<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/cloud/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	>

<channel>
	<title>Daily Pokkhokal</title>
	<link>https://www.dailypokkhokal.com</link>
	<description></description>
	<pubDate>Tue, 05 May 2026 19:44:35 +0000</pubDate>
	<generator>http://dotsilicon.com?v=19</generator>
	<language>en</language>
			<item>
		<title>রোমানিয়ায় অনাস্থা ভোটে সরকারের পতন, অর্থনীতি ও রাজনীতিতে অনিশ্চয়তা বাড়ছে</title>
		<link>https://www.dailypokkhokal.com/?p=15242</link>
		<comments>https://www.dailypokkhokal.com/?p=15242#comments</comments>
		<pubDate>Tue, 30 Nov 1999 00:00:00 +0000</pubDate>
		<dc:creator>pokkhokal</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[অর্থনীতি]]></category>

		<category><![CDATA[প্রধান খবর]]></category>

		<category><![CDATA[বিশ্ব সংবাদ]]></category>

		<guid isPermaLink="false">https://www.dailypokkhokal.com/?p=15242</guid>
		<description><![CDATA[<span class="feedimg"><img oncontextmenu="return false;" src="https://www.dailypokkhokal.com/cloud/archives/2026/05/fb_img_1778009853507-thumbnail.jpg" alt="" /></span>বিশ্ব সংবাদ:
ইউরোপীয় ইউনিয়নপন্থী জোট সরকারের পতনের মধ্য দিয়ে নতুন করে রাজনৈতিক অস্থিরতায় পড়েছে রোমানিয়া। মঙ্গলবার পার্লামেন্টে প্রধানমন্ত্রী ইলি বোলোজান-এর বিরুদ্ধে আনা অনাস্থা প্রস্তাব বিপুল ভোটে পাস হওয়ায় মাত্র ১০ মাসের মাথায় ভেঙে যায় সরকার।
দীর্ঘ বিতর্ক শেষে অনুষ্ঠিত ভোটে অনাস্থা প্রস্তাবের পক্ষে ২৮১ জন আইনপ্রণেতা ভোট দেন, বিপক্ষে ছিল মাত্র চার ভোট। এই ফলাফল দেশটির সাম্প্রতিক ...]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p>বিশ্ব সংবাদ:</p>
<p>ইউরোপীয় ইউনিয়নপন্থী জোট সরকারের পতনের মধ্য দিয়ে নতুন করে রাজনৈতিক অস্থিরতায় পড়েছে রোমানিয়া। মঙ্গলবার পার্লামেন্টে প্রধানমন্ত্রী ইলি বোলোজান-এর বিরুদ্ধে আনা অনাস্থা প্রস্তাব বিপুল ভোটে পাস হওয়ায় মাত্র ১০ মাসের মাথায় ভেঙে যায় সরকার।</p>
<p>দীর্ঘ বিতর্ক শেষে অনুষ্ঠিত ভোটে অনাস্থা প্রস্তাবের পক্ষে ২৮১ জন আইনপ্রণেতা ভোট দেন, বিপক্ষে ছিল মাত্র চার ভোট। এই ফলাফল দেশটির সাম্প্রতিক রাজনৈতিক বিভাজনের গভীরতাকেই সামনে নিয়ে এসেছে।</p>
<p>অনাস্থা প্রস্তাবটি উত্থাপন করে বামপন্থী সোশ্যাল ডেমোক্র্যাটিক পার্টি (পিএসডি) এবং কট্টর ডানপন্থী অ্যালায়েন্স ফর দ্য ইউনিটি অব রোমানিয়ান্স (এইউআর)। এর আগে এপ্রিলের শেষ দিকে পিএসডি জোট থেকে সমর্থন প্রত্যাহার করে নিলে সরকারের সংখ্যাগরিষ্ঠতা ভেঙে পড়ে।</p>
<p>ভোটাভুটিতে বোলোজানের দল ন্যাশনাল লিবারেল পার্টি (পিএনএল), জোটসঙ্গী ‘সেভ রোমানিয়া ইউনিয়ন’ এবং হাঙ্গেরীয় সংখ্যালঘু দল ইউডিএমআর ভোটদান থেকে বিরত থাকে—যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তোলে।</p>
<p>অর্থনৈতিক উদ্বেগ বাড়ছে</p>
<p>রাজনৈতিক এই অস্থিরতার সরাসরি প্রভাব পড়েছে অর্থনীতিতে। ভোটের আগেই ইউরোর বিপরীতে দেশটির মুদ্রা ‘লেউ’ রেকর্ড পরিমাণে অবমূল্যায়িত হয়। বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে—ইইউকে দেওয়া বাজেট ঘাটতি কমানোর প্রতিশ্রুতি আদৌ বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে কি না।</p>
<p>বিশ্লেষকরা বলছেন, সরকারের কৃচ্ছ্রসাধন নীতির কারণে সাধারণ জনগণ ও প্রভাবশালী গোষ্ঠীর মধ্যে অসন্তোষ বাড়ছিল, যা শেষ পর্যন্ত রাজনৈতিক সংকটে রূপ নেয়।</p>
<p>রাজনৈতিক সমীকরণে টানাপোড়েন</p>
<p>ক্ষমতায় আসার পর জোট সরকারের মূল লক্ষ্য ছিল কট্টর ডানপন্থীদের উত্থান ঠেকানো। কিন্তু পিএসডির সমর্থন ছাড়া সেই জোট ধরে রাখা সম্ভব হয়নি। একই সঙ্গে ডানপন্থী শক্তির জনপ্রিয়তা বৃদ্ধিও পিএসডিকে চাপের মুখে ফেলে।</p>
<p>যদিও জনমত জরিপে বোলোজান এখনো জোটের সবচেয়ে জনপ্রিয় নেতা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছেন।</p>
<p>অনাস্থা ভোটকে “নিন্দনীয় ও কৃত্রিম” আখ্যা দিয়ে বোলোজান বলেন, “দেশের স্বার্থে কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে। কিন্তু এখন প্রশ্ন—আগামীকাল থেকে রোমানিয়া কীভাবে চলবে? কোনও সুস্পষ্ট পরিকল্পনা কি আছে?”</p>
<p>সামনে কী?</p>
<p>বর্তমানে দায়িত্ব রয়েছে প্রেসিডেন্ট নিকুসোর দান-এর ওপর। তিনি নতুন প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ দেবেন এবং সম্ভাব্যভাবে দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা শুরু করবেন। ধারণা করা হচ্ছে, একটি টেকনোক্র্যাট সরকার বা নতুন নেতৃত্বে ইইউপন্থী জোট পুনর্গঠনের চেষ্টা হতে পারে।</p>
<p>পিএসডি ইতোমধ্যে ইঙ্গিত দিয়েছে—প্রধানমন্ত্রী পরিবর্তন করা হলে তারা আবার জোটে ফিরতে পারে। তবে পিএনএল এখনো সেই সম্ভাবনা নাকচ করেছে, যদিও দলটির ভেতরে সমঝোতার পক্ষে কিছু মতামত রয়েছে।</p>
<p>পিএসডি নেতা সোরিন গ্রিনডানু বলেন, “অনাস্থা ভোটের পরও রাজনৈতিক প্রক্রিয়া থেমে থাকে না। আমরা চাই স্থিতিশীলতা ফিরুক।”</p>
<p>সসর্বশেষ <img src="https://www.dailypokkhokal.com/cloud/archives/2026/05/fb_img_1778009853507-thumbnail.jpg" alt="---" /></p>
<p>রোমানিয়ার এই রাজনৈতিক পরিবর্তন শুধু অভ্যন্তরীণ নয়, পুরো ইউরোপীয় ইউনিয়ন অঞ্চলের অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার ওপরও প্রভাব ফেলতে পারে। এখন নজর থাকবে—নতুন নেতৃত্ব কত দ্রুত স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে পারে এবং অর্থনৈতিক আস্থা পুনর্গঠন করতে সক্ষম হয় কি</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>https://www.dailypokkhokal.com/?feed=rss2&amp;p=15242</wfw:commentRss>
		</item>
		<item>
		<title>দুর্নীতির বাদশা বিএডিসি ডিডি দীপক কুমার কি আইনের উর্ধ্বে</title>
		<link>https://www.dailypokkhokal.com/?p=15240</link>
		<comments>https://www.dailypokkhokal.com/?p=15240#comments</comments>
		<pubDate>Tue, 30 Nov 1999 00:00:00 +0000</pubDate>
		<dc:creator>pokkhokal</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[অপরাধ]]></category>

