আমি আরও কিছুদিন বাঁচতে চাই।


পক্ষকালডেস্কঃ
স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় আব্দুল জব্বার হারমোনিয়াম গলায় ঝুলিয়ে সারা কলকাতার বিভিন্ন ক্যাম্পে ক্যাম্পে গিয়ে মুক্তিযোদ্ধাদের উদ্ধুদ্ধ করেছেন। তখন স্বাধীন বেতারে করেছেন অসংখ্য গান। মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ে আব্দুল জব্বার পুরা ভারতে বিভিন্ন স্থানে গলায় হারমোনিয়াম ঝুলিয়ে গণসংগীত থেকে প্রাপ্ত ১২ লাখ টাকা স্বাধীন বাংলাদেশ সরকারের ত্রাণ তহবিলে দান করেছিলেন। তিনি স্বাধীনতা পদক, একুশে পদকসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক পদক অর্জন করেছেন। সেই কণ্ঠযোদ্ধা এখন মৃত্যুশয্যায়।
‘ও..রে নীল দরিয়া’ ‘তুমি কি দেখেছ কভু জীবনের পরাজয়’, ‘সালাম সালাম হাজার সালাম’ ও ‘জয় বাংলা বাংলার জয়’ ‘পিচ ঢালা এই পথটারে ভালোবেসেছি’ সহ অসংখ্য কালজয়ী গান আব্দুল জব্বারের গাওয়া।
বর্তমানে আব্দুল জব্বারের কিডনির অবস্থা শোচনীয়, হার্টের ভাল্ব নষ্টসহ শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক। তার চিকিৎসা করাতে ৮০ লাখ থেকে ১ কোটি টাকা প্রয়োজন হবে বলে জানা গেছে। শিল্পী আব্দুল জব্বার জানান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার চিকিৎসাবাবদ ২০ লাখ টাকা অনুদান দিয়েছেন। এখনও এত বড়ো অঙ্কের টাকা কিভাবে জোগাড় হবে?
আব্দুল জব্বার কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, যখন লাইফ সাপোর্টে থাকবো তখন দেখতে যাবেন! মারা গেলে শহীদ মিনারে নিয়ে ফুল দিবেন! দাফন করার সময় রাষ্ট্রীয় স্যালুট দিবেন! এরপর কান্নাজড়িত কণ্ঠে আরও বলেন, এইসবের আমার কিছু দরকার নেই। আমি আরও কিছুদিন বাঁচতে চাই।
ইতোমধ্যে আব্দুল জব্বারের পাশে দাঁড়াতে এগিয়ে এসেছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রীর বড় ছেলে ও সানোয়ারা গ্রুপ অব কম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুজিবুর রহমান। তিনি শিল্পীর চিকিৎসায় ৫ লাখ টা দিয়েছেন।





চাকরির নয় বছরে কোটিপতি রাজউকের ইমারত পরিদর্শক মনিরুজ্জামান
সাব-রেজিস্টার মাইকেলের হাজার কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ
ডিজি বদলি, কিন্তু বিতর্কের অবসান কোথায়?
দুবাইয়ে সাবেক আই জি পি বেঞ্জির গ্রেপ্তার
রেল খেকো ‘ম্যাক্স’ গ্রুপের একচেটিয়া আধিপত্য রুখবে কে
অনিয়ম-দুর্নীতি চাঁদাবাজি ও বদলি বাণিজ্যের মাধ্যমে শূন্য থেকে শতকোটির মালিক বন কর্মকর্তা নিশাত
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর’র সেকেন্ড ডিজি খ্যাত বদলি ও ঘুষ বাণিজ্যের গডফাদার মাসুম বিল্লাহ কি আইনের উর্ধ্বে
ঋণ জালিয়াতি, বিদেশি নাগরিকত্ব ও অফশোর সম্পদ: নতুন চাপে বসুন্ধরা গ্রুপ
“দুদকের দৃষ্টি আকর্ষণ”" সওজের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান প্রকৌশলী মনির হোসেন পাঠান’র সম্পদের পাহাড়