<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/cloud/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	>

<channel>
	<title>Daily Pokkhokal</title>
	<link>https://www.dailypokkhokal.com</link>
	<description></description>
	<pubDate>Wed, 23 Sep 2026 18:35:20 +0000</pubDate>
	<generator>http://dotsilicon.com?v=19</generator>
	<language>en</language>
			<item>
		<title>চাঁদার টাকায় বাদাম বিক্রেতা থেকে কোটিপতি—কে এই কৃষক দল নেতা আলমগীর?</title>
		<link>https://www.dailypokkhokal.com/?p=15349</link>
		<comments>https://www.dailypokkhokal.com/?p=15349#comments</comments>
		<pubDate>Tue, 30 Nov 1999 00:00:00 +0000</pubDate>
		<dc:creator>pokkhokal</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[অপরাধ]]></category>

		<category><![CDATA[রাজনীতি]]></category>

		<guid isPermaLink="false">https://www.dailypokkhokal.com/?p=15349</guid>
		<description><![CDATA[<span class="feedimg"><img oncontextmenu="return false;" src="https://www.dailypokkhokal.com/cloud/archives/2026/09/img-20260909-wa0006-thumbnail.jpg" alt="" /></span>প্রবাসী সাংবাদিক এ রাজিবঃ 
২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর চট্টগ্রাম মহানগরীর উত্তর পতেঙ্গা এবং দক্ষিণ পতেঙ্গা ওয়ার্ডে চাঁদাবাজির ‘ফ্রাঙ্কেনস্টাইন’ বা ‘দানব’ হিসাবে আবির্ভূত হয়েছেন কৃষক দলের নেতা মোহাম্মদ আলমগীর। তাকে চাঁদা না দিয়ে এখানে কেউই ব্যবসা করতে পারছেন না। মালিকানাধীন জমিতে সাইনবোর্ড ঝুলিয়ে চাঁদা আদায়ের অভিনব কৌশলও নিয়েছেন আলমগীর ও তার লোকজন।
বাদাম বিক্রেতা থেকে শুরু করে ...]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p>প্রবাসী সাংবাদিক এ রাজিবঃ <img src="https://www.dailypokkhokal.com/cloud/archives/2026/09/img-20260909-wa0006-thumbnail.jpg" alt="---" /></p>
<p>২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর চট্টগ্রাম মহানগরীর উত্তর পতেঙ্গা এবং দক্ষিণ পতেঙ্গা ওয়ার্ডে চাঁদাবাজির ‘ফ্রাঙ্কেনস্টাইন’ বা ‘দানব’ হিসাবে আবির্ভূত হয়েছেন কৃষক দলের নেতা মোহাম্মদ আলমগীর। তাকে চাঁদা না দিয়ে এখানে কেউই ব্যবসা করতে পারছেন না। মালিকানাধীন জমিতে সাইনবোর্ড ঝুলিয়ে চাঁদা আদায়ের অভিনব কৌশলও নিয়েছেন আলমগীর ও তার লোকজন।</p>
<p>বাদাম বিক্রেতা থেকে শুরু করে বনেদি ব্যবসায়ী; জেলে থেকে জুয়ার বোর্ড; মাঠ থেকে ঘাট দখল, ঘর কিংবা চর দখল-কিছুই বাদ যাচ্ছে না। হোটেল-মোটেল ব্যবসায়ী, টমটমচালক থেকে ট্রাক-লরিচালক, বিমানের যাত্রী থেকে চোরাকারবারি-সব খাত থেকেই চাঁদা উঠছে মোহাম্মদ আলমগীরের নামে। কর্ণফুলীর স্রোতের মতোই যেন প্রতিদিন চাঁদার টাকা ঢুকছে তার পকেটে!</p>
<p>কর্ণফুলীর তীরে অবস্থিত চট্টগ্রাম নগরীর পতেঙ্গা এলাকাটি এখন তার হাতেই জিম্মি। ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর টাকার মেশিন পাওয়া এই আলমগীর জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের চট্টগ্রাম মহানগর কমিটির আহ্বায়ক। আর এ পদবিই তাকে করে তুলেছে অপ্রতিরোধ্য।</p>
<p>উত্তর পতেঙ্গার ধুমপাড়ার বাসিন্দা আলমগীরের এই চাঁদা আদায়ে অন্যতম সহযোগী হিসাবে কাজ করছেন তার ভাই স্বেচ্ছাসেবক দলের পতেঙ্গা থানা সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম এবং পতেঙ্গা থানা ছাত্রদলের সভাপতি রাব্বী হোসেন রিমন।ভুক্তভোগী কেউ কেউ কৃষক দলের এই নেতার হয়রানি, চাঁদাবাজি ও জিম্মিদশার বিষয়ে অভিযোগ দিলেও বেশির ভাগ ভুক্তভোগীই তার বিরুদ্ধে মুখ খোলার সাহস করছেন না। গত আড়াই বছর বেপরোয়া চাঁদাবাজি করে ‘আঙুল ফুলে কলাগাছ’ হয়েছেন আলমগীর। কিনেছেন বিলাসবহুল পাজেরো জিপ। তার ভাই জাহাঙ্গীরও চড়েন নিজস্ব গাড়িতে।</p>
<p>সূত্র জানায়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর আলমগীরের প্রথম নজর পড়ে পতেঙ্গায় অবস্থিত কর্ণফুলী নদীর ১১ নম্বর খেয়া পারাপার ঘাটে। চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন থেকে এই ঘাট একসনা ইজারা নিয়ে খাস কালেকশনে নিয়োজিত ছিলেন মিজানুর রহমান নামে এক ব্যক্তি ও তার সহযোগীরা। আলমগীরের লোকজন ইজারাদারের লোকজনকে মারধর করে তুলে দিয়ে ঘাটটি দখল করে নেন। খাস কালেকশনের প্রতিদিনকার ৩০ থেকে ৪০ হাজার টাকা ঢোকান নিজের পকেটে। ৬ মাস পর ইজারাদারের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে সিটি করপোরেশনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট চৈতি বৈদ্য অভিযান চালান। ওই ঘাট থেকে অবৈধভাবে চাঁদা আদায়ের সময় হাতেনাতে আটক করে নিয়ে আসেন আলমগীরের বেশ কয়েকজন লোককে।</p>
<p>মিজানুর রহমান জানান, পরে আলমগীর খেয়াঘাটের দখল ছেড়ে দেওয়ার মুচলেকা দিয়ে আটক ব্যক্তিদের ছাড়িয়ে আনেন। তবে ওই ৬ মাসে আলমগীর পকেটস্থ করেছেন অর্ধকোটি টাকার মতো।</p>
<p>এরপর তার নজর পড়ে পতেঙ্গা ও নেভালের পর্যটন এলাকায় থাকা ১৬টি হোটেলের ওপর। অভিযোগ আছে, একেক দিন একেক হোটেলে গিয়ে আলমগীরের লোকজন চাঁদার দাবিতে হোটেলে তালা মেরে দিয়ে আসেন। এককালীন ৫ থেকে ৭ লাখ টাকা করে দাবি করেন প্রতিটি হোটেলে। এছাড়া প্রতি মাসে ৫ হাজার টাকা করে চাঁদাও ধার্য করে দেন। ব্যবসা পরিচালনার স্বার্থে বেশির ভাগ হোটেল মালিক তাদের এই দাবি মেনে নেন। এ খাতেই এককালীন ৭০ লাখ থেকে ৮০ লাখ টাকা যায় আলমগীর সিন্ডিকেটের পকেটে। হোটেলগুলোর মধ্যে রয়েছে বরিশাল হোটেল, সমুদ্র বিলাস, সী-মুন, টানেল ভিউ, পতেঙ্গা টুডে, ডায়মন্ড, স্বপ্ন বিলাস, বেলমন্ড, বীচ ভ্যালি, বিচ ভিউ প্রভৃতি। এছাড়া দলীয় কোনো অনুষ্ঠান উপলক্ষ্যেও প্রতিটি হোটেল থেকে আদায় করেন চাঁদা।</p>
<p>টানেল রোডের মুখ থেকে চরপাড়া পর্যন্ত প্রায় দশ কানি বা চার একর খালি জায়গা রয়েছে বনেদি ব্যবসায়ী আবুল হোসেনের। ওই ব্যবসায়ীর কাছ থেকে এককালীন ২ কোটি টাকা দিয়ে জায়গাটি ভাড়ায় নেওয়ার কথা বলে পুরোটাই দখল করে নেন আলমগীর। পরে মালিককে মাত্র ২০ লাখ টাকা ধরিয়ে দিয়ে ভাড়ার বাকি টাকা নিয়ে গড়িমসি করতে থাকেন। আর ওই জায়গা তৃতীয় পক্ষের কাছে ভাড়া দিয়ে সব টাকা পকেটস্থ করছেন আলমগীর।সূত্র জানায়,কাটগড় এলাকায় রয়েছে এসএপিএল ও ওসিএল নামে দুটি কনটেইনার ডিপো। এই ডিপোর মালিকপক্ষ থেকে বিনা পয়সায় ১০টি সিরিয়াল নিয়ে তা ট্রাক-লরি মালিকদের কাছে বিক্রি করে হাতিয়ে নেন মোটা অঙ্কের টাকা। সিরিয়াল না পেলে ডিপো থেকে কনটেইনার পরিবহণের সুযোগ নেই।</p>
<p>জানা যায়, ইলিশ মৌসুমে পতেঙ্গা উপকূলের জেলেরা মাছ ধরতে যান বঙ্গোপসাগরে। মাছ ধরার জন্য সাগরে বাঁশ গেড়ে বা মার্কিং দিয়ে এলাকা চিহ্নিত করে দেওয়া হয়। যাকে বলা হয় ফাঁড়। এই ফাঁড়ের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে জেলেদের এক প্রকার জিম্মি করে রাখেন আলমগীর। প্রতিটি ফাঁড়ের বিপরীতে মোটা অঙ্কের টাকা দিতে হয় তাকে। বিমানবাহিনী থেকে ইজারা নিয়ে পতেঙ্গা এলাকায় তিনটি প্রজেক্টে মাছ চাষ করতেন ৬ ইজারাদার। আলমগীর ওই ৬ অংশীদারের চারজনকে আওয়ামী লীগ তকমা দিয়ে প্রজেক্ট থেকে বের করে দেন। প্রজেক্টের মাছ কমিশনে পাইকারদের কাছে বিক্রি করে বিপুল টাকা পকেটে পুরেন আলমগীর ও তার সহযোগীরা। পক্ষান্তরে জামাল উদ্দিন রাজুসহ অন্য ইজারাদাররা ৭০/৮০ লাখ টাকা লোকসানে পড়েন।</p>
<p>জামাল উদ্দিন রাজু পক্ষকালকে বলেন, আলমগীর তাদের দুই অংশীদারকে হাত করে প্রজেক্টগুলো জোরপূর্বক দখল করে নিয়েছেন।</p>
<p>চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জের আমদানিকারক রাশেদ আলীর মালিকানাধীন দক্ষিণ পতেঙ্গা মৌজার একটি জায়গায় নিজের নাম লিখে মালিকানা দাবি করে সাইনবোর্ড তুলে দেন আলমগীর। রাশেদ ঝামেলা এড়াতে পূবালী ব্যাংকের ১ লাখ টাকার একটি চেক পাঠান আলমগীরের কাছে। ওই চেকটি (নম্বর: ০৯৩৩৬৮০ তাং: ১৫/১২/২৫) একই তারিখে পূবালী ব্যাংক, উত্তর পতেঙ্গা শাখায় জমা দিয়ে টাকা তোলেন পতেঙ্গা থানা ছাত্রদল সভাপতি রাব্বি হোসেন রিমন।</p>
<p>রাশেদ অভিযোগ করেন, এর কিছু দিন পর আবারও একই জায়গায় সাইনবোর্ড তুলে দেন আলমগীর। যদিও এবার সাইনবোর্ডে তার পরিবর্তে ছাত্রদল নেতা রিমনের নাম লেখা হয়। আবার রাশেদ আলমগীরকে ফোনে কল করলে তিনি বলেন ছাত্রদল সভাপতি রিমনের সঙ্গে যোগাযোগ করতে। তিনি বুঝতে পারেন, আবারও টাকার জন্য সাইনবোর্ড ঝুলানো হয়েছে। তিনি কারও সঙ্গে যোগাযোগ না করে সরাসরি পুলিশ কমিশনারকে লিখিত অভিযোগ দেন।</p>
<p>১০ আগস্ট প্রদত্ত ওই অভিযোগে তিনি নগর কৃষক দলের সভাপতি আলমগীর ও পতেঙ্গা থানা ছাত্রদল সভাপতি রিমনের বিরুদ্ধে দখলবাজি ও চাঁদাবাজির অভিযোগ আনেন। অভিযোগটি তদন্তের জন্য পাঠানো হয় ওসির কাছে।</p>
<p>পতেঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা পারভেজ আলী বলেন, পুলিশ কমিশনারের কাছ থেকে পাঠানো অভিযোগটি তদন্তাধীন। এটি মালিকানা বিরোধ নাকি চাঁদাবাজির ঘটনা, বিষয়টি তদন্তে বের হয়ে আসবে।</p>
<p>স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন, রাত ১২টার পর পতেঙ্গার চিত্র বদলে যায়। এখান থেকে মিয়ানমারে যায় সার, সিমেন্ট, ওষুধসহ বিভিন্ন পণ্য। আর মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে আসে ইয়াবাসহ বিভিন্ন মাদকের চালান। যার বড় অংশ পতেঙ্গা উপকূল দিয়ে আসে। এছাড়া বিদেশি জাহাজ থেকে নামে নিষিদ্ধ মদ-বিয়ার। কালোবাজারির তেল বিক্রিও হয়ে ওঠে জমজমাট। এ চোরাচালান ব্যবসার নিয়ন্ত্রণও আলমগীর এবং তার লোকজনের হাতে। ঘাটে ঘাটে তার লোকজন চোরাই পণ্য খালাস ও পাচারে পাহারা দেয়। বিমানবন্দর দিয়ে পাচার হয়ে আসে সোনা, সিগারেট।</p>
<p>সংশ্লিষ্টরা অভিযোগ করেছেন, চোরাকারবারিরা আলমগীরকে ম্যানেজ না করে পতেঙ্গা পার হওয়ার সাহসও করে না। দুই পতেঙ্গার বিভিন্ন অভ্যন্তরীণ রুটে আড়াই থেকে তিন হাজারের মতো টমটম ও এইচপাওয়ার গাড়ি চলে। প্রতিটি গাড়ি ভর্তিতে আড়াই থেকে তিন হাজার টাকা এবং প্রতি মাসে দেড় হাজার টাকা করে নেয় আলমগীরের সিন্ডিকেট। মামলা বাণিজ্য করে বিপুল টাকা আয় করেছেন তিনি।</p>
<p>স্থানীয়রা জানান,পতেঙ্গা সমুদ্রসৈকতের ৪০০ দোকান থেকেও বিপুল অঙ্কের চাঁদা যায় আলমগীরের পকেটে।</p>
<p>আলমগীরের বক্তব্য : সব অভিযোগই একবাক্যে অস্বীকার করেছেন চট্টগ্রাম নগর কৃষক দলের আহ্বায়ক মোহাম্মদ আলমগীর। তিনি পক্ষকাল কে বলেন, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে নির্যাতিত হয়েছি। ২৪ সালের ১৬ জুলাই পুলিশের হাতে আটক হয়েছি। পতেঙ্গার সবকিছুই আওয়ামী ফ্যাসিস্টরা নিয়ন্ত্রণ করত। চাঁদাবাজিও করত তারা। আমার বিরুদ্ধে হোটেলে চাঁদাবাজি, জায়গা দখল, ঘাট দখলের যেসব অভিযোগ আনা হচ্ছে তা মিথ্যা। আমি উলটো হোটেল ব্যবসায়ীদের বলেছি,যাতে কাউকে চাঁদা না দেয়। তার নামে কেউ চাঁদা চাইলে তাদের আটক করতে বলেছেন বলে দাবি করেন।</p>
<p>তিনি বলেন,খাতুনগঞ্জের ব্যবসায়ী রাশেদের জায়গাটি বিরোধপূর্ণ। সেটির সঙ্গে আমার কোনো সম্পর্ক নেই। ছাত্রদল নেতা রিমনের সঙ্গে বিরোধ মিটিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেছি। তার কাছ থেকে ১ লাখ টাকা চাঁদা নেওয়ার প্রশ্নই ওঠে না।</p>
<p>তিনি আরও বলেন, আমার মাঠ আছে। নেতাকর্মী আছে। যারা ওয়ানম্যান শো নেতা, তারাই আমার বদনাম করছে। আর কাজ করতে গেলে কিছু ভুলত্রুটি, সমালোচনা হতেই পারে।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>https://www.dailypokkhokal.com/?feed=rss2&amp;p=15349</wfw:commentRss>
		</item>
		<item>
		<title>প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে দুর্নীতির ডিজিটাল বাদশা বিআইডব্লিউটিএর অতি: প্রধান প্রকৌশলী মজনু মিয়া</title>
		<link>https://www.dailypokkhokal.com/?p=15347</link>
		<comments>https://www.dailypokkhokal.com/?p=15347#comments</comments>
		<pubDate>Tue, 30 Nov 1999 00:00:00 +0000</pubDate>
		<dc:creator>pokkhokal</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[অপরাধ]]></category>

		<category><![CDATA[অর্থনীতি]]></category>

		<guid isPermaLink="false">https://www.dailypokkhokal.com/?p=15347</guid>
		<description><![CDATA[<span class="feedimg"><img oncontextmenu="return false;" src="https://www.dailypokkhokal.com/cloud/archives/2026/07/img-20260720-wa0015-thumbnail.jpg" alt="" /></span>বিশেষ প্রতিনিধিঃ

প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে
দুর্নীতির ডিজিটাল বাদশা বিআইডব্লিউটিএর অতি: প্রধান প্রকৌশলী মজনু মিয়া শিরোনামে ১২ই জুলাই-০২৬ ইং তারিখে দৈনিক পক্ষকাল পত্রিকার অনলাইন ভার্সনে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।প্রতিবেদনটি প্রকাশিত হওয়ার পর অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মজনু মিয়া নিজের নজিরবিহীন অনিয়ম দুর্নীতি ও দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত সম্পদের সংবাদ প্রকাশ বন্ধ করতে নিজে এবং বিভিন্ন মাধ্যমে সাংবাদিকের টুটি চেপে ...]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p>বিশেষ প্রতিনিধিঃ</p>
<p><img src="https://www.dailypokkhokal.com/cloud/archives/2026/07/img-20260720-wa0015-thumbnail.jpg" alt="---" /></p>
<p>প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে</p>
<p>দুর্নীতির ডিজিটাল বাদশা বিআইডব্লিউটিএর অতি: প্রধান প্রকৌশলী মজনু মিয়া শিরোনামে ১২ই জুলাই-০২৬ ইং তারিখে দৈনিক পক্ষকাল পত্রিকার অনলাইন ভার্সনে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।প্রতিবেদনটি প্রকাশিত হওয়ার পর অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মজনু মিয়া নিজের নজিরবিহীন অনিয়ম দুর্নীতি ও দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত সম্পদের সংবাদ প্রকাশ বন্ধ করতে নিজে এবং বিভিন্ন মাধ্যমে সাংবাদিকের টুটি চেপে ধরার চেষ্টা করেন,যাহা স্বাধীন সাংবাদিকতা ও স্বাধীন গণমাধ্যমের সাথে সংঘর্ষিক।</p>
<p>বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) ড্রেজিং বিভাগ যেন স্বর্ণের খনি এই বিভাগের দায়িত্বে আসলেই অনেকেই হাতে পেয়ে যায় আলাদিনের চেরাগ ঘষা দিলেই শুধু টাকা, ইতিপূর্বেও ড্রেজিং বিভাগের দায়িত্বে থাকা অনেক প্রকৌশলী শত শত কোটি টাকার দুর্নীতি করে কামিয়াছেন, দুর্নীতিবাজ ওই সব প্রকৌশলীদের বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ কার্যকর হয় না অবৈধ অর্থের প্রভাবে সবকিছু ম্যানেজ করে নেন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ সরকারি বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ দায়ের করলেও এগুলোর কেউ তোয়াক্কা করে না একাধিক অভিযোগ আছে বিআইডব্লিউটিএর অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী(মেরিন) মোঃ মজনু মিয়ার বিরুদ্ধে ঘুষ দুর্নীতি সরকারি অর্থ আত্মসাৎ করে নামে বেনামে অঢেল সম্পদ গড়ে তোলার অভিযোগ উঠেছে। অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী (মেরিন) মজনু মিয়ার বিরুদ্ধে একাধিক গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনের তথ্য দেখা যায় ড্রেজিং বিভাগে ভয়াবহ দুর্নীতি অনিয়ম করেও আছেন বহাল তবিয়তে আছেন দুর্নীতিবাজ প্রকৌশলী মজনু মিয়া।</p>
<p>উল্লেখ্য বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) বিরুদ্ধে সঠিকভাবে নদী খনন ও ড্রেজিং না করে বরাদ্দের ৩০-৪০ শতাংশ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ বহু আগের; যা প্রায় সবারই জানা আছে।</p>
<p>তবে ড্রেজার বেইসের (ড্রেজার সংরক্ষণ, পরিচালন ও মেরামত) প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালনেও যে কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ করা যায়, তা হয়তো অনেকেরই জানা নেই। আর এ কাজই করেছেন সংস্থার ড্রেজিং বিভাগের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মো. মজনু মিয়া।</p>
<p>পতিত আওয়ামী সরকারের মন্ত্রী-এমপিদের এবং প্রভাবশালী নেতাদের  চাটুকারিতা করে আয় করেছেন অন্তত অর্ধশত কোটি টাকা। পতিত সরকারের আশীর্বাদে  সরকারের শেষ সময়ে গুরুত্বপূর্ণ ও ব্যয়বহুল প্রকল্পের পরিচালক (পিডি) হয়েছিলেন। সেই সঙ্গে তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী থেকে পদোন্নতি পেয়েছেন অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী পদে। তবে গত বছরের ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর ভোল পাল্টে জাতীয়তাবাদী সেজেছেন তারা।</p>
<p>সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের তথ্যমতে,পতিত আওয়ামীলীগ সরকারের প্রভাবশালী ব্যক্তিদের আশীর্বাদে পিডি হয়েছিলেম এই দুর্নীতিবাজ মজনু মিয়া।</p>
<p>এদিকে, নদী খনন ও ড্রেজিংয়ে সীমাহীন দুর্নীতি ও অর্থ লোপাট এখন বিআইডব্লিউটিএ তে ওপেন সিক্রেট।নাব্যতা সংকট দূর করে সারা বছর নৌপথ সচল রাখতে নিয়মিত নদী ড্রেজিং বা পলি অপসারণের জন্য বিআইডব্লিউটিএর বহরে ড্রেজারের সংখ্যা ৪৫। এই বহরে আরও ৩৫টি যুক্ত হতে যাচ্ছে। এসব ড্রেজার সংরক্ষণ, পরিচালন ও মেরামতের জন্য আলাদা আলাদা ড্রেজার বেইস আছে। এর মধ্যে পদ্মা সেতু চালুর আগে মাওয়া ও নারায়ণগঞ্জ ড্রেজার বেইস সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ছিল। এ দুই বেইসের অধীনে যেমন বেশিসংখ্যক ড্রেজার ছিল, তেমনি এগুলোর পরিচালন, রক্ষণাবেক্ষণ ও মেরামত খরচও ছিল অনেক বেশি। পদ্মা সেতুর কারণে মাওয়া ড্রেজার বেইসের গুরুত্ব কমে গেলেও নারায়ণগঞ্জেরটা এখনো গুরুত্বপূর্ণ।</p>
<p>উক্ত দুই ড্রেজার বেইসের একটির প্রধান ছিলেন ইঞ্জিনিয়ার মো. মজনু মিয়া, তখন তিনি তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী ছিলেন।</p>
<p>সংশ্লিষ্ট সূত্রমতে,তিনি দীর্ঘ প্রায় আট বছর ড্রেজার  বেইসের প্রধান ছিলেন। সেখানে দায়িত্ব পালনকালে নৌপথের পলি অপসারণের নামে ড্রেজারের জ্বালানি তেল ক্রয় এবং ড্রেজার রক্ষণাবেক্ষণ ও মেরামতের নামে সীমাহীন অর্থ লুটপাট করেছেন তারা।</p>
<p>এই বিভাগের সাবেক ও বর্তমান কয়েকজন সিনিয়র কর্মকর্তা/প্রকৌশলী এবং কর্মচারীদের সঙ্গে আলাপ করে জানা যায়, ড্রেজার পরিচালনার জন্য জ্বালানি তেল ক্রয়, ড্রেজারগুলো যথাযথভাবে সংরক্ষণ ও মেরামতের সব দায়িত্ব ও কর্তৃত্ব সংশ্লিষ্ট ড্রেজার বেইসের। এখানে অর্থ লুটপাটের কয়েকটি খাত রয়েছে।</p>
<p>সূত্র জানায়, প্রতিটি ড্রেজারের ইঞ্জিন মিটার ১০ শতাংশ টেম্পারিং করা। ড্রেজিংয়ের জন্য ৯০ লিটার তেল লোড করলে ১০০ লিটার শো দেখায়।</p>
<p>একটি ড্রেজার দৈনিক ১২ ঘণ্টা চললে কাগজে-কলমে ১৮ ঘণ্টা দেখিয়ে দেড় গুণ বেশি জ্বালানি ব্যয় দেখানো হয়। ড্রেজার এক স্থান থেকে অন্য স্থানে নেওয়ার জন্য টাগবোটের ইঞ্জিনে যে পরিমাণ জ্বালানি প্রয়োজন হয়, তার চেয়ে অনেক বেশি দেখানো হয়। যদি ৫০০ লিটার খরচ হয়, সেখানে দেখানো হয় ১ হাজার লিটার।এভাবে দুর্নীতির মাধ্যমে প্রতিটি ড্রেজার থেকে মাসে অন্তত ৬ লাখ টাকা লুটপাট হয়। এই টাকার ৫০ শতাংশ পান বেইসপ্রধান। বাকি ৫০ শতাংশ তার অধীনস্থদের মধ্যে ভাগবাঁটোয়ারা হয়।এভাবে মাওয়া বা নারায়ণগঞ্জের মতো গুরুত্বপূর্ণ বেইসের অধীনে থাকা কমপক্ষে ১০টি ড্রেজারের তেল ক্রয় খাত থেকে প্রতি মাসে চুরি হয় ৬০ লাখ, যা বছরে ৭ কোটি ২০ লাখ টাকা; যার ৩ কোটি ৬০ লাখ পেয়েছেন মজনু মিয়া। এই হিসাবে মাওয়া ও নারায়ণগঞ্জ ড্রেজার বেইসের প্রধান থাকাকালে আট বছরে প্রত্যেকেরই শুধু জ্বালানি খাত থেকে অবৈধ আয় হয়েছে ২৮ কোটি ৮০ লাখ টাকা।তবে এর চেয়ে চুরি বা অর্থ লোপাট বেশি ড্রেজার সংরক্ষণ খাতে। আর মেরামত খাতে হয় পুকুরচুরি। সেসব ভয়ংকর অনেক তথ্যও এরই মধ্যে আসতে শুরু করেছে।</p>
<p>সমাজের বিশিষ্টজনদের অভিমত বর্তমান সরকার নৌ-খাতে যেই সংস্কারের উদ্যোগ নিয়েছেন তা অবশ্যই সাধুবাদ জানাই কিন্তু বিআইডব্লিউটিএতে মজনু মিয়াদের মতো দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে সৎ নিষ্ঠা ও দেশপ্রেমিক কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে তদন্ত কমিটি গঠন করে দ্রুত প্রশাসনিক ব্যবস্থা না নিলে বর্তমান সরকারের নৌ-খাত সংস্কার এর মহৎ উদ্যোগ বাধাগ্রস্ত হতে পারে বলে মন্তব্য করেন। পরবর্তীতে উপরের উল্লেখিত অভিযোগের বিষয়ে জানতে বিআইডব্লিউটিএ ড্রেজিং বিভাগের অতিরিক্ত প্রধান মজনু মিয়ার মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি প্রতিবেদককে অফিসে চায়ের দাওয়াত দেন। প্রশ্ন জাগে অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী দুর্নীতির ডিজিটাল বাদশা দাওয়াত দিয়ে কি বুঝাতে চেয়েছেন তা বোধগম্য নয়।</p>
<p>এহেন দুর্নীতিবাজ দেশ ও জাতির শত্রু।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>https://www.dailypokkhokal.com/?feed=rss2&amp;p=15347</wfw:commentRss>
		</item>
		<item>
		<title>প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ বি আই ডব্লুভিইউ-তে দুর্নীতির বাদশ অতিরিক্ত  প্রধান প্রকৌশলী বাদশা মিয়ার কূকৃতি থামাতে হবে</title>
		<link>https://www.dailypokkhokal.com/?p=15345</link>
		<comments>https://www.dailypokkhokal.com/?p=15345#comments</comments>
		<pubDate>Tue, 30 Nov 1999 00:00:00 +0000</pubDate>
		<dc:creator>pokkhokal</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[অপরাধ]]></category>

		<category><![CDATA[প্রধান খবর]]></category>

		<guid isPermaLink="false">https://www.dailypokkhokal.com/?p=15345</guid>
		<description><![CDATA[<span class="feedimg"><img oncontextmenu="return false;" src="https://www.dailypokkhokal.com/cloud/archives/2026/07/img-20260720-wa0015-thumbnail.jpg" alt="" /></span>বিশেষ প্রতিনিধিঃ

দুর্নীতির ডিজিটাল বাদশা বিআইডব্লিউটিএর অতি: প্রধান প্রকৌশলী মজনু মিয়া শিরোনামে ১২ই জুলাই-০২৬ ইং তারিখে দৈনিক পক্ষকাল পত্রিকার অনলাইন ভার্সনে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।প্রতিবেদনটি প্রকাশিত হওয়ার পর অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মজনু মিয়া নিজের নজিরবিহীন অনিয়ম দুর্নীতি ও দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত সম্পদের সংবাদ প্রকাশ বন্ধ করতে নিজে এবং বিভিন্ন মাধ্যমে সাংবাদিকের টুটি চেপে ধরার চেষ্টা করেন,যাহা ...]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p>বিশেষ প্রতিনিধিঃ</p>
<p><img src="https://www.dailypokkhokal.com/cloud/archives/2026/07/img-20260720-wa0015-thumbnail.jpg" alt="---" /></p>
<p>দুর্নীতির ডিজিটাল বাদশা বিআইডব্লিউটিএর অতি: প্রধান প্রকৌশলী মজনু মিয়া শিরোনামে ১২ই জুলাই-০২৬ ইং তারিখে দৈনিক পক্ষকাল পত্রিকার অনলাইন ভার্সনে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।প্রতিবেদনটি প্রকাশিত হওয়ার পর অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মজনু মিয়া নিজের নজিরবিহীন অনিয়ম দুর্নীতি ও দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত সম্পদের সংবাদ প্রকাশ বন্ধ করতে নিজে এবং বিভিন্ন মাধ্যমে সাংবাদিকের টুটি চেপে ধরার চেষ্টা করেন,যাহা স্বাধীন সাংবাদিকতা ও স্বাধীন গণমাধ্যমের সাথে সংঘর্ষিক।</p>
<p>বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) ড্রেজিং বিভাগ যেন স্বর্ণের খনি এই বিভাগের দায়িত্বে আসলেই অনেকেই হাতে পেয়ে যায় আলাদিনের চেরাগ ঘষা দিলেই শুধু টাকা, ইতিপূর্বেও ড্রেজিং বিভাগের দায়িত্বে থাকা অনেক প্রকৌশলী শত শত কোটি টাকার দুর্নীতি করে কামিয়াছেন, দুর্নীতিবাজ ওই সব প্রকৌশলীদের বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ কার্যকর হয় না অবৈধ অর্থের প্রভাবে সবকিছু ম্যানেজ করে নেন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ সরকারি বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ দায়ের করলেও এগুলোর কেউ তোয়াক্কা করে না একাধিক অভিযোগ আছে বিআইডব্লিউটিএর অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী(মেরিন) মোঃ মজনু মিয়ার বিরুদ্ধে ঘুষ দুর্নীতি সরকারি অর্থ আত্মসাৎ করে নামে বেনামে অঢেল সম্পদ গড়ে তোলার অভিযোগ উঠেছে। অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী (মেরিন) মজনু মিয়ার বিরুদ্ধে একাধিক গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনের তথ্য দেখা যায় ড্রেজিং বিভাগে ভয়াবহ দুর্নীতি অনিয়ম করেও আছেন বহাল তবিয়তে আছেন দুর্নীতিবাজ প্রকৌশলী মজনু মিয়া।</p>
<p>উল্লেখ্য বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) বিরুদ্ধে সঠিকভাবে নদী খনন ও ড্রেজিং না করে বরাদ্দের ৩০-৪০ শতাংশ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ বহু আগের; যা প্রায় সবারই জানা আছে।</p>
<p>তবে ড্রেজার বেইসের (ড্রেজার সংরক্ষণ, পরিচালন ও মেরামত) প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালনেও যে কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ করা যায়, তা হয়তো অনেকেরই জানা নেই। আর এ কাজই করেছেন সংস্থার ড্রেজিং বিভাগের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মো. মজনু মিয়া।</p>
<p>পতিত আওয়ামী সরকারের মন্ত্রী-এমপিদের এবং প্রভাবশালী নেতাদের  চাটুকারিতা করে আয় করেছেন অন্তত অর্ধশত কোটি টাকা। পতিত সরকারের আশীর্বাদে  সরকারের শেষ সময়ে গুরুত্বপূর্ণ ও ব্যয়বহুল প্রকল্পের পরিচালক (পিডি) হয়েছিলেন। সেই সঙ্গে তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী থেকে পদোন্নতি পেয়েছেন অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী পদে। তবে গত বছরের ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর ভোল পাল্টে জাতীয়তাবাদী সেজেছেন তারা।</p>
<p>সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের তথ্যমতে,পতিত আওয়ামীলীগ সরকারের প্রভাবশালী ব্যক্তিদের আশীর্বাদে পিডি হয়েছিলেম এই দুর্নীতিবাজ মজনু মিয়া।</p>
<p>এদিকে, নদী খনন ও ড্রেজিংয়ে সীমাহীন দুর্নীতি ও অর্থ লোপাট এবং রকিবুল তালুকদারের বিপুল অর্থবিত্ত ও অবৈধ সম্পদ নিয়ে দুদক অনুসন্ধান শুরু করার পর নৌ মন্ত্রণালয় ও বিআইডব্লিউটিএসহ নৌ সেক্টরজুড়ে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে।নাব্যতা সংকট দূর করে সারা বছর নৌপথ সচল রাখতে নিয়মিত নদী ড্রেজিং বা পলি অপসারণের জন্য বিআইডব্লিউটিএর বহরে ড্রেজারের সংখ্যা ৪৫। এই বহরে আরও ৩৫টি যুক্ত হতে যাচ্ছে। এসব ড্রেজার সংরক্ষণ, পরিচালন ও মেরামতের জন্য আলাদা আলাদা ড্রেজার বেইস আছে। এর মধ্যে পদ্মা সেতু চালুর আগে মাওয়া ও নারায়ণগঞ্জ ড্রেজার বেইস সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ছিল। এ দুই বেইসের অধীনে যেমন বেশিসংখ্যক ড্রেজার ছিল, তেমনি এগুলোর পরিচালন, রক্ষণাবেক্ষণ ও মেরামত খরচও ছিল অনেক বেশি। পদ্মা সেতুর কারণে মাওয়া ড্রেজার বেইসের গুরুত্ব কমে গেলেও নারায়ণগঞ্জেরটা এখনো গুরুত্বপূর্ণ।</p>
<p>উক্ত দুই ড্রেজার বেইসের একটির প্রধান ছিলেন ইঞ্জিনিয়ার মো. মজনু মিয়া, তখন তিনি তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী ছিলেন।</p>
<p>সংশ্লিষ্ট সূত্রমতে,তিনি দীর্ঘ প্রায় আট বছর ড্রেজার  বেইসের প্রধান ছিলেন। সেখানে দায়িত্ব পালনকালে নৌপথের পলি অপসারণের নামে ড্রেজারের জ্বালানি তেল ক্রয় এবং ড্রেজার রক্ষণাবেক্ষণ ও মেরামতের নামে সীমাহীন অর্থ লুটপাট করেছেন তারা।</p>
<p>এই বিভাগের সাবেক ও বর্তমান কয়েকজন সিনিয়র কর্মকর্তা/প্রকৌশলী এবং কর্মচারীদের সঙ্গে আলাপ করে জানা যায়, ড্রেজার পরিচালনার জন্য জ্বালানি তেল ক্রয়, ড্রেজারগুলো যথাযথভাবে সংরক্ষণ ও মেরামতের সব দায়িত্ব ও কর্তৃত্ব সংশ্লিষ্ট ড্রেজার বেইসের। এখানে অর্থ লুটপাটের কয়েকটি খাত রয়েছে।</p>
<p>সূত্র জানায়, প্রতিটি ড্রেজারের ইঞ্জিন মিটার ১০ শতাংশ টেম্পারিং করা। ড্রেজিংয়ের জন্য ৯০ লিটার তেল লোড করলে ১০০ লিটার শো দেখায়।</p>
<p>একটি ড্রেজার দৈনিক ১২ ঘণ্টা চললে কাগজে-কলমে ১৮ ঘণ্টা দেখিয়ে দেড় গুণ বেশি জ্বালানি ব্যয় দেখানো হয়। ড্রেজার এক স্থান থেকে অন্য স্থানে নেওয়ার জন্য টাগবোটের ইঞ্জিনে যে পরিমাণ জ্বালানি প্রয়োজন হয়, তার চেয়ে অনেক বেশি দেখানো হয়। যদি ৫০০ লিটার খরচ হয়, সেখানে দেখানো হয় ১ হাজার লিটার।এভাবে দুর্নীতির মাধ্যমে প্রতিটি ড্রেজার থেকে মাসে অন্তত ৬ লাখ টাকা লুটপাট হয়। এই টাকার ৫০ শতাংশ পান বেইসপ্রধান। বাকি ৫০ শতাংশ তার অধীনস্থদের মধ্যে ভাগবাঁটোয়ারা হয়।এভাবে মাওয়া বা নারায়ণগঞ্জের মতো গুরুত্বপূর্ণ বেইসের অধীনে থাকা কমপক্ষে ১০টি ড্রেজারের তেল ক্রয় খাত থেকে প্রতি মাসে চুরি হয় ৬০ লাখ, যা বছরে ৭ কোটি ২০ লাখ টাকা; যার ৩ কোটি ৬০ লাখ পেয়েছেন মজনু মিয়া বা ফয়ছল। এই হিসাবে মাওয়া ও নারায়ণগঞ্জ ড্রেজার বেইসের প্রধান থাকাকালে আট বছরে প্রত্যেকেরই শুধু জ্বালানি খাত থেকে অবৈধ আয় হয়েছে ২৮ কোটি ৮০ লাখ টাকা।তবে এর চেয়ে চুরি বা অর্থ লোপাট বেশি ড্রেজার সংরক্ষণ খাতে। আর মেরামত খাতে হয় পুকুরচুরি। সেসব ভয়ংকর অনেক তথ্যও এরই মধ্যে আসতে শুরু করেছে।</p>
<p>সমাজের বিশিষ্টজনদের অভিমত বর্তমান সরকার নৌ-খাতে যেই সংস্কারের উদ্যোগ নিয়েছেন তা অবশ্যই সাধুবাদ জানাই কিন্তু বিআইডব্লিউটিএতে মজনু মিয়াদের মতো দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে সৎ নিষ্ঠা ও দেশপ্রেমিক কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে তদন্ত কমিটি গঠন করে দ্রুত প্রশাসনিক ব্যবস্থা না নিলে বর্তমান সরকারের নৌ-খাত সংস্কার এর মহৎ উদ্যোগ বাধাগ্রস্ত হতে পারে বলে মন্তব্য করেন। পরবর্তীতে উপরের উল্লেখিত অভিযোগের বিষয়ে জানতে বিআইডব্লিউটিএ ড্রেজিং বিভাগের অতিরিক্ত প্রধান মজনু মিয়ার মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি প্রতিবেদককে অফিসে চায়ের দাওয়াত দেন। প্রশ্ন জাগে অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী দুর্নীতির ডিজিটাল বাদশা দাওয়াত দিয়ে কি বুঝাতে চেয়েছেন তা বোধগম্য নয়।</p>
<p>এহেন দুর্নীতিবাজ দেশ ও জাতির শত্রু।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>https://www.dailypokkhokal.com/?feed=rss2&amp;p=15345</wfw:commentRss>
		</item>
		<item>
		<title>&#8220;&#8221;প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ&#8221;" দুর্নীতির ডিজিটাল বাদশা বিআইডব্লিউটিএর অতি: প্রধান প্রকৌশলী মজনু মিয়া</title>
		<link>https://www.dailypokkhokal.com/?p=15343</link>
		<comments>https://www.dailypokkhokal.com/?p=15343#comments</comments>
		<pubDate>Tue, 30 Nov 1999 00:00:00 +0000</pubDate>
		<dc:creator>pokkhokal</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[অপরাধ]]></category>

		<category><![CDATA[অর্থনীতি]]></category>

		<category><![CDATA[প্রধান খবর]]></category>

		<guid isPermaLink="false">https://www.dailypokkhokal.com/?p=15343</guid>
		<description><![CDATA[<span class="feedimg"><img oncontextmenu="return false;" src="https://www.dailypokkhokal.com/cloud/archives/2026/07/img-20260712-wa0085-thumbnail.jpg" alt="" /></span>বিশেষ প্রতিনিধিঃ