		<category><![CDATA[অর্থনীতি]]></category>

		<category><![CDATA[প্রধান খবর]]></category>

		<guid isPermaLink="false">https://www.dailypokkhokal.com/?p=15240</guid>
		<description><![CDATA[<span class="feedimg"><img oncontextmenu="return false;" src="https://www.dailypokkhokal.com/cloud/archives/2026/05/img-20260505-wa0015-thumbnail.jpg" alt="" /></span>এম এ মাইকেল:
বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন(বিএডিসি)তিন পার্বত্য জেলার দায়িত্বপ্রাপ্ত ডিডি দীপক কুমার দাস&#8217;র নজিরবিহীন অনিয়ম-দূর্নীতি ও দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত সম্পদের ফিরিস্তি নিয়ে &#8220;দুর্নীতির যুবরাজ খ্যাত বিএডিসি ডিডি দীপক এর নজিরবিহীন অনিয়ম-দূর্নীতি জাতীয় দৈনিক পক্ষকাল পত্রিকার অনলাইন ভার্সন ও প্রিন্ট ভার্সনে অনুসন্ধানী প্রতিবেদন গুলো ধারাবাহিক ভাবে প্রকাশিত হয়ে আসছে। নজিরবিহীন অনিয়ম দুর্নীতির  ধারাবাহিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হওয়ার ...]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p>এম এ মাইকেল:<img src="https://www.dailypokkhokal.com/cloud/archives/2026/05/img-20260505-wa0015-thumbnail.jpg" alt="---" /></p>
<p>বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন(বিএডিসি)তিন পার্বত্য জেলার দায়িত্বপ্রাপ্ত ডিডি দীপক কুমার দাস&#8217;র নজিরবিহীন অনিয়ম-দূর্নীতি ও দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত সম্পদের ফিরিস্তি নিয়ে &#8220;দুর্নীতির যুবরাজ খ্যাত বিএডিসি ডিডি দীপক এর নজিরবিহীন অনিয়ম-দূর্নীতি জাতীয় দৈনিক পক্ষকাল পত্রিকার অনলাইন ভার্সন ও প্রিন্ট ভার্সনে অনুসন্ধানী প্রতিবেদন গুলো ধারাবাহিক ভাবে প্রকাশিত হয়ে আসছে। নজিরবিহীন অনিয়ম দুর্নীতির  ধারাবাহিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হওয়ার পর দুর্নীতির যুবরাজ খ্যাত বিএডিসি ডিডি দীপক কুমার দাস নিজের অনিয়ম দুর্নীতির গড্ডা ছুটাতে ব্যতিব্যস্ত হয়ে পড়েন।সেই ব্যতিব্যস্ততার অংশ হিসেবে নিজের ব্যক্তিগত ব্যবহার&#8217;র এক্স করোলা  মডেলের গাড়ির মালিকানা রাতারাতি পরিবর্তন করতে সক্ষম হন।এমনকি নিজের অনিয়ম দুর্নীতির প্রকাশিত সংবাদ ধামাচাপা দেওয়ার জন্য বিএডিসি ঊর্ধ্বতন  কর্মকর্তাদের যেকোনো মূল্যে ম্যানেজ করার অপচেষ্টায় ব্যতিব্যস্ত যাহা নিয়ে বিএডিসি প্রধান কার্যালয় ও তিন পার্বত্য জেলার বিএডিসি কর্মকর্তা কর্মচারীদের মাঝে নিরব ক্ষোভ বিরাজ করছে বলে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বান্দরবান জেলা বিএডিসি কার্যালয়&#8217;র কয়েকজন এই প্রতিবেদককে জানান বিএডিসি প্রধান কার্যালয়ের &#8220;আ&#8221; অক্ষর&#8217;র একজন পরিচালক দীপক কুমার দাস কে রক্ষায় কাজ করে যাচ্ছেন যাহা সরকারি চাকরি বিধি-বিধানের সাথে সাংঘর্ষিক। প্রশ্ন হলো মহা দুর্নীতিবাজ ডিডি দীপক কুমার দাস কি আইনের উর্ধ্বে? বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএডিসি) দেশের কৃষিখাতের উন্নয়নের সাথে অঙ্গাঅঙ্গিক ভাবে জড়িত। কিন্তু কিছু অসাধু কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের কারনে দুর্নীতির কবলে বিএডিসি। বিভিন্ন অনুসন্ধানে এমন চিএ এখন সবার সামনে উন্মুক্ত। এইবার বেরিয়ে আসলো বান্দরবান খাগড়াছড়ি রাঙ্গামাটি তিন পার্বত্য জেলার দায়িত্বপ্রাপ্ত দুর্নীতির যুবরাজ খ্যাত ডিডি দীপক কুমার দাস&#8217;র নজিরবিহীন অনিয়ম দুর্নীতি ও দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত নামে বেনামে বিপুল সম্পদ গড়ে তোলার অভিযোগ।অভিযোগের সূত্র ধরে অনুসন্ধানে গিয়ে পাওয়া দুর্নীতির যুবরাজ ডিডি দীপক কুমার দাস&#8217;র অনিয়ম দুর্নীতি ও দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত সম্পদের ফিরিস্তির চুম্বক অংশ কৃষি মন্ত্রণালয়&#8217;র দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী,বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএডিসি চেয়ারম্যান) দুর্নীতি দমন কমিশন ও পাঠকদের মাঝে তুলে ধরা হলো।</p>
<p>ব্যক্তি জীবনে ডিডি দীপক কুমার দাস,স্ত্রী দীপ্ত রানী দাস,এক ছেলে ও এক মেয়ের জনক,গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রাম জেলার মিরসরাই উপজেলায়। ডিডি দীপক কুমার দাস&#8217;র অনিয়ম দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত সম্পদের আংশিক ফিরিস্তি,চট্টগ্রাম শহরে কয়েক কোটি টাকা মূল্যের আলিশান ফ্লাট,ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য রয়েছে করলা এক্স মডেলের গাড়ি,ব্যক্তিগত গাড়িটি নিবন্ধন করা ড্রাইভার হামিম ওরফে ভাগিনা হামিম&#8217;র নামে,স্বর্ণ ব্যবসায় শতকরা ৭% লভ্যাংশ হারে বিপুল পরিমাণ অর্থ লগ্নী,বান্দরবানের বালাঘাটায় প্রিয়তমা স্ত্রী দীপ্তি দাসের নামে ছয়(৬)একর এর টিলা,বান্দরবান জেলা ট্রাক মালিক সমিতির সভাপতি বাদশা মিয়ার মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে কুড়িটি(২০) ট্রাক।এমনকি নামে বেনামে বিভিন্ন ব্যাংকে বিপুল পরিমাণ অর্থ ছাড়াও তিন পার্বত্য জেলা এবং চট্টগ্রাম শহর ও মিরসরাই এলাকায় রয়েছে অঢেল সম্পদ। অনুসন্ধানে জানা যায় দীপক কুমার দাস দীর্ঘ কুড়ি বছর ধরে পার্বত্য জেলাগুলোতে চাকরি করার সুবাদে সরকারের কাড়ি কাড়ি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার জন্য গড়ে তুলেছেন অনিয়ম দুর্নীতির বিশাল সিন্ডিকেট সাম্রাজ্য,তিন পার্বত্য জেলার বিএডিসির সকল অনিয়ম দুর্নীতির অধিপতি হলেন দুর্নীতির যুবরাজ খ্যাত ডিডি দীপক কুমার দাস।</p>
<p>অনুসন্ধানে আরো যায় ডিডি দীপক কুমার দাস পার্বত্য জেলাগুলোর নার্সারি প্রকল্পের বরাদ্দকৃত টাকা সূচতুরতার সাথে আত্মসাৎ করার কাজে সিদ্ধহস্ত।পার্বত্য জেলাগুলোর কৃষকদের মাঝে কাজুবাদামের চারা বিনামূল্যে বিতরণের কথা থাকলেও ফটোসেশন&#8217;র জন্য অতি অল্প সংখ্যক কৃষকের মাঝে যৎসামান্য কিছু চারা বিতরণ করে বাকি সবগুলো কাজুবাদামের চারা স্থানীয় নার্সারি মালিকদের কাছে বিক্রি করে কাড়ি কাড়ি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ করেন স্থানীয় কৃষকরা। ডিডি দীপক কুমার দাসের বিরুদ্ধে আরো অভিযোগ নারিকেলের চারা উৎপাদন প্রকল্পে চারা নষ্ট দেখিয়ে পুরো প্রকল্পের টাকাই আত্মসাৎ করেছেন বলে বিএডিসি বান্দরবান রাঙ্গামাটি খাগড়াছড়ি সূত্র জানায়। এছাড়াও খাগড়াছড়ি জেলার নার্সারি প্রকল্প (এসি প্রকল্প) সরকারি ১৫ একর জায়গা প্রতি মাসে দুই (২) লক্ষ টাকায় লিজ দিয়ে পুরো টাকা নিজের ব্যক্তিগত কোষাগার সমৃদ্ধ করে আসছেন দীর্ঘ বছর থেকে যাহা সাগর চুরির শামিল।অনুসন্ধানে আরো জানা যায় বিগত আওয়ামী লীগের শেষ সময়ে দুর্নীতির যুবরাজ খ্যাত ডিডি দীপক কুমার দাস কে অন্যত্র বদলি করার পর বিএডিসি তৎকালীন পরিচালক ( ৫ ই আগস্ট-০২৪ পরবর্তী সময় অনিয়ম দুর্নীতির দায়ে চাকরিচ্যুত) মোস্তাফিজ রহমান কে মোটা অংকের উৎকোচ দিয়ে বদলির অডার বাতিল করেন বলে বিএডিসি একাধিক সূত্র জানায়।বিএডিসি অন্য একটি সূত্র জানার থেকে জানা যায় রাঙ্গামাটি পার্বত্য চট্টগ্রাম খাগড়াছড়ি জেলা গুলোতে প্রধান কার্যালয় থেকে তদন্ত আসার পর দুর্নীতির যুবরাজ খ্যত দীপক কুমার দাস তদন্ত কর্মকর্তাদের বিভিন্ন মনোরঞ্জনের মাধ্যমে তদন্ত প্রতিবেদন নিজের পক্ষে ভাগিয়ে নেওয়ার কাজে সিদ্ধহস্ত যাহা ৫ ই আগস্ট-০২৪ পরবর্তী সময় থেকে বর্তমান নির্বাচিত সরকারের সময়ও তিনি করে যাচ্ছেন দক্ষতার সাথে। বিএডিসি পার্বত্য অঞ্চলের এক সূত্র জানায় দুর্নীতির যুবরাজ খ্যাত ডিডি দীপক কুমার দাস তিন পার্বত্য জেলায় নিজের অতীতের ন্যায় নিজের অনিয়ম দুর্নীতির সাম্রাজ্য টিকিয়ে রাখার জন্য বর্তমানে চট্টগ্রাম জোন&#8217;র এক উপ-পরিচালকের সান্নিধ্য পাওয়ার জন্য ব্যতিব্যস্ত রয়েছেন। এছাড়াও দীপক সরকারি জ্বালানি ব্যবহার করে তার নামে বরাদ্দকৃত গাড়ি গুলো তার পরিবারের সদস্যরা ব্যবহার করছেন বলে একাধিক সূত্র জানায়।</p>
<p>পরবর্তীতে নজিরবিহীন অনিয়ম দুর্নীতি ও দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত নামে বেনামে বিপুল সম্পদের বিষয়ে জানতে তিন পার্বত্য জেলার দায়িত্বপ্রাপ্ত ডিডি দীপক কুমার দাস&#8217;র ব্যবহৃত মুঠোফোনে একাধিক বার ফোন দিয়ে এবং খুদে বার্তা পাঠানোর হলেও কোন সাড়া পাওয়া যায়নি।</p>
<p>তিন পার্বত্য জেলার দায়িত্বপ্রাপ্ত ডিডি দীপক কুমার দাস&#8217;র নজিরবিহীন অনিয়ম দুর্নীতি ও দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত নামে বেনামে বিপুল সম্পদের বিষয়ে দুর্নীতি দমন কমিশন দুদক জনসংযোগ কর্মকর্তা (সহকারী পরিচালক)মো: তানজির আহমেদ প্রতিবেদককে বলেন অভিযোগ পেলে তদন্তের মাধ্যমে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>https://www.dailypokkhokal.com/?feed=rss2&amp;p=15240</wfw:commentRss>
		</item>
		<item>
		<title>এখনো বহাল তবিয়তে সাবেক নৌ প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ&#8217;র আস্থাভাজন দুর্নীতিবাজ ছাইদুর রহমান</title>
		<link>https://www.dailypokkhokal.com/?p=15238</link>
		<comments>https://www.dailypokkhokal.com/?p=15238#comments</comments>
		<pubDate>Tue, 30 Nov 1999 00:00:00 +0000</pubDate>
		<dc:creator>pokkhokal</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[অপরাধ]]></category>

