শিরোনাম:
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট ২০২৬, ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩

Daily Pokkhokal
শুক্রবার, ১৭ মে ২০১৯
প্রথম পাতা » অপরাধ | অর্থনীতি » ফেসবুকে - ভাইরাল=আর করবো না ধান চাষ, দেখবো তোরা কি খাস’
প্রথম পাতা » অপরাধ | অর্থনীতি » ফেসবুকে - ভাইরাল=আর করবো না ধান চাষ, দেখবো তোরা কি খাস’
৫০৪ বার পঠিত
শুক্রবার, ১৭ মে ২০১৯
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

ফেসবুকে - ভাইরাল=আর করবো না ধান চাষ, দেখবো তোরা কি খাস’

ডেস্ক

‘আর করবো না ধান চাষ, দেখবো তোরা কি খাস’

ধান কাটতে একজন শ্রমিককে মজুরি দিতে হচ্ছে ৯০০ থেকে এক হাজার টাকা। সঙ্গে তিন বেলা খাবার। অথচ প্রতি মণ ধান বিক্রি হচ্ছে ৫০০ টাকায়। এত কম দামে ধান বিক্রি করে উৎপাদন খরচ উঠছে না কৃষকের। তাই নিজের পাকা ধানে আগুন লাগিয়ে প্রতিবাদ জানিয়েছেন টাঙ্গাইলের কৃষক আবদুল মালেক সিকদার।

বিষয়টি নিয়ে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন সর্বস্তরের মানুষ। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজের শিক্ষার্থী এবং বিভিন্ন সংগঠনের নেতাকর্মীরা মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ করে ধানের দাম বৃদ্ধির দাবি জানিয়েছেন। এরই জের ধরে এবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় এক বৃদ্ধকে ব্যতিক্রমী প্রতিবাদ করতে দেখা যায়।

বৃদ্ধের পরিহিত জামাতে লেখা ‘আর করবো না ধান চাষ, দেখবো তোরা কি খাস’। এমন ব্যতিক্রমী প্রতিবাদ ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে। সেখানে কৃষকদের প্রতি সহানুভূতি জানিয়ে মত দিচ্ছেন নেটিজেনরা।

‘করবো না আর ধান চাষ, দেখবো তোরা কি খাস’ এ স্লোগানকে সামনে রেখে দিনাজপুরে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী। মানববন্ধন থেকে ধানসহ সব কৃষিপণ্যের ন্যায্য মূল্য নির্ধারণ, কৃষিখাতে পর্যাপ্ত ভর্তুকি দেওয়া এবং মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্মের লাগাম টেনে ধরার দাবি জানানো হয়।

বুধবার (১৫ মে) দুপুর ১২টায় দিনাজপুর প্রেসক্লাবের সামনে সড়কে এ মানববন্ধন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

দিনাজপুরের হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (হাবিপ্রবি) ও দিনাজপুর সরকারি কলেজের শিক্ষার্থীদের অংশ গ্রহণে বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের ব্যানারে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

এসময় মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন-বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ দিনাজপুরের আহ্বায়ক মো. শহিদুল ইসলাম ফাহিম, ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের নেতা রুবেল রাজ, মুশফিকুর রহমান, তারেক রেজা, মাহমুদুল আলম, মো. একরামুল হক, মো. হিমেল, সাজ্জাদ হোসেন ও আব্দুল মোমেন।

বক্তারা বলেন, আমরা যতোই কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ি তার পরেও আমরা কৃষকের সন্তান। আমাদের পরিবার ধানের দাম না পেয়ে পথে বসতে চলছে। অথচ সরকার এ ব্যাপারে কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছে না। কৃষকরা যে ধান উৎপাদন করে তার চেয়ে অনেক কম ধান সরকার কৃষকদের কাছ থেকে কিনে। তাহলে কৃষকরা বাকি ধানগুলো কিভাবে বিক্রি করবে। অবিলম্বে কৃষককের ধানের ন্যায্য মূল্য দিয়ে তাদের বাঁচানোর জন্য আহ্বান জানান বক্তারা।



এ পাতার আরও খবর

প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে দুর্নীতির ডিজিটাল বাদশা বিআইডব্লিউটিএর অতি: প্রধান প্রকৌশলী মজনু মিয়া প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে দুর্নীতির ডিজিটাল বাদশা বিআইডব্লিউটিএর অতি: প্রধান প্রকৌশলী মজনু মিয়া
প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ বি আই ডব্লুভিইউ-তে দুর্নীতির বাদশ অতিরিক্ত  প্রধান প্রকৌশলী বাদশা মিয়ার কূকৃতি থামাতে হবে প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ বি আই ডব্লুভিইউ-তে দুর্নীতির বাদশ অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী বাদশা মিয়ার কূকৃতি থামাতে হবে
“”প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ” “”প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ”" দুর্নীতির ডিজিটাল বাদশা বিআইডব্লিউটিএর অতি: প্রধান প্রকৌশলী মজনু মিয়া
চাকরির নয় বছরে কোটিপতি রাজউকের ইমারত পরিদর্শক মনিরুজ্জামান চাকরির নয় বছরে কোটিপতি রাজউকের ইমারত পরিদর্শক মনিরুজ্জামান
সাব-রেজিস্টার মাইকেলের হাজার কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ সাব-রেজিস্টার মাইকেলের হাজার কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ
দুবাইয়ে সাবেক আই জি পি বেঞ্জির গ্রেপ্তার দুবাইয়ে সাবেক আই জি পি বেঞ্জির গ্রেপ্তার
রেল খেকো ‘ম্যাক্স’ গ্রুপের একচেটিয়া আধিপত্য রুখবে কে রেল খেকো ‘ম্যাক্স’ গ্রুপের একচেটিয়া আধিপত্য রুখবে কে
অনিয়ম-দুর্নীতি চাঁদাবাজি ও বদলি বাণিজ্যের মাধ্যমে শূন্য থেকে শতকোটির মালিক বন কর্মকর্তা নিশাত অনিয়ম-দুর্নীতি চাঁদাবাজি ও বদলি বাণিজ্যের মাধ্যমে শূন্য থেকে শতকোটির মালিক বন কর্মকর্তা নিশাত
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর’র সেকেন্ড ডিজি খ্যাত বদলি ও ঘুষ বাণিজ্যের গডফাদার মাসুম বিল্লাহ কি আইনের উর্ধ্বে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর’র সেকেন্ড ডিজি খ্যাত বদলি ও ঘুষ বাণিজ্যের গডফাদার মাসুম বিল্লাহ কি আইনের উর্ধ্বে
ঋণ জালিয়াতি, বিদেশি নাগরিকত্ব ও অফশোর সম্পদ: নতুন চাপে বসুন্ধরা গ্রুপ ঋণ জালিয়াতি, বিদেশি নাগরিকত্ব ও অফশোর সম্পদ: নতুন চাপে বসুন্ধরা গ্রুপ

আর্কাইভ

পাঠকের মন্তব্য

(মতামতের জন্যে সম্পাদক দায়ী নয়।)