শিরোনাম:
ঢাকা, সোমবার, ২৯ নভেম্বর ২০২১, ১৪ অগ্রহায়ন ১৪২৮

Daily Pokkhokal
বৃহস্পতিবার, ৩১ অক্টোবর ২০১৯
প্রথম পাতা » রাজনীতি | সাক্ষাৎকার » বঙ্গবন্ধুর আদর্শে আদর্শিত হওয়ার কথা বাবার থেকে জেনে আমি বিশ্বরত্ন শেখ হাসিনার কর্মি- আনোয়ার পারভেজ টিংকু
প্রথম পাতা » রাজনীতি | সাক্ষাৎকার » বঙ্গবন্ধুর আদর্শে আদর্শিত হওয়ার কথা বাবার থেকে জেনে আমি বিশ্বরত্ন শেখ হাসিনার কর্মি- আনোয়ার পারভেজ টিংকু
১২৬৬ বার পঠিত
বৃহস্পতিবার, ৩১ অক্টোবর ২০১৯
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

বঙ্গবন্ধুর আদর্শে আদর্শিত হওয়ার কথা বাবার থেকে জেনে আমি বিশ্বরত্ন শেখ হাসিনার কর্মি- আনোয়ার পারভেজ টিংকু

 

 ---

আগামী সম্মেলন কে ঘিরে সেচ্ছাসেবক লীগের  সাদা মনের মানুষ দক্ষ সংগঠক সৎ ভদ্র মিশুক পরোপকারী নিরহংকারী মিডিয়া বান্ধব সেচ্ছাসেবক লীগের মিডিয়া সহযোগী সম্পাদক আনোয়ার পারভেজ টিংকুর ভাবনাঃ

পক্ষকাল ০ সেচ্ছাসেবক লীগের সম্মেলনকে ঘিরে আপনার নিজের ভাবনা কি

আনোয়ার পারভেজ টিংকু

  —সম্মেলনকে কেন্দ্র করে সারাদেশে উত্সবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে । প্রাণপ্রিয় নেত্রী বিশ্বরত্ন শেখ হাসিনার নিজ হাতে গড়া সচ্ছাসেবক বাহিনীকে সেচ্ছাসেবক লীগ নামে সংগঠন এ রূপ দিয়ে   প্রথম আহবায়ক কমিটির দায়িত্ব দিয়েছিলেন আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাসিম ভাই এবং পঙ্কজ দেবনাথ দাদাকে, সাথে দিয়েছিলেন একঝাক  তরুণ মেধাবী ছাত্রনেতা ।

পরবর্তীতে দ্বিতীয় সম্মেলনে মোল্লা মোহাম্মদ আবু কাউছার ও পংকজ দেবনাথ কে দ্বিতীয় সেচ্ছাসেবক লীগের দায়িত্ব দিয়েছিলেন এক দল তরুন ছাত্রনেতাদের সাথে দিয়ে । সকলের কঠোর পরিশ্রমের আজকে  সারাদেশে সংগঠনকে সুসংগঠিত গতিশীল করেছে আমাদের নেতৃত্ব ।

পক্ষকাল — আগামীদিনে নুতন নেতা নির্বাচিত হবে সে ক্ষেত্রে আপনার পছন্দ বা প্রত্যাশা কি কেমন নেতা চান- 

আনোয়ার পারভেজ-নেতৃত্ব  দেওয়ার যোগ্যতা রাখেন আমাদের সংগঠন কে আমাদের সংগঠনের অনেকেই , সাবেক ছাত্র নেতা এবং তরুন ছাত্র নেতা কর্মিদের  নির্ভর ছাত্রনেতাদের নিয়ে গঠিত!সেচ্ছাসেবক লীগ । আমরা চাইদলের সংকটকালে দুর্দিনে  ভুমিকা এবং সততা হতে হবে দলের নেতা নির্বাচনের প্রধান মাফকাঠি ,

 

 

পক্ষকাল  ২১ আগস্টে আপনি গ্রেনেড হামলারশিকার হয়ে প্রায় দুই বছর পঙ্গুত্ব অবস্থায় ছিলেন ,জননেত্রি শেখ হসিনা কি আপনার দেখভাল করেছিলে-