		<category><![CDATA[অর্থনীতি]]></category>

		<category><![CDATA[প্রধান খবর]]></category>

		<guid isPermaLink="false">https://www.dailypokkhokal.com/?p=15238</guid>
		<description><![CDATA[<span class="feedimg"><img oncontextmenu="return false;" src="https://www.dailypokkhokal.com/cloud/archives/2026/05/img-20260505-wa0019-thumbnail.jpg" alt="" /></span>প্রবাসী সাংবাদিক এ. রাজীব:
বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক নৌ পরিবহন প্রতিমন্ত্রী দুর্নীতিবাজ খালিদ মাহমুদ চৌধুরীর ঘনিষ্ঠ সহচর ও বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষ বিআইডব্লিউটিএ অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী(পুর) ড্রেজিং বিভাগ ছাইদুর রহমান এর নজিরবিহীন অনিয়ম দুর্নীতির বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এ নতুন করে বিআইডব্লিউটিএ কর্মকর্তা&#8217;রঅভিযোগ। দুদক অভিযোগ সূত্রে জানা যায়  বিআইডব্লিউটিএ বাংলাদেশ সরকারের একটি সায়াত্ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠান। ...]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p>প্রবাসী সাংবাদিক এ. রাজীব:<img src="https://www.dailypokkhokal.com/cloud/archives/2026/05/img-20260505-wa0019-thumbnail.jpg" alt="---" /></p>
<p>বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক নৌ পরিবহন প্রতিমন্ত্রী দুর্নীতিবাজ খালিদ মাহমুদ চৌধুরীর ঘনিষ্ঠ সহচর ও বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষ বিআইডব্লিউটিএ অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী(পুর) ড্রেজিং বিভাগ ছাইদুর রহমান এর নজিরবিহীন অনিয়ম দুর্নীতির বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এ নতুন করে বিআইডব্লিউটিএ কর্মকর্তা&#8217;রঅভিযোগ। দুদক অভিযোগ সূত্রে জানা যায়  বিআইডব্লিউটিএ বাংলাদেশ সরকারের একটি সায়াত্ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠান। এই প্রতিষ্ঠানে দীর্ঘদিন ধরে কতিপয় কর্মকর্তা মিলে একটি শক্তিশালী দুর্নীতির সিন্ডিকেট গড়ে তুলছে। বিগত আওয়ামীলীগ সরকারের আমলে সরকারের দায়িত্বপ্রাপ্ত তৎকালীন নৌপরিবহন মন্ত্রীকে ম্যানেজ করে লুটপাট চালাতো সিন্ডিকেটটি। এই সিন্ডিকেটের মূল হোতা</p>
<p>অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী (পুর), ড্রেজিং বিভাগ ছাইদুর রহমান ও তার সিন্ডিকেট দুর্নীতিপরায়ণ কর্মকর্তাগণ পরস্পর যোগসাযোশে একের পর এক কয়েক হাজার কোটি টাকার প্রকল্প হাতে নিয়েছেন। ঘুরে ফিরে এরা এবং এদের গৃহপালিত কর্মকর্তাদেরকে প্রকল্প পরিচালক বানিয়ে কাজ না করেই হাজার হাজার কোটি টাকা লুটপাট করে নিয়েছে।</p>
<p>সাবেক নৌপরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খান এবং খালিদ মাহমুদ চৌধুরীকে নির্দিষ্ট অংশের লভ্যাংশ দিয়ে তারা এমন প্রকল্প নিয়েছে। আওয়ামীলীগের সাবেক এই দুই মন্ত্রী শুধু বিআইডব্লিউটিএ থেকেই প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকা পকেটে ঢুকিয়েছেন। প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হলেও অবৈধভাবে প্রকল্পের মেয়াদ এবং টাকার পরিমাণ বাড়িয়েছে ইচ্ছামতো। বিআইডব্লিউটিএ’র প্রকল্প যেন এদের টাকার কুমির হওয়ার প্রকল্প।</p>
<p>এই সিন্ডিকেটের অন্যতম সদস্য সাবেক নৌ পরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরীর আস্থাভাজন অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী (পুর) ছাইদুর রহমান&#8217;র কুকীর্তির ফিরিস্তি:</p>
<p>বিআইডব্লিউটিএ’র তিনটি ড্রেজার সংগ্রহ প্রকল্প, দশ ড্রেজার ক্রয় ও সংগ্রহ প্রকল্প, ৩৫ ড্রেজার ও আনুসঙ্গিক জলযান ক্রয় ও সংগ্রহ প্রকল্প প্রায় ১২,০০০ কোটি টাকার উচ্চমূল্যের চুক্তি ইউরোপ আমেরিকার সাথে করা হলেও ড্রেজার /পাইপ/ইঞ্জিন/স্পেয়ার পার্টস গুলোয় কম মূল্যে এবং অত্যন্ত নিম্নমানের দেশীয় প্রযুক্তিতে, দেশীয় ডক ইয়ার্ড হতে অত্যন্ত সুপরিকল্পিতভাবে কৌশলে সংগ্রহ করা হয়েছে। এই প্রকল্প হতে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের সাথে যোগসাজসে হাজার কোটি টাকা এলসি খুলে দুর্নীতির মাধ্যমে বিদেশে পাচার করছে। এই বিশাল অংকের দুর্নীতির টাকার একটা অংশ ছাড়া সংস্থার ড্রেজারগুলো পরিচালনা ও মেরামত খাত থেকে ড্রেজার বেইসের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রকৌশলীরা ২০১৪ সাল থেকে ২০২৪ সালের ৫ ই আগস্ট পর্যন্ত ১০ বছরে অন্তত ১০০ কোটি টাকা লোপাট করেছে যার ২০ শতাংশ পেয়েছেন বিআইডব্লিউটিএ দুর্নীতির সিন্ডিকেটের বড় কর্তারা।</p>
<p>ড্রেজার ক্রয়ের টেন্ডারে আমেরিকা-নেদারল্যান্ডসের সাথে দেশীয় ব্যবসায়ী জয়েন্ট ভেঞ্চার চুক্তি করে পরবর্তীতে পিএসআই করে জোড়াতালি/ গোঁজামিলের রিপোর্ট তৈরী করে দেশীয় অত্যন্ত নিম্নমানের ড্রেজার সংগ্রহ করে।</p>
<p>ছাইদুর রহমানের ফিরিস্তি:</p>
