তদন্তের আগে আন্দোলন কেন?- প্রশ্ন কাদেরের
![]()
পক্ষকাল ডেস্ক সংবাদ-
সচিবালয়ে পাঁচ ঘণ্টার বেশি আটকে রেখে রাষ্ট্রীয় গোপন নথি ‘চুরির চেষ্টার’ অভিযোগে সাংবাদিক রোজিনা ইসলামকে গ্রেফতারের ঘটনায় তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য বের হওয়ার আগেই তার পক্ষে বা বিপক্ষে আন্দোলন কতটা যৌক্তিক এ নিয়ে প্রশ্ন রেখেছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।
বৃহস্পতিবার (২০ মে) সন্ধ্যায় নিজের সরকারি বাসভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে এ প্রশ্ন রাখেন তিনি।
ওবায়দুল কাদের বলেন, “সাংবাদিকদের স্বার্থ বিরোধী কোন কিছুই করবে না সরকার। শেখ হাসিনা সরকার সাংবাদিক বান্ধব সরকার। গণমাধ্যমের যে কোন বিষয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অত্যন্ত সহানুভূতিশীল। সাংবাদিকদের সুখে দুখে এবং গঠনমূলক সাংবাদিকতার পথ অনুসরণে প্রধানমন্ত্রী সাংবাদিকদের সঙ্গে আছেন।”
সাংবাদিকদের আন্দোলনের বিরোধিতা করে সরকারের সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী বলেন, সাংবাদিকগণ পেশাগত কারণে বিভিন্ন ভাবে তথ্য সংগ্রহ করেন, তথ্য অধিকার আইন অনুযায়ী অপ্রকাশযোগ্য তথ্য ছাড়া অন্যান্য তথ্য সংগ্রহের সুযোগ রয়েছে সুনির্দিষ্ট প্রক্রিয়া অনুসরণ করে, কিন্তু অভিজ্ঞ সাংবাদিক তথ্য সংগ্রহে যে প্রক্রিয়া অনুসরণ করেছেন তা সঠিক পদ্ধতি কিনা তা ভেবে দেখার বিষয়।
“গতকাল বিভিন্ন মাধ্যমে প্রচারিত একটি ভিডিওতে দেখা যায়, সংশ্লিষ্ট সাংবাদিক এক পর্যায়ে নিজের ভুল স্বীকার করে মুখে মুচলেকা দেওয়ার কথাও বলেছেন উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, চৌর্যবৃত্তি আর সাংবাদিকতাকে আমরা কি এক করে ফেলতে পারি?
তদন্তের আগে আন্দোলনের যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে ওবায়দুল কাদের বলেন, তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য বের হওয়ার আগেই তার পক্ষে বা বিপক্ষে আন্দোলন কতটা যৌক্তিক, সেটাও সাংবাদিক বন্ধুদের ভেবে দেখার আহবান জানাচ্ছি। একজন অন্যায় করলে ঢালাও ভাবে সবাইতো সেজন্য দায়ী নন।
“সচিবালয়ে প্রতিদিন সাংবাদিকরা পেশাগত দায়িত্ব পালন করেন এবং তথ্য সংগ্রহ করেন কিন্তু কেউ এভাবে লুকিয়ে ফাইলের ছবি তোলেন না বা নথি নিয়ে যায় না, সংশ্লিষ্ট সাংবাদিক নিজেও ভুল স্বীকার করছেন। আত্মস্বীকৃত একজনের ভুলের জন্য সাংবাদিক বন্ধুদের এমন অবস্থান গ্রহণ কেন?’
“কেউই আইনের ঊর্ধ্বে নন, আইন সবার জন্য সমান। যেহেতু বিষয়টি তদন্তাধীন তাই এ নিয়ে কোন মন্তব্য করতে চাই না। ইতিমধ্যে বিষয়টি তদন্তের জন্য ডিবিকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, তদন্ত কাজে সরকার কোনরূপ হস্তক্ষেপ করবে না।”
শেখ হাসিনা সরকার অবাধ-তথ্যপ্রবাহ তথা গণমাধ্যমের স্বাধীনতায় বিশ্বাসী উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, “সরকারের উদারনৈতিক গণতান্ত্রিক মনোভাবের কারণেই সাম্প্রতিককালে দেশে গণমাধ্যমের ব্যাপক সম্প্রসারণ ঘটেছে। নবম ওয়েজ বোর্ড এর বিষয়ে সাংবাদিকদের স্বার্থকে গুরুত্ব দিয়েছে স্বাধীনতার চেতনা ও মূল্যবোধ সমুন্নত রাখা গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা এবং অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় গণমাধ্যমের ভূমিকা প্রশংসনীয়।”
এ সময় বিএনপির সমালোচনা করে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, “বিএনপি কাল্পনিক অভিযোগ আনলেও প্রকৃতপক্ষে সরকার দমন পীড়নে বিশ্বাসী নয়। বিএনপি নেতারা প্রতিদিনই সরকার এবং প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে বিষোদগার করে যাচ্ছেন। সেজন্যতো বিএনপির কোন নেতাকে কোন প্রকার হেনস্তা বা গ্রেফতার করা হয় নি।
“মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাংবাদিকদের ইস্যুতে কথা বলছেন অথচ তাদের সময় সাংবাদিক শামসুর রহমান, মানিক সাহা, হুমায়ুন কবির বালুসহ বেশকিছু সাংবাদিককে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে, অনেককে করা হয়েছে নির্যাতন, তা কি ভুলে গেছেন ফখরুল সাহেবরা” প্রশ্ন রাখেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক।





মেয়াদ শেষে রাজনীতি ছাড়ার ঘোষণা ম্যাক্রোঁর
নরসিংদীর রায়পুরা চরে ‘জুলাই সহিংসতা’র লুটের অস্ত্রে ২০০ সন্ত্রাসীর সাম্রাজ্য: বালু মাফিয়া ও মাদকচক্রে বিলীন জনপদ
পীরের পর সাধু হত্যায় দেশের আইনশৃঙ্খলা প্রশ্নে
ইসলামাবাদের ব্যর্থ আলোচনা ও হরমোজ প্রণালীর অবরোধ: মধ্যপ্রাচ্য কি চূড়ান্ত মহাপ্রলয়ের পথে
বিশ্বনেতাদের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ অ্যামনেস্টির
একযোগে ১৩ পুলিশ কর্মকর্তা বাধ্যতামূলক অবসরে
গ্যাস–সংকট নিয়ে সংসদে তীব্র ক্ষোভ, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নতুন সংযোগের দাবি
হরমুজ প্রণালী বন্ধে বৈশ্বিক বাণিজ্যে অচলাবস্থা, পানামা খালে ‘সিরিয়াল’ পেতে ৪০ লাখ ডলার
হানিফ’র রাহু’র গ্রাসে বন্দী ঢা:দ:সি:সি: মালিকাধীন জাকের সুপারমার্কেট
ঢাকা জেলার প্রথম নারী জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম