শিরোনাম:
ঢাকা, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩

Daily Pokkhokal
শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬
প্রথম পাতা » অপরাধ | অর্থনীতি » “”প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ”" বিআইডব্লিউটিএতে পদোন্নতি পেতে কোটি টাকার মিশন নিয়ে মাঠে ফ্যাসিস্ট’র দোসর রকিবুল
প্রথম পাতা » অপরাধ | অর্থনীতি » “”প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ”" বিআইডব্লিউটিএতে পদোন্নতি পেতে কোটি টাকার মিশন নিয়ে মাঠে ফ্যাসিস্ট’র দোসর রকিবুল
৭৭ বার পঠিত
শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

“”প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ”" বিআইডব্লিউটিএতে পদোন্নতি পেতে কোটি টাকার মিশন নিয়ে মাঠে ফ্যাসিস্ট’র দোসর রকিবুল

প্রবাসী সাংবাদিক এ. রাজিব:---

৫ ই আগস্ট ২০২৪ইং তারিখে ছাত্র জনতার গণ আন্দোলনের মুখে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর ডঃ মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার গঠন এর পর আওয়ামী কে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে ২০২৬ সালে ১২ই ফেব্রুয়ারি একটি অবাধ নিরপেক্ষ সুষ্ঠু নির্বাচন জাতিকে উপহার দেন।ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি চেয়ারপারসন তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভ করে সরকার গঠন করে। বর্তমান বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি সরকার গঠনের পর পতিত আওয়ামী লীগ সরকারের দোসর বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) এর মহা দুর্নীতিবাজ আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম ও সাবেক নৌ পরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খান ও সর্বশেষ নৌ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করা প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরীর ঘনিষ্ঠ সহচর রকিবুল ইসলাম তালুকদার মুজিব বন্দনা জার্সি বদল করে জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির জার্সি গায়ে জড়িয়ে নিজেকে নব্য বিএনপির ধারক বাহক হিসেবে জাহির করে বিএনপির পেশাজীবী সংগঠনের নেতা প্রকৌশলী তুহিন’র মাধ্যমে শরীয়তপুর জেলার সরকার দলীয় এক প্রভাবশালী সংসদ সদস্য’র সাথে অলিখিত চুক্তি করেন উক্তি মোতাবেক ফ্যাসিস্ট আওয়ামী দোসর বিআইডব্লিউটিএ দুর্নীতির মূল হোতা মহা দুর্নীতিবাজ ড্রেজিং বিভাগ’র চীপ ইঞ্জিনিয়ার রকিবুল ইসলাম তালুকদার প্রকৌশলী তুহিন’র মাধ্যমে ওই সংসদ সদস্যকে অগ্রিম কয়েক কোটি টাকা প্রদান করেন বিআইডব্লিউটিএ মেম্বার ইঞ্জিনিয়ার পদে পদোন্নতি পাওয়ার জন্য। বিআইডব্লিউটিএ প্রধান কার্যালয় বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায় রকিবুল তালুকদার’র ইতিমধ্যে তার ঘনিষ্ঠজনদের বলে বেড়াচ্ছেন যে নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী শেখ রবিউল ইসলাম রবি নাকি তাকে গ্রীন সিগনাল দিয়েছেন মেম্বার ইঞ্জিনিয়ারিং পদে পদোন্নতি দিবে এই নিয়ে খোদ বিআইডব্লিউটিএ’র ভিতরে বিগত ১৭ বছর পর বঞ্চিত আওয়ামী বিরোধী কর্মকর্তাদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। বিআইডব্লিউটিএ প্রধান কার্যালয়ের কর্মরত প্রকৌশলী পদমর্যাদার একজন কর্মকর্তা ও অতিরিক্ত পরিচালক পদমর্যাদার একজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে এই প্রতিবেদককে বলেন জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির চেয়ারম্যান ও গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান ও নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী শেখ রবিউল ইসলাম রবি মহোদয়ের কাছে বিআইডব্লিউটিএতে কর্মরত বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে নির্যাতিত নিপীড়িত পদোন্নতি বঞ্চিত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দাবি বিআইডব্লিউটিএ এর মাত্র একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান বিগত ১৭ বছরের দুর্নীতি সিন্ডিকেটের মূল হোতা নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম ও  সাবেক নৌ পরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খান ও খালিদ মাহমুদ চৌধুরীর ঘনিষ্ঠ সহচর দুর্নীতির বর পুত্র রকিবুল ইসলাম তালুকদার এর মত ব্যক্তিকে বিআইডব্লিউটিএ এর মতো প্রতিষ্ঠানে মেম্বার ইঞ্জিনিয়ারিং পদে পদোন্নতি দিলে সরকারের ভাবমূর্তি চরমভাবে ক্ষুন্ন হবে তাই এহেন দুর্নীতিবাজ আওয়ামী দোসর কর্মকর্তার বিরুদ্ধে একটি নিরপেক্ষ তদন্ত কমিশন গঠন করে রাষ্ট্রীয় সম্পদ লুটপাটকারির দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সতের বছরে বিআইডব্লিউটিএতে রাষ্ট্রের হাজার হাজার কোটি টাকা দুর্নীতির সিন্ডিকেটের মূল হোতা রাকিবুল ইসলাম তালুকদার ও সিন্ডিকেটের অন্য সদস্যদের অনিয়ম দুর্নীতি, দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত সম্পদ এবং দুদক কর্তৃক মামলার আংশিক বিবরণী গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী দুর্নীতি দমন কমিশন চেয়ারম্যান ও মাঝে তুলে ধরা হলো:

