বুধবার, ৭ আগস্ট ২০১৯
প্রথম পাতা » অর্থনীতি | ব্রেকিং নিউজ » অর্থ বছরে ৫৪ বিলিয়ন ডলার রপ্তানি আয়ের লক্ষ্য
অর্থ বছরে ৫৪ বিলিয়ন ডলার রপ্তানি আয়ের লক্ষ্য
পক্ষকাল সংবাদ
২০১৯-২০২০ অর্থবছরে ৫৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার রপ্তানি আয়ের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে সরকার।
বুধবার সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে ২০১৯-২০২০ অর্থবছরের রপ্তানির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ সংক্রান্ত সভা শেষে মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব মুফিজুল ইসলাম এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, পণ্য রপ্তানি করে ৪৫.৫০ বিলিয়ন ও সেবা রপ্তানি করে ৮.৫০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। পণ্য রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধি ধরা হয়েছে ১২.২৫ শতাংশ, আর সেবায় ৩৪.১০ শতাংশ।
মো. মফিজুল ইসলাম জানান, গত অর্থবছরে রপ্তানি আয় হয়েছে ৪৬.৮৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। আমরা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে প্রায় ৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বেশি অর্জন করেছি। গত অর্থবছর পণ্য খাতে রপ্তানির প্রবৃদ্ধি ছিল ১০.৫৫ ভাগ এবং সেবা খাতে ৪৬.০৬ ভাগ। মোট রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১৪.৩০ ভাগ। আমরা এ বছরও লক্ষমাত্রা অর্জনের প্রত্যাশা করছি।
লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে কতটুকু আত্ববিশ্বাসী, এ প্রশ্নের জবাবে বাণিজ্য সচিব বলেন, এটা অর্জনের ক্ষেত্রে আমরা পুরোপুরি আত্ববিশ্বাসী। কারণ, গত বছর যে পরিমাণ রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা ছিল তার চেয়ে বেশি অর্জন করতে সক্ষম হয়েছি। আমাদের বিদেশি বিনিয়োগ দিন দিন বাড়ছে। ফলে আমরা আশাবাদী, এই লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে পারব।
তিনি জানান, রপ্তানি পণ্যের তালিকায় রয়েছে টেক্সটাইল পণ্য, পাট, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, ওষুধ, কৃষি পণ্য, প্রকৌশল পণ্য, প্লাস্টিক এবং সিরামিক। লক্ষ্যমাত্রার মধ্যে তৈরী পোশাক ৩৮ দশমিক ২০ বিলিয়ন ডলার, হোম টেক্সটাইল দশমিক ৮৯১ বিলিয়ন, পাট ও পাটজাত পণ্যে দশমিক ৮২৪ বিলিয়ন, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য ১ দশমিক ৯৩ বিলিয়ন, ওষুধ দশমিক ১৬৯ বিলিয়ন, কৃষি পণ্যে ১ দশমিক ১২ বিলিয়ন, এনার্জি পণ্যে দশমিক ৩৬৯ বিলিয়ন, ফ্রোজেন পণ্য ও মাছে দশমিক ৫২০ বিলিয়ন, প্লাস্টিক পণ্যে দশমিক ১৫০ বিলিয়ন এবং সিরামিক পণ্যে দশমিক ৯০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার আয়ের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
সভায় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (রপ্তানি) তপন কান্তি ঘোষ, রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর ভাইস চেয়ারম্যান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।




প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে দুর্নীতির ডিজিটাল বাদশা বিআইডব্লিউটিএর অতি: প্রধান প্রকৌশলী মজনু মিয়া
“”প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ”" দুর্নীতির ডিজিটাল বাদশা বিআইডব্লিউটিএর অতি: প্রধান প্রকৌশলী মজনু মিয়া
চাকরির নয় বছরে কোটিপতি রাজউকের ইমারত পরিদর্শক মনিরুজ্জামান
সাব-রেজিস্টার মাইকেলের হাজার কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ
রেল খেকো ‘ম্যাক্স’ গ্রুপের একচেটিয়া আধিপত্য রুখবে কে
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর’র সেকেন্ড ডিজি খ্যাত বদলি ও ঘুষ বাণিজ্যের গডফাদার মাসুম বিল্লাহ কি আইনের উর্ধ্বে
ঋণ জালিয়াতি, বিদেশি নাগরিকত্ব ও অফশোর সম্পদ: নতুন চাপে বসুন্ধরা গ্রুপ
“দুদকের দৃষ্টি আকর্ষণ”" সওজের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান প্রকৌশলী মনির হোসেন পাঠান’র সম্পদের পাহাড়
ও: কাদের লিটন সিন্ডিকেট সদস্য সওজ অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মনিরুজ্জামান