরণ প্রশিক্ষণ অন্যতম। প্রশিক্ষণের পর এ বাহিনীকে রয়্যাল গার্ডের সঙ্গেই রাখা হয়েছে।

তবে যুবরাজ কেন এ বাহিনীকে নতুন করে সক্রিয় করেছেন বা এই বাহিনীর উদ্দেশ্য কি, প্রকাশ করেনি দেশটি। তবে বাহিনী সরাসরি যুবরাজ কর্তৃক পরিচালিত যা প্রকাশ পেয়েছে। জানুয়ারি মাসে রাজপরিবারের সদস্যদের গ্রেফতারে এ বাহিনীকে কাজে লাগানো হয়।



এ পাতার আরও খবর

বিআইডব্লিউটিএর সাঈদুর কে ঘিরে নয়া বিতর্ক বঙ্গবন্ধু পরিষদ সভাপতি পদ থেকে  থেকে জিয়া পরিষদ বিআইডব্লিউটিএর সাঈদুর কে ঘিরে নয়া বিতর্ক বঙ্গবন্ধু পরিষদ সভাপতি পদ থেকে থেকে জিয়া পরিষদ
বিচারাধীন মামলা গোপন করে অবৈধ সুপারিশে গণপূর্তের সারওয়ার জাহান বিপ্লব ! বিচারাধীন মামলা গোপন করে অবৈধ সুপারিশে গণপূর্তের সারওয়ার জাহান বিপ্লব !
ডিজিটাল কুরুক্ষেত্রে বাংলাদেশের রাজনীতি: অ্যালগরিদম, মনস্তত্ত্ব ও বাস্তবতার সংঘর্ষ ডিজিটাল কুরুক্ষেত্রে বাংলাদেশের রাজনীতি: অ্যালগরিদম, মনস্তত্ত্ব ও বাস্তবতার সংঘর্ষ
শেখর’র ঘনিষ্ঠ সহযোগী সিডিসি জালিয়াতির গডফাদার ক্যাপ: গিয়াস শেখর’র ঘনিষ্ঠ সহযোগী সিডিসি জালিয়াতির গডফাদার ক্যাপ: গিয়াস
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের বিরুদ্ধে ১৮ মাসে ২০০ বিলিয়ন ডলার পাচারের অভিযোগ অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের বিরুদ্ধে ১৮ মাসে ২০০ বিলিয়ন ডলার পাচারের অভিযোগ
দুই হাজার কোটি টাকার রাষ্ট্রীয় সম্পদ নামমাত্র মূল্যে বিক্রির  নায়ক পরিচালক আরিফ উদ্দীন দুই হাজার কোটি টাকার রাষ্ট্রীয় সম্পদ নামমাত্র মূল্যে বিক্রির নায়ক পরিচালক আরিফ উদ্দীন
“চুক্তির আড়ালে কার খেলা? জনগণের অধিকার নাকি বিদেশি করপোরেটের মুনাফা?” “চুক্তির আড়ালে কার খেলা? জনগণের অধিকার নাকি বিদেশি করপোরেটের মুনাফা?”
ঢাকার সড়কে এআই ক্যামেরা প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারিতে ফিরছে শৃঙ্খলা ঢাকার সড়কে এআই ক্যামেরা প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারিতে ফিরছে শৃঙ্খলা
নকল করতে গিয়ে এক্সপেলড: শিবির সমর্থিত প্যানেলের ঢাবি হল সংসদ সদস্য ফেরদাউস নকল করতে গিয়ে এক্সপেলড: শিবির সমর্থিত প্যানেলের ঢাবি হল সংসদ সদস্য ফেরদাউস
দুর্নীতির গডফাদার কর কমিশনার আবুল বাশার’র খুঁটির জোর কোথায় দুর্নীতির গডফাদার কর কমিশনার আবুল বাশার’র খুঁটির জোর কোথায়

আর্কাইভ

পাঠকের মন্তব্য

(মতামতের জন্যে সম্পাদক দায়ী নয়।)