শিরোনাম:
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট ২০২৬, ২৯ শ্রাবণ ১৪৩৩

Daily Pokkhokal
বুধবার, ২৪ জুলাই ২০১৯
প্রথম পাতা » অপরাধ | ব্রেকিং নিউজ | শিক্ষা ও ক্যারিয়ার » পুড়িয়ে ফেলতে চান রেনুকে হত্যার দিনের পোশাক, ছদ্মবেশ নেয় ন্যাড়া হয়ে হৃদয়
প্রথম পাতা » অপরাধ | ব্রেকিং নিউজ | শিক্ষা ও ক্যারিয়ার » পুড়িয়ে ফেলতে চান রেনুকে হত্যার দিনের পোশাক, ছদ্মবেশ নেয় ন্যাড়া হয়ে হৃদয়
৫৮৩ বার পঠিত
বুধবার, ২৪ জুলাই ২০১৯
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

পুড়িয়ে ফেলতে চান রেনুকে হত্যার দিনের পোশাক, ছদ্মবেশ নেয় ন্যাড়া হয়ে হৃদয়

পক্ষকাল সংবাদ-
রাজধানীর উত্তর বাড্ডায় ছেলেধরা সন্দেহে তাসলিমা বেগম রেনুকে (৪০) নির্মমভাবে পিটিয়ে হত্যা করেছেন হৃদয় ওরফে ইব্রাহিম। পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন। হৃদয় জানান, ন্যাড়া হয়ে ছদ্মবেশ ধারণের চেষ্টা করেছিলেন তিনি। সেইসঙ্গে রেনুকে হত্যার দিন পরা পোশাক নানিকে দিয়েছিলেন পুড়িয়ে ফেলার জন্য।

আজ বুধবার দুপুরে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানিয়েছেন ডিবির অতিরিক্ত কমিশনার আব্দুল বাতেন।

তিনি জানান, হৃদয় দায় স্বীকারের পাশাপাশি এ ঘটনায় জড়িত বেশ কয়েকজনের নামও বলেছে। রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলে আরও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যাবে।

আব্দুল বাতেন বলেন, প্রথমে যে নারী ছেলেধরা গুজব সৃষ্টি করেছিল, সেই নারীকেও শনাক্তের চেষ্টা চলছে।

হৃদয়কে জিজ্ঞাসাবাদ করলে ব্যক্তিগত কোনো আক্রোশ ছিল কিনা সে তথ্যও বেরিয়ে আসবে। এ ঘটনায় ১০ দিনের রিমান্ড চেয়ে হৃদয়কে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

এর আগে গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যায় নারায়ণগঞ্জের ভুলতায় নানির বাসা থেকে হৃদয়কে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গত শনিবার সকালে বাড্ডার ওই স্কুলে নিজের মেয়েকে ভর্তির জন্য তথ্য সংগ্রহ করেতে যান রেনু। এ সময় ছেলেধরা গুঞ্জন উঠলে তিন নারীকে আটক করে স্থানীয়রা। এর মধ্যে দুই নারী পালিয়ে গেলেও গণপিটুনির শিকার হন রেনু। স্থানীয়রা তাকে রড, কাঠ দিয়ে উপর্যুপরি পিটিয়ে হত্যা করে।

রেনুকে পিটিয়ে হত্যার যেসব ভিডিও এখন পর্যন্ত প্রকাশ হয়েছে, সেখানে তিন/চার তরুণকে নির্মম এই হত্যাকাণ্ডে অংশ নিতে দেখা গেছে। তাদের মধ্যে ছিল নীল টি-শার্ট পরিহিত হৃদয়। হৃদয়ই রেনুকে পিটিয়ে হত্যার নেতৃত্ব দিয়েছিল। রেনু যখন বেধড়ক পিটুনি খেয়ে নিস্তেজ হয়ে স্কুল কম্পাউন্ডে পড়ে ছিল, তখনও থামেনি হৃদয়।

