বুধবার, ২ জুলাই ২০২৫
প্রথম পাতা » অপরাধ | রাজনীতি » বিদেশি এজেন্টদের হাতে বাংলাদেশ-দায়মুক্তির রাজনীতি ও গণতন্ত্রের অপমৃত্যু
বিদেশি এজেন্টদের হাতে বাংলাদেশ-দায়মুক্তির রাজনীতি ও গণতন্ত্রের অপমৃত্যু
শফিকুল ইসলাম কাজলঃ

বাংলাদেশের বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার নিয়ে জনমনে এক গভীর উদ্বেগ ও সন্দেহ দানা বেঁধেছে। ড. মুহাম্মদ ইউনুস, ড. আলী রিয়াজ, খলিল গং-এই নামগুলো এখন আর কেবল ব্যক্তি নয়, বরং এক ধরনের বিদেশি প্রভাবিত ক্ষমতা কাঠামোর প্রতীক হয়ে উঠেছে। এদের কেউ কেউ আন্তর্জাতিক সংস্থার সঙ্গে যুক্ত, কেউ আবার পশ্চিমা লবির ঘনিষ্ঠ। প্রশ্ন উঠছে-তারা কি বাংলাদেশের স্বার্থে কাজ করছে, নাকি বিদেশি এজেন্ডা বাস্তবায়নে নিয়োজিত?
“ফিটফাট বাইরে, সদরঘাট ভিতরে”-এই সরকার কি সত্যিই নিরপেক্ষ?
বর্তমান সরকার নিজেকে “অন্তর্বর্তীকালীন” বললেও বাস্তবে তারা নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করেনি, সাংবিধানিক কাঠামো পুনর্বহাল করেনি, এবং জনগণের সঙ্গে কোনো সরাসরি সংলাপে যায়নি। বরং তারা প্রশাসন ও বিচারব্যবস্থায় এমন কিছু পরিবর্তন এনেছে, যা গণতন্ত্র নয়, বরং কর্তৃত্ববাদী শাসনের ইঙ্গিত দেয়।
দায়মুক্তির রাজনীতি: সামরিক বাহিনী ও প্রশাসনের দায় কে নেবে?
আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর বহু মানবাধিকার লঙ্ঘন, গুম, হত্যা ও নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। কিন্তু প্রশ্ন হলো-এই অপরাধের দায় কে নেবে?
সামরিক বাহিনী কি দায়মুক্তি পাবে?
প্রশাসনের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা কি বিচারের মুখোমুখি হবেন?
যারা “অভ্যুত্থান” ঘটিয়েছে, তারা কি নিজেকে আইনের ঊর্ধ্বে ভাবছে?
এই প্রশ্নগুলো এখন জাতীয় নিরাপত্তা ও নৈতিকতার প্রশ্নে পরিণত হয়েছে।
গোপন সমঝোতা ও বিদেশি ছায়া
বিএনপির সঙ্গে অন্তর্বর্তী সরকারের সম্ভাব্য গোপন সমঝোতা নিয়ে ইতিমধ্যেই গুঞ্জন ছড়িয়েছে। যদিও এটি আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকার করা হয়নি, তবে বাস্তবতা বলছে:
আন্তর্জাতিক মহলের চাপেই এই সরকার গঠিত হয়েছে।
বিদেশি কূটনীতিকদের ছায়া ছাড়া কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে না।
গণতন্ত্রের নামে বিদেশি এজেন্ডা বাস্তবায়ন হচ্ছে।
দায়মুক্তির শেষ পরিণতি কী?
ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়-যে রাষ্ট্র অপরাধীদের দায়মুক্তি দেয়, সে রাষ্ট্র একদিন নিজেই আইনের শিকার হয়। যদি এই সরকার:
সামরিক বাহিনীকে দায়মুক্তি দেয়,
প্রশাসনের অপরাধ আড়াল করে,
বিদেশি এজেন্টদের হাতে নীতি নির্ধারণ করে,
তবে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ হবে একটি নিয়ন্ত্রিত, পরনির্ভরশীল রাষ্ট্র-যেখানে জনগণের ভোট থাকবে, কিন্তু ক্ষমতা থাকবে না।
বাংলাদেশের জনগণ আজ প্রশ্ন করছে-”আমরা কি স্বাধীন রাষ্ট্রে বাস করছি, নাকি কমিশন এজেন্টদের হাতে বন্দি?” এই প্রশ্নের উত্তর দিতে হলে দরকার:
স্বচ্ছতা,
জবাবদিহিতা,
এবং জনগণের প্রতি শ্রদ্ধা।
না হলে, এই অন্তর্বর্তী সরকারও ইতিহাসের আরেকটি ব্যর্থ অধ্যায় হয়ে থাকবে।




চাকরির নয় বছরে কোটিপতি রাজউকের ইমারত পরিদর্শক মনিরুজ্জামান
সাব-রেজিস্টার মাইকেলের হাজার কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ
দুবাইয়ে সাবেক আই জি পি বেঞ্জির গ্রেপ্তার
রেল খেকো ‘ম্যাক্স’ গ্রুপের একচেটিয়া আধিপত্য রুখবে কে
অনিয়ম-দুর্নীতি চাঁদাবাজি ও বদলি বাণিজ্যের মাধ্যমে শূন্য থেকে শতকোটির মালিক বন কর্মকর্তা নিশাত
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর’র সেকেন্ড ডিজি খ্যাত বদলি ও ঘুষ বাণিজ্যের গডফাদার মাসুম বিল্লাহ কি আইনের উর্ধ্বে
ঋণ জালিয়াতি, বিদেশি নাগরিকত্ব ও অফশোর সম্পদ: নতুন চাপে বসুন্ধরা গ্রুপ
“দুদকের দৃষ্টি আকর্ষণ”" সওজের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান প্রকৌশলী মনির হোসেন পাঠান’র সম্পদের পাহাড়
ও: কাদের লিটন সিন্ডিকেট সদস্য সওজ অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মনিরুজ্জামান