<p>ড্রেজিং শাখার অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী ছাইদুর রহমান। ছাইদুর রহমান প্রকাশ্যে ঘুষ লেনদেন এবং ক্ষমতার অপব্যবহারসহ সব ধরনের অনিয়ম-দুর্নীতির সাথে সম্পৃক্ত আছেন। শুধু তাই নয়, এই সংঘবদ্ধ চক্র বিভিন্ন প্রকল্পের শত শত কোটি টাকা আত্নসাৎ করে নিজেদের নামে-বেনামে বাড়ি-ফ্ল্যাট, মার্কেট, গাড়ির শো-রুমসহ প্রচুর ধন সম্পদের মালিক হয়েছেন। প্রত্যেকেই বিআইডব্লিউটিএ&#8217;তে টাকার মেশিন হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছেন। তাদের প্রত্যেকের বিরুদ্ধে দুদকের অনুসন্ধান চলমান। কিন্তু দুদক তাদের সম্পদবিবরণী এবং বিভিন্ন অনিয়ম-দুর্নীতির মাধ্যমে জ্ঞাত আয়ের সঠিক হিসাব না পাওয়ায় অনুসন্ধানের গতি ঢিলেঢালাভাবে চলছে। অভিযুক্তরা দুদকের অনুসন্ধানী টিমকে চ্যালেঞ্জ এবং বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়ে মামলা থেকে রক্ষা পেতে বিভিন্ন তদবিরে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন। আবার তারা এটাও বলছেন যে, দুদকের অনুসন্ধানী টিমকে তাদের সম্পদের হিসাব বিবরণী জমা দিয়েছেন। কিন্তু দুদক অনুসন্ধান শেষ করতে গড়িমসি করছে।</p>
<p>ভোগাই ও কংস নদ খননের নামে টাকা আত্নসাতের অনুসন্ধান এবং রেকর্ডপত্র স্থগিত করার জন্য জোর চেষ্টা চালিয়েছেন ছাইদুর। এজন্য তিনি দুদকের অনুসন্ধানী টিমকে ম্যানেজ করার জন্য নানাভাবে পায়তারা করছেন। সূত্রমতে, বিআইডব্লিউটিএ&#8217;র ড্রেজিং বিভাগের দায়িত্বে থাকা অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী ছাইদুর রহমান বিআইডব্লিউটিএ&#8217;র ১৩৪ কোটি টাকা আত্নসাতের মাস্টারমাইন্ড ছিলেন। অজ্ঞাত কারণে দুদকের অনুসন্ধান কার্যক্রম থেমে আছে। একের পর এক তদন্ত কর্মকর্তা বদল করা হচ্ছে। দুদক শেষ পর্যন্ত তার বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নিবে না এবং অভিযোগ থেকে অব্যহতি পাবেন- এই আত্নবিশ্বাসে বিআইডব্লিউটিএ&#8217;র অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী ছাইদুর রহমান বেপরোয়া হয়ে উঠছেন। তিনি একক আধিপত্য বিস্তার করেছেন ড্রেজিং বিভাগে।</p>
<p>ছাইদুর রহমানের ঈশারায় চলছে ড্রেজিং বিভাগের সব টেন্ডার বাণিজ্য। তার সিন্ডিকেট এতোই শক্তিশালী যে, সেখানে নির্ধারিত ঠিকাদার ছাড়া অন্য ঠিকাদার কাজ পাওয়ার সুযোগ নেই। ২০২০ সালে অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী ছাইদুর রহমান, তার স্ত্রী শামিমা আক্তার এর সম্পদ বিবরণী চাওয়া হয়। চার বছরেও তাদের হিসেব বিবরণীর কাজ শেষ হয়নি। দুদকের দায়ের করা মামলা থেকে বাঁচতে ২০১৭ সালে তার জীবিত বাবাকে মৃত দাবি করেন। তিনি জীবিত পিতাকে মৃত দেখিয়ে উত্তরাধিকার সূত্রে বাবার সম্পদের মালিক দাবি করে ছিলেন। তার এই মিথ্যা অপকৌশল এবং জঘন্য অপরাধ শুধু নিজে ভালো থাকার জন্য বেছে নিয়েছিলেন। জানা যায়, কুড়িগ্রাম জেলার বেনগাছা উপজেলার মুক্তারপুর গ্রামে ১৯৭৩ সালে ১০ জুন ছাইদুর রহমান একটি মধ্যবিত্ত পরিবারে জন্ম গ্রহণ করেন। বর্তমানে তিনি রাজধানীর ৫৫/৫৬ সিদ্ধেশ্বরীর ৪/এ আমিনাবাদ হাউজিং এ নিজের কেনা ফ্ল্যাটে বসবাস করেন। খিলগাঁওয়ের ২৫/বি, এম ডব্লিউ মানামা হাইটস&#8217;র ৮ম তলায় ১৮০০ বর্গফুটের একটি অত্যাধুনিক ফ্ল্যাটও রয়েছে ছাইদুর রহমানের। কুড়িগ্রাম শহরেও ৫০ কোটি টাকা খরচ করে রড-সিমেন্টের একটি বড় দোকান করেছেন ছাইদুর রহমান। দোকানটি পরিচালনা করেন ছাইদুর রহমানের ভাই আব্দুল আলীম। এছাড়া ছাইদুর রহমানের আরেক ভাই এস এম তৌফিকুর রহমানের নামে গর্বোরদোলা, বড়পুলের পাড়, কাঁঠালবাড়ী, কুড়িগ্রামে মেসার্স এম.টি আর ব্রিকস নামে আধুনিক ইটের ভাটা তৈরি করেছেন।</p>
<p>উল্লেখ্য,সাবেক নৌ প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরীর অতি প্রিয়ভাজন কর্মকর্তা অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী ছাইদুর রহমান (বঙ্গবন্ধু পরিষদ বিআইডব্লিউটিএর সভাপতি) স্বৈরাচার আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে শেখ হাসিনার চেয়েও বেশি আওয়ামী লীগার হয়ে পড়েছিলেন। আর এর সুবাদে দুই হাতে নজিরবিহীন অনিয়ম দুর্নীতির মাধ্যমে অফুরন্ত টাকা কামিয়েছেন সাইদুর রহমান গংরা। তবে অবাক করা বিষয় জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকার গঠনের পর নড়েচড়ে বসতে শুরু করছে এই সিন্ডিকেটটি এবং রাতারাতি মুজিব বন্দনা জার্সি বদল করে জাতীয়তাবাদী দলের জার্সি গায়ে জড়িয়ে নিজেদের অতীতের অনিয়ম-দূর্নীতি ধামা চাপা দেওয়ার জন্য  এখন ভয়ে বিভিন্ন প্রকল্প সরকারের কাছে সমর্পন করে সাধু সাজারও চেষ্টা করছেন।</p>
<p>এমতাবস্থায় বর্তমান সরকারের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করার জন্য উক্ত সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে নিরপেক্ষ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য দাবি জানান বিআইডব্লিউটিএ প্রধান কার্যালয়ে কর্মরত দেশ প্রেমিক সৎ কর্মকর্তা কর্মচারীরা। পরবর্তীতে এই সকল অভিযোগের বিষয়ে বিআইডব্লিউটিই অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী(পুর) ছাইদুর রহমানের ব্যবহৃত (বাংলালিংক) মুঠোফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে মুঠোফোন নম্বরটি বন্ধ পাওয়া যায়।</p>
<p>চলবে,,,,,,</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>https://www.dailypokkhokal.com/?feed=rss2&amp;p=15238</wfw:commentRss>
		</item>
		<item>
		<title>রূপগঞ্জে পুলিশের উপর হামলা চালিয়ে হাতকড়াসহ আসামী ছিনতাই  ওসিসহ ৬ পুলিশ আহত ৭রাউন্ড ফাঁকা গুলিবর্ষণ  গ্রেফতার-১২</title>
		<link>https://www.dailypokkhokal.com/?p=15236</link>
		<comments>https://www.dailypokkhokal.com/?p=15236#comments</comments>
		<pubDate>Tue, 30 Nov 1999 00:00:00 +0000</pubDate>
		<dc:creator>pokkhokal</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[অপরাধ]]></category>

