শিরোনাম:
ঢাকা, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ১০ আষাঢ় ১৪৩৩

Daily Pokkhokal
শনিবার, ২৬ অক্টোবর ২০১৯
প্রথম পাতা » ব্রেকিং নিউজ » সৌদি থেকে ফিরলেন আরো ২০০ বাংলাদেশি
প্রথম পাতা » ব্রেকিং নিউজ » সৌদি থেকে ফিরলেন আরো ২০০ বাংলাদেশি
৩৯৮ বার পঠিত
শনিবার, ২৬ অক্টোবর ২০১৯
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

সৌদি থেকে ফিরলেন আরো ২০০ বাংলাদেশি

পক্ককাল ডেস্ক

---

সৌদি আরব থেকে আরো ২০০ বাংলাদেশি দেশে ফিরেছেন। গতকাল ২৬ অক্টোবর, শুক্রবার রাত সাড়ে এগারোটায় তাদের নিয়ে একটি ফ্লাইট হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। এ নিয়ে চলতি বছর সৌদি আরব থেকে ফেরত আসা বাংলাদেশি শ্রমিকের সংখ্যা দাঁড়ালো ১৬ হাজারের বেশি।


পরে দেশে ফেরত এ শ্রমিকেরা ব্র্যাক মাইগ্রেশন প্রোগ্রামের সহায়তায় খাবার-পানিসহ নিরাপদে বাড়ি পৌঁছান বলে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে ঢাকা ট্রিবিউন।


শুক্রবার দেশে ফেরতদের একজন কুড়িগ্রামের আকমত আলী। সংসারে স্বচ্ছলতা আনতে মাত্র পাঁচ মাসে আগে সৌদি আরব যান তিনি। কিন্তু তার সে স্বপ্ন বেশি দিন স্থায়ী হল না। 


আকমত আলীর অভিযোগ, তার কাজের অনুমতিপত্র বা আকামার মেয়াদ আরো দশ মাস বাকি। তবুও তাকে জোর করে ফেরত পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।


চলতি বছর ১৬ হাজারের বেশি বাংলাদেশি সৌদি আরব থেকে ফেরত এসেছে। এর মধ্যে চলতি মাসেই ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের সহায়তায় ৮০৪ জনকে সহযোগিতা করেছে ব্র্যাক। এবার ফেরাদের মধ্যে একদিনে সবচেয়ে বেশিসংখ্যক কর্মী ফেরত এলেন গতকালই।


গোপালগঞ্জের ছেলে সম্রাট শেখও এদিন অন্যান্যদের সাথে ফেরত আসেন। ক্ষোভ প্রকাশ করে সম্রাট জানান, আরো আট মাসের আকামা ছিল তার। নামাজ পড়ে বের হতেই পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হন তিনি। আর কোনো কিছুই না দেখেই তাকে সোজা দেশে পাঠিয়ে দেয়া হয়।


একইরকম অভিযোগ নারায়ণগঞ্জের সাইফুল ইসলামের। তার আকামার মেয়াদও এখনো বাকি ছিলো আরো ৬ মাস। এটি দেখানোর পরও তাকে দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।


সাইফুল বলেন, ‘মাত্র ৯ মাস আগে সৌদি গিয়েছিলাম, আকামার মেয়াদও ছিল ছয় মাস।’ তবুও দেশে ফিরতে হলো তাকে।


চট্টগ্রামের আব্দুল্লাহ জানান, তিনি আকামা তৈরির জন্য কফিলকে (স্থানীয় স্পন্সর) আট হাজার রিয়াল জমা দিয়েছেন। কিন্তু পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হওয়ার পর সেই কফিল কোনো দায়িত্ব নেয়নি।


ফেরত আসা এসব বাংলাদেশিরা এ বিষয়ে সরকারকে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানান। তাদের মতো আর কাউকে যেন এমন পরিস্থিতির শিকার হয়ে দেশে ফিরতে বাধ্য করা না হয়, সে বিষয়ে মনোযোগ দেয়াও দাবিও করেন।