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) ড্রেজিং বিভাগ যেন স্বর্ণের খনি এই বিভাগের দায়িত্বে আসলেই অনেকেই হাতে পেয়ে যায় আলাদিনের চেরাগ ঘষা দিলেই শুধু টাকা, ইতিপূর্বেও ড্রেজিং বিভাগের দায়িত্বে থাকা অনেক প্রকৌশলী শত শত কোটি টাকার দুর্নীতি করে কামিয়াছেন, দুর্নীতিবাজ ওই সব প্রকৌশলীদের বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ কার্যকর হয় না অবৈধ অর্থের প্রভাবে সবকিছু ম্যানেজ করে ...]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p>বিশেষ প্রতিনিধিঃ</p>
<p><img src="https://www.dailypokkhokal.com/cloud/archives/2026/07/img-20260712-wa0085-thumbnail.jpg" alt="---" /></p>
<p>বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) ড্রেজিং বিভাগ যেন স্বর্ণের খনি এই বিভাগের দায়িত্বে আসলেই অনেকেই হাতে পেয়ে যায় আলাদিনের চেরাগ ঘষা দিলেই শুধু টাকা, ইতিপূর্বেও ড্রেজিং বিভাগের দায়িত্বে থাকা অনেক প্রকৌশলী শত শত কোটি টাকার দুর্নীতি করে কামিয়াছেন, দুর্নীতিবাজ ওই সব প্রকৌশলীদের বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ কার্যকর হয় না অবৈধ অর্থের প্রভাবে সবকিছু ম্যানেজ করে নেন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ সরকারি বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ দায়ের করলেও এগুলোর কেউ তোয়াক্কা করে না একাধিক অভিযোগ আছে বিআইডব্লিউটিএর অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী(মেরিন) মোঃ মজনু মিয়ার বিরুদ্ধে ঘুষ দুর্নীতি সরকারি অর্থ আত্মসাৎ করে নামে বেনামে অঢেল সম্পদ গড়ে তোলার অভিযোগ উঠেছে। অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী (মেরিন) মজনু মিয়ার বিরুদ্ধে একাধিক গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনের তথ্য দেখা যায় ড্রেজিং বিভাগে ভয়াবহ দুর্নীতি অনিয়ম করেও আছেন বহাল তবিয়তে আছেন দুর্নীতিবাজ প্রকৌশলী মজনু মিয়া।</p>
<p>উল্লেখ্য বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) বিরুদ্ধে সঠিকভাবে নদী খনন ও ড্রেজিং না করে বরাদ্দের ৩০-৪০ শতাংশ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ বহু আগের; যা প্রায় সবারই জানা আছে।</p>
<p>তবে ড্রেজার বেইসের (ড্রেজার সংরক্ষণ, পরিচালন ও মেরামত) প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালনেও যে কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ করা যায়, তা হয়তো অনেকেরই জানা নেই। আর এ কাজই করেছেন সংস্থার ড্রেজিং বিভাগের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মো. মজনু মিয়া।</p>
<p>পতিত আওয়ামী সরকারের মন্ত্রী-এমপিদের এবং প্রভাবশালী নেতাদের  চাটুকারিতা করে আয় করেছেন অন্তত অর্ধশত কোটি টাকা। পতিত সরকারের আশীর্বাদে  সরকারের শেষ সময়ে গুরুত্বপূর্ণ ও ব্যয়বহুল প্রকল্পের পরিচালক (পিডি) হয়েছিলেন। সেই সঙ্গে তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী থেকে পদোন্নতি পেয়েছেন অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী পদে। তবে গত বছরের ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর ভোল পাল্টে জাতীয়তাবাদী সেজেছেন তারা।</p>
<p>সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের তথ্যমতে,পতিত আওয়ামীলীগ সরকারের প্রভাবশালী ব্যক্তিদের আশীর্বাদে পিডি হয়েছিলেম এই দুর্নীতিবাজ মজনু মিয়া।</p>
<p>এদিকে, নদী খনন ও ড্রেজিংয়ে সীমাহীন দুর্নীতি ও অর্থ লোপাট এবং রকিবুল তালুকদারের বিপুল অর্থবিত্ত ও অবৈধ সম্পদ নিয়ে দুদক অনুসন্ধান শুরু করার পর নৌ মন্ত্রণালয় ও বিআইডব্লিউটিএসহ নৌ সেক্টরজুড়ে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে।নাব্যতা সংকট দূর করে সারা বছর নৌপথ সচল রাখতে নিয়মিত নদী ড্রেজিং বা পলি অপসারণের জন্য বিআইডব্লিউটিএর বহরে ড্রেজারের সংখ্যা ৪৫। এই বহরে আরও ৩৫টি যুক্ত হতে যাচ্ছে। এসব ড্রেজার সংরক্ষণ, পরিচালন ও মেরামতের জন্য আলাদা আলাদা ড্রেজার বেইস আছে। এর মধ্যে পদ্মা সেতু চালুর আগে মাওয়া ও নারায়ণগঞ্জ ড্রেজার বেইস সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ছিল। এ দুই বেইসের অধীনে যেমন বেশিসংখ্যক ড্রেজার ছিল, তেমনি এগুলোর পরিচালন, রক্ষণাবেক্ষণ ও মেরামত খরচও ছিল অনেক বেশি। পদ্মা সেতুর কারণে মাওয়া ড্রেজার বেইসের গুরুত্ব কমে গেলেও নারায়ণগঞ্জেরটা এখনো গুরুত্বপূর্ণ।</p>
<p>উক্ত দুই ড্রেজার বেইসের একটির প্রধান ছিলেন ইঞ্জিনিয়ার মো. মজনু মিয়া, তখন তিনি তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী ছিলেন।</p>
<p>সংশ্লিষ্ট সূত্রমতে,তিনি দীর্ঘ প্রায় আট বছর ড্রেজার  বেইসের প্রধান ছিলেন। সেখানে দায়িত্ব পালনকালে নৌপথের পলি অপসারণের নামে ড্রেজারের জ্বালানি তেল ক্রয় এবং ড্রেজার রক্ষণাবেক্ষণ ও মেরামতের নামে সীমাহীন অর্থ লুটপাট করেছেন তারা।</p>
<p>এই বিভাগের সাবেক ও বর্তমান কয়েকজন সিনিয়র কর্মকর্তা/প্রকৌশলী এবং কর্মচারীদের সঙ্গে আলাপ করে জানা যায়, ড্রেজার পরিচালনার জন্য জ্বালানি তেল ক্রয়, ড্রেজারগুলো যথাযথভাবে সংরক্ষণ ও মেরামতের সব দায়িত্ব ও কর্তৃত্ব সংশ্লিষ্ট ড্রেজার বেইসের। এখানে অর্থ লুটপাটের কয়েকটি খাত রয়েছে।</p>
<p>সূত্র জানায়, প্রতিটি ড্রেজারের ইঞ্জিন মিটার ১০ শতাংশ টেম্পারিং করা। ড্রেজিংয়ের জন্য ৯০ লিটার তেল লোড করলে ১০০ লিটার শো দেখায়।</p>
<p>একটি ড্রেজার দৈনিক ১২ ঘণ্টা চললে কাগজে-কলমে ১৮ ঘণ্টা দেখিয়ে দেড় গুণ বেশি জ্বালানি ব্যয় দেখানো হয়। ড্রেজার এক স্থান থেকে অন্য স্থানে নেওয়ার জন্য টাগবোটের ইঞ্জিনে যে পরিমাণ জ্বালানি প্রয়োজন হয়, তার চেয়ে অনেক বেশি দেখানো হয়। যদি ৫০০ লিটার খরচ হয়, সেখানে দেখানো হয় ১ হাজার লিটার।এভাবে দুর্নীতির মাধ্যমে প্রতিটি ড্রেজার থেকে মাসে অন্তত ৬ লাখ টাকা লুটপাট হয়। এই টাকার ৫০ শতাংশ পান বেইসপ্রধান। বাকি ৫০ শতাংশ তার অধীনস্থদের মধ্যে ভাগবাঁটোয়ারা হয়।এভাবে মাওয়া বা নারায়ণগঞ্জের মতো গুরুত্বপূর্ণ বেইসের অধীনে থাকা কমপক্ষে ১০টি ড্রেজারের তেল ক্রয় খাত থেকে প্রতি মাসে চুরি হয় ৬০ লাখ, যা বছরে ৭ কোটি ২০ লাখ টাকা; যার ৩ কোটি ৬০ লাখ পেয়েছেন মজনু মিয়া বা ফয়ছল। এই হিসাবে মাওয়া ও নারায়ণগঞ্জ ড্রেজার বেইসের প্রধান থাকাকালে আট বছরে প্রত্যেকেরই শুধু জ্বালানি খাত থেকে অবৈধ আয় হয়েছে ২৮ কোটি ৮০ লাখ টাকা।তবে এর চেয়ে চুরি বা অর্থ লোপাট বেশি ড্রেজার সংরক্ষণ খাতে। আর মেরামত খাতে হয় পুকুরচুরি। সেসব ভয়ংকর অনেক তথ্যও এরই মধ্যে আসতে শুরু করেছে।</p>
<p>সমাজের বিশিষ্টজনদের অভিমত বর্তমান সরকার নৌ-খাতে যেই সংস্কারের উদ্যোগ নিয়েছেন তা অবশ্যই সাধুবাদ জানাই কিন্তু বিআইডব্লিউটিএতে মজনু মিয়াদের মতো দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে সৎ নিষ্ঠা ও দেশপ্রেমিক কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে তদন্ত কমিটি গঠন করে দ্রুত প্রশাসনিক ব্যবস্থা না নিলে বর্তমান সরকারের নৌ-খাত সংস্কার এর মহৎ উদ্যোগ বাধাগ্রস্ত হতে পারে বলে মন্তব্য করেন। পরবর্তীতে উপরের উল্লেখিত অভিযোগের বিষয়ে জানতে বিআইডব্লিউটিএ ড্রেজিং বিভাগের অতিরিক্ত প্রধান মজনু মিয়ার মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি প্রতিবেদককে অফিসে চায়ের দাওয়াত দেন। প্রশ্ন জাগে অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী দুর্নীতির ডিজিটাল বাদশা দাওয়াত দিয়ে কি বুঝাতে চেয়েছেন তা বোধগম্য নয়।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>https://www.dailypokkhokal.com/?feed=rss2&amp;p=15343</wfw:commentRss>
		</item>
		<item>
		<title>নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন ও স্থানীয় বিএনপির উদ্যোগে স্কুল লাগোয়া ময়লার স্তুপ অপসারণ</title>
		<link>https://www.dailypokkhokal.com/?p=15341</link>
		<comments>https://www.dailypokkhokal.com/?p=15341#comments</comments>
		<pubDate>Tue, 30 Nov 1999 00:00:00 +0000</pubDate>
		<dc:creator>pokkhokal</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[জেলার খবর]]></category>

		<guid isPermaLink="false">https://www.dailypokkhokal.com/?p=15341</guid>
		<description><![CDATA[<span class="feedimg"><img oncontextmenu="return false;" src="https://www.dailypokkhokal.com/cloud/archives/2026/07/img-20260702-wa0013-thumbnail.jpg" alt="" /></span>বিশেষ প্রতিনিধিঃ
নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন এবং  স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে সিটি কর্পোরেশন ২ নং ওয়ার্ড আনন্দলোক উচ্চ বিদ্যালয় ও আনন্দলোক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় লাগোয়া দীর্ঘদিন থেকে পড়ে থাকা ময়লার স্তুপ অপসারণ করা হয় আজ সন্ধ্যায়। উল্লেখ্য স্থানীয় বাসিন্দারা আনন্দলোক উচ্চ বিদ্যালয়  ও আনন্দলোক সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় লাগোয়া খালি জায়গায় স্কুলের কোমলমতি ছাত্রছাত্রীরা খেলাধুলা ...]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p>বিশেষ প্রতিনিধিঃ<img src="https://www.dailypokkhokal.com/cloud/archives/2026/07/img-20260702-wa0013-thumbnail.jpg" alt="---" /></p>
<p>নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন এবং  স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে সিটি কর্পোরেশন ২ নং ওয়ার্ড আনন্দলোক উচ্চ বিদ্যালয় ও আনন্দলোক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় লাগোয়া দীর্ঘদিন থেকে পড়ে থাকা ময়লার স্তুপ অপসারণ করা হয় আজ সন্ধ্যায়। উল্লেখ্য স্থানীয় বাসিন্দারা আনন্দলোক উচ্চ বিদ্যালয়  ও আনন্দলোক সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় লাগোয়া খালি জায়গায় স্কুলের কোমলমতি ছাত্রছাত্রীরা খেলাধুলা করে কিন্তু দীর্ঘদিন থেকে খেলাধুলার খালি জায়গায় ময়লা আবর্জনা চুপ করে রাখার কারণে একদিকে ছেলেমেয়ে এবং শিক্ষকদের ময়লার দুর্বৃষ্য গন্ধ সহ্য করে এতদিন শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছিল।এমতাবস্থায় নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন দুই নং ওয়ার্ডের সরকার দলীয় বিএনপি যুবদল স্বেচ্ছাসেবক দল ও স্থানীয় বাসিন্দাদের উদ্বেগের ফলে নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন দুই নং ওয়ার্ড কর্তৃপক্ষ আজ সন্ধ্যায় (২জুলাই) দীর্ঘদিন থেকে পড়ে থাকা ময়লার স্তূপটি অপসারণের কাজ শুরু করাই স্থানীয় বাসিন্দা এবং আন্দোলপ উচ্চ বিদ্যালয় ও আনন্দলোক সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের অভিভাবকরা এই মহতী উদ্যোগে সাধুবাদ জানান। ময়লা অপসারণের সময় উপস্থিত ছিলেন সিদ্ধিরগঞ্জ থানা বিএনপির সাবেক যুগ্ন আহ্বায়ক মাযহারুল হক ময়ূর,নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন ২ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মুক্তার হোসেন মুক্তুল,সিদ্ধিরগঞ্জ থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব রেদওয়ান আহমেদ পাপ্পু,২ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আবু তাহের মুন্সী,২ নং ওয়ার্ড যুবদল সাবেক সভাপতি ও সম্ভাব্য কাউন্সিলর প্রার্থী ইকবাল হোসেন ভান্ডার,স্থানীয় বিএনপি নেতা মোবারক হোসেন,ইমাম হোসেন ও বিশিষ্ট সমাজ সেবক রহিম মেম্বার-সহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।এছাড়াও ময়লা অপসারণের সময় উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন ২ নং ওয়ার্ড সচিব মেহেদী হাসান রুবেল।এই সময় নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন ২ নং ওয়ার্ড সচিব মেহেদী হাসান রুবেল বলেন স্কুল কলেজ মসজিদ মাদ্রাসা এবং রাস্তার উপর যত্রতত্র ময়লা আবর্জনার স্তূপ বানিয়ে শহরের সৌন্দর্য নষ্ট করবেন না,নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন আমার আপনার সকলের তাই এই শহরকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা আমার আপনার সকলের দায়িত্ব।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>https://www.dailypokkhokal.com/?feed=rss2&amp;p=15341</wfw:commentRss>
		</item>
		<item>
		<title>পটুয়াখালীতে আমতলীর শ্রমিক দল সভাপতিকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যা</title>
		<link>https://www.dailypokkhokal.com/?p=15339</link>
		<comments>https://www.dailypokkhokal.com/?p=15339#comments</comments>
		<pubDate>Tue, 30 Nov 1999 00:00:00 +0000</pubDate>
		<dc:creator>pokkhokal</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[জেলার খবর]]></category>

