পহেলা বৈশাখের ইতিহাস
পক্ষকাল ডেক্স সংবাদ :—
পহেলা বৈশাখ বা বাংলা নববর্ষ বাঙালি সংস্কৃতির একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎসব। এটি বাংলা সনের প্রথম দিন, যা প্রতি বছর ১৪ এপ্রিল (বাংলাদেশে) ও ১৫ এপ্রিল (ভারতে) পালিত হয়। পহেলা বৈশাখের ইতিহাস দীর্ঘ এবং ঐতিহ্যপূর্ণ।
ইতিহাসের শুরু
বাংলা সনের উৎপত্তি মোগল সম্রাট আকবরের শাসনামলে। তিনি ১৫৮৪ সালে বাংলার কৃষি খাজনা আদায়ের সুবিধার্থে একটি নতুন পঞ্জিকা প্রবর্তন করেন। এর আগে, মুসলিমদের হিজরি সন এবং হিন্দুদের লুনার ক্যালেন্ডার অনুসৃত হতো, কিন্তু তা কৃষির প্রয়োজন অনুযায়ী সঠিক ছিল না। তাই তিনি সূর্যাচলিত সৌর ক্যালেন্ডার গ্রহণ করেন, যা আজকের বাংলা সনের ভিত্তি। আকবরের পঞ্জিকা ছিল একটি ফসলী সন, অর্থাৎ কৃষির ফসলের উৎপাদনের সময়কে কেন্দ্র করে বছরের হিসাব নির্ধারণ করা হত।
নববর্ষের প্রচলন
বাঙালি জাতির মধ্যে পহেলা বৈশাখ এর প্রচলন শুধু কৃষি কাজের সঙ্গে যুক্ত ছিল না, এটি এক ধরণের উৎসব ও সাংস্কৃতিক অভিব্যক্তি হিসেবে পরিণত হয়। বাংলা সনের প্রথম দিন ছিল ফসল সংগ্রহের দিন, তাই কৃষকরা আনন্দ করে এটি উদযাপন করতেন।
আজকের পহেলা বৈশাখ
বর্তমানে, পহেলা বৈশাখ শুধু কৃষির দিন হিসেবে পালিত হয় না, বরং এটি বাংলাদেশের এবং ভারতের বাঙালিদের মধ্যে ঐক্য, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের প্রতীক। বিভিন্ন শহরে, বিশেষ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা ইনস্টিটিউটের উদ্যোগে মঙ্গল শোভাযাত্রা, বৈশাখী মেলা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, নতুন পোশাক পরিধান এবং বিভিন্ন ঐতিহ্যবাহী খাবারের আয়োজন করা হয়।
এছাড়া, পহেলা বৈশাখের মাধ্যমে বাঙালিরা নতুন বছর, নতুন সম্ভাবনা ও নতুন উদ্যমের সূচনা করে থাকে।





প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে দুর্নীতির ডিজিটাল বাদশা বিআইডব্লিউটিএর অতি: প্রধান প্রকৌশলী মজনু মিয়া
“”প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ”" দুর্নীতির ডিজিটাল বাদশা বিআইডব্লিউটিএর অতি: প্রধান প্রকৌশলী মজনু মিয়া
চাকরির নয় বছরে কোটিপতি রাজউকের ইমারত পরিদর্শক মনিরুজ্জামান
সাব-রেজিস্টার মাইকেলের হাজার কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ
রেল খেকো ‘ম্যাক্স’ গ্রুপের একচেটিয়া আধিপত্য রুখবে কে
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর’র সেকেন্ড ডিজি খ্যাত বদলি ও ঘুষ বাণিজ্যের গডফাদার মাসুম বিল্লাহ কি আইনের উর্ধ্বে
ঋণ জালিয়াতি, বিদেশি নাগরিকত্ব ও অফশোর সম্পদ: নতুন চাপে বসুন্ধরা গ্রুপ
“দুদকের দৃষ্টি আকর্ষণ”" সওজের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান প্রকৌশলী মনির হোসেন পাঠান’র সম্পদের পাহাড়
ও: কাদের লিটন সিন্ডিকেট সদস্য সওজ অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মনিরুজ্জামান