শিরোনাম:
ঢাকা, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩

Daily Pokkhokal
রবিবার, ২২ মার্চ ২০১৫
প্রথম পাতা » অপরাধ » অভিজিৎ হত্যা এখনও ‘ক্লু-লেস’ গোয়েন্দাদের কাছে
প্রথম পাতা » অপরাধ » অভিজিৎ হত্যা এখনও ‘ক্লু-লেস’ গোয়েন্দাদের কাছে
৪৭৯ বার পঠিত
রবিবার, ২২ মার্চ ২০১৫
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

অভিজিৎ হত্যা এখনও ‘ক্লু-লেস’ গোয়েন্দাদের কাছে

---

 পক্ষকাল প্রতিবেদকঃ   “অভিজিৎ রায় হত্যার সময় অনেক মানুষ সেখানে ছিল। তারপরও কেউ পরিষ্কার করে বলতে পারছে না, হত্যাকাণ্ডে কতজন অংশ নিয়েছিল। তারা দেখতে কেমন, তাও কেউ পুলিশকে জানাতে পারেনি।রোববার নিজের কার্যালয়ে সাংবাদিকদের একথা বলেন গোয়েন্দা পুলিশের মুখপাত্র মনিরুল ইসলাম।গত ২৬ ফেব্রুয়ারি বইমেলার বাইরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি মোড়ে অভিজিত ও তার স্ত্রী রাফিদা আহমেদ বন্যার ওপর হামলাকারী কয়েকজন ছিলেন বলে পুলিশের ধারণা।মনিরুল বলেন, “অনেক সময় কোনো জায়গায় কোনো ঘটনা ঘটলে স্থানীয়রা সেই ছবি তুলে রাখে। এখানে হয়ত বা কেউ ছবি তুলে রাখতে পারে। কিন্তু তা এখনও পুলিশের হাতে পৌঁছেনি। এই রকম কোনো ছবি যদি কেউ পুলিশকে দিত, তবে তদন্তে সহায়তা হত।”হত্যাকাণ্ড তদন্তে সহায়ক কোনো ছবি দিলে তার পরিচয় গোপন রাখা হবে বলে জানান গোয়েন্দা পুলিশের এই যুগ্ম কমিশনার, যে সংস্থাটি হত্যামামলাটি তদন্ত করছে।মনিরুল বলেন, পুলিশ বিভিন্ন বিষয় মাথায় রেখে আলোচিত এই হত্যাকাণ্ডের তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে এবং এক্ষেত্রে এফবিআইয়ের সহায়তাও নেওয়া হচ্ছে।”বাংলাদেশে অনেক ক্লু লেস ঘটনাই মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ সফলভাবে তদন্ত করেছে,” এখনও কিছু না পেলেও আশাবাদী তিনি।

মুক্তমনা ব্লগসাইটের পরিচালক, লেখক অভিজিৎ রায় দীর্ঘদিন ধরে ধর্মীয় উগ্রবাদীদের হুমকি পাওয়া তাদের ঘিরেই এই হত্যাকাণ্ডের তদন্ত চালানোর কথা বলে আসছিল পুলিশ।হত্যামামলায় যে একজনকে এই পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে, সেই ফারাবী শফিউর রহমানও ফেইসবুকে হত্যার হুমকি দিয়ে লিখেছিল, বাংলাদেশে ফিরলে অভিজিৎকে হত্যা করা হবে।যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক হিসেবে অভিজিৎ হত্যাকাণ্ডের তদন্তে সহযোগিতা করছে সে দেশের তদন্ত সংস্থা এফবিআই। তারা বাংলাদেশের গোয়েন্দাদের তদন্তে সন্তুষ্ট বলে দাবি মনিরুলের।লগার আহমেদ রাজীব হায়দার হত্যাকাণ্ডে অভিযুক্ত রেদোয়ানুল আজাদ রানাকে অভিজিৎ হত্যাকাণ্ডেও সন্দেহ করছে পুলিশ। তবে তাকে গ্রেপ্তারে এখনও সফল হয়নি তারা।

