বুধবার, ২০ মে ২০১৫
প্রথম পাতা » অপরাধ | সম্পাদক বলছি » বাংলাদেশিসহ মানবপাচারকারী দলের ১৪ জন গ্রেফতার
বাংলাদেশিসহ মানবপাচারকারী দলের ১৪ জন গ্রেফতার
![]()
২০১৫ মে ২০ডেস্ক : মানবপাচারের অভিযোগে পাঁচ বাংলাদেশিসহ পাচারকারী চক্রের ১৪ হোতাকে গ্রেপ্তার করেছে হংকং পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে রয়েছে ৪৫ বছর বয়সী এক বাংলাদেশি ও তার স্ত্রী চিউ চিউ (২৫)।পুলিশ জানায়, ব্যাংকে এ দম্পতির জমা রয়েছে ২৮৩৭৮৫ মার্কিন ডলার। রয়েছে বিপুল পরিমাণ স্বর্ণ ও স্বর্ণালংকার।
দীর্ঘদিন ধরে এ চক্রটি বাংলাদেশ থেকে অবৈধ পথে শ্রমিক পাচার করে। চিউ ও তার বাংলাদেশি স্বামী এ পাচারকারী চক্রের মূল হোতা বলে দাবি করেছে স্থানীয় পুলিশ। তবে ওই বাংলাদেশির নাম প্রকাশ করা হয়নি।
সাউথ চায়না মর্নিং পোস্টকে পুলিশ সুপার চ্যান টিন-চু জানিয়েছেন, গত ৯ মাসে দুই শতাধিক বাংলাদেশিকে অবৈধপথে হংকংয়ে পাচার করেছে এ চক্র। বিনিময়ে প্রতিজনের কাছ থেকে ৫ হাজার থেকে ৫০ হাজার হংকং ডলার নিয়েছে তারা।
প্রথমে বাংলাদেশিদের বিমান পথে চীন নিয়ে যায় তারা। এরপর সেখানে থেকে নৌপথে হংকং নিয়ে যাওয়া হয়।
চ্যান বলেন, এ চক্র প্রথমে অবৈধ অভিবাসীদের চীনের ভ্রমন-ভিসা পেতে সাহায্য করে। এরপর সেখান থেকে কুনমিং ও গুয়াংঝো নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাদেরকে হোটেলে রাখে পাচারচক্র। এরপর সেখান থেকেই স্পিডবোটে করে হংকয়ে নিয়ে যাওয়া হয়।
পুলিশ জানিয়েছে, ধরা পড়লে হংকংয়ে আশ্রয় প্রার্থনা করে অভিবাসীরা। তাদেরকে সাময়িকভাবে শহরে থাকতে অনুমতি দেয়া হয়। কিন্তু কাজের অনুমতি থাকে না। এ সময় ওই পাচারকারী চক্র তাদের জন্য বিভিন্ন গৃহস্থালির কাজ জোগাড় করে দেয়।
গত বছরের জুলাইয়ের পর থেকে পুলিশ প্রায় ২২০ জন অবৈধ বাংলাদেশি অভিবাসীকে আটক করেছে। এদের সবাই পুরুষ। পুলিশের বিশ্বাস, তাদেরকে ওই পাচারচক্রই হংকংয়ে নিয়ে গিয়েছে।
অভিবাসন বিভাগের দেয়া তথ্য মোতাবেক, ২০১৩ সালে হংকংয়ে অবৈধ বাংলাদেশি অভিবাসী ছিল ২৭৪ জন। পরের বছর সে সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৭৪ জনে। এ বছরের প্রথম চার মাসে ৯৫ বাংলাদেশি অবৈধ অভিবাসী আটক হয়েছে।
কয়েকমাস ধরে তদন্তের পর পুলিশ ও অভিবাসন কর্মকর্তারা ১২ পুরুষ ও ২ নারীর ওই পাচারকারী চক্রকে আটক করতে সক্ষম হয়। বেশ কয়েকটি অভিযানে তাদের আটক




চাকরির নয় বছরে কোটিপতি রাজউকের ইমারত পরিদর্শক মনিরুজ্জামান
সাব-রেজিস্টার মাইকেলের হাজার কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ
দুবাইয়ে সাবেক আই জি পি বেঞ্জির গ্রেপ্তার
রেল খেকো ‘ম্যাক্স’ গ্রুপের একচেটিয়া আধিপত্য রুখবে কে
অনিয়ম-দুর্নীতি চাঁদাবাজি ও বদলি বাণিজ্যের মাধ্যমে শূন্য থেকে শতকোটির মালিক বন কর্মকর্তা নিশাত
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর’র সেকেন্ড ডিজি খ্যাত বদলি ও ঘুষ বাণিজ্যের গডফাদার মাসুম বিল্লাহ কি আইনের উর্ধ্বে
ঋণ জালিয়াতি, বিদেশি নাগরিকত্ব ও অফশোর সম্পদ: নতুন চাপে বসুন্ধরা গ্রুপ
“দুদকের দৃষ্টি আকর্ষণ”" সওজের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান প্রকৌশলী মনির হোসেন পাঠান’র সম্পদের পাহাড়
ও: কাদের লিটন সিন্ডিকেট সদস্য সওজ অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মনিরুজ্জামান