  • আনোয়ার পারভেজ টিনংকু -দেখুন সেদিন আমি একজন সাধারণ কর্মি হিসাবে ২৩  বঙ্গবন্ধু তে সন্ত্রাস বিরোধী জনসমাবেশে জামাত জোট সরকারের রক্তচক্ষু হুমকি কে অগ্রাহ্য করি , নেত্রী যে ট্রাকের  উপর দাড়িয়ে  বক্তব্য রাখছিলেন আমি তখন মাত্র ১০/১২ফুট সামনে থেকেই বক্তব্য শুনছিলাম  । সেই ভয়ালদিনের কথা আপনার নিজের মনে থাকার কথা ।আল্লাহর  দয়া বলতে পারেন আজ আমি জীবিত , আহতের পর সকল কিছু দেখভাল করেন বিশ্ব রত্ন নেত্রী শেখ হাসিনা ।বাহাউদ্দিন নাসিম পঞ্জকজ দাদা কাওছার ভাই সহ সকলেই আমার পাশে ছিল ।

পক্ষকাল  -২০০১-২০০৭

এর মাঝের কিছু ঘটনা আমি শুনতে চাই যা আপনাকে নিবেদিত কর্মি ভাবতে সাহায্য করবে-

আনোয়ার পারভেজ টিনংকু-মহাদুর্যোগ যখন মিছিল-মিটিংয়ে হাতেগোনা কয়েকজন আসতো সেই  তখন থেকে কর্মী হিসেবে কাজ করে যাচ্ছি। যদি বলেন কি পেয়েছি আসলে বঙ্গবন্ধুকে দেখিনি বঙ্গবন্ধু সুযোগ্য উত্তরসূরি তার রক্তের ধারা প্রাণপ্রিয় জননেত্রী শেখ হাসিনার একজন ক্ষুদ্র কর্মী হিসেবে কাজ করতে পেরে নিজেকে অনেক ধন্য মনে হয়। অনেক সম্মানিত নিজেকে মনে হয়.!এমনও ঘটনা আছে নিশ্চয়  যে এই সময় কালে হরতাল মিছিল মিটিং করার লোক পাওয়া যেত না ।স্টেডিয়াম এলাকায়  এবং পংকজ দা এবং  নেতৃত্বে আমরা হাতেগোনা সাতজন মিছিল করেছি। ,নাসিম ভাইয়ের নেতৃত্বে মুক্তাঙ্গনে জয় মামার টুঙ্গি পাড়া  সফরকে কেন্দ্র করে আমরা বিক্ষোভ মিছিলে অংশগ্রহণ করি নাসিমের ভাইয়ের নেতৃত্বে ,পুলিশের লাঠিচার্জে আমি এবং বর্তমান দপ্তর সম্পাদক টুটুল নির্মমভাবে আহত হয় ।আমার ডান হাত ভেঙ্গে আমি ড্রেনের উপর পড়েছিলাম দীর্ঘ সময় পড়ে  থাকার পর আমাকে এসে উদ্ধার করে । ধানমন্ডি তৎকালীন ট্রমা সেন্টারে ডাক্তারের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসাধীন ছিলেন এবং আর্থিক সহযোগিতা করেছে দল নেত্রী ।যাইহোক ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলায় আহত হয়ে প্রায় সব মিলিয়ে দুই বছরের মতো বিছানায় শুয়ে-বসে কাটাতে হয়েছিল এবং দীর্ঘদিন আমাকে হয়েছিল নেতৃত্বেবৃন্দ কে  আমাকে চিকিৎসা করেছিলেন নেত্রী ।আমি নেত্রীর সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করি।

 পক্ষকাল  -আপনি ঢাকা বিশবিদ্যালয়ে ছাত্র থাকা কালিন সামরিকশাসন কালে শত আন্দোলন সংগ্রাম করেছিলেন সেই ধারাবাহিকতায়  আপনি সেচ্ছাসেবক লীগে মিডিয়া কমিটিতে সহ সম্পাদক হিসাবে এখন কাজ করছেন কিন্তু অন্যদের মত অর্থ বিত্ত বা বাড়ি গাড়ি মালিক হতে পেরেছেন কি ??