ব্র্যাক অভিবাসন কর্মসূচির প্রধান শরিফুল হাসান এ প্রসঙ্গে বলেন, ‘ফেরত আসা কর্মীরা যেসব বর্ণনা দিচ্ছেন সেগুলো মর্মান্তিক। সাধারণ ফ্রি ভিসার নামে গিয়ে এক নিয়োগকর্তার বদলে আরেক জায়গায় কাজ করতে গিয়ে ধরা পড়লে অনেক লোক ফেরত আসতো। কিন্তু এবার অনেকেই বলছেন, তাদের আকামা থাকার পরেও ফেরত পাঠানো হচ্ছে। বিশেষ করে যাওয়ার কয়েক মাসের মধ্যেই অনেককে ফিরতে হচ্ছে, যারা খরচের টাকার কিছুই তুলতে পারেননি।’


রিক্রুটিং এজেন্সিগুলোকে এই দায় নিতে হবে উল্লেখ করে তিনি আরো বলেন, ‘পাশাপাশি নতুন করে কেউ যেন গিয়ে এমন বিপদে না পড়ে, সেটা নিশ্চিত করতে হবে।’



এ পাতার আরও খবর

চাকরির নয় বছরে কোটিপতি রাজউকের ইমারত পরিদর্শক মনিরুজ্জামান চাকরির নয় বছরে কোটিপতি রাজউকের ইমারত পরিদর্শক মনিরুজ্জামান
সাব-রেজিস্টার মাইকেলের হাজার কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ সাব-রেজিস্টার মাইকেলের হাজার কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ
ডিজি বদলি, কিন্তু বিতর্কের অবসান কোথায়? ডিজি বদলি, কিন্তু বিতর্কের অবসান কোথায়?
দুবাইয়ে সাবেক আই জি পি বেঞ্জির গ্রেপ্তার দুবাইয়ে সাবেক আই জি পি বেঞ্জির গ্রেপ্তার
রেল খেকো ‘ম্যাক্স’ গ্রুপের একচেটিয়া আধিপত্য রুখবে কে রেল খেকো ‘ম্যাক্স’ গ্রুপের একচেটিয়া আধিপত্য রুখবে কে
অনিয়ম-দুর্নীতি চাঁদাবাজি ও বদলি বাণিজ্যের মাধ্যমে শূন্য থেকে শতকোটির মালিক বন কর্মকর্তা নিশাত অনিয়ম-দুর্নীতি চাঁদাবাজি ও বদলি বাণিজ্যের মাধ্যমে শূন্য থেকে শতকোটির মালিক বন কর্মকর্তা নিশাত
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর’র সেকেন্ড ডিজি খ্যাত বদলি ও ঘুষ বাণিজ্যের গডফাদার মাসুম বিল্লাহ কি আইনের উর্ধ্বে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর’র সেকেন্ড ডিজি খ্যাত বদলি ও ঘুষ বাণিজ্যের গডফাদার মাসুম বিল্লাহ কি আইনের উর্ধ্বে
ঋণ জালিয়াতি, বিদেশি নাগরিকত্ব ও অফশোর সম্পদ: নতুন চাপে বসুন্ধরা গ্রুপ ঋণ জালিয়াতি, বিদেশি নাগরিকত্ব ও অফশোর সম্পদ: নতুন চাপে বসুন্ধরা গ্রুপ
“দুদকের দৃষ্টি আকর্ষণ” “দুদকের দৃষ্টি আকর্ষণ”" সওজের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান প্রকৌশলী মনির হোসেন পাঠান’র সম্পদের পাহাড়
দুর্নীতির অভিযোগে আলোচনায় সওজের প্রধান প্রকৌশলী মনির হোসেন পাঠান: ভাইয়ের ব্যাংক হিসাবে কোটি টাকার লেনদেন দুর্নীতির অভিযোগে আলোচনায় সওজের প্রধান প্রকৌশলী মনির হোসেন পাঠান: ভাইয়ের ব্যাংক হিসাবে কোটি টাকার লেনদেন

আর্কাইভ

পাঠকের মন্তব্য

(মতামতের জন্যে সম্পাদক দায়ী নয়।)