লুতফা তাহেরের ডাক
![]()
পক্ষকালডেস্কঃ
“কর্নেল তাহেরের দৃঢ়তা, নির্মল চিত্ত, অকুতভয় প্রাণের নীতি ও আদর্শের চেতনাই আমাকে অনুপ্রাণিত ও উদ্বুদ্ধ করে জীবনে চলার পথে। তাঁর প্রয়াণের পরবর্তি কাল থেকে আমার সক্রিয় রাজনৈতিক অঙ্গনে পদার্পন। কর্নেল তাহের তাঁর জীবদ্দশায় যে সংকল্প নিয়ে রাজনীতি করেছেন সেটা হল ক্ষুদ্র স্বার্থ ত্যাগ করে বৃহত্তর সামগ্রিক জনস্বার্থে জীবন উৎসর্গ করা, সেটিই তিনি তাঁর জীবনে উদাহরণ স্বরূপ আমাদের সামনে প্রতীয়মান করেছেন এবং ফাঁসির মঞ্চে গেয়ে গেছেন সাম্যের গান এবং আমাদের জন্য বলে গেছেন “নিঃশঙ্ক চিত্তের চেয়ে জীবনে আর বড় কোন সম্পদ নেই, আমি তার অধিকারী, আমি আমার জাতিকে তা অর্জন করতে ডাক দিয়ে যাই”। কেবল মাত্র তাঁর অসমাপ্ত বিপ্লবকে পূর্ণতা দেওয়ার লক্ষ্যে জাসদে আমি যোগ দিয়েছি সহায়ক শক্তির ভূমিকায়। জাসদের মূল নীতি ও কর্নেল আবু তাহের বীর উত্তমের আদর্শে ও চেতনার জায়গাই আমার ব্যক্তিগত গণতান্ত্রিক ও রাজনৈতিক ধারণা এবং বিশ্বাসের জায়গা। আমি মনে করি আমরা একটি ক্রান্তিকালে উপনীত হয়েছি। জাসদ সব সময়ই অন্যায়ের বিরুদ্ধে, কলুষতা ও সকল নোংরামির বিরুদ্ধে কাজ করেছে। মানুষের কল্যানের পক্ষে ও জাতীয় ঐক্যের পক্ষে কাজ করেছে। জাসদ-এর অগণিত নেতা কর্মীর নিঃশর্ত ত্যাগ ও জীবন উৎসর্গ আমাদের দায়ভার। সেই সকল বীর সহযোদ্ধাদের রক্তে রঞ্জিত বাংলার মাটি, জাসদ রাজনীতির কালক্রমের সাক্ষ্য বহন করছে। এই ত্যাগ, এই রক্ত ও জীবন বিসর্জন আমাদের অবশ্যই মনে রাখতে হবে এবং সেই বীর যোদ্ধাদের যথার্থ সম্মান দিতে হবে। এটা করতে আমরা যদি ব্যর্থ হই; তবে তা হবে আমাদের জন্য লজ্জা ও অসম্মানের। আমরা নিশ্চয়ই প্রগতির পথে এগুতে চাই, তার জন্য প্রয়োজন আমাদের সম্মিলিত শক্তি – বিভক্ত দুর্বলতা নয়। সেই লক্ষ্যে আমি সকল জাসদ নেতৃবৃন্দদের আহ্বান জানাই একটি বৈঠকে মিলিত হওয়ার জন্য। এটি আমার ব্যক্তিগত উদ্যোগ হওয়া উচিৎ নয়, বরং এটা আমাদের সম্মিলিত একান্ত চেষ্টা হওয়াই বাঞ্ছনীয় ও জরুরী। এই বৈঠকের চেষ্টা হবে আলোচনার মাধ্যমে বিভেদ ঘোচানো এবং সংঘবদ্ধ জাসদ। যা আমাদের দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের অগণিত কর্মীদের উদ্বুদ্ধ ও প্রত্যয়ের শৃঙ্খলে নিয়মিত করবে এবং ত্যাগের ব্রতীতে সংঘবদ্ধ রাখবে। কারণ, আমার দৃঢ় বিশ্বাস, আমরা সকলেই ঐক্যের পক্ষে, সম্মিলিত শক্তির পক্ষে, গণতন্ত্রের পক্ষে। আমার বিনীত অনুরোধ, আমরা পারস্পরিক সম্প্রীতি ও সম্মানের সাথে আমার বাসায় মিলিত হয়ে একটি সমাধান উদ্ভব করি। সম্মিলিতভাবে আমরা সফল হবই। আমাদের সফল হতেই হবে”





চাকরির নয় বছরে কোটিপতি রাজউকের ইমারত পরিদর্শক মনিরুজ্জামান
সাব-রেজিস্টার মাইকেলের হাজার কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ
ডিজি বদলি, কিন্তু বিতর্কের অবসান কোথায়?
দুবাইয়ে সাবেক আই জি পি বেঞ্জির গ্রেপ্তার
রেল খেকো ‘ম্যাক্স’ গ্রুপের একচেটিয়া আধিপত্য রুখবে কে
অনিয়ম-দুর্নীতি চাঁদাবাজি ও বদলি বাণিজ্যের মাধ্যমে শূন্য থেকে শতকোটির মালিক বন কর্মকর্তা নিশাত
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর’র সেকেন্ড ডিজি খ্যাত বদলি ও ঘুষ বাণিজ্যের গডফাদার মাসুম বিল্লাহ কি আইনের উর্ধ্বে
ঋণ জালিয়াতি, বিদেশি নাগরিকত্ব ও অফশোর সম্পদ: নতুন চাপে বসুন্ধরা গ্রুপ
“দুদকের দৃষ্টি আকর্ষণ”" সওজের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান প্রকৌশলী মনির হোসেন পাঠান’র সম্পদের পাহাড়