শিরোনাম:
ঢাকা, শনিবার, ১৫ মে ২০২১, ১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৮

Daily Pokkhokal
শুক্রবার, ২৬ মার্চ ২০২১
প্রথম পাতা » খেলাধুলা » কিউই পেসারে আসা-যাওয়ার মিছিলে টাইগাররা
প্রথম পাতা » খেলাধুলা » কিউই পেসারে আসা-যাওয়ার মিছিলে টাইগাররা
১০৩ বার পঠিত
শুক্রবার, ২৬ মার্চ ২০২১
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

কিউই পেসারে আসা-যাওয়ার মিছিলে টাইগাররা

---
নিউজিল্যান্ডের দেওয়া ৩১৯ রান তাড়া করতে নেমে আসা-যাওয়ার মিছিলে যোগ দিয়েছেন টাইগার ব্যাটসম্যানরা। তামিম-লিটন-সৌম্য-মিঠুনদের তাড়া দেখে মনে হচ্ছে রান তাড়া নয়, প্যাভিলিয়নেই ফিরতেই তাড়া বেশি তাদের। অথচ, জিততে হলে টাইগারদের গড়তে হতো রেকর্ড।
এখন রেকর্ডের দিকে না তাকিয়ে বিপদে পড়া বাংলাদেশকে উদ্ধারের কাজটা করছেন মুশফিকুর রহিম ও মাহমুদুল্লাহ। এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ১৮ ওভার শেষে ৪ উইকেটে ৪৮ রান তুলেছে বাংলাদেশ।
ম্যাট হেনরির বলে ইনিংসের তৃতীয় ওভারে তামিমের ব্যাটের কানা ছুঁয়ে উইকেটের পেছনে ধরা পড়েন তামিম। ব্যক্তিগত ১ রান করে সাজঘরে ফিরেন তিনি। এর ১ ওভার পর ঠিক একই অঙ্কের রানের খাতা খুলে বিদায় নেন সৌম্য। এবার আঘাত হেনরির। তার করা খাটো লেংথে বলে পুল করতে গিয়ে ট্রেন্ট বোল্টের তালুবন্দি হন এ ব্যাটসম্যান।
আর ম্যাচের সপ্তম ওভারে ২১ রান করা লিটনকে ফেরান হেনরি। এবারও বোল্টের সহায়তা পান হেনরি। পুল করতে গিয়ে বল ব্যাটের কানায় লেগে উঠে ‍যায় থার্ড ম্যান অঞ্চলে ক্যাচ উঠলে ধরা পড়েন লিটন। আর ১৮ তম ওভারের শেষ বলে কইল জেমিসনকে উড়িয়ে মারতে গিয়ে স্যান্টনারের হাতে ধরা পড়ে প্যাভিলিয়নে ফিরে যান।
এর আগে, স্বাধীনতা সুবর্ণজয়ন্তীতে খেলতে নেমে ওয়েলিংটনে সিরিজের শেষ ম্যাচে দুর্দান্ত শুরু করেছিল টাইগার বোলাররা। রুবেল হোসেন ও তাসকিন আহমেদের উড়ন্ত বোলিংয়ে দুরন্ত গতিতেই এগিয়ে যাচ্ছিল বাংলাদেশ। মাত্র ৫৭ রানেই তিন উইকেট হারিয়ে ফেলেছিল নিউজিল্যান্ড। তবে কথায় আছে, সকালের সূর্য সবসময় সঠিক বার্তা দেয় না। তারই দৃষ্টান্ত দেখাল কিউই ব্যাটসম্যানরা।
চতুর্থ উইকেট জুটিতে প্রতিরোধ গড়েন ডেভন কনওয়ে এবং ড্রায়েল মিচেল। তাদের ১৫৯ রানের জুটির সঙ্গে দুজনের জোড়া সেঞ্চুরিতে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৬ উইকেটে ৩১৮ রানের বিশাল সংগ্রহ দাঁড় করিয়েছে কিউইরা। জিততে হলে টাইগারদের টপকাতে হবে ৩১৮ রানের পাহাড় সমান স্কোর। আর এটি করতে পারলে এ মাঠে তা হবে সর্বোচ্চ রান তাড়া করে জেতার রেকর্ড। এর আগে ১৯৮৯ সালে ২৫৪ রান তাড়া করে জেতার রেকর্ডটি নিউজিল্যান্ডের।

টস জিতে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা দুর্দান্ত করেন দুই কিউই উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান মার্টিন গাপটিল এবং হেনরি নিকোলস। তবে উদ্বোধনী জুটি খুব বেশি বড় করতে দেননি তাসকিন আহমেদ। হেনরি নিকোলসকে (১৮) দলীয় ৪৪ রানের মাথায় লিটন দাসের হাতে ক্যাচে পরিণত করেন তাসকিন। তবে এর আগের বলে হেনরির ক্যাচ ফেলেছিলেন মুশফিকুর রহিম।
পরের ওভারে বল হাতে আসেন সিরিজে প্রথমবারের মতো সুযোগ পাওয়া রুবেল হোসেন। এসেই ভয়ংকর মার্টিন গাপটিলকে (২৬) লিটন দাসের তালুবন্দি করেন রুবেল। দলীয় ৪৯ রানে দুই উইকেট হারায় কিউইরা। দুই ওভার পরে ইনিংসের ১১তম ওভারে বল হাতে আবারও আসেন রুবেল হোসেন। ওভারের শেষ বলে সিরিজের প্রথম ওয়ানডে খেলতে নামা রস টেইলরকে উইকেটের পেছনে মুশফিকের তালুবন্দি করান ওই রুবেল। আউট হওয়ার আগে মাত্র ৭ রান করেন টেইলর।
এরপর অধিনায়ক টম লাথামকে (১৮) নিজের প্রথম শিকারে পরিণত করেন সৌম্য সরকার। দলীয় ১২০ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে ধুঁকছিল কিউইরা, ঠিক তখনই তাদের ত্রাতা হয়ে আসলেন ডেভন কনওয়ে এবং ড্রায়েল মিচেল। পঞ্চম উইকেটে গড়লেন ১৫৯ রানের দুর্দান্ত এক জুটি।
ডেভন কনওয়ে ১৭টি চারে ১১০ বলে ১২৬ রান করে মোস্তাফিজুর রহমানের শিকার হয়ে যখন ফিরছিলেন তখন স্কোরবোর্ডে কিউইদের রান সংখ্যা ২৭৯। শেষ দিকে ড্র্যায়েল মিচেলের ঝড়ো শতকে নিউজিল্যান্ডের সংগ্রহ দাঁড়ায় ৬ উইকেটে ৩১৮ রান।
বাংলাদেশের পক্ষে সর্বোচ্চ ৩ উইকেট নিয়েছেন রুবেল হোসেন। এ ছাড়া একটি করে উইকেট নিয়েছেন মোস্তাফিজ, তাসকিন ও সৌম্য। দশ ওভারে ৮৭ রান খরচ করেছেন ফিজ, যা তার ক্যারিয়ারে সবচেয়ে রান খরচের রেকর্ড।



পাঠকের মন্তব্য

(মতামতের জন্যে সম্পাদক দায়ী নয়।)