		<guid isPermaLink="false">https://www.dailypokkhokal.com/?p=15339</guid>
		<description><![CDATA[<span class="feedimg"><img oncontextmenu="return false;" src="https://www.dailypokkhokal.com/cloud/archives/2026/07/img-20260701-wa0006-thumbnail.jpg" alt="" /></span>আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধিঃ
ভাল 
পটুয়াখালী সদর উপজেলার মরিচবুনিয়া ইউনিয়নের দক্ষিণ বাজারঘোনা এলাকায় মঙ্গলবার রাতে ফারুক ডাক্তারের বাড়ির সামনে মো. রিপন কাজী (৩৫) নামে আমতলীর এক শ্রমিক দল সভাপতিকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। নিহতের পরিবারের দাবি, পারিবারিক বিরোধের জের ধরেই এ হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে।
নিহত রিপন কাজী বরগুনার আমতলী উপজেলার গুলিশাখালী ইউনিয়নের কালিবাড়ী গ্রামের ...]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p>আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধিঃ</p>
<p>ভাল <img src="https://www.dailypokkhokal.com/cloud/archives/2026/07/img-20260701-wa0006-thumbnail.jpg" alt="---" /></p>
<p>পটুয়াখালী সদর উপজেলার মরিচবুনিয়া ইউনিয়নের দক্ষিণ বাজারঘোনা এলাকায় মঙ্গলবার রাতে ফারুক ডাক্তারের বাড়ির সামনে মো. রিপন কাজী (৩৫) নামে আমতলীর এক শ্রমিক দল সভাপতিকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। নিহতের পরিবারের দাবি, পারিবারিক বিরোধের জের ধরেই এ হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে।</p>
<p>নিহত রিপন কাজী বরগুনার আমতলী উপজেলার গুলিশাখালী ইউনিয়নের কালিবাড়ী গ্রামের মিজানুর রহমান কাজীর ছেলে। তিনি পেশায় একজন কৃষক ছিলেন এবং গুলিশাখালী ইউনিয়ন শ্রমিক দলের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।</p>
<p>নিহতের চাচাতো ভাই রাজীব কাজী অভিযোগ করে বলেন, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় তিনি ও রিপন কাজী মোটরসাইকেলে করে পাশের পটুয়াখালী জেলার মরিচবুনিয়া ইউনিয়নের গগনখা বাজারে যান। সেখান থেকে বাড়ি ফেরার পথে রাত সাড়ে ১১টার দিকে দক্ষিণ বাজারঘোনা এলাকার ফারুক ডাক্তারের বাড়ির সামনে পৌঁছালে পূর্ব থেকে ওত পেতে থাকা রিপনের চাচাতো ভাই রাসেল কাজী, রিফাত কাজী, সোহাগ কাজী ও রাহাত কাজীর নেতৃত্বে ৮-১০ জন যুবক তাদের মোটরসাইকেলের গতিরোধ করে। কিছু বুঝে ওঠার আগেই তারা ধারালো রামদা, দা ও লাঠি নিয়ে অতর্কিত হামলা চালায়।</p>
<p>তিনি আরও বলেন, হামলার সময় প্রাণ বাঁচাতে তিনি পাশের একটি খালে ঝাঁপ দেন। পরে সেখান থেকে উঠে এসে দেখেন, রিপন কাজী রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়ে আছেন। স্থানীয়দের সহযোগিতায় তাকে উদ্ধার করে পটুয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত ২টার দিকে তার মৃত্যু হয়।</p>
<p>খবর পেয়ে পটুয়াখালী সদর থানা ও আমতলী থানার পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। পরে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।</p>
<p>নিহতের মা আমেনা বেগম অভিযোগ করে বলেন, পারিবারিক বিরোধের জের ধরে রাসেল কাজী, রিফাত কাজী, সোহাগ কাজী ও রাহাত কাজীর নেতৃত্বে ৮-১০ জন যুবক তার ছেলেকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যা করেছে। তিনি এ ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক বিচার দাবি করেন।</p>
<p>আমতলী উপজেলা শ্রমিক দলের সভাপতি তারিকুল ইসলাম সোহাগ বলেন, রিপন কাজী গুলিশাখালী ইউনিয়ন শ্রমিক দলের সভাপতি ছিলেন। তার হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানিয়ে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।</p>
<p>এ বিষয়ে পটুয়াখালী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বলেন, হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে তদন্ত চলছে। জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশ অভিযান শুরু করেছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।</p>
<p>আমতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইয়াকুব হোসাইন বলেন, নিহত রিপন কাজী আমতলী থানার বাসিন্দা হওয়ায় আমতলী থানার পুলিশের একটি দল পটুয়াখালী সদর থানা পুলিশকে তদন্তে সহায়তা করছে।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>https://www.dailypokkhokal.com/?feed=rss2&amp;p=15339</wfw:commentRss>
		</item>
		<item>
		<title>কুমিল্লার প্রথম নারী জেলা প্রশাসক হলেন রোজী আক্তার</title>
		<link>https://www.dailypokkhokal.com/?p=15337</link>
		<comments>https://www.dailypokkhokal.com/?p=15337#comments</comments>
		<pubDate>Tue, 30 Nov 1999 00:00:00 +0000</pubDate>
		<dc:creator>pokkhokal</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[জেলার খবর]]></category>

		<guid isPermaLink="false">https://www.dailypokkhokal.com/?p=15337</guid>
		<description><![CDATA[<span class="feedimg"><img oncontextmenu="return false;" src="https://www.dailypokkhokal.com/cloud/archives/2026/06/img-20260628-wa0012.jpg" alt="" /></span>
এম এ মাইকেলঃ
বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মিজ রোজী আকতারকে কুমিল্লার নতুন জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
রোববার ( ২৮ জুন) বদলি ও পদায়নের এ প্রজ্ঞাপন জারি করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের জারি করা প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এ পদায়নের সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হয়েছে। নতুন দায়িত্বে যোগদানের পর তিনি ...]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><img src="https://www.dailypokkhokal.com/cloud/archives/2026/06/img-20260628-wa0012.jpg" alt="---" /></p>
<p>এম এ মাইকেলঃ</p>
<p>বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মিজ রোজী আকতারকে কুমিল্লার নতুন জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।</p>
<p>রোববার ( ২৮ জুন) বদলি ও পদায়নের এ প্রজ্ঞাপন জারি করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।</p>
<p>সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের জারি করা প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এ পদায়নের সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হয়েছে। নতুন দায়িত্বে যোগদানের পর তিনি কুমিল্লা জেলার সার্বিক প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনা করবেন।</p>
<p>এই নিয়োগের মাধ্যমে কুমিল্লা জেলার প্রথম নারী জেলা প্রশাসক হলেন রোজী আক্তার। তার নিয়োগকে কেন্দ্র করে জেলার প্রশাসনিক অঙ্গনসহ বিভিন্ন মহলে ইতোমধ্যে আগ্রহ ও ইতিবাচক আলোচনা শুরু হয়েছে।</p>
<p>এদিকে, কুমিল্লার বিদায়ী জেলা প্রশাসক মু. রেজা হাসানকে সিলেটের জেলা প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তার নতুন কর্মস্থলের জন্য বিভিন্ন মহল শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছে।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>https://www.dailypokkhokal.com/?feed=rss2&amp;p=15337</wfw:commentRss>
		</item>
		<item>
		<title>নারায়ণগঞ্জে ড্রোনের মাধ্যমে হবে ডিজিটাল ভূমি জরিপ জেলা প্রশাসক-মো. রায়হান কবির</title>
		<link>https://www.dailypokkhokal.com/?p=15334</link>
		<comments>https://www.dailypokkhokal.com/?p=15334#comments</comments>
		<pubDate>Tue, 30 Nov 1999 00:00:00 +0000</pubDate>
		<dc:creator>pokkhokal</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[জেলার খবর]]></category>

		<guid isPermaLink="false">https://www.dailypokkhokal.com/?p=15334</guid>
		<description><![CDATA[<span class="feedimg"><img oncontextmenu="return false;" src="https://www.dailypokkhokal.com/cloud/archives/2026/06/img-20260628-wa0015-thumbnail.jpg" alt="" /></span>এম এ মাইকেলঃপ
নারায়ণগঞ্জের সদর ও বন্দর উপজেলায় বাংলাদেশ ডিজিটাল জরিপ (বিডিএস) কার্যক্রমে ড্রোন প্রযুক্তির মাধ্যমে ভূমি (জমি) জরিপের ঘোষণা দিয়েছেন জেলা প্রশাসক মো.রায়হান কবির।
নারায়ণগঞ্জের সদর ও বন্দর উপজেলায় চলমান বাংলাদেশ ডিজিটাল জরিপ (বিডিএস)কার্যক্রমকে আরও আধুনিক ও নির্ভুল করতে ড্রোন প্রযুক্তির মাধ্যমে ভূমি জরিপ পরিচালনার ঘোষণা দিয়েছেন জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবির।
রোববার জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন ...]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p>এম এ মাইকেলঃ<img src="https://www.dailypokkhokal.com/cloud/archives/2026/06/img-20260628-wa0015-thumbnail.jpg" alt="---" />প</p>
<p>নারায়ণগঞ্জের সদর ও বন্দর উপজেলায় বাংলাদেশ ডিজিটাল জরিপ (বিডিএস) কার্যক্রমে ড্রোন প্রযুক্তির মাধ্যমে ভূমি (জমি) জরিপের ঘোষণা দিয়েছেন জেলা প্রশাসক মো.রায়হান কবির।</p>
<p>নারায়ণগঞ্জের সদর ও বন্দর উপজেলায় চলমান বাংলাদেশ ডিজিটাল জরিপ (বিডিএস)কার্যক্রমকে আরও আধুনিক ও নির্ভুল করতে ড্রোন প্রযুক্তির মাধ্যমে ভূমি জরিপ পরিচালনার ঘোষণা দিয়েছেন জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবির।</p>
<p>রোববার জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে বাংলাদেশ ডিজিটাল জরিপ (বিডিএস) বিষয়ক অবহিতকরণ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। সভায় সভাপতিত্ব করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) রিনাত ফৌজিয়া।</p>
<p>জেলা প্রশাসক বলেন,আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে ড্রোনের মাধ্যমে জমির পরিমাণ সঠিকভাবে নির্ধারণ করা সম্ভব। ধামরাই ও কুষ্টিয়া জেলায় ইতোমধ্যে এ পদ্ধতিতে সফলভাবে জরিপ সম্পন্ন হয়েছে। একইভাবে নারায়ণগঞ্জেও ডিজিটাল পদ্ধতিতে জমি জরিপ সম্পন্ন করা হবে।</p>
<p>তিনি বিডিএস কার্যক্রমে নিয়োজিত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ড্রোন পরিচালনা বিষয়ে প্রশিক্ষণ গ্রহণ এবং দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ সম্পন্ন করার নির্দেশনা দেন।</p>
<p>সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সেটেলমেন্ট অফিস,ঢাকার চার্জ অফিসার ও সিনিয়র সহকারী সচিব মো.জাকির হোসেন। এছাড়া অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শামীম হোসেন ও নারায়ণগঞ্জ সদর সহকারী সেটেলমেন্ট অফিসার রুহুল আমিন-সহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তারা অংশ নেন।</p>
<p>বক্তারা বলেন,বাংলাদেশ ডিজিটাল জরিপের মাধ্যমে ভূমি ব্যবস্থাপনা আধুনিক হবে,জমি সংক্রান্ত বিরোধ কমবে এবং নাগরিকরা দ্রুত ও স্বচ্ছ সেবা পাবেন।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>https://www.dailypokkhokal.com/?feed=rss2&amp;p=15334</wfw:commentRss>
		</item>
		<item>
		<title>চাকরির নয় বছরে কোটিপতি রাজউকের ইমারত পরিদর্শক মনিরুজ্জামান</title>
		<link>https://www.dailypokkhokal.com/?p=15332</link>
		<comments>https://www.dailypokkhokal.com/?p=15332#comments</comments>
		<pubDate>Tue, 30 Nov 1999 00:00:00 +0000</pubDate>
		<dc:creator>pokkhokal</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[অপরাধ]]></category>