বিআইডব্লিউটিএ বাংলাদেশ সরকারের একটি সায়াত্ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠান। এই প্রতিষ্ঠানে দীর্ঘদিন ধরে কতিপয় কর্মকর্তা মিলে একটি শক্তিশালী দুর্নীতির সিন্ডিকেট গড়ে তুলছে। বিগত আওয়ামীলীগ সরকারের আমলে সরকারের দায়িত্বপ্রাপ্ত তৎকালীন নৌপরিবহন মন্ত্রীকে ম্যানেজ করে লুটপাট চালাতো সিন্ডিকেটটি। এই সিন্ডিকেটের মূল হোতা হচ্ছে:

১) রকিবুল ইসলাম তালুকদার, প্রধান প্রকৌশলী, ড্রেজিং বিভাগ

২) ছাইদুর রহমান, অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী (পুর), ড্রেজিং বিভাগ

৩) মো. মজনু মিয়া, অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী (মেরিন), ড্রেজিং বিভাগ

৪) মো. মহিদুল ইসলাম, প্রধান প্রকৌশলী (পুর), প্রকৌশল বিভাগ

৫) এ. কে. এম আরিফ উদ্দিন, অতিরিক্ত পরিচালক, বন্দর ও পরিবহন বিভাগ।

উপরিল্লিখিত দুর্নীতিপরায়ণ কর্মকর্তাগণ পরস্পর যোগসাযোশে একের পর এক কয়েক হাজার কোটি টাকার প্রকল্প হাতে নিয়েছেন। ঘুরে ফিরে এরা এবং এদের গৃহপালিত কর্মকর্তাদেরকে প্রকল্প পরিচালক বানিয়ে কাজ না করেই হাজার হাজার কোটি টাকা লুটপাট করে নিয়েছে।

সাবেক নৌপরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খান এবং খালিদ মাহমুদ চৌধুরীকে নির্দিষ্ট অংশের লভ্যাংশ দিয়ে তারা এমন প্রকল্প নিয়েছে। আওয়ামীলীগের সাবেক এই দুই মন্ত্রী শুধু বিআইডব্লিউটিএ থেকেই প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকা পকেটে ঢুকিয়েছেন। প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হলেও অবৈধভাবে প্রকল্পের মেয়াদ এবং টাকার পরিমাণ বাড়িয়েছে ইচ্ছামতো। বিআইডব্লিউটিএ’র প্রকল্প যেন এদের টাকার কুমির হওয়ার প্রকল্প।

