জি কে শামীমের জামিন বাতিলে আবেদন

বিতর্কিত ঠিকাদার এস এম গোলাম কিবরিয়া শামীম বা জি কে শামীমের অস্ত্র মামলায় নেয়া ছয় মাসের জামিন বাতিল চেয়ে আবেদন করবেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা। ৮ মার্চ, রবিবার সংশ্লিষ্ট হাইকোর্ট বেঞ্চের ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ফজলুর রহমান খান এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
এ বিষয়ে ফজলুর রহমান খান জানান, আমরা রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা তথ্য গোপন করে জিকে শামীমের নেয়া জামিন আদেশ বাতিল করার জন্য আবেদন করছি। আশা করছি আজ অথবা কাল এ আবেদনের ওপর শুনানি হবে।
এর আগে ৭ মার্চ, শনিবার জি কে শামীমের আইনজীবী শওকত হোসেন জানান, হাইকোর্টের পৃথক দুটি বেঞ্চ থেকে ৪ ও ৬ ফেব্রুয়ারি দুই মামলায় শামীমের জামিন হয়। অস্ত্র মামলায় ছয় মাস এবং মাদক মামলায় এক বছরের জামিন হয়। বিচারপতি একেএম আসাদুজ্জামান ও বিচারপতি এসএম মুজিবুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এবং বিচারপতি রেজাউল হক ও বিচারপতি বিশ্বদেব চক্রবর্তীর হাইকোর্ট বেঞ্চ তাকে এই জামিন দেন।
কিন্তু জামিনের এই বিষয়ে জনাতো না রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা। তবে মানিলন্ডারিংসহ আরো দুটি মামলা থাকায় জামিনে জিকে শামীমের মুক্তি এখনো মুক্তি পাননি।
মামলার এজাহারের তথ্য মতে, গত বছরের ২০ সেপ্টেম্বর নিকেতনের নিজ কার্যালয় থেকে বিদেশি মদ, অস্ত্র ও বিপুল পরিমাণ নগদ টাকাসহ র্যাবের হাতে গ্রেপ্তার হন জি কে শামীম। এ ঘটনায় র্যাব বাদী হয়ে তার বিরুদ্ধে অস্ত্র, অর্থপাচার ও মাদক আইনে গুলশান থানায় মামলা করে। এরপর ৬ ফেব্রুয়ারি অস্ত্র মামলায় হাইকোর্ট থেকে ছয় মাসের জামিন পান জি কে শামীম। যার লিখিত আদেশ প্রকাশ পায় ১২ ফেব্রুয়ারি।
আদেশে অ্যাডভোকেট শওকত ওসমানকে শামীমের আইনজীবী আর রাষ্ট্রপক্ষে ডেপুর্টি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. ফজলুর রহমান খান, সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল কাজী মো. মাহমুদুল করিম রতন ও মো. শফিকুজ্জামান রানার নাম উল্লেখ রয়েছে।
এই জামিনের বিষয়ে ফজলুর রহমান খান বলেন, ‘সাধারণত স্পর্শকাতর মামলার ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপক্ষে অ্যাটর্নি জেনারেল সাবমিশন করেন। এ রকম গুরুত্বপূর্ণ মামলায় জিকে শামীম জামিন পেলেন তা আমরা জানতে পারলাম না। ওই দিন আমি কোর্টে ছিলাম। আদেশটি জাল কিনা সেটিও খতিয়ে দেখা হবে।’
এদিকে জি কে শামীমের আইনজীবী শওকত ওসমান বলেন, ‘অস্ত্র ও মাদক মামলায় জিকে শামীম হাইকোর্ট থেকে জামিন পেয়েছেন। দুই মামলায় জামিননামা ঢাকার মহানগর দায়রা জজ আদালতে দাখিল করা হয়েছে। এ দুটি মামলায় জামিন পেলেও তার বিরুদ্ধে আরো দুটি মামলা আছে। এ দুটিতে তিনি জামিন পাননি। এ কারণে এখনই তিনি মুক্তি পাচ্ছেন না।





“”প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ”" দুর্নীতির ডিজিটাল বাদশা বিআইডব্লিউটিএর অতি: প্রধান প্রকৌশলী মজনু মিয়া
চাকরির নয় বছরে কোটিপতি রাজউকের ইমারত পরিদর্শক মনিরুজ্জামান
সাব-রেজিস্টার মাইকেলের হাজার কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ
দুবাইয়ে সাবেক আই জি পি বেঞ্জির গ্রেপ্তার
রেল খেকো ‘ম্যাক্স’ গ্রুপের একচেটিয়া আধিপত্য রুখবে কে
অনিয়ম-দুর্নীতি চাঁদাবাজি ও বদলি বাণিজ্যের মাধ্যমে শূন্য থেকে শতকোটির মালিক বন কর্মকর্তা নিশাত
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর’র সেকেন্ড ডিজি খ্যাত বদলি ও ঘুষ বাণিজ্যের গডফাদার মাসুম বিল্লাহ কি আইনের উর্ধ্বে
ঋণ জালিয়াতি, বিদেশি নাগরিকত্ব ও অফশোর সম্পদ: নতুন চাপে বসুন্ধরা গ্রুপ
“দুদকের দৃষ্টি আকর্ষণ”" সওজের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান প্রকৌশলী মনির হোসেন পাঠান’র সম্পদের পাহাড়