রানাকে ধরিয়ে দিতে পারলে ৫ লাখ টাকা পুরস্কার ঘোষণা হয়েছে। তিনি যেন দেশ ছাড়তে না পারেন, সেই বিষয়ে সীমান্তে নির্দেশনা দেওয়া আছে বলেও জানান মনিরুল।

হত্যাকাণ্ডের দিন বইমেলায় বিজ্ঞান লেখক ও বুয়েটের শিক্ষক ফারসীম মান্নান মোহাম্মদীর ডাকা একটি বৈঠক নিয়ে সন্দেহের কথা ইতোমধ্যে জানিয়েছেন অভিজিতের বাবা অধ্যাপক অজয় রায়।

মনিরুল বলেন, “বিষয়টি নজরে এসেছে, তা তদন্ত করে দেখা হবে। দরকার হলে সেই শিক্ষককে জিজ্ঞাসাবাদও করা হবে।”

অভিজিৎ হত্যাকাণ্ড তদন্তের গতিতে নিজের অসন্তোষ জানিয়ে আসছেন অধ্যাপক অজয় রায়। পুলিশের ভূমিকা নিয়ে ক্ষোভ এসেছে বিভিন্ন পর্যায় থেকে।



এ পাতার আরও খবর

“”প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ” “”প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ”" দুর্নীতির ডিজিটাল বাদশা বিআইডব্লিউটিএর অতি: প্রধান প্রকৌশলী মজনু মিয়া
চাকরির নয় বছরে কোটিপতি রাজউকের ইমারত পরিদর্শক মনিরুজ্জামান চাকরির নয় বছরে কোটিপতি রাজউকের ইমারত পরিদর্শক মনিরুজ্জামান
সাব-রেজিস্টার মাইকেলের হাজার কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ সাব-রেজিস্টার মাইকেলের হাজার কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ
দুবাইয়ে সাবেক আই জি পি বেঞ্জির গ্রেপ্তার দুবাইয়ে সাবেক আই জি পি বেঞ্জির গ্রেপ্তার
রেল খেকো ‘ম্যাক্স’ গ্রুপের একচেটিয়া আধিপত্য রুখবে কে রেল খেকো ‘ম্যাক্স’ গ্রুপের একচেটিয়া আধিপত্য রুখবে কে
অনিয়ম-দুর্নীতি চাঁদাবাজি ও বদলি বাণিজ্যের মাধ্যমে শূন্য থেকে শতকোটির মালিক বন কর্মকর্তা নিশাত অনিয়ম-দুর্নীতি চাঁদাবাজি ও বদলি বাণিজ্যের মাধ্যমে শূন্য থেকে শতকোটির মালিক বন কর্মকর্তা নিশাত
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর’র সেকেন্ড ডিজি খ্যাত বদলি ও ঘুষ বাণিজ্যের গডফাদার মাসুম বিল্লাহ কি আইনের উর্ধ্বে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর’র সেকেন্ড ডিজি খ্যাত বদলি ও ঘুষ বাণিজ্যের গডফাদার মাসুম বিল্লাহ কি আইনের উর্ধ্বে
ঋণ জালিয়াতি, বিদেশি নাগরিকত্ব ও অফশোর সম্পদ: নতুন চাপে বসুন্ধরা গ্রুপ ঋণ জালিয়াতি, বিদেশি নাগরিকত্ব ও অফশোর সম্পদ: নতুন চাপে বসুন্ধরা গ্রুপ
“দুদকের দৃষ্টি আকর্ষণ” “দুদকের দৃষ্টি আকর্ষণ”" সওজের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান প্রকৌশলী মনির হোসেন পাঠান’র সম্পদের পাহাড়
দুর্নীতির অভিযোগে আলোচনায় সওজের প্রধান প্রকৌশলী মনির হোসেন পাঠান: ভাইয়ের ব্যাংক হিসাবে কোটি টাকার লেনদেন দুর্নীতির অভিযোগে আলোচনায় সওজের প্রধান প্রকৌশলী মনির হোসেন পাঠান: ভাইয়ের ব্যাংক হিসাবে কোটি টাকার লেনদেন

আর্কাইভ

পাঠকের মন্তব্য

(মতামতের জন্যে সম্পাদক দায়ী নয়।)