বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬
প্রথম পাতা » অপরাধ | অর্থনীতি » হানিফ’র রাহু’র গ্রাসে বন্দী ঢা:দ:সি:সি: মালিকাধীন জাকের সুপারমার্কেট
হানিফ’র রাহু’র গ্রাসে বন্দী ঢা:দ:সি:সি: মালিকাধীন জাকের সুপারমার্কেট
“”কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ”"
বিশেষ প্রতিনিধি:
রাজধানীর গুলিস্তান-ফুলবাড়িয়া এলাকার ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মালিকানাধীন জাকের সুপার মার্কেটের বেজমেন্টকে কেন্দ্র করে আবারও মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে চাঁদাবাজি, দখলবাজি ও প্রতারণার এক সুপরিকল্পিত সিন্ডিকেট। “ক্ষতিগ্রস্ত ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি” নামের আড়ালে পরিচালিত এই চক্রটি কার্যত শত শত ব্যবসায়ীকে জিম্মি করে কোটি টাকার অবৈধ লেনদেনের এক ভয়ংকর জাল বিস্তার করেছে, এমনই অভিযোগ ভুক্তভোগীদের।
অভিযোগের তীর সরাসরি সমিতির প্রধান মো. হানিফ, তার সহযোগী (দেলোয়ার হোসেন দিলুর ডান হাত) মো. আবদুর মালেক এবং তাদের ছত্রছায়ায় গড়ে ওঠা সন্ত্রাসী বাহিনীর দিকে। জানা যায়, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের অধীন সিটি প্লাজা, নগর প্লাজা ও জাকের সুপার মার্কেটের বেজমেন্টে ২০২০ সালের ডিসেম্বরে পরিচালিত উচ্ছেদ অভিযানে অবৈধ দোকানগুলো গুঁড়িয়ে দেওয়া হলেও রহস্যজনকভাবে সেই অবৈধ দখলদারিত্বই নতুন রূপে ফিরে এসেছে।
তথ্যানুসন্ধানে উঠে এসেছে, জাকের সুপার মার্কেটের একজন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী পরিচয়ধারী হানিফ নিজস্ব স্বার্থসিদ্ধির লক্ষ্যে স্থানীয় রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে পুনরায় বেজমেন্ট দখলের নীলনকশা আঁকেন। ৩৩ নম্বর ওয়ার্ডের প্রভাবশালী মহলের সহযোগিতা নিয়ে শুরু হওয়া এই অপতৎপরতা পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের সুযোগে ভিন্ন দলের নাম ভাঙিয়ে আরও বিস্তৃত রূপ নেয়। একইসঙ্গে, মার্কেটের সাবেক প্রভাবশালী চক্রের প্রতিনিধি হিসেবে পরিচিত আবদুর মালেক যার নিজস্ব কোনো বৈধ ব্যবসা বা দোকান নেই। এই দখলবাণিজ্যের অন্যতম নিয়ন্ত্রকে পরিণত হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর পরিস্থিতি আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে। অভিযোগ রয়েছে, এই সিন্ডিকেট পুনরায় বেজমেন্ট দখল করে শত শত অবৈধ দোকান নির্মাণ করে এবং আগের তুলনায় বেশি সংখ্যক দোকান তৈরি করে তা মোটা অঙ্কের টাকায় বিক্রি বা বরাদ্দ দেয়। এতে করে পুরো মার্কেট এলাকা কার্যত এক ধরনের “অঘোষিত বাণিজ্যিক দখল জোনে” পরিণত হয়েছে।
সবচেয়ে উদ্বেগজনক তথ্য হলো, আদালতে বিচারাধীন একটি মামলাকে পুঁজি করে প্রতারণার এক সুসংগঠিত অর্থনৈতিক ফাঁদ তৈরি করা হয়েছে। প্রশাসক আবদুস সালাম স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, হাইকোর্টের চূড়ান্ত রায় ছাড়া এই বেজমেন্টে কোনো কার্যক্রম বৈধ নয় এবং সিটি করপোরেশন কোনো অবৈধ কার্যক্রমকে বৈধতা দেবে না। অথচ এই অবস্থানকেই বিকৃতভাবে উপস্থাপন করে সিন্ডিকেটটি প্রায় ৬০০ ব্যবসায়ীর কাছ থেকে “মামলা পরিচালনা”র নামে প্রতিজনের কাছ থেকে ৮৫ হাজার টাকা আদায় করেছে। শুধু তাই নয়, “রিভিউ”র অজুহাতে আরও প্রায় ৩০ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
প্রতিবাদ করলেই নেমে আসে নির্যাতনের খড়্গ। ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী বাদল জানিয়েছেন, অন্যায়ের বিরুদ্ধে মুখ খুলতেই তাকে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছে। এমন অভিযোগ আরও অনেকের, যারা ভয়ে প্রকাশ্যে আসতে সাহস পাচ্ছেন না।
উক্ত অভিযোগের বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত হানিফ এর মুঠোফোনে একাধিকবার ফোন দিলেও কোন সাড়া পাওয়া যায়নি।
চলবে,,,,![]()




প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে দুর্নীতির ডিজিটাল বাদশা বিআইডব্লিউটিএর অতি: প্রধান প্রকৌশলী মজনু মিয়া
“”প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ”" দুর্নীতির ডিজিটাল বাদশা বিআইডব্লিউটিএর অতি: প্রধান প্রকৌশলী মজনু মিয়া
চাকরির নয় বছরে কোটিপতি রাজউকের ইমারত পরিদর্শক মনিরুজ্জামান
সাব-রেজিস্টার মাইকেলের হাজার কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ
দুবাইয়ে সাবেক আই জি পি বেঞ্জির গ্রেপ্তার
রেল খেকো ‘ম্যাক্স’ গ্রুপের একচেটিয়া আধিপত্য রুখবে কে
অনিয়ম-দুর্নীতি চাঁদাবাজি ও বদলি বাণিজ্যের মাধ্যমে শূন্য থেকে শতকোটির মালিক বন কর্মকর্তা নিশাত
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর’র সেকেন্ড ডিজি খ্যাত বদলি ও ঘুষ বাণিজ্যের গডফাদার মাসুম বিল্লাহ কি আইনের উর্ধ্বে
ঋণ জালিয়াতি, বিদেশি নাগরিকত্ব ও অফশোর সম্পদ: নতুন চাপে বসুন্ধরা গ্রুপ