যখন বলবো তখন আসবেন, এখন না:খালেদা
নিজস্ব প্রতিবেদক-
বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে আনা হয়েছে। সোমবার বেলা ১২টা ৩৬ মিনিটে খালেদা জিয়াকে বহনকারী গাড়িবহর বিএসএমএমইউর মূলফটক দিয়ে প্রবেশ করে।
হাসপাতালে গিয়ে দুপুর দেড়টা পর্যন্ত নিজ কেবিনে বিশ্রাম নেন খালেদা জিয়া। এ সময় চিকিৎসকদেরকে তিনি তার রুমে ঢুকতে নিষেধ করেন।
হাসপাতালে নেয়ার পরপরই চিকিৎসকরা কেবিনে ঢুকতে চাইলে খালেদা জিয়া তাদের বলেন, আপনাদের এখন ঢুকতে হবে না, আমি এখন রেস্ট করবো। আমি যখন বলবো তখন আসবেন।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. এ কে মাহবুবুল হক এ খবর জানান। তিনি বলেন, খালেদা জিয়ার অনুমতি পেলে চিকিৎসকরা তার কেবিনে যাবেন।
উল্লেখ্য, হাসপাতালে খালেদা জিয়ার প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা ছাড়াও মেডিকেল বোর্ড পরামর্শ দিলে সেখানে তাকে ভর্তিও করা হতে পারে।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, খালেদার জন্য ৬২১-৬২২ নম্বর কেবিন বরাদ্দ রাখা হয়েছে।
এদিকে আজ সকালে বিএসএমএমইউ-তে চিকিৎসা নিতে রাজি হন খালেদা জিয়া। ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার মাহবুবুল ইসলাম খালেদা জিয়ার রাজি হওয়ার বিষয়টি গণমাধ্যমের কাছে নিশ্চিত করেন।
উল্লেখ্য, এর আগেও খালেদা জিয়াকে বিএসএমএমইউয়ে নেয়ার প্রস্তাব দেয়া হয়েছিলো। কিন্তু সে সময় খালেদা জিয়া রাজি না হওয়ায় তাকে শেষ পর্যন্ত হাসপাতালে নেয়া হয়নি। বিএনপির পক্ষ থেকে তাদের নেত্রীকে ইউনাইটেড হাসপাতালে নেয়ার দাবী জানানো হয়েছিলো।





প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ বি আই ডব্লুভিইউ-তে দুর্নীতির বাদশ অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী বাদশা মিয়ার কূকৃতি থামাতে হবে
“”প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ”" দুর্নীতির ডিজিটাল বাদশা বিআইডব্লিউটিএর অতি: প্রধান প্রকৌশলী মজনু মিয়া
চাকরির নয় বছরে কোটিপতি রাজউকের ইমারত পরিদর্শক মনিরুজ্জামান
সাব-রেজিস্টার মাইকেলের হাজার কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ
ডিজি বদলি, কিন্তু বিতর্কের অবসান কোথায়?
দুবাইয়ে সাবেক আই জি পি বেঞ্জির গ্রেপ্তার
রেল খেকো ‘ম্যাক্স’ গ্রুপের একচেটিয়া আধিপত্য রুখবে কে
অনিয়ম-দুর্নীতি চাঁদাবাজি ও বদলি বাণিজ্যের মাধ্যমে শূন্য থেকে শতকোটির মালিক বন কর্মকর্তা নিশাত
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর’র সেকেন্ড ডিজি খ্যাত বদলি ও ঘুষ বাণিজ্যের গডফাদার মাসুম বিল্লাহ কি আইনের উর্ধ্বে
ঋণ জালিয়াতি, বিদেশি নাগরিকত্ব ও অফশোর সম্পদ: নতুন চাপে বসুন্ধরা গ্রুপ