এই সিন্ডিকেটের কুকীর্তির ফিরিস্তি:

বিআইডব্লিউটিএ’র তিনটি ড্রেজার সংগ্রহ প্রকল্প, দশ ড্রেজার ক্রয় ও সংগ্রহ প্রকল্প, ৩৫ ড্রেজার ও আনুসঙ্গিক জলযান ক্রয় ও সংগ্রহ প্রকল্প প্রায় ১২,০০০ কোটি টাকার উচ্চমূল্যের চুক্তি ইউরোপ আমেরিকার সাথে করা হলেও ড্রেজার /পাইপ/ইঞ্জিন/স্পেয়ার পার্টস গুলোয় কম মূল্যে এবং অত্যন্ত নিম্নমানের দেশীয় প্রযুক্তিতে, দেশীয় ডক ইয়ার্ড হতে অত্যন্ত সুপরিকল্পিতভাবে কৌশলে সংগ্রহ করা হয়েছে। এই প্রকল্প হতে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের সাথে যোগসাজসে হাজার কোটি টাকা এলসি খুলে দুর্নীতির মাধ্যমে বিদেশে পাচার করছে। এ বিশাল অংকের দুর্নীতির টাকার একটা অংশ সাবেক প্রধানমন্ত্রীর তহবিলেও দিতেন। এছাড়া সংস্থার ড্রেজারগুলো পরিচালনা ও মেরামত খাত থেকে ড্রেজার বেইসের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রকৌশলীরা গত ১০ বছরে অন্তত ১০০ কোটি টাকা লোপাট করেছেস; যার ২০ শতাংশ পেয়েছেন বড় কর্তারা।

ড্রেজার ক্রয়ের টেন্ডারে আমেরিকা-নেদারল্যান্ডসের সাথে দেশীয় ব্যবসায়ী জয়েন্ট ভেঞ্চার চুক্তি করে পরবর্তীতে পিএসআই করে জোড়াতালি/ গোঁজামিলের রিপোর্ট তৈরী করে দেশীয় অত্যন্ত নিম্নমারে ড্রেজার সংগ্রহ করে। রকিবুল ইসলাম তালুকদার তার নিকটাত্মীয় সর্বকনিষ্ঠ তত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মজনু মিয়াকে অবৈধ ভাবে দ্রুত পদোন্নতি দিয়ে প্রকল্প পরিচালক নিয়োগ করেছেন । মজনু মিয়া যান্ত্রিক কনিষ্ঠ হলেও তিনি ড্রেজার সংক্রান্ত তেমন কিছুই জানেন না।অথচ এ বিভাগে নেভাল আর্কিটেক্ট, অভিজ্ঞ, জ্যেষ্ঠ মেকানিক্যাল প্রকৌশলী অনেক আছেন তাদেরকে প্রকল্প পরিচালক করা হয়নি ।

প্রায় ৪৫০০ কোটি টাকা ব্যয়ে বাস্তবায়িত পুরাতন ব্রহ্মপুত্র,ধরলা,তুলাই, এবং পূর্নভবা নদীর নাব্যতা উন্নয়ন শীর্যক প্রকল্পের পূর্নকালিন প্রকল্প পরিচালক হিসেবে রকিবুল ইসলাম তালুকদারকে নিয়োগ দেয়া হয়।

উক্ত প্রকল্পে বিভিন্ন প্যাকেজে দ্রুত টেন্ডার আহবান করে রকিবুল ইসলাম তালুকদার সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার হতে ২০℅ টাকা আদায় করেছেন। রকিবুল ইসলাম প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক হয়ে ব্যাপক টাকা লুটপাট করে উক্ত প্রকল্প সমাপ্ত না করে তারই আরেক শিষ্য হিসেবে পরিচিত বিআইডব্লিউটিএ বঙ্গবন্ধু পরিষদের সভাপতি ও ড্রেজিং বিভাগের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী ছাইদুর রহমানকে দিয়ে তিনি নতুন আরেকটি প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক নিযুক্ত হন। রকিবুল ইসলাম তালুকদার প্রকল্প পরিচালক নিযুক্ত থাকাকালীন সময়ে তার প্রকল্পের ড্রেজিং কাজ বাস্তবে না করে কাগজে কলমে ভূয়া বিল ভাউচার প্রস্তত করে শত শত কোটি টাকা লুটপাট করেছেন। সঠিকভাবে ড্রেজিং করা হলে দেশে এত বন্যা দেখা দিতোনা। কুড়িগ্রাম, রংপুর, গাইবান্ধা, দিনাজপুর এলাকায় ড্রেজিং প্রকল্প থাকলেও কখনো ড্রেজিং করা হয়নি। নদীর দুই পাড়ে সামান্য কিছু অংশ কেটে তা দেখিয়ে শুধু বিলের নামে লুটপাট করা হয়েছে।