		<category><![CDATA[প্রধান খবর]]></category>

		<guid isPermaLink="false">https://www.dailypokkhokal.com/?p=15236</guid>
		<description><![CDATA[<span class="feedimg"><img oncontextmenu="return false;" src="https://www.dailypokkhokal.com/cloud/archives/2026/05/img-20260505-wa0020-thumbnail.jpg" alt="" /></span>এম এ মাইকেল:
নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার চনপাড়া পুনর্বাসন কেন্দ্র এলাকার বাসিন্দা হত্যা, মাদক ও অস্ত্রসহ ডজনখানেক মামলার পলাতক আসামী শামীম মিয়াকে (৪২) গ্রেফতারের পর দুর্বৃত্তরা ছিনিয়ে নিয়েছে। গতকাল ৫মে মঙ্গলবার ভোর সাড়ে ৫টায় দুর্বৃত্তরা পুলিশের উপর হামলা চালিয়ে তাদের অবরুদ্ধ করার পর এ ঘটনা ঘটে। শামীম মিয়া চনপাড়া পুনর্বাসন কেন্দ্রের ৮নম্বর ওয়ার্ডের আব্দুল খালেদের ছেলে। শামীম ...]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p>এম এ মাইকেল:<img src="https://www.dailypokkhokal.com/cloud/archives/2026/05/img-20260505-wa0020-thumbnail.jpg" alt="---" /></p>
<p>নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার চনপাড়া পুনর্বাসন কেন্দ্র এলাকার বাসিন্দা হত্যা, মাদক ও অস্ত্রসহ ডজনখানেক মামলার পলাতক আসামী শামীম মিয়াকে (৪২) গ্রেফতারের পর দুর্বৃত্তরা ছিনিয়ে নিয়েছে। গতকাল ৫মে মঙ্গলবার ভোর সাড়ে ৫টায় দুর্বৃত্তরা পুলিশের উপর হামলা চালিয়ে তাদের অবরুদ্ধ করার পর এ ঘটনা ঘটে। শামীম মিয়া চনপাড়া পুনর্বাসন কেন্দ্রের ৮নম্বর ওয়ার্ডের আব্দুল খালেদের ছেলে। শামীম মিয়া রূপগঞ্জ উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক। গতকাল মঙ্গলবার বিকেল ৫টা পর্যন্ত চনপাড়ায় পুলিশের অভিযান অব্যাহত ছিল।</p>
<p>এঘটনায় দুর্বৃত্তদের হামলায় রূপগঞ্জ থানার ওসিসহ ৬ পুলিশ আহত হয়েছে। আহতরা হচ্ছে রূপগঞ্জ থানার ওসি এএইচএম সালাউদ্দিন, এসআই রৌশন আলী, এসআই সিরাজুল ইসলাম, এসআই নাজিম উদ্দিন, কনস্টেবল আব্দুস সামাদ, শাহদাৎ হোসেনকে রূপগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।</p>
<p><span style="white-space: normal"><span style="white-space: pre">	</span>আসামী ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে ১২জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃতরা হচ্ছে হত্যা, মাদক ও অস্ত্রসহ ডজনখানেক  মামলার পলাতক আসামী শামীম মিয়ার স্ত্রী সাথী আক্তার (৩১) চনপাড়া পুনর্বাসন কেন্দ্রের গোলাম কিবরিয়া (৩৬), দাদন মিয়া (৫১), ইমরান হোসেন (৩০), সাব্বির হোসেন (১৮), ইউনুস আলী (৩০), ইউসুফ মিয়া (৩৫), সুমন মিয়া (২৬), শফিকুল ইসলাম (২২), আজগর আলী (২৫), রুহুল আমীন (২৬) ও আফছার উদ্দিন (৪২)।</span></p>
<p>পুলিশ জানায়, গতকাল মঙ্গলবার ভোর পাঁচটার দিকে রূপগঞ্জের চনপাড়া পূর্নবাসন কেন্দ্রে রূপগঞ্জ থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে হত্যা, মাদক ও অস্ত্রসহ ডজনখানেক মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত পলাতক আসামী শামীম মিয়াকে তার বসতঘর থেকে গ্রেফতার করে। বিষয়টি মূহুর্তের মধ্যেই চনপাড়া পুনর্বাসন কেন্দ্র এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। শামীম মিয়ার সমর্থক ও দুর্বৃত্তরা মিছিল করে রাম দা, লোহার রড, ছোরা, লাঠিসোঁটাসহ দেশীয় অস্ত্রেশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে পুলিশ সদস্যদের ঘেরাও করে অবরুদ্ধ করে ফেলে। একপর্যায়ে দুর্বৃত্তরা পুলিশের উপর চড়াও হয়। হামলাকারীরা পুলিশের গাড়ি অবরুদ্ধ করে। পুলিশের পিকআপ ভ্যানের চাকা কেটে দেয়। পুলিশ সদস্যদের সঙ্গে তারা হাতাহাতি করে। শামীম মিয়ার অনুসারী ও দৃর্বৃত্তরা  সংঘবদ্ধ হয়ে পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে পুলিশের ব্যবহৃত একটি ওয়াকিটকি, দুইটি মোবাইল ফোনসহ আটক শামীম মিয়াকে হাতকড়াসহ ছিনিয়ে নেয়। ভাংচুর করা হয় পুলিশের ব্যবহৃত গাড়ি।</p>
<p>খবর পেয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অতিরিক্ত সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে ৭ রাউন্ড ফাঁকা গুলিবর্ষণ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। অবরুদ্ধ পুলিশ সদস্যদের উদ্ধার করে। গতকাল মঙ্গলবার সকালে অভিযান চালিয়ে শামীম মিয়ার স্ত্রী সাথী আক্তারসহ ১২ জনকে আটক করা হয়। চনপাড়া পুনর্বাসন কেন্দ্র এলাকায় অতিরিক্তি পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।</p>
<p>নারায়ণগঞ্জ জেলা সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মেহদী ইসলাম বলেন, হামলায় রূপগঞ্জ থানার ওসি এএইচএম সালাউদ্দিনসহ ৬ পুলিশ সদস্য আহত হয়েছে। পরে পুলিশ, র‌্যাব, গোয়েন্দা পুলিশ অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত পলাতক আসামী শামীম মিয়ার স্ত্রী সাথী আক্তারসহ ১২ জনকে গ্রেফতার করে।</p>
<p>রূপগঞ্জ থানার এসআই ইউনুস আলী খান বাদী হয়ে পুলিশের উপর হামলা, সরকারিকাজে বাঁধা প্রদান ও সরকারি মালামাল ক্ষয়ক্ষতির অভিযোগে ৪০ জনকে নামীয় ও অজ্ঞাত ১৫০/২০০ জনকে আসামি করে রূপগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃতদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>https://www.dailypokkhokal.com/?feed=rss2&amp;p=15236</wfw:commentRss>
		</item>
		<item>
		<title>চান্দিনায় গৃহবধূ অপহরণ ও সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ, ৪ যুবক আটক</title>
		<link>https://www.dailypokkhokal.com/?p=15234</link>
		<comments>https://www.dailypokkhokal.com/?p=15234#comments</comments>
		<pubDate>Tue, 30 Nov 1999 00:00:00 +0000</pubDate>
		<dc:creator>pokkhokal</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[অপরাধ]]></category>

		<category><![CDATA[জেলার খবর]]></category>

		<guid isPermaLink="false">https://www.dailypokkhokal.com/?p=15234</guid>
		<description><![CDATA[<span class="feedimg"><img oncontextmenu="return false;" src="https://www.dailypokkhokal.com/cloud/archives/2026/05/img-20260504-wa0014-thumbnail.jpg" alt="" /></span>নিজস্ব প্রতিনিধি:
কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলা এলাকায় স্বামীকে মারধর করে আটকে রেখে এক গৃহবধূকে (২১) অপহরণ করে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে চার যুবককে আটক করেছে চান্দিনা থানা পুলিশ।
সোমবার (৪ মে ২০২৬) ভোরে উপজেলার কামারখোলা গ্রামে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রোববার রাত আনুমানিক ১১টার দিকে ওই ...]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p>নিজস্ব প্রতিনিধি:</p>
<p>কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলা এলাকায় স্বামীকে মারধর করে আটকে রেখে এক গৃহবধূকে (২১) অপহরণ করে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে চার যুবককে আটক করেছে চান্দিনা থানা পুলিশ।</p>
<p>সোমবার (৪ মে ২০২৬) ভোরে উপজেলার কামারখোলা গ্রামে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।</p>
<p>পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রোববার রাত আনুমানিক ১১টার দিকে ওই দম্পতি মাদারপুর গ্রাম থেকে হেঁটে বাড়ি ফিরছিলেন। পথে কামারখোলা-এওয়াজবন্দ সড়কের একটি নির্জন স্থানে আগে থেকে ওত পেতে থাকা কয়েকজন দুর্বৃত্ত তাদের গতিরোধ করে। এ সময় স্বামীকে মারধর করে আটকে রেখে জোরপূর্বক গৃহবধূকে তুলে নিয়ে যায় তারা।<img src="https://www.dailypokkhokal.com/cloud/archives/2026/05/img-20260504-wa0014-thumbnail.jpg" alt="---" /><img src="https://www.dailypokkhokal.com/cloud/archives/2026/05/img-20260504-wa0014-thumbnail.jpg" alt="---" /></p>
<p>অভিযোগ রয়েছে, রাতভর ওই গৃহবধূকে পালাক্রমে ধর্ষণ করা হয়। ভোরে স্বামী স্ত্রীকে ফেরত চাইলে অভিযুক্তরা উল্টো এক লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। পরে ভুক্তভোগীর স্বামী আত্মীয়-স্বজনদের জানিয়ে জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ কল দিলে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে।</p>
<p>চান্দিনা থানা-অফিসার ইনচার্জ আতিকুর রহমানের নির্দেশনায় এএসআই লক্ষণ চন্দ্র দাস সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ভোর ৫টার দিকে অভিযান চালিয়ে ঘটনাস্থল থেকে চারজনকে আটক করে। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে অন্যান্য অভিযুক্তরা পালিয়ে যায়।</p>
<p>আটককৃতরা হলেন—মো. মেহেদী হাসান তারেক (২৪), মো. আরিফ (৩৪), মো. ইসমাইল (৩৭) এবং মো. আশিক (৩১)। পুলিশ জানায়, আটককৃতদের থানায় জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। ভুক্তভোগীকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। এ ঘটনায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং পলাতক আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>https://www.dailypokkhokal.com/?feed=rss2&amp;p=15234</wfw:commentRss>
		</item>
		<item>
		<title>ভারত থেকে গরু আমদানি অনুমোদন; আসল তথ্য জানালো মন্ত্রণালয়</title>
		<link>https://www.dailypokkhokal.com/?p=15232</link>
		<comments>https://www.dailypokkhokal.com/?p=15232#comments</comments>
		<pubDate>Tue, 30 Nov 1999 00:00:00 +0000</pubDate>
		<dc:creator>pokkhokal</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[অর্থনীতি]]></category>

