শিরোনাম:
ঢাকা, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩

Daily Pokkhokal
শনিবার, ১০ জানুয়ারী ২০২৬
প্রথম পাতা » অপরাধ » নুরুল ইসলাম নামের একজন ব্যবসায়ী
প্রথম পাতা » অপরাধ » নুরুল ইসলাম নামের একজন ব্যবসায়ী
২৯০ বার পঠিত
শনিবার, ১০ জানুয়ারী ২০২৬
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

নুরুল ইসলাম নামের একজন ব্যবসায়ী

নুরুল ইসলাম নামে এক বিজনেস ম্যান আছে ঢাকা শহরে। খুব একটা লাইম লাইটে নাই। তবে তার সহায় সম্পত্তি, অর্থবিত্ত সবমিলিয়ে প্রায় ২০ হাজার কোটি টাকা!

মাইকেল ---

উনার উপার্জিত অর্থের প্রায় পুরোটাই অবৈধ। ঢাকা শহরের আন্ডারওয়ার্ল্ড এর সুইডেন আসলাম তার শালা। কথিত শালা ও হতে পারে। এই রেফারেন্স আর ব্যাকাপে তেঁজগায় শিল্পাঞ্চল ও এই জোনে হাজার কোটি টাকার বেশি সম্পদ লুটপাট করেছে।

নুরুল ইসলাম এর প্রধান পেশা মদ বেচাকেনা! জ্বী ঢাকা মহানগর সহ বাংলাদেশের সব মদের ওয়ার হাইজের একক মালিক সে।

নুরুল ইসলাম এর কোন ছেলেনাই৷ ২ কন্যা। একজনের নাম তাসনিম বর্ষা ইসলাম। অপরজন দিশা ইসলাম।

এই দিশা ইসলাম টা কে?

: ইউটিউবার সালমান মুক্তাদিরের ওয়াইফ।

সালমান কেন বিবাহিত এই মহিলাকে ২ বাচ্চা কে সহ বিয়ে করলো?

শুধুই ভালোবাসার জন্য?

: সালমান আগাগোড়া একটা বিজনেস মাইন্ডেড ছেলে। ওর মার্কেটিং লাইন আপ ভালো। দিশা তার বাপের পৈতৃক সম্পত্তির ২০ হাজার কোটি টাকার অর্ধেক ১০ হাজার কোটি টাকা পাবে। এই অর্থ আর সাম্রাজ্য ঘুরেফিরে সালমান এর হাতেই উঠবে কয়েক বছর এর মধ্যে। অলরেডি বড় একটা অংশের মালিকানা ও পাইছে৷ সালমান জেনে বুঝেই কোপ টা দিছে এইখানে।

দিশা ইসলাম এর প্রথম স্বামী শ্রীলঙ্কান। সালমান এর বউয়ের যে ২ মাইয়া। এরা অরিজিনাল শ্রীলঙ্কান। দিশার আগের সংসারের।

দিশাকে বিয়ে করার মূল উদ্দেশ্য একটাই মদের এই সিন্ডিকেট এর ভবিষ্যৎ নিয়ন্ত্রণভার তার কন্ট্রোলে নেওয়া।

নুরুল ইসলাম এর ৬ টা বার।

ফুওয়াং- তেঁজগাও ব্রাঞ্চ।

ফুওয়াং- কক্সবাজার ব্রাঞ্চ।

বুফেট লাউঞ্জ- কুয়াকাটা।

আইরিশ ক্লাব- পোস্তগোলা।

হলিদি বার- ডেমরা, কোণাপাড়া।

থাইক্লাব- মিরপুর।

এই ৬ টা বার মূলত ব্ল্যাক মানি হোয়াইট করার জায়গা। আর মানি লন্ডারিংয়ের হাব!