দুর্নীতি দমন কমিশন প্রধান কার্যালয়, ১ সেগুন বাগিচা, ঢাকার স্মারক নং-২৪৬৬৪ তারিখঃ৮/৮/২০১৮

দুর্নীতি দমন কমিশন সমন্বিত জেলা কার্যালয় ঢাকা-১ এর ই আর নং৩১/২০১২ ড্রেজার ক্রয়ে ব্যাপক দুর্নীতি, তদন্ত কর্মকর্তা সৈয়দ তাহসীনুল হক, মোবাইল নং ০১৫৫২৩৮১৮৬৫। দুর্নীতি দমন কমিশন বিভাগীয় কার্যালয় রাজশাহী স্মারক নং০০.০১.০০০০.৭২১.০১.০২৮.১৯.৬৭২

(ক) দুর্নীতি দমন কমিশন প্রধান কার্যালয় ঢাকার স্মারক নং ০০.০১.০০০০.৫০৫.০১.১৬৭.২৩.১৪৮.২৭(৩) তারিখঃ ১৭/৪/২০২৩

(খ) দুর্নীতি দমন কমিশন সমন্বিত জেলা কার্যালয় রাজশাহী ই আর নং২৬/২০১৯ অনুযায়ী পাবনা জেলার এরশাদ নগর হইতে নাটোর নওগাঁ হয়ে দিনাজপুরের চিরির বন্দর পযর্ন্ত ১৯২ কিঃ মিঃ আত্রাই নদীর খনন প্রকল্পের প্রায় ১৩৪ কোটি ৬৪ লক্ষ টাকার ড্রেজিং কাজ না করেই লুটপাট করেন। তদন্ত কর্মকর্তা মোঃ কামরুল আহসান পরিচালক, দুদক রাজশাহী বিভাগীয় কার্যালয়। অবৈধভাবে স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ অর্জনের জন্য রকিবুল ইসলাম তালুকদারের বিরুদ্ধে দুদক প্রধান কার্যালয়ের উপ পরিচালক আব্দুল মাজেদ এর নের্তৃত্বে তদন্ত শুরু হলেও আওয়ামীলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজমকে দিয়ে তদন্ত বন্ধ করিয়ে রাখেন। তিনি সাভারের কুন্ডা এলাকার খাগান মৌজায় এবং গাজীপুর এলাকায় ১৫ একর জমি ক্রয় করেছেন। ঢাকা-মাওয়া মহাসড়কের পাশে আমিন মোহাম্মদ হাউজিং, প্রিয়াঙ্কা হাউজিং, গুলশান,বনানী,বসুন্ধরা হাউজিং /আবাসিক এলাকায় নামে -বেনামে শত শত কোটি টাকার জমি প্লট/ফ্ল্যাট। টাঙ্গাইলের ঘাটাইল থানায় শালিয়াবহ মৌজায় প্রায় ৫০ কোটি টাকা মূল্যের বাগান বাড়ি। স্ত্রীর নামে আইডিয়ালস হোমস হোল্ডিং নং ১৫৭ শান্তিনগর, ঢাকাতে ১১/এ, ১১/বি একই বিল্ডিংয়ে দুইটি বিলাসবহুল ফ্ল্যাট রয়েছে, যার আনুমানিক মূল্য ৬ কোটি টাকা। এছাড়াও সেক্টর-১৩,রোড নং-১৩, প্লট নং-৫-এ পূর্বাচল, রাজউক ঢাকাতে আছে ৭ক্স৫ কাঠার প্লট। এছাড়াও রোড নং-৮১, প্লট নং১/এ, কনকর্ড টাওয়ার, গুলশান-১ ঢাকাতে রহিয়াছে আলিশান বিলাসবহুল ফ্ল্যাট। তার এসব অপকর্মের অন্যতম সহযোগী হলেন প্রকৌশল বিভাগের প্রধান প্রকৌশলী মহিদুল ইসলাম, ড্রেজিং বিভাগের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মজনু মিয়া এবং ছাইদুর রহমান।