		<category><![CDATA[অর্থনীতি]]></category>

		<category><![CDATA[প্রধান খবর]]></category>

		<guid isPermaLink="false">https://www.dailypokkhokal.com/?p=15332</guid>
		<description><![CDATA[<span class="feedimg"><img oncontextmenu="return false;" src="https://www.dailypokkhokal.com/cloud/archives/2026/06/img-20260615-wa0004-thumbnail.jpg" alt="" /></span>নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) ইমারত পরিদর্শক মো. মনিরুজ্জামানের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জন, ঘুষ গ্রহণ, ক্ষমতার অপব্যবহার এবং ভবন মালিকদের হয়রানির মাধ্যমে বিপুল সম্পদের মালিক হওয়ার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র ও অনুসন্ধানে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ১০ম গ্রেডের একজন কর্মকর্তা হিসেবে ২০১৮ সালে চাকরিতে যোগদানের পর মাত্র কয়েক বছরের ব্যবধানে তিনি ও তার পরিবারের সদস্যদের ...]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p>নিজস্ব প্রতিবেদকঃ</p>
<p><img src="https://www.dailypokkhokal.com/cloud/archives/2026/06/img-20260615-wa0004-thumbnail.jpg" alt="---" /></p>
<p>রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) ইমারত পরিদর্শক মো. মনিরুজ্জামানের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জন, ঘুষ গ্রহণ, ক্ষমতার অপব্যবহার এবং ভবন মালিকদের হয়রানির মাধ্যমে বিপুল সম্পদের মালিক হওয়ার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র ও অনুসন্ধানে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ১০ম গ্রেডের একজন কর্মকর্তা হিসেবে ২০১৮ সালে চাকরিতে যোগদানের পর মাত্র কয়েক বছরের ব্যবধানে তিনি ও তার পরিবারের সদস্যদের নামে বিপুল পরিমাণ স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ গড়ে তোলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।</p>
<p>অনুসন্ধানে জানা গেছে, রাজধানীর উত্তরা, মিরপুর, মহাখালী, বাংলামটরসহ বিভিন্ন এলাকায় মনিরুজ্জামান ও তার পরিবারের সদস্যদের নামে একাধিক ফ্ল্যাট, জমি এবং অন্যান্য সম্পদের তথ্য পাওয়া গেছে। এর মধ্যে উত্তরা সেক্টর-১৭-এর রয়েল টাওয়ারে একটি ১,৫০০ বর্গফুটের ফ্ল্যাট, একই এলাকায় পলিয়ানথাস সেতু প্রকল্পে আরেকটি ফ্ল্যাট, তুরাগের বাদলদি হাইটসে একটি ফ্ল্যাট, মিরপুরের পীরেরবাগ এলাকায় একটি বিলাসবহুল ফ্ল্যাট এবং মহাখালীর ফলকন টাওয়ারে একটি ফ্ল্যাটের মালিকানা রয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।</p>
<p>এ ছাড়া গাজীপুর সিটি করপোরেশনের ২১ নম্বর ওয়ার্ডের বাউপাড়া মৌজায় প্রায় ২৫০ শতাংশ জমির মালিকানার তথ্য পাওয়া গেছে, যার বাজারমূল্য কয়েক কোটি টাকা বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি। নিজ জেলা পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলাসহ বিভিন্ন এলাকায় তার, তার স্ত্রী এবং স্বজনদের নামে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ জমি ও সম্পদ থাকার অভিযোগও উঠেছে।</p>
<p>অভিযোগ রয়েছে, মনিরুজ্জামানের স্ত্রী কানিজ জাহানের নামে বরিশাল সিটি করপোরেশন এলাকায় কয়েক কোটি টাকা মূল্যের জমি রয়েছে। ওই জমিতে বহুতল ভবন নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় অনুমোদন নেওয়ার পর নির্মাণকাজও শুরু হয়েছে বলে জানা গেছে।</p>
<p>এদিকে রাজধানীর বাংলামটর এলাকার একটি বহুতল ভবনে বিলাসবহুল অ্যাপার্টমেন্টে বর্তমানে মনিরুজ্জামান বসবাস করছেন বলে অনুসন্ধানে উঠে এসেছে। অভিযোগকারীদের দাবি, সরকারি চাকরিতে স্বল্প সময়ের মধ্যে তার নামে ও বেনামে গড়ে ওঠা সম্পদের পরিমাণ কয়েক কোটি টাকারও বেশি।</p>
<p>একাধিক সূত্রের অভিযোগ, দায়িত্ব পালনকালে বিভিন্ন ভবন মালিককে নোটিশ প্রদানকে কেন্দ্র করে অনৈতিক আর্থিক সুবিধা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। অভিযোগ অনুযায়ী, নোটিশ প্রত্যাহার বা প্রশাসনিক জটিলতা এড়ানোর আশ্বাস দিয়ে বিপুল অঙ্কের অর্থ দাবি করা হতো। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মনিরুজ্জামানের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।</p>
<p>রাজউকের বিভিন্ন জোনে দায়িত্ব পালনকালে তার বিরুদ্ধে অনিয়ম, ক্ষমতার অপব্যবহার এবং আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ বহুবার উঠেছে বলেও সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো দাবি করেছে। অতীতে গাজীপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় দায়িত্ব পালনকালে বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের অভিযোগ থাকলেও সেসব বিষয়ে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে।</p>
<p>অভিযোগ রয়েছে, রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করেও তিনি বিভিন্ন সময়ে প্রভাব বিস্তার করেছেন। তবে এ বিষয়ে স্বাধীনভাবে কোনো তথ্য যাচাই করা সম্ভব হয়নি।</p>
<p>এদিকে রাজউকের ১৬ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীর বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে চলমান অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে মনিরুজ্জামানের বিরুদ্ধেও তদন্ত শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। দুদকের প্রধান কার্যালয় থেকে সহকারী পরিচালক মো. নুর আলম সিদ্দিকীকে তদন্ত কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।</p>
<p>সূত্র জানায়, তার বিরুদ্ধে বিপুলসংখ্যক অভিযোগপত্র জমা পড়েছে। একই সঙ্গে রাজউকের প্রশাসন বিভাগ থেকেও অভিযোগগুলো যাচাই করতে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।</p>
<p>এ বিষয়ে রাজউক চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার রিয়াজুল ইসলাম বলেন, “দুর্নীতির বিরুদ্ধে রাজউকের অবস্থান স্পষ্ট। দুদক অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে চার্জশিট দিলে এবং অভিযোগ প্রমাণিত হলে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে আমরা এখনো সেই পর্যায়ে পৌঁছাইনি।”</p>
<p>তিনি আরও বলেন, “অভিযোগ যে কারও বিরুদ্ধে থাকতে পারে। অভিযোগের সত্যতা যাচাই না হওয়া পর্যন্ত কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছানো ঠিক হবে না। অনেক সময় ব্যক্তিগত বিরোধ থেকেও অভিযোগ উত্থাপিত হয়।”</p>
<p>দুদক সূত্র জানিয়েছে, তদন্ত বর্তমানে প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। সম্পদের উৎস, ক্রয়মূল্য, ব্যাংক হিসাব, আর্থিক লেনদেন, ভূমি রেকর্ড এবং মালিকানা সংক্রান্ত তথ্য যাচাই করা হচ্ছে।</p>
<p>অন্যদিকে, উত্তরা, মিরপুর ও মহাখালী এলাকার কয়েকজন ভবন মালিক নাম প্রকাশ না করার শর্তে অভিযোগ করেন, নোটিশ সংক্রান্ত বিষয়ে তাদের ওপর বিভিন্ন ধরনের চাপ প্রয়োগ করা হতো। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা যাচাই এবং দায় নির্ধারণের জন্য তদন্তের ফলাফলের অপেক্ষা করতে হবে।</p>
<p>সংশ্লিষ্টদের মতে, একজন সরকারি কর্মকর্তা স্বল্প সময়ে বিপুল সম্পদের মালিক হয়েছেন—এমন অভিযোগ যদি তদন্তে সত্য প্রমাণিত হয়, তাহলে তা কেবল ব্যক্তিগত অনিয়ম নয়, বরং প্রাতিষ্ঠানিক জবাবদিহি ও সুশাসনের প্রশ্নও সামনে নিয়ে আসবে। এখন দুদকের চলমান তদন্তই নির্ধারণ করবে অভিযোগগুলোর বাস্তবতা কতটুকু।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>https://www.dailypokkhokal.com/?feed=rss2&amp;p=15332</wfw:commentRss>
		</item>
		<item>
		<title>সাব-রেজিস্টার মাইকেলের হাজার কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ</title>
		<link>https://www.dailypokkhokal.com/?p=15330</link>
		<comments>https://www.dailypokkhokal.com/?p=15330#comments</comments>
		<pubDate>Tue, 30 Nov 1999 00:00:00 +0000</pubDate>
		<dc:creator>pokkhokal</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[অপরাধ]]></category>

