শিরোনাম:
ঢাকা, শুক্রবার, ৭ আগস্ট ২০২৬, ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩

Daily Pokkhokal
বৃহস্পতিবার, ২৫ জুলাই ২০১৯
প্রথম পাতা » অপরাধ » ধর্ষণের বিচার না পেয়ে নিজেই দাঁড়ালেন রাস্তায় !
প্রথম পাতা » অপরাধ » ধর্ষণের বিচার না পেয়ে নিজেই দাঁড়ালেন রাস্তায় !
৯২৮ বার পঠিত
বৃহস্পতিবার, ২৫ জুলাই ২০১৯
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

ধর্ষণের বিচার না পেয়ে নিজেই দাঁড়ালেন রাস্তায় !

পক্ষকাল ডেস্ক-

আসিফ হাসান কাজল : বুধবার ২৪ জুলাই দুপুর। জাতীয় প্রেসক্লাবের মূল ফটকে একটি দশ বছর বয়সী শিশু আর তার ভাইকে ঘিরে বিশাল এক জটলা। মামলার নথি হাতে দাঁড়িয়ে আছে শিশুটি। কাছে গিয়ে জানা যায় ৬ মাস আগে ধর্ষনের শিকার হয়েছে শিশুটি। সেই বিচার চাইতেই বিভিন্ন দ্বার ঘুরে হাজির হয়েছে প্রেসক্লাবের সামনে।

ঘটনা সম্পর্কে জানা যায়, ২০১৮ সালের ডিসেম্বরের ২২ তারিখ সকালে ত্রিশাল থানার সাখূয়া ইউনিয়নের বাবুপুর গ্রামে দশ বছর বয়সী শিশুকে সকালে বাড়ির পাশের দোকানে পাঠায় জিরা আনতে পাঠায় তার মা। কিন্তু পথিমধ্যে ফজলু মৌলভির বাড়ির কাছে পৌছলে চায়ের দোকানদার সুরুজ আলি মন্ডল দশ টাকার লোভ দেখিয়ে বাড়িতে নিয়ে ধর্ষণ করে। এ বিষয়ে এলাকার মেম্বার ও চেয়ারম্যানের কাছে বিচার চাইলেও পায়নি। পরে ঐ মাসের ২৫ তারিখ ত্রিশাল থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করা হয়।

শিশু কণ্যার ভাই অভিযোগ জানায় মামলা করা হলেও সে বিষয়ে কোন কার্যকরিতা আসেনি। তার অভিযোগ সুরুজ আলি মন্ডল টাকার জোরে মেডিকেল রিপোর্ট পরিবর্তন করে ফেলেছে । এছাড়াও আসামী পলাতক থাকায় পুলিশ তাকে গ্রেফতার করতে পারেনি। পরে চার্যশীট দিয়ে দেয় পুলিশ।

শিশুটির বড় ভাই আল-আমিন বলেন, আমার ছোট বোনকে জিরা আনতে পাঠানো হয় বাড়ির পাশের ফারুখের মুদির দোকানে। পরে রাস্তায় অন্য এক চায়ের দোকানদার সুরুজ আলি মন্ডল দশ টাকার লোভ দেখিয়ে তার বাড়িতে নিয়ে আমার বোনের সাথে খারাপ আচরণ করে। পরে আমার এলাকার মেম্বার সিদ্দিক মন্ডলের কাছে বিচার দেই। সেই আমাকে বললো, আমি এইটার বিচার করতে পারবো না। তুমি চেয়ারম্যানের কাছে যাও। পরে চেয়ারম্যানের কাছে গেলে আমাকে বলে, আমার কাছে বিচার পাইতে গেলে দেরি হবো। পরে থানায় গিয়ে মামলা দিলাম। মেডিকেল রিপোর্ট করালাম। কিন্তু, টাকা খাওইয়ে আসামী সুরুজ আলী মন্ডল আমার মেডিকেল রিপোর্ট খারাপ করে ফেলেছে। মানে ধর্ষনের কোন আলামতই পাওয়া যায়নি। কিন্তু গ্রামের মানুষ সবাই জানে আমার বোনকে ধর্ষণ করেছে। আমি এর বিচার চাই’। দশ বছর বয়সী শিশুটি বিচার এর দাবি জানায়।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ত্রিশাল থানার এস. আই পলাশ ব্যানার্জী বলেন,এখানে ধর্ষণের চেষ্টা করা হয়েছে। মেডিকেল রিপোর্টে ধর্ষণ আসেনি। পরে ধষর্ণের চেষ্টায় আমি চার্জশীট দিয়েছি। অভিযুক্তকে গ্রেফতার করার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, মামলার দিন থেকেই অভিযুক্ত ব্যক্তি পলাতক ছিলো। চার্জশীট দেওয়ার পরে সে বাড়িতে এসেছে।
সুত্র -আমাদের সময় কম