নুরুল ইসলাম এর ৪ টা ওয়্যার হাউজ আছে। এইচকবির, তেজঁগাও, ঢাকায়। টসবর্ণ, বিমানবন্দরে।

তার আয়ের প্রধান উৎস,

মদের আমদানি, সংরক্ষণ ও খুচরা বিক্রির একটি সমন্বিত নেটওয়ার্ক। কাগজে সবকিছু বৈধ দেখালেও বাস্তবে এই নেটওয়ার্কের বড় অংশ চলে ট্যাক্স ফাঁকি, ক্যাশ ট্রানজেকশন ও রেকর্ড ম্যানিপুলেশনের ওপর।

প্রশ্ন হলো,

একটি উচ্চ-নিয়ন্ত্রিত পণ্যের ব্যবসা কীভাবে এত কম আলোচনায় থেকে যায়?

আন্ডারওয়ার্ল্ড রেফারেন্স আর জামায়াত বিএনপি ও প্রশাসনের সবাইকে টাকা পয়সা দিয়ে। আওয়ামী লীগ আমলে এই নুরুল ইসলাম সর্বোচ্চ সুবিধাভোগী ছিল। আমলাদের ম্যানেজ করে।

সীমিত লাইসেন্সে আমদানি, আংশিক ভ্যাট–ট্যাক্স পরিশোধ, ওয়্যারহাউজে স্টক ঘোরানো, নিজস্ব বার–লাউঞ্জে অতিরিক্ত বিক্রি দেখানো, বিপুল ক্যাশকে ব্যবসায়িক আয় বানানো!

এভাবে প্রতি বছর প্রায় হাজার কোটি টাকার অর্থ সিস্টেমের বাইরে ঘোরে। এগুলো মানি কনভার্সন সেন্টার। ভুয়া ইভেন্ট, অতিরিক্ত বিলিং, ক্যাশ-হেভি সেল। সব মিলিয়ে ব্ল্যাক মানি ধোয়ার নিখুঁত কাঠামো।

এত বড় অপারেশন কি একা সম্ভব?

: না নুরুল ইসলাম ক্লান্ত। উত্তরাধিকার, বিয়ে এবং ক্ষমতা হস্তান্তর হয়েছে। বিজনেস লাইন ও ট্রান্সফার হয়েছে। কারণ নুরুল ইসলাম এর কোনো পুত্র নেই। দুই কন্যা। তাই সালমান চান্স টা গ্রহণ করে, আড়ালে এই নেটওয়ার্ক এখন তার হাতে।

নুরুল ইসলাম এর একটা ওয়্যারহাউজ এর ও সব চালানের কাগজ নেই, স্টক আর রেকর্ডে গরমিল, ব্যাচ নম্বর মিল নাই।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক হাসান মারুফ। চাঁপাইনবাবগঞ্জের জামায়াত নেতা মাহাতাবুল ইসলামের ছেলে।

৩০ কোটি টাকার বিনিময়ে মাদকের ডিজি হয়েছে। এই ফান্ডিং ও নুরুল ইসলাম এর! মাদকের উপপরিচালক মেহেদী ডিজি মারুফের হয়ে মাসিক ৬০ লাখ টাকা নুরুলের কাছ থেকে সংগ্রহ করে। এইজন্য সব ইলিগ্যাল বিজনেস লিগ্যাল তাদের।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর রেইড দিলে হাজার কোটি টাকার গড়মিল এক রাতেই পাবে। কিন্তু দিবে না। কারণ এইখানে বর্তমানে জামায়াতের ব্যাকাপ আছে। জুলাই মাসে ২৪ এ জঙ্গি দের পেছনে নুরুল ইসলাম এর অবৈধ মদ বিক্রির টাকা থেকে ও ফান্ড যায়! এটা সালমান ও দিশার হাত দিয়ে। অনেকেই ভাবে সালমান ডলার খেয়ে আন্দোলন করেছিল জঙ্গি দের সাথে। এটা ভুল। সালমান নিজেই ইনভেস্ট করে। আর এই ১ বছরে তারচেয়ে ৫০০ গুণ বেশি উঠাইয়া নেয় অবৈধ মদ আমদানি করে!

৯৯% মুসলিম দেশে এত বার আর ওয়্যার হাউজ থাকে কিভাবে?

