শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬
প্রথম পাতা » রাজনীতি » বিএনপি মহাসচিব পদে পরিবর্তন: অবসরে যাচ্ছেন মির্জা ফখরুল
বিএনপি মহাসচিব পদে পরিবর্তন: অবসরে যাচ্ছেন মির্জা ফখরুল
ডেস্ক নিউজ ঃদীর্ঘ প্রতীক্ষার পর চলতি বছরেই জাতীয় কাউন্সিল আয়োজনের তোড়জোড় শুরু করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। গুরুত্বপূর্ণ এই দলীয় সম্মেলনের পর সক্রিয় রাজনীতি থেকে বিদায় নেওয়ার পরিকল্পনা ব্যক্ত করেছেন দলটির বর্তমান মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলের সঙ্গে আলাপকালে তিনি নিশ্চিত করেন, সুনির্দিষ্ট তারিখ নির্ধারিত না হলেও ২০২৬ সালের মধ্যেই কেন্দ্রীয় কাউন্সিল সম্পন্ন করার প্রস্তুতি চলছে। এর আগে তৃণমূল পর্যায়ের কমিটিগুলো পুনর্গঠন ও সম্মেলন শেষ করার ওপর জোর দিচ্ছে দলটি।
প্রায় এক দশক আগে বিএনপির সর্বশেষ ষষ্ঠ কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হয়েছিল। দীর্ঘ এই সময়ে রাজনৈতিক প্রতিকূলতা ও রাজপথের আন্দোলনের চাপে নতুন কাউন্সিল আয়োজন সম্ভব হয়নি। তবে সাম্প্রতিক প্রেক্ষাপটে দলের স্থায়ী কমিটির বৈঠকে কাউন্সিল নিয়ে গুরুত্বের সঙ্গে আলোচনা হলেও চূড়ান্ত সূচি এখনও প্রকাশ করা হয়নি।
আসন্ন এই কাউন্সিলে দলটির গুরুত্বপূর্ণ পদ ‘মহাসচিব’-এ নতুন মুখ আসার জোরালো সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। মির্জা ফখরুল জানিয়েছেন, তিনি এখন অবসরের জন্য মানসিকভাবে প্রস্তুত। বয়সের ভার ও শারীরিক অসুস্থতার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, “আমি যথেষ্ট ক্লান্ত। কাউন্সিল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন শেষে আমি বিদায় নিতে চাই।”
উল্লেখ্য, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ২০১৬ সাল থেকে পূর্ণাঙ্গ মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এর আগে ২০১১ সাল থেকে দীর্ঘ পাঁচ বছর তিনি ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবের দায়িত্ব সামলেছেন। ২০০৯ সালে অনুষ্ঠিত পঞ্চম কাউন্সিলে তাকে দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিবের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল।
ষাটের দশকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষার্থী থাকাকালীন বামপন্থী ছাত্র সংগঠনের মাধ্যমে তার রাজনৈতিক জীবনের হাতেখড়ি। তৎকালীন ছাত্র ইউনিয়নে যুক্ত হয়ে তিনি এস.এম. হল শাখার সাধারণ সম্পাদক এবং পরবর্তীতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৬৯-এর গণঅভ্যুত্থানে সক্রিয় ভূমিকার কারণে তাকে কারাবরণও করতে হয়েছিল।
শিক্ষাজীবন শেষে মির্জা ফখরুল ১৯৭২ সালে ঢাকা কলেজে বিসিএস শিক্ষা ক্যাডারে প্রভাষক হিসেবে যোগ দেন। সরকারি চাকরিকালে তিনি অডিট অধিদপ্তর ও ইউনেস্কো জাতীয় কমিশনে কাজ করার পাশাপাশি সাবেক উপ-প্রধানমন্ত্রী এস.এ. বারীর একান্ত সচিব হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।
১৯৮৬ সালে সরকারি চাকরি ছেড়ে সক্রিয় রাজনীতিতে ফেরেন তিনি এবং ১৯৮৮ সালে ঠাকুরগাঁও পৌরসভার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। নব্বইয়ের দশকের শুরুতে এরশাদ বিরোধী আন্দোলনের সময় তিনি বিএনপিতে যোগ দেন এবং ১৯৯২ সালে ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপির সভাপতির দায়িত্ব পান। সেই থেকেই টানা তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি দলটির নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছেন।
সুত্র- শীর্ষ নিউজ




নিষেধাজ্ঞা এড়াতে নাম বদলে চীন সফরে মার্কো রুবিও
ওমানে গাড়ির ভেতর চট্টগ্রামের ৪ প্রবাসীর রহস্যজনক মৃত্যু
টানা ৮ বছর একই পদে, সম্পদে ফুলে ফেঁপে নির্বাহী প্রকৌশলী আশরাফুল
গণপূর্ত’র “স্পেশাল ইউনিটে” বদরুল-জাহাঙ্গীর জুটির বিরুদ্ধে শত কোটি টাকার কাজ বাণিজ্য’র গুরুতর অভিযোগ
ভোটের নয়, বিদেশি ছায়ার সরকার: বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব আজ কার হাতে?
দুই বাংলার রাজনীতির অদ্ভুত সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে কি বার্তা দিচ্ছে
খেলাপি হওয়ায় ফল স্থগিত দুই নেতা এমপির ভূমিকায় আসলাম চৌধুরী ও সরোয়ার আলমগীর
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলাদেশে (পূর্ব বাংলায়) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কেবল সাহিত্যিকই নন, তিনি সুসংহত সাংস্কৃতিক রাজনৈতিক হাতিয়ারও বটে
প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ”" গণপূর্ত অধিদপ্তরে জালিয়াতি ও বদলি বাণিজ্য সিন্ডিকেট’র গডফাদার খালেকুজ্জামান কি আইনের উর্ধ্বে
বিআইডব্লিউটিএ বঙ্গবন্ধু পরিষদ সভাপতি দুর্নীতিবাজ ছাইদুর’র জিয়া পরিষদ সভাপতির পদ পেতে লবিংয়ে ব্যস্ত!