আনোয়ার পারভেজ টিংকু - আপনার কথা শুনে আমি অবাক হই নাই,যা দেখছেন তাতে মনেই হতে পারে ,কিন্তু আমি দল করি রাজনীতি করি বঙ্গবন্ধুর আদর্শ কে ধারন করে ।আমার বাবা নিজে মুক্তিযোদ্ধা তিনিই আমাকে সু পথে থাকার বেসিক শিক্ষা দিয়ছেন।আমার আব্বা সরাইল থানা ছাত্রলীগের সভাপতি ছিলেন নারায়ণগঞ্জ তোলারাম কলেজে ছাত্রলীগের সভাপতি ছিলেন চাকরি থেকে অবসরে গেলে আমার নিজ গ্রামের কালিকচ্ছ ইউনিয়নের সভাপতি নির্বাচিত হন,বাবা মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন অতএব রাজনীতির শিক্ষা খুব ছোটবেলা্য হাতেখড়িআমি ক্লাস সেভেনে পড়া অবস্থায়  ছাত্রলীগের পক্ষে মিছিল-মিটিং করতে গিয়ে হামলা মামলার   শিকারি হয়েছি-  আমাদের গ্রামে  আমাদের পরিবার গোষ্ঠী সমাজ মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি। আমাদের এলাকাটা মূলত রাজাকারের ঘাঁটি ,যাই হোক একোটা ঘটনা ণাবোল্লেঈ না আমি যখন ইন্টারমিডিয়েট এর পড়ি তখন রংপুরে আব্বার কর্মস্থল ছিল ।রংপুরে ১৯৮৪ সালের ১৫ ই আগস্ট ফ্রিডম পার্টি দ্বারা তবারক রাস্তায় ফেলে দেয় এটা আমাকে খুবই মর্মাহত করে পরবর্তীতে কর্নেল ফারুক রশিদ রংপুরে মিটিং করতে গেলে আমি আমার আপন বড় ভাই সহ ৬/৭ জন বন্ধু মিলে ওদের উপর হামলা করি ।আসলে আমরা কিছুই করতে পারি নাই ।ইচ্ছা ছিল ওদের কে কবর দেওয়ার কবর রচনা করা…পরবর্তীতে আমার বড় ভাই ফরহাদ রেজা লিটনকে এক নম্বর আসামি করে মামলা দায়ের হয় আমরা নাকি কর্নেল ফারুকের অস্ত্র ছিনতাই করেছি ।মামলাটা পরবর্তীতে আমার নিজ থানা সরাইলে স্থানান্তর হয়ে ওয়ারেন্ট হয়ে যায় বিএনপি-জামাত সরকার ক্ষমতায় আসলে ।অস্ত্র উদ্ধারের নামে বাবাকে ছোট ভাইকে গ্রেপ্তার করা হ…

আর একটি কথা না বললেই নয় অফিস-আদালত যেখানেই যাই মানুষ দেখলে কি করলা কি করলা সরকার চলে যাচ্ছে এতবার সরকার ক্ষমতায় এলো নিজের ভাগ্য পাল্টাও নি কিন্তু আসলে কেউ বলে না শুধু বাবার মুখে শুনেছি সেই বঙ্গবন্ধুর আদর্শে  হওয়া চাই দেশ দেশ জাতি গঠনে ভূমিকা রাখবে নিজের কথা কখনোই চিন্তা করবে না এমন কাজ করবে যেন মরিলে সবাই তোমার কথা স্মরণ করে এবং তাদের সেই ছোটবেলা থেকে বাবার সেই আদর্শকে ধারণ করে পরবর্তীতে বঙ্গবন্ধুর জীবনী থেকে পড়ে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ধারণ করে একজন আদর্শ কর্মী হওয়ার জন্য কাজ করে যাচ্ছি এবং দেশরত্ন শেখ হাসিনার একজন কর্মী হিসেবে তিনি যেখানে মনে করবেন আমাকে যেখানে রাখবে সেখানেই কাজ করে যাওয়া্র ইচ্ছা আমৃত্যু ।

আমার কোন চাওয়া পাওয়া নেই, অতীতেও ছিল না- সামনেও নাই ভবিষ্যতেও নাই। আর নেতা হওয়ার জন্য দ্বারে দ্বারে আমি কখনোই ঘুরা পছন্দ করি না এই কাজ টি করিনি এখন পর্যন্ত । ইনশাল্লাহ সর্বোপরি নেতৃবৃন্দ দেখবেন চোখ রাখবেন আর না হয় রাখবেন না ,

তবে নিজের প্রতি আমার আত্মবিশ্বাস আছে বাদ দিতে পারবে না ।আমি একজন কর্মী হিসাবে মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তি হিসেবে কাজ করে যাব ,আমি তো এটা আমার পূর্বসূরীদের কাছে থেকে শিখেছি বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়তে হলে তার আদর্শকে বাস্তব করতে হলে সৎ হতে হবে বিত্ত না মানুষ বড় আজ আমার স্বপ্ন টা এমন

 পক্ষকাল আপনাকে ধন্যবাদ

আনোয়ার পারভেজ টিংকুআপনাকে এবং পক্ষকাল পরিবার কে আমার পক্ষ থেকে ধন্যবাদ ।আমার জন্য দোয়া করবেন দেশ জাতি গঠনে ভূমিকা রাখতে পারি জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু।

 

 

 

 

 




পাঠকের মন্তব্য

(মতামতের জন্যে সম্পাদক দায়ী নয়।)