তৌহিদী জনতাদের উচিৎ এইসব বার আর ওয়্যারহাউজ পুড়িয়ে ছাই করে দেওয়া। পাশাপাশি মালিকপক্ষ কে দোররা মারা মদ বেচার জন্য।

সালমান মুক্তাদির কে মূলত ইউটিউবার মনে হলেও বাস্তবে সে একজন মাদক ব্যবসায়ী। লিগ্যাল চ্যানেলের আড়ালে ইলিগ্যাল মদ ব্যবসায়ী।

এই যে ১০ হাজার কোটি টাকার সম্পত্তি আছে। সালমান কি ভাবছে? ভবিষ্যতে এ এই টাকা ওর লাইফ এর সিকিউরিটি দিবে? পূর্ণাঙ্গ নিরাপত্তা দিবে? শেখ হাসিনা কে নিয়ে অনেক কিছুই লিখেছে, বলেছে। আজ হোক আর কাল হোক ওর এই মাদক সাম্রাজ্যের লাইন ধরে টান দিবই। পুরা সিন্ডিকেট আর সাম্রাজ্য উড়াতে ২৪ ঘন্টা টাইম লাগবে। স্রেফ ২৪ ঘন্টা!

Courtesy: Leo Cypher



এ পাতার আরও খবর

“”প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ” “”প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ”" দুর্নীতির ডিজিটাল বাদশা বিআইডব্লিউটিএর অতি: প্রধান প্রকৌশলী মজনু মিয়া
চাকরির নয় বছরে কোটিপতি রাজউকের ইমারত পরিদর্শক মনিরুজ্জামান চাকরির নয় বছরে কোটিপতি রাজউকের ইমারত পরিদর্শক মনিরুজ্জামান
সাব-রেজিস্টার মাইকেলের হাজার কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ সাব-রেজিস্টার মাইকেলের হাজার কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ
দুবাইয়ে সাবেক আই জি পি বেঞ্জির গ্রেপ্তার দুবাইয়ে সাবেক আই জি পি বেঞ্জির গ্রেপ্তার
রেল খেকো ‘ম্যাক্স’ গ্রুপের একচেটিয়া আধিপত্য রুখবে কে রেল খেকো ‘ম্যাক্স’ গ্রুপের একচেটিয়া আধিপত্য রুখবে কে
অনিয়ম-দুর্নীতি চাঁদাবাজি ও বদলি বাণিজ্যের মাধ্যমে শূন্য থেকে শতকোটির মালিক বন কর্মকর্তা নিশাত অনিয়ম-দুর্নীতি চাঁদাবাজি ও বদলি বাণিজ্যের মাধ্যমে শূন্য থেকে শতকোটির মালিক বন কর্মকর্তা নিশাত
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর’র সেকেন্ড ডিজি খ্যাত বদলি ও ঘুষ বাণিজ্যের গডফাদার মাসুম বিল্লাহ কি আইনের উর্ধ্বে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর’র সেকেন্ড ডিজি খ্যাত বদলি ও ঘুষ বাণিজ্যের গডফাদার মাসুম বিল্লাহ কি আইনের উর্ধ্বে
ঋণ জালিয়াতি, বিদেশি নাগরিকত্ব ও অফশোর সম্পদ: নতুন চাপে বসুন্ধরা গ্রুপ ঋণ জালিয়াতি, বিদেশি নাগরিকত্ব ও অফশোর সম্পদ: নতুন চাপে বসুন্ধরা গ্রুপ
“দুদকের দৃষ্টি আকর্ষণ” “দুদকের দৃষ্টি আকর্ষণ”" সওজের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান প্রকৌশলী মনির হোসেন পাঠান’র সম্পদের পাহাড়
দুর্নীতির অভিযোগে আলোচনায় সওজের প্রধান প্রকৌশলী মনির হোসেন পাঠান: ভাইয়ের ব্যাংক হিসাবে কোটি টাকার লেনদেন দুর্নীতির অভিযোগে আলোচনায় সওজের প্রধান প্রকৌশলী মনির হোসেন পাঠান: ভাইয়ের ব্যাংক হিসাবে কোটি টাকার লেনদেন

আর্কাইভ

পাঠকের মন্তব্য

(মতামতের জন্যে সম্পাদক দায়ী নয়।)