		<category><![CDATA[প্রধান খবর]]></category>

		<guid isPermaLink="false">https://www.dailypokkhokal.com/?p=15232</guid>
		<description><![CDATA[<span class="feedimg"><img oncontextmenu="return false;" src="https://www.dailypokkhokal.com/cloud/archives/2026/05/pn-thumbnail.jpg" alt="" /></span>ভারত থেকে গরু আমদানি অনুমোদন; আসল তথ্য জানালো মন্ত্রণালয়
পক্ষকাল ডেসক ঃসামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্মে ‘প্রাণিসম্পদ অধিদফতরের&#8217; নামে ভারত থেকে গবাদিপশু (গরু) আমদানির একটি অনুমতিপত্র প্রচারিত হচ্ছে। তবে এটি সম্পূর্ণ ভুয়া ও বিভ্রান্তিকর বলে জানিয়েছে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়।
শনিবার (২ মে) এক বিজ্ঞপ্তিতে মন্ত্রণালয় এ তথ্য জানায়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিষয়টি ইতোমধ্যে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ ...]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p>ভারত থেকে গরু আমদানি অনুমোদন; আসল তথ্য জানালো মন্ত্রণালয়<br />
পক্ষকাল ডেসক ঃ<img src="https://www.dailypokkhokal.com/cloud/archives/2026/05/pn-thumbnail.jpg" alt="---" />সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্মে ‘প্রাণিসম্পদ অধিদফতরের&#8217; নামে ভারত থেকে গবাদিপশু (গরু) আমদানির একটি অনুমতিপত্র প্রচারিত হচ্ছে। তবে এটি সম্পূর্ণ ভুয়া ও বিভ্রান্তিকর বলে জানিয়েছে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়।<br />
শনিবার (২ মে) এক বিজ্ঞপ্তিতে মন্ত্রণালয় এ তথ্য জানায়।<br />
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিষয়টি ইতোমধ্যে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের নজরে এসেছে। প্রাথমিক যাচাই-বাছাইয়ে দেখা গেছে, প্রচারিত অনুমতিপত্রটি উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তৈরি করা হয়েছে এবং এর সঙ্গে কোনো সরকারি অনুমোদন বা দাপ্তরিক প্রক্রিয়ার মিল নেই।<br />
প্রাণিসম্পদ অধিদফতর স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, ওই অনুমতিপত্রটি তাদের পক্ষ থেকে ইস্যু করা হয়নি। এতে ব্যবহৃত তথ্য, নম্বর ও স্বাক্ষরও যাচাইযোগ্য নয়। ফলে এটি কোনো বৈধ সরকারি আমদানি অনুমোদন হিসেবে গণ্য হবে না।<br />
মন্ত্রণালয় আরও জানায়, সাধারণ জনগণ, ব্যবসায়ী ও সংশ্লিষ্ট সবাইকে এ ধরনের অসত্য ও বিভ্রান্তিকর তথ্যের ভিত্তিতে কোনো সিদ্ধান্ত না নিতে অনুরোধ করা হচ্ছে। একই সঙ্গে যাচাই ছাড়া কোনো নথি শেয়ার বা প্রচার না করার আহ্বান জানানো হয়েছে।<br />
এতে সতর্ক করে বলা হয়, ভুয়া তথ্য প্রচারকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। সঠিক তথ্যের জন্য কেবল প্রাণিসম্পদ অধিদফতরের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট এবং নির্ভরযোগ্য সরকারি সূত্র অনুসরণ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>https://www.dailypokkhokal.com/?feed=rss2&amp;p=15232</wfw:commentRss>
		</item>
		<item>
		<title>শীর্ষ সন্ত্রাসী টিটন নিহত</title>
		<link>https://www.dailypokkhokal.com/?p=15220</link>
		<comments>https://www.dailypokkhokal.com/?p=15220#comments</comments>
		<pubDate>Tue, 30 Nov 1999 00:00:00 +0000</pubDate>
		<dc:creator>pokkhokal</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[প্রধান খবর]]></category>

		<guid isPermaLink="false">https://www.dailypokkhokal.com/?p=15220</guid>
		<description><![CDATA[<span class="feedimg"><img oncontextmenu="return false;" src="" alt="" /></span>রাজধানীর নিউমার্কেট এলাকায় দুর্বৃত্তদের গুলিতে নিহত ব্যক্তির পরিচয় নিশ্চিত করেছে পুলিশ। তিনি ২৩ জন শীর্ষ সন্ত্রাসীর তালিকার অন্যতম সদস্য খন্দকার নাঈম আহমেদ ওরফে টিটন (৫২)। মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) রাতে নিউমার্কেটের ১ নম্বর গেট সংলগ্ন এলাকায় হামলার শিকার হন তিনি।
ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার নজরুল ইসলাম টিটনের পরিচয় নিশ্চিত করে জানান, শুরুতে পরিচয় নিয়ে কিছুটা অস্পষ্টতা ...]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p>রাজধানীর নিউমার্কেট এলাকায় দুর্বৃত্তদের গুলিতে নিহত ব্যক্তির পরিচয় নিশ্চিত করেছে পুলিশ। তিনি ২৩ জন শীর্ষ সন্ত্রাসীর তালিকার অন্যতম সদস্য খন্দকার নাঈম আহমেদ ওরফে টিটন (৫২)। মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) রাতে নিউমার্কেটের ১ নম্বর গেট সংলগ্ন এলাকায় হামলার শিকার হন তিনি।</p>
<p>ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার নজরুল ইসলাম টিটনের পরিচয় নিশ্চিত করে জানান, শুরুতে পরিচয় নিয়ে কিছুটা অস্পষ্টতা থাকলেও পরে আঙুলের ছাপ (ফিঙ্গারপ্রিন্ট) পরীক্ষার মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া গেছে যে নিহত ব্যক্তিই শীর্ষ সন্ত্রাসী টিটন।Maps</p>
<p>পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, মঙ্গলবার রাত আটটার দিকে নিউমার্কেট ১ নম্বর গেট ও শহীদ শাহ নেওয়াজ হল সংলগ্ন রাস্তায় মোটরসাইকেলে করে আসা দুই দুর্বৃত্ত টিটনকে লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি চালায়। গুলিবিদ্ধ হয়ে তিনি রাস্তায় লুটিয়ে পড়লে স্থানীয়রা হামলাকারীদের ধাওয়া করেন। এসময় আতঙ্ক ছড়াতে ফাঁকা গুলি ছুড়তে ছুড়তে মোটরসাইকেল নিয়ে পালিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা। পরে তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।</p>
<p>আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সূত্রে জানা গেছে, টিটন দুই দশকেরও বেশি সময় কারাগারে ছিলেন। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর তিনি কারামুক্ত হন। তার বিরুদ্ধে হত্যা ও চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন অপরাধে একাধিক মামলা রয়েছে। মূলত রায়েরবাজার ও হাজারীবাগ এলাকায় তার অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের আধিপত্য ছিল।</p>
<p>উল্লেখ্য, টিটন আরেক আলোচিত শীর্ষ সন্ত্রাসী সানজিদুল ইসলাম ইমনের শ্যালক। অপরাধ জগতে ইমনের প্রভাব ব্যবহার করেই তিনি নিজের অবস্থান তৈরি করেছিলেন বলে জনশ্রুতি রয়েছে। ২০০১ সালে সরকার ঘোষিত ২৩ জন শীর্ষ সন্ত্রাসীর তালিকায় ২ নম্বর অবস্থানে ছিল এই খন্দকার নাঈম আহমেদ ওরফে টিটনের নাম।</p>
<p>পুলিশ জানায়, এই হত্যাকাণ্ডের নেপথ্য কারণ উদঘাটন এবং জড়িতদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>https://www.dailypokkhokal.com/?feed=rss2&amp;p=15220</wfw:commentRss>
		</item>
		<item>
		<title>লালমনিরহাট বিমানঘাঁটিতে বিমান প্রতিরক্ষা ও রাডার স্থাপন করছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী</title>
		<link>https://www.dailypokkhokal.com/?p=15226</link>
		<comments>https://www.dailypokkhokal.com/?p=15226#comments</comments>
		<pubDate>Tue, 30 Nov 1999 00:00:00 +0000</pubDate>
		<dc:creator>pokkhokal</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[তথ্য-প্রযুক্তি]]></category>

		<category><![CDATA[প্রধান খবর]]></category>

		<guid isPermaLink="false">https://www.dailypokkhokal.com/?p=15226</guid>
		<description><![CDATA[<span class="feedimg"><img oncontextmenu="return false;" src="https://www.dailypokkhokal.com/cloud/archives/2026/05/bangla-aviation-thumbnail.jpg" alt="" /></span>
নিজস্ব প্রতিবেদক:
বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর আর্মি এভিয়েশন গ্রুপ গত দুই সপ্তাহ ধরে লালমনিরহাট বিমানঘাঁটিতে একটি আধুনিক বিমান প্রতিরক্ষা ও রাডার ব্যবস্থা স্থাপনের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। একাধিক সামরিক সূত্রের বরাত দিয়ে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
রংপুর বিভাগের লালমনিরহাট জেলার মহেন্দ্রনগর ইউনিয়নের হরিভাঙা গ্রামে অবস্থিত এই বিমানঘাঁটিতে সম্প্রতি একটি বড় হ্যাঙ্গার নির্মাণ কাজ শেষ হয়েছে। নতুন প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম স্থাপনের ...]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><img src="https://www.dailypokkhokal.com/cloud/archives/2026/05/bangla-aviation-thumbnail.jpg" alt="---" /></p>
<p>নিজস্ব প্রতিবেদক:</p>
<p>বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর আর্মি এভিয়েশন গ্রুপ গত দুই সপ্তাহ ধরে লালমনিরহাট বিমানঘাঁটিতে একটি আধুনিক বিমান প্রতিরক্ষা ও রাডার ব্যবস্থা স্থাপনের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। একাধিক সামরিক সূত্রের বরাত দিয়ে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।</p>
<p>রংপুর বিভাগের লালমনিরহাট জেলার মহেন্দ্রনগর ইউনিয়নের হরিভাঙা গ্রামে অবস্থিত এই বিমানঘাঁটিতে সম্প্রতি একটি বড় হ্যাঙ্গার নির্মাণ কাজ শেষ হয়েছে। নতুন প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম স্থাপনের কারণে ঘাঁটির নিরাপত্তা ব্যবস্থাও উল্লেখযোগ্যভাবে জোরদার করা হয়েছে। �</p>
<p>প্রায় ১,১৬৬ একর এলাকা জুড়ে বিস্তৃত এই বিমানঘাঁটির রানওয়ের দৈর্ঘ্য প্রায় ৪ কিলোমিটার। ১৯৩১ সালে নির্মিত এই ঘাঁটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ব্যবহৃত হলেও পরে দীর্ঘদিন পরিত্যক্ত ছিল। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধেও পাকিস্তানি বাহিনী এটি ব্যবহার করেছিল।</p>
<p>এর আগে ২০২৫ সালের নভেম্বরে এই বিমানঘাঁটিতে নতুন রাডার ব্যবস্থা স্থাপনের পরিকল্পনার কথা প্রকাশ্যে আসে। সে সময় রাডার ব্যবস্থার বিভিন্ন উপাদান ট্রাকে করে সেখানে পৌঁছানো হয় এবং স্থাপনার জন্য প্রয়োজনীয় অবকাঠামো তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়।</p>
<p>সামরিক সূত্র মতে, নতুন রাডার ব্যবস্থা পুরোনো ও অচল হয়ে পড়া প্রযুক্তিকে প্রতিস্থাপন করবে। একটি আধুনিক বিমান প্রতিরক্ষা রাডার সাধারণত নজরদারি, লক্ষ্য শনাক্তকরণ এবং সম্ভাব্য হুমকি নির্ণয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এতে ট্রান্সমিটার, অ্যান্টেনা, রিসিভার, প্রসেসরসহ কমান্ড ও কন্ট্রোল সিস্টেম অন্তর্ভুক্ত থাকে।</p>
<p>তবে এই উন্নয়ন কার্যক্রম নিয়ে ভারতের সামরিক মহলে কিছু উদ্বেগের কথা জানা গেলেও এ বিষয়ে এখনো প্রকাশ্যে কোনো প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি। একই সময়ে বগুড়া বিমানঘাঁটিতেও অনুরূপ রাডার ও প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা স্থাপনের কাজ চলছে বলে সূত্র জানিয়েছে।</p>
<p>উল্লেখ্য, পূর্বে বাংলাদেশ পক্ষ থেকে লালমনিরহাট বিমানঘাঁটিকে সামরিক কাজে ব্যবহার না করার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল। তবে বর্তমান কার্যক্রম সেই অবস্থান থেকে সরে আসার ইঙ্গিত দিচ্ছে বলে বিশ্লেষকদের ধারণা। �</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>https://www.dailypokkhokal.com/?feed=rss2&amp;p=15226</wfw:commentRss>
		</item>
		<item>
		<title>মাত্র ৭ বছরে কোটিপতি  রাজউক ইমারত পরিদর্শক নির্মল মালো কি আইনের উর্ধ্বে</title>
		<link>https://www.dailypokkhokal.com/?p=15230</link>
		<comments>https://www.dailypokkhokal.com/?p=15230#comments</comments>
		<pubDate>Tue, 30 Nov 1999 00:00:00 +0000</pubDate>
		<dc:creator>pokkhokal</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[অপরাধ]]></category>