এ পাতার আরও খবর

প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে দুর্নীতির ডিজিটাল বাদশা বিআইডব্লিউটিএর অতি: প্রধান প্রকৌশলী মজনু মিয়া প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে দুর্নীতির ডিজিটাল বাদশা বিআইডব্লিউটিএর অতি: প্রধান প্রকৌশলী মজনু মিয়া
প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ বি আই ডব্লুভিইউ-তে দুর্নীতির বাদশ অতিরিক্ত  প্রধান প্রকৌশলী বাদশা মিয়ার কূকৃতি থামাতে হবে প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ বি আই ডব্লুভিইউ-তে দুর্নীতির বাদশ অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী বাদশা মিয়ার কূকৃতি থামাতে হবে
“”প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ” “”প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ”" দুর্নীতির ডিজিটাল বাদশা বিআইডব্লিউটিএর অতি: প্রধান প্রকৌশলী মজনু মিয়া
চাকরির নয় বছরে কোটিপতি রাজউকের ইমারত পরিদর্শক মনিরুজ্জামান চাকরির নয় বছরে কোটিপতি রাজউকের ইমারত পরিদর্শক মনিরুজ্জামান
সাব-রেজিস্টার মাইকেলের হাজার কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ সাব-রেজিস্টার মাইকেলের হাজার কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ
দুবাইয়ে সাবেক আই জি পি বেঞ্জির গ্রেপ্তার দুবাইয়ে সাবেক আই জি পি বেঞ্জির গ্রেপ্তার
রেল খেকো ‘ম্যাক্স’ গ্রুপের একচেটিয়া আধিপত্য রুখবে কে রেল খেকো ‘ম্যাক্স’ গ্রুপের একচেটিয়া আধিপত্য রুখবে কে
অনিয়ম-দুর্নীতি চাঁদাবাজি ও বদলি বাণিজ্যের মাধ্যমে শূন্য থেকে শতকোটির মালিক বন কর্মকর্তা নিশাত অনিয়ম-দুর্নীতি চাঁদাবাজি ও বদলি বাণিজ্যের মাধ্যমে শূন্য থেকে শতকোটির মালিক বন কর্মকর্তা নিশাত
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর’র সেকেন্ড ডিজি খ্যাত বদলি ও ঘুষ বাণিজ্যের গডফাদার মাসুম বিল্লাহ কি আইনের উর্ধ্বে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর’র সেকেন্ড ডিজি খ্যাত বদলি ও ঘুষ বাণিজ্যের গডফাদার মাসুম বিল্লাহ কি আইনের উর্ধ্বে
ঋণ জালিয়াতি, বিদেশি নাগরিকত্ব ও অফশোর সম্পদ: নতুন চাপে বসুন্ধরা গ্রুপ ঋণ জালিয়াতি, বিদেশি নাগরিকত্ব ও অফশোর সম্পদ: নতুন চাপে বসুন্ধরা গ্রুপ

আর্কাইভ

পাঠকের মন্তব্য

(মতামতের জন্যে সম্পাদক দায়ী নয়।)