শিরোনাম:
ঢাকা, বুধবার, ২৯ জুন ২০২২, ১৫ আষাঢ় ১৪২৯

Daily Pokkhokal
রবিবার, ১২ জুন ২০২২
প্রথম পাতা » » অধিকারের নিবন্ধন বাতিলের দিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের দাবি ৩৭ জন বিশিষ্ট নাগরিকের
প্রথম পাতা » » অধিকারের নিবন্ধন বাতিলের দিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের দাবি ৩৭ জন বিশিষ্ট নাগরিকের
২৭ বার পঠিত
রবিবার, ১২ জুন ২০২২
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

অধিকারের নিবন্ধন বাতিলের দিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের দাবি ৩৭ জন বিশিষ্ট নাগরিকের

ডেস্ক :‘অধিকার’-এর নিবন্ধন বাতিলের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের দাবি ৩৭ বিশিষ্ট নাগরিকের
মানবাধিকার সংগঠন ‘অধিকার’-এর নিবন্ধন বাতিলের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের দাবি জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন ৩৭ বিশিষ্ট নাগরিক।
আজ রোববার গণমাধ্যমে পাঠানো বিবৃতিতে বলা হয়, মানবাধিকার-বিষয়ক সংগঠন অধিকার বহু বছর ধরে বাংলাদেশে আইনের শাসন ও মানবাধিকার সুরক্ষার লক্ষ্যে তথ্য সংগ্রহ, গবেষণা ও অধিপরামর্শ কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। নাগরিকদের সাংবিধানিক অধিকার লঙ্ঘন বিশেষ করে গুম, বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড ও নির্যাতনের অভিযোগের বিষয়ে তাদের কার্যক্রম ভুক্তভোগী, তাদের স্বজন তথা দেশের সব নাগরিকের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

এনজিওবিষয়ক ব্যুরো ৫ জুন অধিকারের নিবন্ধন নবায়নের আবেদন নামঞ্জুর করে। নিবন্ধন নবায়ন নিয়ে অধিকারের একটি রিটের বিষয়ে হাইকোর্টের রুলের ওপর শুনানি চলার মধ্যেই সংগঠনটির আবেদন নামঞ্জুর করা হয়।
বিশিষ্টজনদের বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘সম্প্রতি এনজিওবিষয়ক ব্যুরো অধিকারের নিবন্ধন নবায়ন না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। চরম মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিভিন্ন ঘটনার জন্য সরকার যখন দেশে-বিদেশে সমালোচিত হচ্ছে, তখন এই সিদ্ধান্ত দেশের জন্য ক্ষতিকর বার্তা দেবে; গুম, খুন ও নির্যাতনের বিষয়ে মানুষের মনে আতঙ্ক বৃদ্ধি করবে এবং দেশের ক্রিয়াশীল মানবাধিকার প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য নতুন হুমকির ইঙ্গিত দেবে। উচ্চ আদালতে অধিকারের নিবন্ধন নিয়ে একটি মামলা চলাকালীন এনজিও ব্যুরোর এই সিদ্ধান্ত বিচার বিভাগ অবমাননার শামিল এবং সংবিধানে বর্ণিত সংগঠন করার মৌলিক অধিকারের পরিপন্থী বলে আমরা মনে করি।’

বিবৃতিদাতারা এনজিওবিষয়ক ব্যুরোর এই সিদ্ধান্তের তীব্র নিন্দা জানান এবং অধিকারের নিবন্ধন নবায়ন না করার সিদ্ধান্তটি অবিলম্বে প্রত্যাহারের দাবি জানান।
বিবৃতিদাতারা হলেন মানবাধিকারকর্মী হামিদা হোসেন, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা সুলতানা কামাল, রাশেদা কে চৌধূরী, অধ্যাপক পারভীন হাসান, অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ, ইফতেখারুজ্জামান, সাবেক মন্ত্রিপরিষদ সচিব আলী ইমাম মজুমদার, সারা হোসেন, ফস্টিনা পেরেরা, সামিনা লুৎফা, আসিফ নজরুল, সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান, অধ্যাপক তাসনিম সিদ্দিকী, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী শাহদীন মালিক, জ্যোতির্ময় বড়ুয়া, সুব্রত চৌধুরী, তবারক হোসেইন, অধ্যাপক স্বপন আদনান, রোবায়েত ফেরদৌস, শাহনাজ হুদা, সুমাইয়া খায়ের, গবেষক বীণা ডি’কস্টা, আলোকচিত্রী শহিদুল আলম, রেহনুমা আহমেদ, মানবাধিকারকর্মী শিরিন হক, নূর খান লিটন, অরূপ রাহী, রেজাউর রহমান লেলিন, নাসের বখতিয়ার আহমেদ, হানা শামস আহমেদ, ইজাজুল ইসলাম, গবেষক সায়দিয়া গুলরুখ ও রোজিনা বেগম, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের নাসরিন খন্দকার, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মাইদুল ইসলাম, গুমবিরোধী সংগঠন ‘মায়ের ডাক’-এর সংগঠক সানজিদা ইসলাম।

সুত্র:প্রথম আলো---



পাঠকের মন্তব্য

(মতামতের জন্যে সম্পাদক দায়ী নয়।)