		<category><![CDATA[অর্থনীতি]]></category>

		<category><![CDATA[প্রধান খবর]]></category>

		<guid isPermaLink="false">https://www.dailypokkhokal.com/?p=15230</guid>
		<description><![CDATA[<span class="feedimg"><img oncontextmenu="return false;" src="https://www.dailypokkhokal.com/cloud/archives/2026/05/img-20260502-wa0028-thumbnail.jpg" alt="" /></span>বিশেষ প্রতিনিধি: 
রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) যেন স্বর্ণের খনি অনেক কর্মকর্তা-কর্মচারী কয়েক বছর চাকরি করেই হয়ে গেছেন শত শত কোটি টাকার মালিক, বিভিন্ন কর্মকর্তা-কর্মচারীর বিরুদ্ধে ঘুষ দুর্নীতির শত শত অভিযোগ কিন্তু অদৃশ্য কারণে অধিকাংশ অভিযোগ কখনো কার্যকর হয় না কারণ অবৈধ অর্থ দিয়ে সবকিছু ম্যানেজ করে ফেলেন দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা, ৭ বছরে ইমারত পরিদর্শক পদে চাকরি করে ...]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p>বিশেষ প্রতিনিধি: <img src="https://www.dailypokkhokal.com/cloud/archives/2026/05/img-20260502-wa0028-thumbnail.jpg" alt="---" /></p>
<p>রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) যেন স্বর্ণের খনি অনেক কর্মকর্তা-কর্মচারী কয়েক বছর চাকরি করেই হয়ে গেছেন শত শত কোটি টাকার মালিক, বিভিন্ন কর্মকর্তা-কর্মচারীর বিরুদ্ধে ঘুষ দুর্নীতির শত শত অভিযোগ কিন্তু অদৃশ্য কারণে অধিকাংশ অভিযোগ কখনো কার্যকর হয় না কারণ অবৈধ অর্থ দিয়ে সবকিছু ম্যানেজ করে ফেলেন দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা, ৭ বছরে ইমারত পরিদর্শক পদে চাকরি করে শত কোটি টাকার মালিক বনে গেছেন নির্মল মালো।</p>
<p>বিগত সরকারের আমলে শুধু গোপালগঞ্জ টুঙ্গিপাড়ার অধিকাংশ বাসিন্দারা সরকারি বিভিন্ন দপ্তরে চাকরিতে যোগদান করেই নেমে পড়তেন অনিয়ম দুর্নীতি ও ঘুষ বাণিজ্যে এদের বিরুদ্ধে ভয় কেউ মুখ খুলতো না অধিকাংশ অভিযোগ কখনো কার্যকর হতো না, রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ রাজউকের ইমারত পরিদর্শক নির্মল মালোর বিরুদ্ধে রয়েছে একাধিক অভিযোগ লিখিত মৌখিক ও ঘুষ দুর্নীতির টাকায় সাত বছরের বনে গেছেন শত কোটি টাকার মালিক কিন্তু এত অভিযোগ থাকার পরও কোন এক অদৃশ্য কারণে তিনি আছেন বহাল তবিয়তে।</p>
<p>গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলার পৌরসভার মাছ বিক্রেতা নিত্য মালোর ছেলে নির্মল মালো ছিল ভবঘুরে বেকার ২০১৮ সালে গোপালগঞ্জের একজন প্রভাবশালী আওয়ামী লীগ নেতার সুপারিশে ছাত্রলীগের কোঠায় রাজউকের ইমারত পরিদর্শক পদে চাকরিতে যোগদান করেন, অভিযোগ আছে নিয়ম বহির্ভূতভাবে তার চাকরি হয়েছিল এরপর আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি চাকরিতে যোগদান করেই নেমে পড়েন ঘুষ দুর্নীতি সহ নানা অপরাধে বিভিন্ন ভবন মালিকদের কে জিম্মি করে  প্রতিনিয়ত আদায় করেন মোটা অংকের ঘুষ।</p>
<p>অভিযোগ আছে ভূমি ব্যবহারের ছাড়পত্র, নকশা অনুমোদন থাকলেও ঘুষ দিতে হয়, না দিলে ভবন ভাঙ্গার ভয় দেখানো হয়।</p>
<p>আবার অনেক সময় ভবন মালিকরা নিয়মের ব্যত্যয় ঘটিয়ে ভবন নির্মাণ করলেও অর্থ দিয়ে ম্যানেজ করে ফেলেন এরকম একাধিক অভিযোগ রয়েছে নির্মল মালের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনুসন্ধান ও গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্যে জানা যায়:-</p>
<p>রাজউকের জোনাল অফিস- ৪/৩ এর আওতাধীন দক্ষিণ খান এলাকার আর্মি সোসাইটি রোড, চালাবন, নোয়াপাড়া, আমতলা, কালভার্ড কেন্দ্রীয় শাহী মসজিদ আইনুছ বাগ, কলেজ রোডের একাধিক ভবন নকশার ব্যত্যয় ঘটিয়ে নিয়মবহির্ভূতভাবে নির্মাণের অভিযোগ ছিল এসব ভবনের সামনে ছিলনা সাইনবোর্ড নেই। নির্মান শ্রমিক ও পথচারীদের নিরাপত্তার জন্য নেওয়া হয়নি সেফটিনেট। ভবনের চতুরপার্শ্বে ইচ্ছেমতো নকশা বিচ্যুতি (ডেভিয়েশন) করে নির্মান করা হয়েছিল, কিন্তু নির্মাণ সাইট পরিদর্শনকালে ভবন নির্মাণে ভবন মালিকদের কাছ থেকে ইমারত পরিদর্শক নির্মল মালো লক্ষ লক্ষ টাকা ঘুষ নিয়েছিলেন, আবার সমস্ত অনুমোদন থাকার পরও একাধিক মালিককে ভবন ভাঙার ভয় দেখিয়ে উপর মহলে টাকা দেওয়ার কথা বলে লক্ষ লক্ষ টাকা ঘুষ নিয়েছেন তিনি গতবছর একাধিক ভবন মালিক রাজউকের চেয়ারম্যান বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছিলেন কিন্তু কোন এক অদৃশ্য কারণে তা কার্যকর হয়নি,নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন ভবন মালিক বলেন আমার কাছ থেকে এই নির্মল মালো সমস্ত অনুমোদন থাকার পরও বিভিন্ন ভয়-ভীতি দেখিয়ে পাঁচ লক্ষ টাকা ঘুষ নিয়েছে যার তথ্য প্রমাণ আমার কাছে সংরক্ষিত আছে।</p>
<p>রাজউকে মাত্র ৭ বছর চাকরি করে ঘুষ দুর্নীতির মাধ্যমে অবৈধ অর্থে বানিয়েছেন বিশাল সম্পদ বাবার ভাঙ্গা টিনের ঘর ভেঙে নির্মাণ করেছেন পাকা বিল্ডিং, মাছ বিক্রেতা বাবা নিত্য মালোকে প্রায় পঞ্চাশ লক্ষ টাকা দিয়ে বানিয়েছিলেন উপজেলা মৎস্যজীবী লীগের সাধারণ সম্পাদক, সেই প্রভাবে হয়ে উঠেছিলেন আরো ক্ষমতাধর।</p>
<p>কোটালীপাড়া পৌরসভার বাগান উত্তর পাড়া গ্রামে ১০ কাঠা জমির ওপর নির্মাণ করেছেন ডুপ্লেক্স বাড়ি ইতিমধ্যে বাড়ি নির্মাণে ব্যয় হয়েছে কয়েক কোটি টাকা, যা সাংবাদিকের কাছে নিত্য মালোর মা অকপটে স্বীকার করেন বলেন এটা নিত্য মালোর একার বাড়ি।</p>
<p>রাজধানী ঢাকার আফতাব নগরের ডি-ব্লকের ৫ নম্বর সড়কের লেকভিউ কটেজের সি-২, ফ্লাট প্রায় ১ কোটি টাকা দিয়ে  নিজের নামে ক্রয় করেছেন, ওই বাড়ির কেয়ারটেকারের কাছে জানতে চাইলে বলেন স্যার একটু আগে গাড়ি নিয়ে বের হয়ে গেছেন, তবে সাংবাদিক শুনে কেয়ারটেকার বলেন, আমি কিছু বলতে পারব না, চলাচলের জন্য রয়েছে গাড়ি ও একাধিক মোটরসাইকেল।</p>
<p>এছাড়া উঠে আসে একাধিক গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ ও এলাকাবাসী বলেন, পৌরসভার উত্তর পাড়ায় ২০ বিঘা জমির ওপর পোল্ট্রি ফার্ম, কান্দি ইউনিয়নের আমবাড়িতে ৪০ বিঘা জমির ভেতর মাছের ঘের, উজিরপুরের সাতলায় ৩৫ বিঘা জমির মাছের ঘের সহ বিভিন্ন এলাকায় নামে বেনামে জমি ক্রয় করেছেন।</p>
<p>কোটালীপাড়ায় রয়েছে ক্যাফে জয়বাংলা নামে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান।</p>
<p>আরো সম্পদের তালিকায় রয়েছে কুড়িল বিশ্ব রোড়ে প্লট ও ওয়ারী এবং মগবাজারে ফ্ল্যাট রয়েছে বলে নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে, তবে অধিকাংশ সম্পদ ক্রয় করেছেন স্ত্রী উর্মি সাহা ও পরিবারের অন্যান্য সদস্যের নামে, শুধুমাত্র আইনের চোখ ফাঁকি দেওয়ার জন্য। তার স্ত্রী উর্মি সাহা একসময় আরং এ চাকরি করতেন।</p>
<p>রাজউকের বেশ কয়েকজন কর্মচারী বলেন, নির্মল মালো স্যার ইংল্যান্ডের একটি বিদেশি সিগারেট খান যার প্রতি কার্টুনের দাম ৪ হাজার টাকা আনুমানিক মাসে ৩০ থেকে ৪০ হাজার টাকার সিগারেট লাগে, অথচ তিনি কত বেতন পান?</p>
<p>নির্মল মালো চলতি দায়িত্বে রাজউক মহাখালী জোনে( ৪/৩) ইমারত পরিদর্শক পদে কর্মরত। রাজউকের বেশ কয়েকজন কর্মকর্তা কর্মচারী নাম প্রকাশ না করে বলেন, অনেক খেয়াল খুশি মত চলেন ঠিকমতো অফিসে আসেন না, আর ওনার বিরুদ্ধে ঘুষ দুর্নীতির অভিযোগ এগুলো নতুন কিছু নয় এর আগেও একাধিকবার তার বিরুদ্ধে অভিযোগ সংবাদ প্রকাশ হয়েছে কিন্তু তিনি অবৈধ অর্থ দিয়ে উপর মহলকে সবকিছু ম্যানেজ করে ফেলেন।</p>
<p>নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দুদকের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার কাছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, শুধুমাত্র অভিযোগের আলোকে দুদক অনুসন্ধান করে বিষয়টি সঠিক নয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত সকল তথ্য গুরুত্ব সহকারে পর্যালোচনা করে দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান চালানো হবে।ঠিকমতো অফিসে না আসা ভবন মালিকদের জিম্মি করে অবৈধ অর্থ উপার্জন, একাধিক অভিযোগপত্র ও প্রকাশিত গণমাধ্যমের সংবাদসহ সকল বিষয়ে জানতে চাইলে অথরাইজড অফিসার পারভেজ কায়সার কাছেও একাধিক বার গেলে তাকে পাওয়া যায়নি এবং ফোনে যোগাযোগ করলে সাংবাদিক শুনে তিনিও ফোন কেটে দেন।</p>
<p>সামান্য দশম গ্রেডে চাকরি করে মাছ বিক্রেতার ছেলে ইমারত পরিদর্শক নির্মল মালো কিভাবে এত অর্থের মালিক হলেন সেই প্রশ্নের উত্তর জানতে তার অফিসে একাধিক বার গেলেও তাকে পাওয়া যায়নি ও মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলেও তিনি কোন উত্তর দেননি এবং তার সহকর্মীরা বলেন উনি ঠিকমত অফিস করে না কোন এক অদৃশ্য ক্ষমতার বলে।</p>
<p>ইমারত পরিদর্শক নির্মল মালোর অনিয়ম দুর্নীতি ও অবৈধ অর্থে সম্পদের আরো   বিস্তারিত জানতে চোখ রাখুন দৈনিক পক্ষকাল পত্রিকার অনলাইন এবং প্রিন্ট ভার্সনে,,,,,,</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>https://www.dailypokkhokal.com/?feed=rss2&amp;p=15230</wfw:commentRss>
		</item>
		<item>
		<title>&#8221; প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ&#8221;" হকারদের কাছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন&#8217;র রাস্তা বিক্রি</title>
		<link>https://www.dailypokkhokal.com/?p=15228</link>
		<comments>https://www.dailypokkhokal.com/?p=15228#comments</comments>
		<pubDate>Tue, 30 Nov 1999 00:00:00 +0000</pubDate>
		<dc:creator>pokkhokal</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[অর্থনীতি]]></category>