পরবর্তীতে কয়েক কোটি টাকার বিনিময়ে বিআইডব্লিউটিএতে মেম্বার ইঞ্জিনিয়ারিং পদে পদোন্নতি পেতে জাতীয়তাবাদী পেশাজীবী সংগঠনের নেতা প্রকৌশলী তুহিন এর মাধ্যমে  শরীয়তপুর জেলার সরকারদলীয় সংসদ সদস্যের মাধ্যমে কয়েক কোটি টাকার লেনদেনের অভিযোগের বিষয়ে জানতে রকিবুল ইসলাম তালুকদার এর মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি এই প্রতিবেদক কে বলেন সাংবাদিক ভাই মনে হয় আপনি আমাদের ঘরনার মানুষ তাই বলছি ইঞ্জিনিয়ার তুহিন সাহেবের বিষয়টা উল্লেখ না করলে ভালো হতো। কারণ আপনি এই মুহূর্তে আমার বিরুদ্ধে প্রতিবেদনটি প্রকাশ করলে আমার অনেক বড় ক্ষতি হয়ে যাবে, প্রতিবেদক রকিবুল কে প্রশ্ন করেন ১৭ বছর মুজিব বন্দনা ব্যস্ত থেকে এখন হঠাৎ করে কেন জাতীয়তাবাদী দলের জার্সি গায়ে জড়িয়ে কয়েক কোটি টাকার মিশন নিয়ে বিআইডব্লিউটিএতে মেম্বার ইঞ্জিনিয়ারিং পদে পদোন্নতি পেতে নামলেন আপনার বিগত দিনের অনিয়ম দুর্নীতি ধামাচাপা দেওয়ার জন্য তাই না? রকিবুল ইসলাম তালুকদারের এমন উত্তরে প্রতিবেদক প্রশ্ন করেন তাহলে আপনি স্বীকার করছেন ইঞ্জিনিয়ার তুহিন’র মাধ্যমে সরকারদলীয় সংসদ সদস্যকে কয়েক কোটি টাকা অগ্রিম প্রদান করেছেন মেম্বার ইঞ্জিনিয়ার পদে পদোন্নতি পাওয়ার জন্য? প্রতিবেদকের এমন প্রশ্নের কোন উত্তর না দিয়ে মুঠোফোন সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন রাকিবুল ইসলাম তালুকদার। পরবর্তীতে মহা দুর্নীতিবাজ আওয়ামী দোসর রকিবুল ইসলাম তালুকদারের পক্ষ নিয়ে জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির পেশাজীবী সংগঠনের নেতা দাবিদার জাহাঙ্গীর আলম প্রধান নামক ব্যক্তি প্রতিবেদকের মুঠোফোনে ফোন করে বিভিন্ন প্রকার হুমকি ধামকি প্রদান করেন। তথাকথিত জাতীয়তাবাদী এরশাদীবী সংগঠনের নেতা দাবিদার জাহাঙ্গীর আলম প্রধান এর হুমকি ধামকির বেশ কিছু সময় পর আমিনুর রহমান বাদশা নামক ব্যক্তি প্রতিবেদকের মুঠোফোনে ফোন করে বলেন বাংলাদেশের নয় শুধু বিশ্বের যেই প্রিন্ট বা ইলেকট্রনিক্স মিডিয়ার সাংবাদিক হোন না কেন বিআইডব্লিউটিএ এর ইঞ্জিনিয়ার রাকিবুল ইসলাম তালুকদারের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশিত করলে আপনার পরিণতি ভয়াবহ হবে কথাটা লিখে রাখেন।