হাতে থাকা লাঠি দিয়ে রেনুর মুখে, বুকে, পেটে, হাতে ও পায়ে নির্মম ও নৃশংসভাবে পিটিয়ে যাচ্ছিল সে। আশপাশের লোকজনের অনেকে ‘থামো থামো, আর মের না, মরে গেছে’ এসব বলে হৃদয়কে থামানোর চেষ্টা করছিল। কিন্তু, পাশবিক রূপ ধারণ করে সে তখনও রেনুকে প্রহার করে যাচ্ছিল।

হৃদয় উত্তর বাড্ডার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন এলাকায় ভ্রাম্যমাণ দোকানে সবজি বিক্রি করেন বলে জানিয়েছে স্থানীয়রা।

এদিকে, এ ঘটনায় জড়িত অভিযোগে ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। হৃদয়কে নিয়ে সাতজন গ্রেপ্তার হলেন।



এ পাতার আরও খবর

প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে দুর্নীতির ডিজিটাল বাদশা বিআইডব্লিউটিএর অতি: প্রধান প্রকৌশলী মজনু মিয়া প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে দুর্নীতির ডিজিটাল বাদশা বিআইডব্লিউটিএর অতি: প্রধান প্রকৌশলী মজনু মিয়া
প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ বি আই ডব্লুভিইউ-তে দুর্নীতির বাদশ অতিরিক্ত  প্রধান প্রকৌশলী বাদশা মিয়ার কূকৃতি থামাতে হবে প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ বি আই ডব্লুভিইউ-তে দুর্নীতির বাদশ অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী বাদশা মিয়ার কূকৃতি থামাতে হবে
“”প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ” “”প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ”" দুর্নীতির ডিজিটাল বাদশা বিআইডব্লিউটিএর অতি: প্রধান প্রকৌশলী মজনু মিয়া
চাকরির নয় বছরে কোটিপতি রাজউকের ইমারত পরিদর্শক মনিরুজ্জামান চাকরির নয় বছরে কোটিপতি রাজউকের ইমারত পরিদর্শক মনিরুজ্জামান
সাব-রেজিস্টার মাইকেলের হাজার কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ সাব-রেজিস্টার মাইকেলের হাজার কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ
দুবাইয়ে সাবেক আই জি পি বেঞ্জির গ্রেপ্তার দুবাইয়ে সাবেক আই জি পি বেঞ্জির গ্রেপ্তার
রেল খেকো ‘ম্যাক্স’ গ্রুপের একচেটিয়া আধিপত্য রুখবে কে রেল খেকো ‘ম্যাক্স’ গ্রুপের একচেটিয়া আধিপত্য রুখবে কে
অনিয়ম-দুর্নীতি চাঁদাবাজি ও বদলি বাণিজ্যের মাধ্যমে শূন্য থেকে শতকোটির মালিক বন কর্মকর্তা নিশাত অনিয়ম-দুর্নীতি চাঁদাবাজি ও বদলি বাণিজ্যের মাধ্যমে শূন্য থেকে শতকোটির মালিক বন কর্মকর্তা নিশাত
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর’র সেকেন্ড ডিজি খ্যাত বদলি ও ঘুষ বাণিজ্যের গডফাদার মাসুম বিল্লাহ কি আইনের উর্ধ্বে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর’র সেকেন্ড ডিজি খ্যাত বদলি ও ঘুষ বাণিজ্যের গডফাদার মাসুম বিল্লাহ কি আইনের উর্ধ্বে
ঋণ জালিয়াতি, বিদেশি নাগরিকত্ব ও অফশোর সম্পদ: নতুন চাপে বসুন্ধরা গ্রুপ ঋণ জালিয়াতি, বিদেশি নাগরিকত্ব ও অফশোর সম্পদ: নতুন চাপে বসুন্ধরা গ্রুপ

আর্কাইভ

পাঠকের মন্তব্য

(মতামতের জন্যে সম্পাদক দায়ী নয়।)