		<category><![CDATA[অর্থনীতি]]></category>

		<category><![CDATA[প্রধান খবর]]></category>

		<guid isPermaLink="false">https://www.dailypokkhokal.com/?p=15330</guid>
		<description><![CDATA[<span class="feedimg"><img oncontextmenu="return false;" src="https://www.dailypokkhokal.com/cloud/archives/2026/06/img-20260616-wa0002-thumbnail.jpg" alt="" /></span>বিশেষ প্রতিনিধিঃ
সাব রেজিস্টার বদলি করে শত কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগে যখন মাইকেল চক্রের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে তোরজোড় চলছে দুদকে, তখন সেই চক্রের মূলহোতা অভিযুক্ত খিলগাঁওয়ের সাব রেজিস্টার মাইকেল মহিউদ্দিন আব্দুল্লাহর অবৈধ সম্পদের পাহাড়ের খোঁজ পাওয়া গিয়েছে। তিনি অর্জন করেছেন প্রায় ১ হাজার কোটি টাকার স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, রাজধানী ঢাকার আফতাব নগরেই রয়েছে মাইকেলের ...]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p>বিশেষ প্রতিনিধিঃ<img src="https://www.dailypokkhokal.com/cloud/archives/2026/06/img-20260616-wa0002-thumbnail.jpg" alt="---" /></p>
<p>সাব রেজিস্টার বদলি করে শত কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগে যখন মাইকেল চক্রের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে তোরজোড় চলছে দুদকে, তখন সেই চক্রের মূলহোতা অভিযুক্ত খিলগাঁওয়ের সাব রেজিস্টার মাইকেল মহিউদ্দিন আব্দুল্লাহর অবৈধ সম্পদের পাহাড়ের খোঁজ পাওয়া গিয়েছে। তিনি অর্জন করেছেন প্রায় ১ হাজার কোটি টাকার স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি।</p>
<p>খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, রাজধানী ঢাকার আফতাব নগরেই রয়েছে মাইকেলের বিলাস বহুল ভবনে ২৯ টি ফ্ল্যাট। গুলশান-১ এর ৭ নং রোডের ৭ নং কোহিনুর টাওয়ারে তার বর্তমান আবাস্থল । এখানে ২ টি ফ্লোর নিয়ে ডুপ্লেক্স করে রাজকীয় জীবন তার। বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার ব্লক এ ২৭ নম্বর বাড়ি। গুলশান সার্কেল ১ প্লট ৩৭,৩৯,৪১  এবং ব্লক ই এর ৬ নম্বর রোডের ৩০১/এ ১০ কাঠার পুরো প্লটটি স্ত্রীর বড় ভাইয়ের নামে কেনা। গুলশান ১ এর ৭ নম্বর রোডের ৩ নম্বর শখিনা নামের বিলাশবহুল বাড়িটির তৃতীয় চতুর্থ তলায় ২৫০০ স্কয়ার ফিটের দুটি বিলাশবহুল ফ্ল্যাট রয়েছে যার প্রতিটি ফ্ল্যাটের মুল্য কমপক্ষে ১৫ কোটি টাকা। গুলশান-১ এর ৪ নম্বর সড়কের ৪বি, গুলশান-১ এর স্টার সেন্টারে বাণিজ্যক স্পেস, পূর্বাচল মডেল টাউনের মা মহল,  সেক্টর ১১৩ এর, রোড ১০৬, প্লটি তার শ্যালকের নামে। গুলশান-১ এর ৩৩ নম্বর রোডের ৬ নম্বর হাউজে রয়েছে ১০ কোটি টাকা মূল্যের ২০০০ বর্গফুট এর ২টি ফ্ল্যাট। ৪০/২ নর্থ এভিনিউ গুলশানে তার ৩টি ফ্ল্যাটের নির্মাণ কাজ চলমান। গ্রিন ভিউ এপার্টমেন্ট, এইচ#৩৯, রোড-২৪ লেক সার্কেল গুলশান-১ এ ২৫০০ বর্গ ফুটের একটি ফ্ল্যাট যার মূল্য প্রায় ১২ কোটিরও বেশি। তার স্ত্রী জান্নাত নীলার নামে রয়েছে প্লট ১৪৩, ব্লক এইচ এর পুরো প্লট যার নাম্বার ৬। নিকেতন এ/১৩৩, ব্লক এ, রোড-৩ ১৮০০ স্কয়ার ফিটের ১ টি ফ্ল্যাট , হাতিরঝিল এর কাছে ৪৮/এ তে রয়েছে ১৫৫০ স্কয়ার ফিট এর ফ্ল্যাট যা তার শ্যালকের নামে। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সাদেকপুর গ্রামে ইটের ভাটা, রুপগঞ্জ নারায়নগঞ্জের ইসাপুর বাজার আবাসিক প্রকল্পের জলসিড়ি আবাসন প্রকল্পে রয়েছে ব্লক ডিতে ৫ কাঠার দুটি, ব্লক এতে ১০ কাঠার একটি যা তার বোনের নামে রেজিস্ট্রেশন হয়েছে। বড় মগবাজারের ৭০৪/১ নম্বর বাড়িতে ফ্ল্যাট, পান্থপথের কাঠাল বাগানের ফ্রি স্কুল স্ট্রিটের ২৪/সিতে রয়েছে ২টি ফ্লোর প্রতিটি ফ্লোরে রয়েছে তিনটি করে ইউনিট, যেখানে একটি ফ্লোর রেখেছেন নিজের চিত্তবিনোদনের জন্য। বনশ্রীর জে ব্লকের ৩ নম্বর রোডের ১০ নম্বর বাড়ির বি ইউনিটে একটি ফ্ল্যাট কিনেছেন ভাতিজার নামে। বনশ্রীর ব্লক বি এর হোসাইন মঞ্জিলের ৫ম তলায় বোনের স্বামীর নামে কেনা দুটি ফ্ল্যাট রয়েছে বলে জানা যায়। তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল এলাকার খাদিজা ভিলা নামের আবাসিক ভবনেও রয়েছে তার একটি ফ্ল্যাট নিশ্চিত হওয়া গেছে।  মোহাম্মদপুর ব্লক ডিতে আজম রোডের  ৮৮ নম্বর বাড়িতে ১৭০০ স্কয়ার একটি ফ্ল্যাট রয়েছে। এছাড়া টাঙ্গাইল সদরের পশ্চিম আকোরটাকুর পাড়ার ব্লক এ তে ১৫ নম্বর প্লটে জায়গা কিনেছেন। নিজ জেলার খাস নগর (পূর্ব পাড়া ) বাঞ্ছারামপুরে কৃষি জমি ১০০বিঘা। লাহিড়ী, রসুল্লাবাদও নবীনগরে রয়েছে ৩০ বিঘা কৃষি জমি, মাছের ঘের ও খামার।তার নিজ গ্রাম খাল্লাসহ বাড্ডা সলিমগঞ্জ, মাঝিয়ারার জীবন নগরে ২০ একর কৃষি জমিসহ মাছের ঘের ও খামার রয়েছে।</p>
<p>এছাড়াও রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় নামে বেনামে ধানমণ্ডি , গুলশান, নিকুঞ্জসহ বিভিন্ন স্থানে রয়েছে তার কোটি কোটি টাকা মূল্যের ফ্ল্যাট ও প্লট। আফতাব নগরে নিজের আলাদা বলয় থাকার কারণে বের করা যাচ্ছে না নির্দিষ্ট আরও ফ্ল্যাট এর হোল্ডিং নম্বর। তবে মাইকেলের ঘনিষ্ঠ কয়েকজন জানান, এক আফতাব নগরেই তার রয়েছে ২৯টি ফ্ল্যাট, বেশিরভাগ ফ্ল্যাটর মূল্য প্রতি ৫ কোটি টাকার কাছাকাছি। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ফ্যাসিস্ট আমলে নন ক্যাডার থেকে সরাসরি সাব-রেজিস্টার পদে নিয়োগ পাওয়া আওয়ামী লীগের সুবিধাভোগী মাইকেল মহিউদ্দিন আব্দুল্লাহ দলকে ব্যবহার করে ও আওয়ামী লীগের রাজনীতির প্রভাব খাটিয়ে বিপুল অর্থের মালিক হন। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আমলে সাব-রেজিস্টার বদলিতেই ঘুষ লেনদেন করে বেশ সমালোচনায় আসেন দেশজুড়ে। এরপর বর্তমানে বিএনপির নেতাদের সাথে সখ্যতা গড়ে তুলতে ইতোমধ্যে ব্যাপক চেষ্টা করে যাচ্ছেন। তিনি ২০০৮ সালে ২৯ ডিসেম্বরে নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর প্রথমবার নিয়োগ দেয়া ২৮তম বিসিএসের নন ক্যাডার থেকে সরাসরি সাব-রেজিস্ট্রার নিয়োগ পান । তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের প্রভাবে প্রথমবার দলীয় লোকদের নন ক্যাডারে সাব রেজিস্ট্রার পদে নিয়োগ বাগিয়ে নেন তিনি।শুধু নিজের নয়, চাকরির শর্ত পূরণ না করেও আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে পাবলিক সার্ভিস কমিশনের (পিএসসি) সুপারিশ ছাড়াই বিসিএস ক্যাডার হিসেবে নিয়োগ পান ৯৫ জন। যার মধ্যে প্রশাসন ক্যাডারে যোগদান করেন মাইকেলের আপন বোন আসমাউল হুসনা লিজা। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) অনুসন্ধানে চিহ্নিত হওয়ার পরও প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন দপ্তরে বহাল রয়েছেন তিনি। ব্রাহ্মণবাড়িয়া বাঞ্ছারামপুরের খাল্লা গ্রামে তার বাড়ি। ঐ এলাকার এমপি ও তৎকালীন মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রী ক্যাপ্টেন এবি তাজুল ইসলাম তাজের সঙ্গে পারিবারিক সখ্যতা থেকে বাগিয়ে নেন দুই ভাই বোনের চাকরি। শুধু চাকরি নয়, চাকরিতে যোগদানের পরে দুজনেই দেশের লোভনীয় পোষ্টিংও বাগিয়ে নেন। সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের সাথে হাত মিলিয়ে বদলি বাণিজ্যে সফলতা পেয়ে মাইকেল মহিউদ্দিন হয়ে যান সাব-রেজিস্ট্রার জগতের গডফাদার। বিভিন্ন সময়ে আইন মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা ও মন্ত্রীর সাথে শুরু করেন সাব-রেজিস্টারের বদলী বাণিজ্য। স্বৈরাচার আওয়ামী লীগের সাবেক আইন মন্ত্রী আনিসুল হকের বাড়িও ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় হওয়ায় সহজেই গড়ে তোলেন বদলী বাণিজ্যের সাম্রাজ্য । এতে করে নিজের সাম্রাজ্য টিকিয়ে রাখতে টাকার বিনিময়ে দেশের বিভিন্ন শ্রেণীর মানুষের সাথে গড়ে তুলেন সখ্যতা । সর্বক্ষেত্রে তার অবৈধ অর্থ উপার্জনের শেল্টার দাতা ছিলেন আনিসুল হক। তিনি স্বেচ্ছায় আওয়ামী ধরনের সাব-রেজিস্টার হিসেবে পরিচয় দিতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করতেন। নিজের অবস্থান ঠিক রাখতে বিভিন্ন গণমাধ্যমে উচ্চ পর্যায়ের এক দুই জন সাংবাদিকদের সঙ্গে করেন সখ্যতা। এতে সরকারের কোন পর্যায়ের লোকজন তার দিকে আঙ্গুল তুললেই সাংবাদিকদের মাধ্যমে হয়রানি শুরু করেন। সাংবাদিকদের ভয় দেখিয়ে জিম্মি করে রাখেন বিভিন্ন সাব-রেজিস্টারদের। অবৈধ সম্পদের বিষয়ে জানতে মাইকেল মহিউদ্দিন আব্দুল্লাহকে ফোন করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি। উল্লেখ, এর আগে গত ১৩ এপ্রিল দুদকের চেয়ারম্যান বরাবর প্রধান কার্যালয়ে রমজান- মাইকেল চক্রের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে দুদকে অভিযোগ দিয়েছে রাফসান আল আলভী নামের সুপ্রিম কোর্টের এক আইনজীবী। এরপর থেকে সারাদেশে তোলপাড় সৃষ্টি হয়। সেখানে তিনি সাব- রেজিস্ট্রার বদলিতে শত শত কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগ তুলে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য দুদক চেয়ারম্যানের নিকট অনুরোধ জানান।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>https://www.dailypokkhokal.com/?feed=rss2&amp;p=15330</wfw:commentRss>
		</item>
	</channel>
</rss>