		<category><![CDATA[প্রধান খবর]]></category>

		<guid isPermaLink="false">https://www.dailypokkhokal.com/?p=15228</guid>
		<description><![CDATA[<span class="feedimg"><img oncontextmenu="return false;" src="https://www.dailypokkhokal.com/cloud/archives/2026/05/img-20260501-wa0024-thumbnail.jpg" alt="" /></span>&#8221;
নিজস্ব প্রতিবেদক:
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কয়েকদিন রাস্তা না আটকিয়ে চলাচল করে বুঝেছেন, ঢাকার যানজট কোন পর্যায় গিয়ে উঠেছে। বিশেষ করে ইউনুস আমলে বড়ো রাস্তায় অবাধে ব্যাটারি রিক্সা চলতে দেওয়া, হকারদের ফুটপাথ ছেড়ে দুই তিন লেইনে রাস্তা দখল, পুলিশের নিষ্ক্রিয়তা- যানজট পরিস্থিতিকে জটিল করে তুলেছিল।
যাই হোক,মাস খানেক আগে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশে ঢাকাসহ দেশের বড়ো শহরগুলোতে হকার ...]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p>&#8221;</p>
<p>নিজস্ব প্রতিবেদক:<img src="https://www.dailypokkhokal.com/cloud/archives/2026/05/img-20260501-wa0024-thumbnail.jpg" alt="---" /></p>
<p>প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কয়েকদিন রাস্তা না আটকিয়ে চলাচল করে বুঝেছেন, ঢাকার যানজট কোন পর্যায় গিয়ে উঠেছে। বিশেষ করে ইউনুস আমলে বড়ো রাস্তায় অবাধে ব্যাটারি রিক্সা চলতে দেওয়া, হকারদের ফুটপাথ ছেড়ে দুই তিন লেইনে রাস্তা দখল, পুলিশের নিষ্ক্রিয়তা- যানজট পরিস্থিতিকে জটিল করে তুলেছিল।</p>
<p>যাই হোক,মাস খানেক আগে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশে ঢাকাসহ দেশের বড়ো শহরগুলোতে হকার উচ্ছেদের অভিযান শুরু হয়। সবাই একে সাধুবাদ জানায়।</p>
<p>কিন্তু উচ্ছেদের কিছুদিনের মাথায় ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন রাস্তায় সাদা দাগ টেনে হকারদের জন্য জায়গা নির্ধারণ করে দিচ্ছে। লাইসেন্স ফির নামে রাস্তা বেচে দিচ্ছে সিটি কর্পোরেশন। এখন প্রশ্ন হলো- রাস্তা জনগণ হাঁটাচলা ও গাড়ি চলাচলের জন্য সেই রাস্তা হকারদের মধ্যে বিলিবন্টনের অধিকার ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনকে কে দিল? এটা কী আইনসঙ্গত?</p>
<p>যদিও বাংলাদেশের প্রচলিত আইনে আছে রাস্তা দখল একটা অবৈধ কাজ। যদি কোনো মানুষ অবৈধ ভাবে কোনো কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করে,তাহলে সেই কাজটি বৈধ হয়ে যায় না। এখানে রুটি রুজি, বউ বাচ্চা ভরণপোষণের দোহাই দেয়ার কোনো সুযোগ নেই। এভাবে হকারদের রাস্তা দখলের বৈধতা দিলে ভবিষ্যতে দলে দলে লোক এসে যখন শহরের অন্য রাস্তাগুলো দখল করবে,তখন সিটি কর্পোরেশন কী করবে?</p>
<p>সাধারণ নাগরিকদের প্রশ্ন বৈধ দোকানগুলোই যেখানে ফুটপাথ দখল করে ক্ষেত্রবিশেষে রাস্তা দখল করে ব্যবসা করছে। সেটাই ঠেকাতে পারছে না পুলিশ। পুলিশ কী হকারদের সাদা দাগের মধ্যে আবদ্ধ রাখতে পারবে? আগে অবৈধ জেনে রাস্তা দখল করত যে হকার,</p>
<p>এখন সেই হকার বৈধতার সূত্র পেয়ে বেপরোয়া হয়ে উঠবে। তখন প্রশাসন কী করবে? বর্তমান সরকার প্রধানের কাছে সাধারণ মানুষদের দাবি,প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের কার্যের মাঝে রাস্তা বিক্রির কাজ বন্ধ করার নির্দেশ প্রদান করে রাজধানী ঢাকা শহরকে সর্বনাশ এর হাত থেকে রক্ষা করে নগরবাসীকে দুর্গতি মুক্ত ভাবে জীবনযাপনের জন্য ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের রাস্তা বিক্রির এই কার্যক্রম বন্ধ রাখতে নির্দেশনা প্রদান করবেন।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>https://www.dailypokkhokal.com/?feed=rss2&amp;p=15228</wfw:commentRss>
		</item>
	</channel>
</rss>