এই প্রশ্ন জাগে একদিকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অনিয়ম দুর্নীতি ও দুর্নীতিবাজদের জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছেন অন্যদিকে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী দোসর দুর্নীতিবাজ  কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অনিয়ম দুর্নীতি সংবাদ প্রকাশিত না করার জন্য বিএনপির নাম পরিচয় দিয়ে সাংবাদিকদের হুমকি ধামকি প্রদান করা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতির সাথে সাংঘর্ষিক নয় কি?

এহেন দুর্নীতিবাজ আওয়ামী দোসর কর্মকর্তা কর্মচারীরা দেশ ও জাতির শত্রু।



এ পাতার আরও খবর

ঢা: দ: সি: ক: নির্বাহী প্রকৌশলী আহসান হাবীব’র কমিশন বাণিজ্য রুখবে কে ঢা: দ: সি: ক: নির্বাহী প্রকৌশলী আহসান হাবীব’র কমিশন বাণিজ্য রুখবে কে
ভাণ্ডারিয়ায় পরিবার পরিকল্পনা দপ্তরের কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ ভাণ্ডারিয়ায় পরিবার পরিকল্পনা দপ্তরের কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ
রিমান্ড ও জামিন নামঞ্জুর, আদালত প্রাঙ্গণে হোঁচট খেলেন শিরীন শারমিন চৌধুরী রিমান্ড ও জামিন নামঞ্জুর, আদালত প্রাঙ্গণে হোঁচট খেলেন শিরীন শারমিন চৌধুরী
“কৃষিমন্ত্রীর মন্ত্রণালয়’র দৃষ্টি আকর্ষণ” “কৃষিমন্ত্রীর মন্ত্রণালয়’র দৃষ্টি আকর্ষণ”" দুর্নীতির বাদশা খ্যাত বিএডিসি ডিডি দীপক কি আইনের উর্ধ্বে
লিখিত অভিযোগ’র পরেও ভরষা হাউজিং’র বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহনে রাজউক’র অনীহা লিখিত অভিযোগ’র পরেও ভরষা হাউজিং’র বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহনে রাজউক’র অনীহা
কালিয়াকৈর জব্দ করা ঘোড়া থানা থেকে গোপনে বিক্রির ঘটনায় বদলি হলেন ওসি খন্দকার নাসির উদ্দিন কালিয়াকৈর জব্দ করা ঘোড়া থানা থেকে গোপনে বিক্রির ঘটনায় বদলি হলেন ওসি খন্দকার নাসির উদ্দিন
নাঙ্গলকোটে তিন সহোদর দাদন কারবারে সর্বস্বান্ত শত শত পরিবার নাঙ্গলকোটে তিন সহোদর দাদন কারবারে সর্বস্বান্ত শত শত পরিবার
সংবাদ প্রকাশের পর দেশ ছাড়ার চেষ্টা, আন্ডা রফিক নিয়ে চাঞ্চল্য ‎প্রকাশ্যে দেখা যাওয়ার পর গা ঢাকা, গ্রেফতারের দাবিতে উত্তাল রূপগঞ্জ সংবাদ প্রকাশের পর দেশ ছাড়ার চেষ্টা, আন্ডা রফিক নিয়ে চাঞ্চল্য ‎প্রকাশ্যে দেখা যাওয়ার পর গা ঢাকা, গ্রেফতারের দাবিতে উত্তাল রূপগঞ্জ
বিআইডব্লিউটিএ’র মুজিব প্রেমিক দুর্নীতিবাজ আরিফ উদ্দিন এখন জাতীয়তাবাদী চেতনার ধারক বাহক বিআইডব্লিউটিএ’র মুজিব প্রেমিক দুর্নীতিবাজ আরিফ উদ্দিন এখন জাতীয়তাবাদী চেতনার ধারক বাহক

আর্কাইভ

পাঠকের মন্তব্য

(মতামতের জন্যে সম্পাদক দায়ী নয়।)